পরিকল্পনামন্ত্রীর মোবাইল ছিনতাই: কারাগারে পাঁচ আসামি

পরিকল্পনামন্ত্রীর মোবাইল ছিনতাই: কারাগারে পাঁচ আসামি

পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার পাঁচ সদস্য। ছবি: নিউজবাংলা

শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পাঁচ আসামিকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের মোবাইল ছিনতাইয়ে জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

তারা হলেন মো. সগির, মো. সুমন, মো. জাকির, মো. হামিদ আহমেদ ও সোহেল ওরফে আরিফ।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন মুখ্য মহানগর আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হেমায়েত উদ্দীন খান হিরন।

শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পাঁচ আসামিকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এ সময় আসামিপক্ষে দুই আইনজীবী তাদের জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন আদালতের ধানমন্ডি থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা এসআই মকবুলুর রহমান।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতের (সিএমএম) হাকিম সত্যব্রত শিকদার তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে ১৯ জুলাই আসামিদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় বাদী হয়ে পুলিশের করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়।

ওই দিন শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মঈনুল ইসলাম আসামিদের প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

১৮ জুলাই ধারাবাহিক অভিযানের একপর্যায়ে ধানমন্ডি থানার আরেকটি ছিনতাই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রীর ছিনতাই হওয়া মোবাইল উদ্ধারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল, দুটি আইফোন, বিভিন্ন মডেলের ১০টি ফোন, একটি ল্যাপটপ ও মোবাইলের ভাঙা বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়।

২১ মে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান নিজের দপ্তর থেকে বেইলি রোডের বাসায় ফেরার পথে বিজয় সরণি ট্রাফিক সিগন্যালে সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাড়ির জানালা খুলে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। এ সময় এক ছিনতাইকারী মন্ত্রীর মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন:
কসাইয়ের ছদ্মবেশী ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
পরিকল্পনা মন্ত্রীর মোবাইল ছিনতাই: ৫ জন রিমান্ডে
ফোন উদ্ধার: পুলিশে মুগ্ধ পরিকল্পনামন্ত্রী
পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন ছিনতাইয়ে গ্রেপ্তার ৫
৪৯ দিন পর উদ্ধার পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

১৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাজে যোগ দিতে বাধা নেই

১৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাজে যোগ দিতে বাধা নেই

এই নিয়োগে কোটা পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরণ না করে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেছিলেন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৩৪ প্রার্থী।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ১ হাজার ৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টের খারিজ আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। এর ফলে নিয়োগ পাওয়াদের কাজে যোগ দিতে কোনো বাধা নেই।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ আবেদনটি সোমবার খারিজ করে দেয়।

এর আগে শনিবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এ আবেদনের শুনানির জন্য আজকের তারিখ ঠিক করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোর্শেদ।

রিট থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি ১ হাজার ৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সব ধরনের পরীক্ষা শেষে ২০২০ সালের ১৭ জানুয়ারি ফল প্রকাশ করা হয়।

তবে এতে কোটা পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরণ না করে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৩৪ প্রার্থী।

পরে ফল না পেয়ে চাকরিপ্রার্থী ৩৪ জন রিট আবেদন করে। এরপর একে একে ২০ রিট হয়। এ সংক্রান্ত ২০ রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের পর আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারীরা। চেম্বার বিচারপতি সেই আবেদনের শুনানির জন্য আপিলের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়। আপিল বিভাগ শুনানি নিয়ে আবেদনটি ডিসমিস (খারিজ) করে দেয়।

আরও পড়ুন:
কসাইয়ের ছদ্মবেশী ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
পরিকল্পনা মন্ত্রীর মোবাইল ছিনতাই: ৫ জন রিমান্ডে
ফোন উদ্ধার: পুলিশে মুগ্ধ পরিকল্পনামন্ত্রী
পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন ছিনতাইয়ে গ্রেপ্তার ৫
৪৯ দিন পর উদ্ধার পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন

শেয়ার করুন

দেড় লাখের বেশি ইয়াবাসহ আটক ১

দেড় লাখের বেশি ইয়াবাসহ আটক ১

উখিয়ায় ইয়াবা কেনা-বেচার সময় সাদ্দাম হোসেনকে আটক করে বিজিবি। ছবি : নিউজবাংলা

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ বলেন, বিজিবির রেজুআমতলী বিওপির সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য পেয়ে উখিয়ার ঠান্ডার মিয়ার বাগান পূর্ব দরগারবিলে অবস্থান নেয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইয়াবা কেনা-বেচা করার সময় সাদ্দাম হোসেনকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা বস্তা তল্লাশি করে এক লাখ ৬০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা জব্দ করা হয়।

কক্সবাজারে ১ লাখ ৬০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

উখিয়ায় রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক করা ব্যক্তির নাম সাদ্দাম হোসেন।

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ সোমবার গণমাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের রেজুআমতলী বিওপির সদস্যরা জানতে পারে চোরাকারবারিরা রোববার মিয়ানমার থেকে দেশে ইয়াবার চালান নিয়ে আসবে। এমন তথ্য পেয়ে বিজিবির টহলদল উখিয়ার ঠান্ডার মিয়ার বাগান পূর্ব দরগারবিলে অবস্থান নেয়।

সেখানে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইয়াবা কেনা-বেচা করার সময় সাদ্দাম হোসেনকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা বস্তা তল্লাশি করে এক লাখ ৬০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা জব্দ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এ বছর এখন পর্যন্ত চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৩৭ লাখ ৭৪ হাজার ৪০৬ পিস বার্মিজ ইয়াবা জব্দ ও ১৭৫ জনকে আটক করেছে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন।

আরও পড়ুন:
কসাইয়ের ছদ্মবেশী ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
পরিকল্পনা মন্ত্রীর মোবাইল ছিনতাই: ৫ জন রিমান্ডে
ফোন উদ্ধার: পুলিশে মুগ্ধ পরিকল্পনামন্ত্রী
পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন ছিনতাইয়ে গ্রেপ্তার ৫
৪৯ দিন পর উদ্ধার পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন

শেয়ার করুন

ই-কমার্স ব্যবসার তদারকি সংস্থা চেয়ে রিট

ই-কমার্স ব্যবসার তদারকি সংস্থা চেয়ে রিট

প্রতীকী ছবি

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম বাঁধন সোমবার সকালে এ রিট করেন। এতে বাণিজ্যসচিব, অর্থসচিব, টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, ই-ক্যাবসহ ছয় ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে বিবাদী করা হয়েছে।

দেশে ই-কমার্স ব্যবসা তদারকি করতে একটি ই-কমার্স রেগুলেটরি অথরিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম বাঁধন সোমবার সকালে এ রিট করেন।

রিটে বাণিজ্যসচিব, অর্থসচিব, টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, ই-ক্যাবসহ ছয় ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে বিবাদী করা হয়েছে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মুস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিটের শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।

এদিকে রোববার এক মামলার শুনানিতে দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির আদালতকে বলেন, ‘মাই লর্ড, আমাদের দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিষয়টা এমন যে, প্রথমে তারা অফার দিবে একটা মোটরসাইকেলের টাকায় দুইটা মোটরসাইকেল। এরপর গ্রাহকরা টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল পাবে এবং টাকাটা বাংলাদেশ ব্যাংকের গেটওয়ে দিয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে চলে যাবে।

‘এরপর আবার দুইটা কিনলে আরও দুইটা ফ্রি, চারটা কিনলে আরও চারটা ফ্রি পাবে, এমন অফার আসে এবং গ্রাহক সে মোটরসাইকেল পায়। কিন্তু একপর্যায়ে যখন গ্রাহক অধিকসংখ্যক যেমন, আটটা মোটরসাইকেল কিনলে আরও আটটা মোটরসাইকেল পাওয়ার জন্য টাকা দেয়, তখন সে টাকা চলে যায়, কিন্তু মোটরসাইকেল আর আসে না।’

আইনজীবী শিশির মনির আদালতকে আরও বলেন, ‘মাই লর্ড, আমাদের এখানে লোভের শিকার হয়ে এবং ই-কমার্সের প্রতিষ্ঠানের প্রতারণায় গ্রাহকেরা প্রতারিত হচ্ছে।’

তখন হাইকোর্ট বলে, ‘আপনারা তো পাবলিক ইন্টারেস্টের মামলা করেন। আপনাদের উচিত পাবলিকদের সচেতন করা, তারা যেন এ ক্ষেত্রে লোভ কমান।’

দেশের একাধিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কিছুদিন ধরে বিক্ষোভ করে আসছেন গ্রাহকরা। তাদের কেউ কেউ অর্থ আত্মসাতের মামলাও করেছেন।

এমন একটি মামলায় আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন:
কসাইয়ের ছদ্মবেশী ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
পরিকল্পনা মন্ত্রীর মোবাইল ছিনতাই: ৫ জন রিমান্ডে
ফোন উদ্ধার: পুলিশে মুগ্ধ পরিকল্পনামন্ত্রী
পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন ছিনতাইয়ে গ্রেপ্তার ৫
৪৯ দিন পর উদ্ধার পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন

শেয়ার করুন

শাহজালালের পিসিআর ল্যাব ইউএইর অনুমতির অপেক্ষায়

শাহজালালের পিসিআর ল্যাব ইউএইর অনুমতির অপেক্ষায়

বিমানবন্দরে নমুনা নিয়ে সেখানেই পরীক্ষার ফলাফল দেয়া হবে বিদেশগামী বাংলাদেশিদের। ফাইল ছবি

বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মফিদুর রহমান বলেন, ‘শাহজালাল বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব করার পরিকল্পনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ছিল না। এখন ৭ টি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬টি প্রতিষ্ঠান এসওপি অপারেটিং প্রসিকিউর জমা দিয়েছে, তা সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠানো হয়েছে।’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপন করতে চাওয়া ৬ প্রতিষ্ঠানের স্ট্যান্ডার্ড অপারেশন প্রসিডিউর (এসওপি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুমতি পেলে ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু হবে।

বিমানবন্দরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে সোমবার সকালে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মফিদুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘শাহজালাল বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব করার পরিকল্পনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ছিল না। এখন ৭ টি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬টি প্রতিষ্ঠান এসওপি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিকিউর জমা দিয়েছে, তা সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠানো হয়েছে।

‘এগুলো যেন আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। ইউএই থেকে অনুমতি পেলে ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু হবে।’

যে সাতটি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচিত করা হয়েছিল সেগুলো হলো স্টেমজ হেলথ কেয়ার (বিডি) লিমিটেড, সিএসবিএফ হেলথ সেন্টার, এএমজেড হাসপাতাল, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জয়নুল হক সিকদার ওমেন্স মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল, গুলশান ক্লিনিক লিমিটেড এবং ডিএমএফআর মলিকুলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক।

এগুলোর মধ্যে স্টেমজ হেলথ কেয়ার (বিডি) লিমিটেড ও সিএসবিএফ হেলথ সেন্টার করোনার ভুয়া সনদ দেয়ার কারণে তাদের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠান আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপন করবে। আর একেকটি প্রতিষ্ঠান একেক রকমের ফি নেবে।

একটি প্রতিষ্ঠান করোনা পরীক্ষার জন্য সর্বনিম্ন ১ হাজার ৭০০ টাকা ফি নেবে। আর সবচেয়ে বেশি নেবে যে প্রতিষ্ঠান, তাদের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৩০০ টাকা।

কোনো প্রতিষ্ঠান ভুয়া সনদ বা রিপোর্ট দিলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জরিমানাসহ শাস্তি দেয়া হবে বলে জানান বেবিচক চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দরে বহুতল কার পার্কিং ভবন নিরাপদ, ল্যাব স্থাপনে কোনো ঝুঁকি নেই। আরব আমিরাতের যাত্রীদের করোনা টেস্টের ফি একই হবে, যদি কোনো যাত্রী ভুল রিপোর্টের কারণে বিদেশ থেকে ফিরে আসে তাহলে ও-ই প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমানাসহ শাস্তি দেয়া হবে।’

আরটি-পিসিআর ল্যাব কেন জরুরি

করোনাভাইরাসের কারণে যেসব দেশ বাংলাদেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল, তাদের মধ্যে কয়েকটি দেশ সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা দেয়। নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হলেও বেশ কিছু শর্ত মানতে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে যাওয়া যাত্রীদের, এর মধ্যে যাত্রার ছয় ঘণ্টার মধ্যে বিমানবন্দরে পিসিআর টেস্ট উল্লেখযোগ্য।

বিমানবন্দরে করোনাভাইরাসের আরটি-পিসিআর টেস্টের সুবিধা না থাকায় সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী (ইউএই) যাত্রীদের নেবে না বলে জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির পতাকাবাহী বিমান পরিবহন সংস্থা এমিরেটস।

এই অবস্থায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে অবস্থান নিয়ে মঙ্গলবার অনশন করে। দাবি পূরণ না হওয়ার পর্যন্ত অবস্থানের ঘোষণা দেয়ার পর বুধবারের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়ার আশ্বাস দেয় কর্তৃপক্ষ। সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়।

করোনাভাইরাস শনাক্তে এখন পর্যন্ত বিশ্বে যে কটি নমুনা পরীক্ষা পদ্ধতি আছে, তার মধ্যে আরটি-পিসিআর পরীক্ষাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। এই পদ্ধতিতে রোগীর নাসারন্ধ্র বা মুখের ভেতর থেকে মিউকাস বা লালা সংগ্রহ করা হয়।

আরটি-পিসিআর পদ্ধতিতে নমুনা পরীক্ষায় এন্টিজেন টেস্টের চেয়ে একটু সময় লাগলেও অনেকটা নিখুঁত ফল পাওয়া যায়। এতে প্রায় ৪০ মিনিটের মতো সময় লাগে।

বিশ্বে বাংলাদেশের যে শ্রমবাজার রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। গত ২০২০-২১ অর্থবছরে মধ্যপ্রাচ্যের আটটি শ্রমবাজার থেকে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ২৪৫ কোটি ডলার। চলতি বছরের জুলাই মাসে এসেছে ১০৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার আর আগস্ট মাসে এসেছে ১০২ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। এই বাজারের কর্মীরা কোনো কারণে সংকটে পড়লে তার প্রভাব পড়তে পারে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে।

আরও পড়ুন:
কসাইয়ের ছদ্মবেশী ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
পরিকল্পনা মন্ত্রীর মোবাইল ছিনতাই: ৫ জন রিমান্ডে
ফোন উদ্ধার: পুলিশে মুগ্ধ পরিকল্পনামন্ত্রী
পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন ছিনতাইয়ে গ্রেপ্তার ৫
৪৯ দিন পর উদ্ধার পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন

শেয়ার করুন

পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে রোজিনার আবেদন খারিজ

পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে রোজিনার আবেদন খারিজ

রোজিনা ইসলাম

পাসপোর্ট জমা দেয়ার শর্তে রোজিনা ইসলামকে জামিন দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন পাসপোর্ট ফেরত দেয়া হলে আগের সেই শর্ত ভঙ্গ হয়, বলেন বিচারক।

ব্যক্তিগত পাসপোর্ট, প্রেস এক্রিডিশন কার্ড ও দুটি মুঠোফোন ফেরত চেয়ে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের আবেদন নাকচ করেছে আদালত। দণ্ডবিধি ও অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের মামলায় এসব মাল জব্দ করেছিল পুলিশ।

রোববার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আবু বক্কর ছিদ্দিক আবেদনটি নাকচ করে দেন।

গত ১৭ মে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রেখে রাত সাড়ে আটটার দিকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর ও তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

সেই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর পর গত ২৩ মে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক নিজাম উদ্দিন নিউজবাংলাকে জানান, গত ১৫ সেপ্টেম্বর এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ ঠিক করা ছিল। এদিন আদালতে হাজির হয়ে জব্দকৃত মালামাল ফেরত চেয়ে আইনজীবী এহসানুল হক সমাজীর মাধ্যমে আবেদন করেন রোজিনা।

শুনানিতে সেদিন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মোর্শেদ হোসেন খানকে ১৯ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ রোববার আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক। নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট দিনে তদন্ত কর্মকর্তা হাজির হন।

রোজিনার আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী আদালতকে বলেন, ‘রোজিনা ইসলামের পাসপোর্টটি জব্দ করা হয়েছিল। তিনি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন। প্রেস এক্রিডিশন কার্ডটিও জব্দ রয়েছে। জব্দ রয়েছে তার দুটি মুঠোফোন। এসব জব্দ থাকার ফলে তিনি তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না।’

এ সময় আদালতে উপস্থিত তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোর্শেদ খান আদালতকে বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে জব্দ করা রোজিনা ইসলামের দুটি মুঠোফোনের ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ইতোমধ্যে রিপোর্টও এসেছে।

‘তাই তার জিনিসপত্র এখনই ফেরত না দেয়ার জন্য বিনীত আবেদন করছি।’

এ সময় বিচারক রোজিনা ইসলামের আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, ‘পাসপোর্ট জমা দেয়ার শর্তে রোজিনা ইসলামকে জামিন দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন পাসপোর্ট ফেরত দেয়া হলে আগের সেই শর্ত ভঙ্গ হয়।’

তখন রোজিনার আইনজীবী বলেন, ‘আদালত রোজিনা ইসলামের পাসপোর্ট জমা নিয়েছে। কিন্তু রোজিনা ইসলাম কোথাও যেতে পারবেন না, এমন কোনো শর্ত আদেশে দেয়া হয় নাই।’

আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রোজিনা ইসলামের করা আবেদনটি খারিজ করে দেয়।

তবে সিএমএম আদালতের নাকচ আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করা হবে বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী।

আরও পড়ুন:
কসাইয়ের ছদ্মবেশী ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
পরিকল্পনা মন্ত্রীর মোবাইল ছিনতাই: ৫ জন রিমান্ডে
ফোন উদ্ধার: পুলিশে মুগ্ধ পরিকল্পনামন্ত্রী
পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন ছিনতাইয়ে গ্রেপ্তার ৫
৪৯ দিন পর উদ্ধার পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন

শেয়ার করুন

নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা ও ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় রোববার বিকেল ৫টা ২৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইট নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্থানীয় সময় রোববার বিকেল ৫টা ২৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইট নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে সফরসঙ্গীসহ প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা এবং ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম।

বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী সফরকালীন আবাসস্থল লোটে নিউ ইয়র্ক প্যালেসে যান। যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে এখানেই থাকার কথা রয়েছে তার।

এর আগে ফিনল্যান্ডের হেলসিংকিতে যাত্রাবিরতি শেষে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের পথে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

গত রোববার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ১৬ মিনিটে হেলসিংকির ভানতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে সফরসঙ্গীদের নিয়ে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান ফিনল্যান্ডে অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত হিসেবে কর্মরত নাজমুল ইসলাম।

আর কয়েক ঘণ্টা পর অর্থাৎ ২০ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক সময় সকাল ৯টায় রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের অংশগ্রহণে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক রুদ্ধদ্বার বৈঠক হবে। আর এ বৈঠকে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই শুরু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি।

বেলা সাড়ে ১১টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উত্তর লনে বৃক্ষরোপণ এবং একটি বেঞ্চ উৎসর্গ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার সফরকালীন আবাসস্থলে ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের সভাপতি চার্লস মিশেলের সঙ্গে বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা। বেলা পৌনে ৩টায় একই স্থানে বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটলির সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

বিকেল ৪টায় সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশন নেটওয়ার্ক শীর্ষক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে তার।

২১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন বিকেলে সফরকালীন আবাসস্থলে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি।

নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী

২২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় সফরকালীন আবাসস্থল থেকে ‘হোয়াইট হাউস গ্লোবাল কোভিড-১৯ সামিট: ইন্ডিং দ্য প্যানডেমিক অ্যান্ড বিল্ডিং ব্যাক বেটার’ শীর্ষক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন শেখ হাসিনা।

দুপুর ১২টার দিকে নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমার সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। বিকেলে ‘রোহিঙ্গা সংকট: টেকসই সমাধান অত্যাবশ্যক’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে (ভার্চুয়াল) অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

২৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় ‘ইভেন্ট অব লিডারস নেটওয়ার্ক অন ডেলিভারিং অন দ্য ইউএন কমন এজেন্ডা: অ্যাকশন টু অ্যাচিভ ইকুয়্যালিটি অ্যান্ড কনক্লুশন’ শীর্ষক আয়োজনে অংশ নেবেন শেখ হাসিনা।

বেলা ১টায় জাতিসংঘ মহাসচিবের সভাপতিত্বে ‘ফুড সিস্টেমস সামিট অ্যাজ পার্ট অফ দ্য ডিকেড অফ অ্যাকশন টু অ্যাচিভ দ্য সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজিএস) বাই ২০৩০’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন দুপুরে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে পর্যায়ক্রমে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ, জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এবং ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুইয়েন জুয়ান ফুকের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

২৪ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় সকালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন দুপুরে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

রাত ৮টায় যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় ভার্চুয়ালি অংশ নেবেন সরকারপ্রধান।

২৫ সেপ্টেম্বর সকালে নিউ ইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটন যাবেন শেখ হাসিনা। ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করবেন তিনি।

৩০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ভিভিআইপি ফ্লাইট বিজি-১৯০৪ যোগে ফিনল্যান্ডের হেলসিংকির উদ্দেশে ওয়াশিংটন ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী।

১ অক্টোবর সকাল পৌনে ৮টায় হেলসিংকির ভানতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। পৌনে ১০টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৯০৫ ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি।

১ অক্টোবর রাত সোয়া ১০টায় দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

গত শুক্রবার সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ভিভিআইপি ফ্লাইটে করে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী।

করোনা মহামারি শুরুর টানা ১৯ মাস পর প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসা-যাওয়ার পথে ফিনল্যান্ডে অবস্থান করবেন তিনি।

শুক্রবার ফিনল্যান্ডের স্থানীয় সময় বেলা ৩টা ৩৭ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইট হেলসিংকির ভানতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান দেশটিতে অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত হিসেবে কর্মরত নাজমুল ইসলাম। হেলসিংকির হোটেল ক্যাম্পে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
কসাইয়ের ছদ্মবেশী ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
পরিকল্পনা মন্ত্রীর মোবাইল ছিনতাই: ৫ জন রিমান্ডে
ফোন উদ্ধার: পুলিশে মুগ্ধ পরিকল্পনামন্ত্রী
পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন ছিনতাইয়ে গ্রেপ্তার ৫
৪৯ দিন পর উদ্ধার পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন

শেয়ার করুন

এমপি জাফরকে এলাকায় না থাকতে ইসির চিঠি

এমপি জাফরকে এলাকায় না থাকতে ইসির চিঠি

কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম। ছবি: নিউজবাংলা

ইসির চিঠিতে বলা হয়, যেহেতু এমপি জাফর বিধিবহির্ভূতভাবে একজন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে, তাই তাকে ভোটাধিকার প্রয়োগ ছাড়া কক্সবাজার-১-এর আওতাধীন নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করতে না দেয়ার বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলমকে এলাকা ছাড়ার চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

চিঠিতে তাকে ভোট দেয়া ছাড়া নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রোববার রাতে ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরে চিঠিটি এমপি জাফর আলমের কাছে পাঠানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, এমপি জাফরের বিরুদ্ধে কক্সবাজার-১ আসনের আওতাধীন চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রকাশ্যে এক প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে পৌরসভা (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৫-এর ২২ বিধি উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়- সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচনি প্রচারে বা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। তবে ভোটার হলে তিনি শুধু ভোট দিয়ে কেন্দ্রে যেতে পারবেন।

এ ছাড়া ভোটের আগে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনি কাজে সরকারি প্রচারযন্ত্র, যানবাহন, অন্য কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ এবং সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের ব্যবহার করতে পারবেন না।

চিঠিতে আরও বলা হয়, যেহেতু এমপি জাফর বিধিবহির্ভূতভাবে একজন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে, তাই তাকে ভোটাধিকার প্রয়োগ ছাড়া কক্সবাজার-১-এর আওতাধীন নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করতে না দেয়ার বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভায় সোমবার ভোট হবে। নির্বাচনি প্রচার শেষ হওয়ার পর ভোটের আগের রাতে এমপি জাফরকে এ চিঠি পাঠানো হলো।

আরও পড়ুন:
কসাইয়ের ছদ্মবেশী ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
পরিকল্পনা মন্ত্রীর মোবাইল ছিনতাই: ৫ জন রিমান্ডে
ফোন উদ্ধার: পুলিশে মুগ্ধ পরিকল্পনামন্ত্রী
পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন ছিনতাইয়ে গ্রেপ্তার ৫
৪৯ দিন পর উদ্ধার পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন

শেয়ার করুন