বঙ্গবন্ধুর সাবেক একান্ত সচিবের প্রয়াণ

বঙ্গবন্ধুর সাবেক একান্ত সচিবের প্রয়াণ

আব্দুস সামাদ ১৯৯৭ থেকে ২০০১ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ছবি: নিউজবাংলা

শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সাবেক সিএসপি কর্মকর্তা সৈয়দ আব্দুস সামাদ রাঙ্গামাটির এডিসি থাকা অবস্থায় পাকিস্তানি পক্ষ ছেড়ে মুজিবনগর সরকারে যোগ দিয়েছিলেন। ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তি স্থাপনে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাবেক একান্ত সচিব ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক মুখ্য সচিব ড. আব্দুস সামাদ মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছেন সরকার প্রধান।

সৈয়দ আব্দুস সামাদ বুধবার বিকেল ৪টা ৫০মিনিটে বারিধারায় নিজ বাড়িতে মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বারিধারা জামে মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারে।

এ শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তি স্থাপনে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সাবেক সিএসপি কর্মকর্তা সৈয়দ আব্দুস সামাদ রাঙ্গামাটির এডিসি থাকা অবস্থায় পাকিস্তানি পক্ষ ছেড়ে মুজিবনগর সরকারে যোগ দিয়েছিলেন।

‘তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৎ, দক্ষ, সাহসী এবং কর্তব্যপরায়ণ একজন সরকারি কর্মকর্তা’, যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময়, প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আব্দুস সামাদ ১৯৯৭ থেকে ২০০১ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব। পালন করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্বও। অর্থনীতি বিষয়ে তার বেশ কয়েকটি বই রয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘প্রধানমন্ত্রিত্ব আমার কাছে কিছু না’
আগে ছিলাম ছোট জেলখানায়, এখন বড় জেলখানায়
সৎ নির্মোহ ও জনবান্ধব সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতির নির্দেশ
বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমতি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমতি

অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তক্রমে নিজ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষাসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে পারবে।

করোনায় ১৭ মাস বন্ধ থাকার পর শর্তসাপেক্ষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। তবে এর জন্য স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের অনুমতি লাগবে এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পরিচালক (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগ) মো. ওমর ফারুখের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও করোনার এক ডোজ টিকা অথবা টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে এই শর্তে সশরীরে ক্লাস ও পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।’

অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তক্রমে নিজ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষাসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে পারবে।

শর্ত সমূহ:

১. শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীগণ ইতোমধ্যে কমপক্ষে এক ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছে অথবা ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য জাতীয় পরিচয় (NID) সহযোগে জাতীয় সুরক্ষা সেবা ওয়েব (https://surokkha.gov.bd/) অথবা surokkha app-এর মাধ্যমে নিবন্ধন করে থাকলে।

২. ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব শিক্ষার্থী, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তারা জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য ব্যবহার করে কমিশনের ওয়েবলিংক (https://univac.ugc.gov.bd)-এ ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন করে থাকলে এবং পরবর্তীতে জাতীয় সুরক্ষা সেবা ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে টিকা গ্রহণের জন্য নিবন্ধন করে থাকলে।

এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও উপাচার্যদের বৈঠকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের টিকা নিবন্ধন শেষে কিছু ব্যবস্থা নেয়া সাপেক্ষে যেকোনো দিন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত হয়।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে গত বছরের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
‘প্রধানমন্ত্রিত্ব আমার কাছে কিছু না’
আগে ছিলাম ছোট জেলখানায়, এখন বড় জেলখানায়
সৎ নির্মোহ ও জনবান্ধব সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতির নির্দেশ
বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

শেয়ার করুন

আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র

আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র

বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন ঢাকা। ছবি: সংগৃহীত

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শিগগির খুলনাসহ আরও ৬ বিভাগীয় শহরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপিত হবে। অন্যান্য জেলা এবং খুলনাতেও সিনেপ্লেক্সসহ তথ্য কমপ্লেক্স হবে।’

দেশের আরও ছয় বিভাগীয় শহরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপনের কথা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

খুলনায় শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ বেতার কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শিগগির খুলনাসহ আরও ৬ বিভাগীয় শহরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপিত হবে। অন্যান্য জেলা এবং খুলনাতেও সিনেপ্লেক্সসহ তথ্য কমপ্লেক্স হবে।

‘বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে দেশে যে চলচ্চিত্রশিল্পের যাত্রা, তাকে নতুন জীবন দিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া খুলনা নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি এ অঞ্চলের পত্রিকাগুলোর স্বার্থে আবার চালুর জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’

বাংলাদেশ টেলিভিশনের বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচার কেন্দ্র রয়েছে। বিভাগীয় শহরগুলোতেও সম্প্রচার কেন্দ্র করা হলে এর সংখ্যা হবে আটটি।

এ সময় রাজনৈতিক নানা ইস্যুতেও কথা বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে যারা জনগণের ভোট ও রায়ের ওপর নির্ভর করে, তাদের জন্য নির্বাচন বর্জন আত্মহনের মতো সিদ্ধান্ত, কিন্তু যারা পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়, তারা নির্বাচন বর্জন করতে পারে।

‘পত্রিকায় দেখলাম বিএনপি নাকি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না। ২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচনে যায়নি, কিন্তু নির্বাচন হয়েছে এবং দেশে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। ২০১৮ সালেও বিএনপি নির্বাচনে যাবে-যাবে না করে গাধার জল ঘোলা করে খাওয়ার মতো শেষে গেছে। তাই তাদের এ সিদ্ধান্তই থাকবে কিনা জানি না, কিন্তু বিএনপির জন্য এ সিদ্ধান্ত আত্মহননমূলক। অবশ্য বিএনপির সবসময় পেছনের দরজাটাই পছন্দ।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত। গত সাড়ে ১২ বছর ধরে তাদের রাজনীতিটা ছিল জনগণের বিপক্ষে।

‘জনগণের ওপর পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা, হরতাল-অবরোধের নামে জনগণকে বন্দী করে রাখা এসবের মধ্যেই বিএনপির রাজনীতিটা সীমাবদ্ধ ছিল। এ কারণে প্রতিনিয়ত তারা জনগণ থেকে দূরে সরে গেছে এবং এই প্রেক্ষাপটে তারা সিরিজ বৈঠক করেছে। তাদের উচিত জনগণের সঙ্গে বৈরিতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা।’

আরও পড়ুন:
‘প্রধানমন্ত্রিত্ব আমার কাছে কিছু না’
আগে ছিলাম ছোট জেলখানায়, এখন বড় জেলখানায়
সৎ নির্মোহ ও জনবান্ধব সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতির নির্দেশ
বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস। ছবি: সংগৃহীত

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘নিউ ইয়র্কের লটে নিউইয়র্ক প্যালেসে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন তিনি।’

বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়ন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়শী প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের লটে নিউইয়র্ক প্যালেসে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নেন জাতিসংঘ মহাসচিব। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন তিনি।

পরে এক ব্রিফিংয়ে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেন, ‘বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহাসচিব গুতেরেসকে স্বাগত জানান। বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলোকে জাতিসংঘ গুরুত্ব দেয় জানিয়ে মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মত বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো জাতিসংঘেরও অগ্রাধিকার।

এ সময় জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনের উচ্চপদে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আরও বেশি সদস্যকে নিযুক্ত করতে গুতেরেসের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গুতেরেস এ আহ্বানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন। তিনি এটিকে ন্যায্য মনে করেন ও বাংলাদেশের জন্য আরও কিছু করতে চান।’

গতিশীল অর্থনীতির বাংলাদেশকে জাতিসংঘ ‘রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বলেও জানান মোমেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব
জাতিসংঘ সদরদপ্তরে নেদারল্যান্ডের রাণী ম্যাক্সিমার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী।

মহাসচিবের পাশাপাশি জাতিসংঘ সদরদপ্তরে নেদারল্যান্ডের রাণী ম্যাক্সিমা, ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান ফুক এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মাদ সহিলের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নেদারল্যান্ডের রাণী ম্যাক্সিমার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় শেখ হাসিনা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষয়ক্ষতি সামলাতে তার সরকার ইন্স্যুরেন্স ব্যবস্থা চালু করার চিন্তা ভাবনা করছে।

এ সময় পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব
ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান ফুকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মাদ সহিলের সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারে ড. মোমেন বলেন, ‘মালে ও চট্টগ্রামের মধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজ চালু করার ব্যাপারে দুই দেশ এক সঙ্গে কাজ করছে।’

ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান ফুকের সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগের অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
‘প্রধানমন্ত্রিত্ব আমার কাছে কিছু না’
আগে ছিলাম ছোট জেলখানায়, এখন বড় জেলখানায়
সৎ নির্মোহ ও জনবান্ধব সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতির নির্দেশ
বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

শেয়ার করুন

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে আট কর্মকর্তার পদায়ন

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে আট কর্মকর্তার পদায়ন

প্রজ্ঞাপনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সাহেদ মিয়া, মো. মনিরুজ্জামান, মো. নাজমুল ইসলাম, মো. শরিফুল আলম, আতিকুর রহমান চৌধুরী ও ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিনহাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলামকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (টিআর) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার আটজন কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে।

শুক্রবার পুলিশ সদরদপ্তর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ পদায়ন করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সাহেদ মিয়া, মো. মনিরুজ্জামান, মো. নাজমুল ইসলাম, মো. শরিফুল আলম, আতিকুর রহমান চৌধুরী ও ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিনহাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলামকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (টিআর) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

একই দিনে পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেনকে শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘প্রধানমন্ত্রিত্ব আমার কাছে কিছু না’
আগে ছিলাম ছোট জেলখানায়, এখন বড় জেলখানায়
সৎ নির্মোহ ও জনবান্ধব সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতির নির্দেশ
বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

শেয়ার করুন

মালিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক পেলেন ১৪০ পুলিশ সদস্য

মালিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক পেলেন ১৪০ পুলিশ সদস্য

শান্তিরক্ষায় অসামান্য অবদান ও উঁচুমানের পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের এ পদক দেয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত

কমান্ডার (পুলিশ সুপার) বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদার সদস্যরা চলমান কোভিড-১৯ মহামারিতেও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের সম্মান অক্ষুণ্ন রেখেছেন।’

মালির রাজধানী বামাকোতে ইউনাইটেড নেশনস মাল্টিডাইমেনশনাল ইন্টিগ্রেটেড স্ট্যাবিলাইজেশন মিশনে (এমআইএনইউএসএমএ) কর্মরত বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটের ১৪০ জন সদস্য জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদকে ভূষিত হয়েছেন।

শান্তিরক্ষায় অসামান্য অবদান ও উঁচুমানের পেশাদারত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের এ পদক দেয়া হয়।

এমআইএনইউএসএমএ এর সদরদপ্তরে ২১ সেপ্টেম্বর পদক দেয়ার সময় প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশ কমিশনার জেনারেল বেটিনা পেট্রিসিয়া বুগানি। চিফ অপারেশনস শারফাদিন মার্গিস ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের মিলিটারি, পুলিশ ও সিভিলিয়ান সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে কমিশনার জেনারেল বেটিনা পেট্রিসিয়া বুগানি, বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, মিশন ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে ব্যানএফপিইউ-১ এর সদস্যরা অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছেন। তাদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ মেডেল দেয়া হয়েছে।

কমান্ডার (পুলিশ সুপার) বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদার সদস্যরা চলমান কোভিড-১৯ মহামারিতেও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের সম্মান অক্ষুণ্ন রেখেছেন।’

বাংলাদেশ পুলিশের শান্তিরক্ষীদের পদক দেয়ায় তিনি জাতিসংঘ কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কমান্ডার বেলাল উদ্দিন এফপিইউ সদস্যদের মেডেল পরিয়ে দেন।

আরও পড়ুন:
‘প্রধানমন্ত্রিত্ব আমার কাছে কিছু না’
আগে ছিলাম ছোট জেলখানায়, এখন বড় জেলখানায়
সৎ নির্মোহ ও জনবান্ধব সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতির নির্দেশ
বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

শেয়ার করুন

স্কুলের গাছ, বেঞ্চ বিক্রির টাকা ‘আত্মসাৎ’

স্কুলের গাছ, বেঞ্চ বিক্রির টাকা ‘আত্মসাৎ’

বাজিতপুরের গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কবির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অ্যাসাইনমেন্টের নামে টাকা আদায়ের ব্যাপারটি স্বীকার করে স্কুল পরিচালনা কমিটির বর্তমান সভাপতি আলমগীর বলেন, ‘গত ১ মাস আগে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছিল। পরে সেগুলো আবার ফেরত দেয়া হয়েছে।’

কিশোরগঞ্জে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ ও পুরাতন বেঞ্চ বিক্রির টাকা আত্মসাৎ এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অ্যাসাইনমেন্টের নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুরে ৫৩ নম্বর খাশালা গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কবির হোসেনের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত এ অভিযোগ করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন।

তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন কবির হোসেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, কবির হোসেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকার সময় তৎকালীন স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান বকুলের সঙ্গে যোগসাজশে স্কুল প্রাঙ্গণের ১৭টি গাছ কেটে বিক্রি করেন।

এসব গাছের আনুমানিক বাজার মূল্য ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। ওই টাকার হিসাব বিদ্যালয়ের রেজুলেশন খাতায় উল্লেখ না করে তা আত্মসাৎ করা হয়।

আরও বলা হয়, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ হওয়ার পরও তাকে না জানিয়ে স্কুল পরিচালনা কমিটির বর্তমান সভাপতির সঙ্গে যোগসাজশে কেজি দরে স্কুলের পুরাতন বেঞ্চ বিক্রি করেছেন কবির।

স্থানীয় ভাঙারি ব্যবসায়ী বিচন আলীর কাছে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিদ্যালয়ের ৫০০ কেজি বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করেন। সেই হিসেবে দাম পেয়েছেন ২২ হাজার ৫০০ টাকা। এটিও রেজুলেশন খাতায় উল্লেখ করা হয়নি।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অ্যাসাইনমেন্টের নামে টাকা আদায়ের অভিযোগও উঠেছে শিক্ষক কবিরের বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়, বিদ্যালয়ের ৫২৫ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১৩০ টাকা করে মোট ৬৮ হাজার ২৫০ টাকা তোলেন কবির। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে সেই টাকা ফেরত দেয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, ‘আমার ছেলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। অ্যাসাইনমেন্টের জন্য আমার ছেলেসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১৩০ টাকা করে নেয়া হয়েছিল। পরে বিষয়টি নিয়ে এলাকার লোকেরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখি করলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে টাকা ফেরত দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।’

স্কুলের গাছ, বেঞ্চ বিক্রির টাকা ‘আত্মসাৎ’
ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য আরিফুল হক মুরাদ নিউজবাংলাকে জানান, নতুন স্কুল পরিচালনা কমিটিতে অভিভাবক সদস্য হয়েছেন তিনি। কিছু দিন আগে স্কুলের রেজুলেশন বই চেক করেন তিনি। তখন দেখতে পান গাছ বিক্রির কোনো তথ্য উল্লেখ নেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো সদোত্তর দেননি কবির হোসেন।

বিভিন্ন সভায় এ নিয়ে বেশ কয়েকবার কথা উঠলেও গাছ বিক্রির বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি তিনি। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা হলেও কোনো প্রতিকার হয়নি।

পিরিজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে অ্যাসাইনমেন্টের নামে টাকা নেয়ার বিষয়টি অন্যদের মুখ থেকে শুনেছি। আমার ছেলেও এ স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। তার কাছ থেকে কোনো টাকা নেয়া হয়নি।’

অভিযোগ অস্বীকার করে স্কুল পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বকুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। স্কুলের বাউন্ডারি করা হয়েছে দুই বছর আগে। এর আগে স্কুল প্রাঙ্গণে এতগুলো গাছ ছিল কি না বিষয়টি উনি প্রমাণ করুক, এ ঘটনায় আমিও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।’

স্কুল পরিচালনা কমিটির বর্তমান সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, ‘গাছ কেটে বিক্রি করার যে অভিযোগ সেটি আমার সময়ে নয়। তাই এ বিষয়ে কথা বলতে চাই না। তবে আমি সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পরে স্কুলের পুরাতন বেঞ্চ বিক্রি করার যে অভিযোগ সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। যিনি অভিযোগটি করেছেন তিনি অন্য কারও প্ররোচনায় এমনটি করেছেন।’

তবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অ্যাসাইনমেন্টের নামে টাকা আদায়ের ব্যাপারটি স্বীকার করেছেন তিনি। আলমগীর বলেন, ‘গত ১ মাস আগে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছিল। পরে সেগুলো আবার ফেরত দেয়া হয়েছে।’

বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোরশেদা খাতুন নিউজবাংলাকে জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
‘প্রধানমন্ত্রিত্ব আমার কাছে কিছু না’
আগে ছিলাম ছোট জেলখানায়, এখন বড় জেলখানায়
সৎ নির্মোহ ও জনবান্ধব সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতির নির্দেশ
বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

শেয়ার করুন

বিশ্বজুড়ে স্থিতিশীল খাদ্যব্যবস্থায় জোর প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বজুড়ে স্থিতিশীল খাদ্যব্যবস্থায় জোর প্রধানমন্ত্রীর

প্রতীকী ছবি

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক জনসংখ্যা ১০ বিলিয়ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার জন্য আরও খাদ্য উৎপাদন করা অপরিহার্য।’

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য অধিক খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী একটি স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নিউ ইয়র্কে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ‘জাতিসংঘ ফুড সিস্টেমস সামিট ২০২১’ শীর্ষক সম্মেলনে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এ প্রস্তাব দেন।

ওই সময় একটি বৈশ্বিক জোট ও অংশীদারত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে খাদ্যের অপচয় কমানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘পর্যাপ্ত খাবার পাওয়ার অধিকার একটি মৌলিক অধিকার, যা সকল নাগরিকের কল্যাণ ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে সংযুক্ত।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক জনসংখ্যা ১০ বিলিয়ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার জন্য আরও খাদ্য উৎপাদন করা অপরিহার্য।’

শেখ হাসিনা তার পরামর্শে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষি উন্নয়নের জন্য গবেষণা, বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তি বিনিময়ের ওপর জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই খাদ্যব্যবস্থা অর্জনে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বর্ধিত তহবিল প্রয়োজন।

শেখ হাসিনা টেকসই নিরাপত্তা অর্জনে প্রযুক্তি শেয়ারিংসহ জলবায়ুজনিত চরম ঘটনাগুলোর সঙ্গে অভিযোজনের জন্য প্রতিশ্রুত তহবিল ছাড়েরও পরামর্শ দেন।

এ শীর্ষ সম্মেলনে আয়োজনে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহামারি পরবর্তী পুনরুদ্ধার এবং স্থিতিশীল খাদ্যব্যবস্থার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে এই অনুষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘২০৩০-এর লক্ষ্য অর্জনে আমাদের জাতীয় নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনায় সমন্বিত খাদ্যব্যবস্থার রূপান্তরকে একটি সমন্বিত কৌশল হিসেবে গ্রহণ করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, জাতীয় কৃষি নীতি-২০১৮, জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নীতি-২০২০ এবং এর কর্মপরিকল্পনা (২০২১-২০৩০) দেশের খাদ্যব্যবস্থার রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তাকে স্বীকৃতি দেয়।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির হার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে গেছে। আমরা খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠেছি এবং আমরা দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কাজ করছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘনঘন চরম আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ এই গতিবেগকে প্রভাবিত করছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বৈশ্বিক নেতা হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থা নিয়েও কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি আমরা সবার জন্য মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রচেষ্টা জোরদার করেছি।’

আরও পড়ুন:
‘প্রধানমন্ত্রিত্ব আমার কাছে কিছু না’
আগে ছিলাম ছোট জেলখানায়, এখন বড় জেলখানায়
সৎ নির্মোহ ও জনবান্ধব সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতির নির্দেশ
বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা

শেয়ার করুন