× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
বৃহস্পতিবার থেকে ভার্চুয়ালি সব আদালত খোলা
google_news print-icon

বৃহস্পতিবার থেকে ভার্চুয়ালি সব আদালত খোলা

বৃহস্পতিবার-থেকে-ভার্চুয়ালি-সব-আদালত-খোলা
স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শারীরিক উপস্থিতিতে অধস্তন দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালত এবং ট্রাইব্যুনালগুলোতে মামলা করা যাবে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে ১ জুলাই থেকে বন্ধ থাকা সব আদালত আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে ভার্চুয়ালি খুলে দেয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন বুধবার এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আলী আকবর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস জনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১৫ জুলাই হতে ২২ জুলাই পর্যন্ত শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে দেশের অধস্তন দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালত এবং ট্রাইব্যুনালসহ সব দেওয়ানী ও ফৌজদারী নরখাস্ত/আপিল/রিভিশন/বিবিধ মামলার শুনানি গ্রহণ, (সাক্ষ্য গ্রহণবাতীত) ও নিষ্পত্তি করবে।

স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শারীরিক উপস্থিতিতে অধস্তন দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালত এবং ট্রাইব্যুনালগুলোতে মামলা করা যাবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে শারীরিক উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণপূর্বক সাকসেশন ও অভিভাবকত্ব নির্ধারণ বিষয়ক মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করা যাবে বলেও বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

একই সঙ্গে ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা অধস্তন ফৌজদারী আদালত এবং ট্রাইব্যুনালগুলোতে শারীরিক উপস্থিতিতে আত্মসমর্পণ আবেদন করতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে শুনানি কার্যক্রমের পদ্ধতি ও সময়সূচি এমনভাবে নির্ধারণ ও সমন্বয় করতে হবে যাতে আদালত প্রাঙ্গণে এবং আদালত ভবনে কোনরূপ জনসমাগম না ঘটে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আত্মসমর্পণ দরখাস্ত শারীরিক উপস্থিতিতে শুনানির সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবী ছাড়া অন্য কোনো আইনজীবী এজলাস কক্ষে অবস্থান করবেন না। একটি আত্মসমর্পণের শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী এজলাস কক্ষ ত্যাগ করার পর বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট পরের আত্মসমর্পণের দরখাস্ত শুনানির জন্য গ্রহণ করবেন।

অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে জামিন শুনানির সময় এবং মামলার অন্য কার্যক্রমে হাজতি আসামিদের কারাগার হতে প্রিজনভ্যান বা অন্য কোনোভাবে আদালত কক্ষে হাজির না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

হাজতি-আসামির রিমান্ড শুনানির ক্ষেত্রে কারাগারে ভিডিও কনফারেন্সের লিংক পাঠিয়ে শুনানি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে কারাগার কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় ভার্চুয়ালি দেখে রিমান্ড শুনানি করতে পারবেন।

এর আগে গত ৩০ জুন সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন পৃথক পৃথক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দেশের সব আদালত বন্ধ ঘোষণা করে।

তবে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকায় প্রত্যেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী জেলা, মহানগরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করার কথা বলা হয়।

চলতি বছরের ১৪ মার্চ থেকে ১৩ দফা নির্দেশনা দিয়ে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। এ কারণে গত ১২ এপ্রিল থেকে ভার্চুয়ালি সপ্তাহে তিন দিন আপিল বিভাগ আর দুই দিন চেম্বার আদালতের বিচার কাজ পরিচালনা করে আসছিল।

আরও পড়ুন:
সন্তান হত্যায় পিতার ফাঁসির দণ্ড কমে যাবজ্জীবন
কারেন্ট জাল ধ্বংস, চায়না জাল তৈরির কারখানা বন্ধ
গারদখানায় ভিড় রোধে অ্যাটর্নিকে ব্যবস্থা নিতে বলল হাইকোর্ট
বাসা থেকেই সর্বোচ্চ আদালতের বিচার কাজ, দুই মামলার রায়
মায়ের কাছেই থাকবে কন্যা: হাইকোর্ট

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
Teesta boat capsizing Four members of a family still missing

তিস্তায় নৌকাডুবি: এখনও নিখোঁজ এক পরিবারের চারজন

তিস্তায় নৌকাডুবি: এখনও নিখোঁজ এক পরিবারের চারজন নৌকাডুবির খবর পাওয়ার পর থেকে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরির দল। ছবি: নিউজবাংলা
বুধবার সন্ধ‌্যায় প‌শ্চিম বজরা এলাকার তিস্তার সাদুয়া দামার হাট এলাকায় ২৬ জন যাত্রী নি‌য়ে নৌকাটি ডুবে যায়। তারা সকলেই বিয়ের দাওয়াত ‌খে‌তে যা‌চ্ছি‌লেন। এর মধ্যে ১৯ জন নদী সাঁত‌রিয়ে তী‌রে উঠ‌তে পার‌লেও সাতজন নি‌খোঁজ হয়। প‌রে তল্লা‌শি চা‌লি‌য়ে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কুড়িগ্রামে তিস্তা নদী‌তে নৌকাডু‌বির ঘটনায় চার শিশুসহ ছয় যাত্রী নি‌খোঁজ র‌য়ে‌ছে। তারা সবাই উলিপুর উপ‌জেলার প‌শ্চিম বজরার বা‌সিন্দা। এদের মধ্যে এক পরিবারেরই রয়েছে চারজন।

নি‌খোঁজদের উদ্ধা‌রে তল্লা‌শি চালা‌চ্ছে ফায়ার সা‌র্ভি‌সের ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার বিকেল চারটা পর্যন্ত অ‌ভিযান চা‌লি‌য়ে তাদের কা‌রও সন্ধান পা‌য়নি ডুবু‌বিরা।

নৌকাডু‌বির ঘটনায় ওই এলাকার আজিজুর রহমা‌নের মেয়ে আয়েশা সি‌দ্দিকা না‌মের এক শিশুর মর‌দেহ উদ্ধার করা হ‌য়ে‌ছে।

বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ন কু‌ড়িগ্রাম ফায়ার সা‌র্ভি‌সের সি‌নিয়র স্টেশন অ‌ফিসার শ‌রিফুল ইসলাম।

স্থানীয় ও নিখোঁজদের স্বজন‌দের দা‌বি, নৌকার যা‌ত্রী ৩০ বছর বয়সী আনিছুর রহমান, তার স্ত্রী রুপা‌লি বেগম, তাদের বছরের মেয়ে আইরিন, ভা‌গ্নী ৯ বছরের হিরা ম‌নি; কয়জন আলীর আড়াই বছ‌রের মেয়ে কুলসুম এবং আজিজু‌র রহমানের ৫ বছরের ছে‌লে শা‌মিম হো‌সেন নি‌খোঁজ র‌য়ে‌ছে।

বেঁচে ফেরা নৌকার যা‌ত্রী আমিনা বেগম জানান, তার মা ও ভাতি‌জাসহ প‌রিবা‌রের চার সদসদ‌্য দাওয়া খেতে যা‌চ্ছি‌লেন। প‌থে তিস্তার খরস্রোতে তা‌দের বহনকারী নৌকা‌টি ডু‌বে যায়। তা‌রা কোনোমতে সাতঁ‌রিয়ে তীরে উঠতে পারলেও তার ভা‌তি‌জা শামিম হোসেন ডুবে যায়।

শ‌রিফা বেগম নামের আরেক যাত্রী জানান, নৌকাডু‌বির সময় তার আড়াই বছ‌রের শিশু কুলসুম খাতুন নদী‌তে পড়ে নি‌খোঁজ রয়েছে। তিনি বর্তমানে উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

কু‌ড়িগ্রাম ফায়ার সা‌র্ভি‌সের সি‌নিয়র স্টেশন অ‌ফিসার শ‌রিফুল ইসলাম ব‌লেন, ‘একই প‌রিবা‌রের চারজনসহ মোট ছয়জন নি‌খোঁজ র‌য়ে‌ছে এমন শোনা যাচ্ছে। তা‌দের ম‌ধ্যে চারজনই শিশু, যা‌দের বয়স ১০ বছ‌রের কম। আমা‌দের ডুবুরির দল কাজ ক‌র‌ছে। বৈরী আবহাওয়া এবং নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় কাজ কর‌তে বেগ পে‌তে হ‌চ্ছে।’

এর আগে, বুধবার সন্ধ‌্যায় প‌শ্চিম বজরা এলাকার তিস্তার সাদুয়া দামার হাট এলাকায় ২৬ জন যাত্রী নি‌য়ে নৌকাটি ডুবে যায়। তারা সকলেই বিয়ের দাওয়াত ‌খে‌তে যা‌চ্ছি‌লেন। এর মধ্যে ১৯ জন নদী সাঁত‌রিয়ে তী‌রে উঠ‌তে পার‌লেও সাতজন নি‌খোঁজ হয়। প‌রে তল্লা‌শি চা‌লি‌য়ে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
তিস্তায় নৌকা ডুবে শিশুর মৃত্যু, ৮ জন নিখোঁজের দাবি

মন্তব্য

জাতীয়
Eight lakh people are stuck in water in Sunamganj

সুনামগঞ্জে আট লাখ মানুষ পানিবন্দি

সুনামগঞ্জে আট লাখ মানুষ পানিবন্দি বেসরকারি হিসেবে সুনামগঞ্জ জেলার ৮৮ ইউনিয়নের অন্তত আট লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
বুধবার রাতে বৃষ্টিপাত কম হওয়ার হাওরাঞ্চল ও পৌর শহরের পাড়া-মহল্লায় পানি কিছুটা কমলেও বন্যা পরিস্থিত অপরিবর্তিত রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার কমেছে। বর্তমানে পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে সুরমার পানি প্রবাতি হচ্ছে।

বুধবার রাতে বৃষ্টিপাত কম হওয়ার হাওরাঞ্চল ও পৌর শহরের পাড়া-মহল্লায় পানি কিছুটা কমলেও বন্যা পরিস্থিত অপরিবর্তিত রয়েছে।

বেসরকারি হিসেবে সুনামগঞ্জ জেলার ৮৮ ইউনিয়নের অন্তত আট লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সুরমা নদী পাড়ের পৌর কিচেন মার্কেট থেকে পানি নেমেছে, তবে সবজি বাজারে কিছুটা পানি রয়েছে। তবে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের নতুন পাড়া, শান্তিব্গা, ধোপাখালী, বাঁধনপাড়া, বলাকা, মোহাম্মদপুর, ষোলঘর, পশ্চিম হাজীপাড়া, তেঘরিয়া, নবীনগর, কাজীর পয়েন্ট মল্লিকপু সহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা এখনও পানিবন্দি জীপবযাপন করছেন।

শহরের সবকটি হোটেলের কক্ষ বুকিং দিয়ে সামর্থবান একতলার বাসিন্দারা সেখানে উঠেছেন। কেউ কেউ ক্লিনিকের কক্ষেও পরিবার-পরিজন নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। তবে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষজন। বাজারে দুয়েকটা দোকান খোলা পাওয়া গেলেও নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন দোকানীরা।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ, ভূমি অফিসসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, গ্রামীণ রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন জায়গায় বন্যার পানি উঠেছে। শান্তিগঞ্জ উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তাহিরপুরে ১০-১৫টি গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানিয়েছেন, দুপুর ১২টায় সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ছাতক উপজেলায় বিপৎসীমার ১২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। এছাড়া দিরাই উপজেলায় বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ফুট ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ৫৫ মিলিমিটার, লাউড়ের গড়ে ৬২ মিলিমিটার, ছাতকে ৬৫ মিলিমিটার এবং দিরাইয়ে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।’

তবে সুনামগঞ্জ ও ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত গত ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা কম হওয়ায় রক্ষা পাওয়া গেছে বলে জানান এই প্রকৌশলী।

আরও পড়ুন:
বন্যা: সিলেট বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত
আশ্রয়কেন্দ্রে খাদ্য সংকটে সুনামগঞ্জের বানভাসী মানুষ
সিলেটে বিস্তৃত হচ্ছে বন্যা, পানিবন্দি প্রায় ১০ লাখ মানুষ
মৌলভীবাজারে বন্যায় পানিবন্দি ২ লাখ মানুষ
হাওরে বাড়ছে পানি, সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

মন্তব্য

জাতীয়
Asaduzzaman Mias corruption allegations are speculative
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন

আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুমাননির্ভর

আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুমাননির্ভর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। ফাইল ছবি
ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘এখনও তার বিরুদ্ধে সঠিকভাবে কোনো অভিযোগ উত্থাপন হয়নি। যেগুলো শুনেছি, তার অবৈধ সম্পত্তির কথা। তাকে তো ডাকা হয়নি; তাকে ডাকা হলে বুঝতে পারব। নিশ্চয়ই তার পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা আছে।’

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুমাননির্ভর বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, ‘আমি যতটুকু জানি, ‘বিষয়টি নিয়ে অনুমানভিত্তিক কথাবার্তা চলছে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

সাবেক আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারের বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে এড়াতে পারেন কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘এসব বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানার খবর আমাদের কাছে আসেনি। আমি যতটুকু জানি, অনুমানভিত্তিক কথাবার্তা চলছে।

‘এখনও তার বিরুদ্ধে সঠিকভাবে কোনো অভিযোগ উত্থাপন হয়নি। যেগুলো শুনেছি, তার অবৈধ সম্পত্তির কথা। তাকে তো ডাকা হয়নি; তাকে ডাকা হলে বুঝতে পারব। নিশ্চয়ই তার পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা আছে। তার আয়ের উৎস আছে। সেটি দেখতে হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আর বেনজীর আহমেদ অনেকদিন মিশনে ছিলেন। তার ব্যাখ্যা থাকতে পারে। যদি ব্যাখ্যা দিতে না পারেন তখন দুর্নীতির প্রশ্ন আসবে।’

এমপি আনার হত্যা বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তদন্ত শেষ হলে সব বলতে পারব। বিষয়টি নিয়ে ডিবি সুষ্ঠু ও স্বাধীনভাবে কাজ করছে।’

মন্তব্য

জাতীয়
Erosion started in Yamuna spreading panic

আতঙ্ক ছড়িয়ে যমুনায় ভাঙন শুরু

আতঙ্ক ছড়িয়ে যমুনায় ভাঙন শুরু বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ছবিটি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার পাটিতাপাড়া এলাকা থেকে তোলা। ছবি: নিউজবাংলা
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত বছর ভাঙনরোধে নামমাত্র নিম্নমানের জিও ব্যাগ ফেলে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। সেগুলো এখন ধসে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে। এছাড়া প্রভাবশালীরা নিজ নিজ বাড়ির সামনে জিও ব্যাগ ফেলে। দরিদ্র পরিবারের বাড়ির সামনে জিও ব্যাগ ফেলা হয় না।

উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। একইসঙ্গে শুরু হয়েছে নদীর পাড় ভাঙন। বিগত ভাঙনের পর যেটুকু সম্বল বেঁচে ছিল, সেটিও ভাঙনের আশঙ্কায় চরম হতাশায় দিন পার করছেন নদীপাড়ের শত শত ভাঙন কবলিত মানুষ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চিতুলিয়াপাড়া, ভালকুটিয়া, কষ্টাপাড়া ও নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা, পাটিতাপাড়া, কোনাবাড়ীসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় কয়েক দিন ধরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নদীপাড়ের মানুষেরা।

সেখানকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত বছর ভাঙনরোধে খানুরবাড়ী, চিতুলিয়াপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে নামমাত্র নিম্নমানের জিও ব্যাগ ফেলে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। সেগুলো এখন ধসে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে। এছাড়া প্রভাবশালীরা নিজ নিজ বাড়ির সামনে জিও ব্যাগ ফেলে। দরিদ্র পরিবারের বাড়ির সামনে জিও ব্যাগ ফেলা হয় না।

গত বছর ভাঙনের শিকার একাধিক ব্যক্তি বলেন, শুকনো মৌসুমে বালু ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে নদীতে জেগে ওঠা চর কেটে ট্রাকযোগে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন দেখা দিচ্ছে। বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যায় না। যার কারণে নদীতে পানি এলে ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়।

আতঙ্ক ছড়িয়ে যমুনায় ভাঙন শুরু

গত বছর বন্যায় ভাঙনরোধে পাউবার ফেলা গাইড বাঁধের জিও ব্যাগ আনলোড ড্রেজারগুলোর কারণে ধসে যাচ্ছে। যার ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাকা ও আধপাকা সড়ক, গাইড বাঁধ বসতবাড়ি, মসজিদ-মন্দির, ছোটবড় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে।

পাটিতাপাড়ার ওমেছা, সুফিয়া ও কোরবান আলী বলেন, যমুনা নদীতে গত কয়েকদিন ধরে পানি বাড়ছে। এর সঙ্গে ভাঙনও দেখা দিয়েছে, কিন্তু ভাঙনরোধে কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না।

তারা বলেন, গত বছর বসতভিটা ভেঙে যেটুকু থাকার জায়গা ছিল, সেটি এবারও চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামুনুর রশীদ বলেন, ‘কিছু দিন ধরে যমুনা নদীতে পানি বাড়া শুরু হয়েছে, কিন্তু ভাঙনের বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। ভাঙনরোধে ঊর্ধ্বতন দপ্তরে অবগত করাসহ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা বলব এবং এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

টাঙ্গাইল জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ভূঞাপুরে ভাঙনের বিষয়টি ইউএনওর মাধ্যমে জেনেছি। ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোর মধ্যে গোবিন্দাসী ও নিকরাইলের জন্য একটি প্রকল্প জমা দেয়া হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকার ইকোনোমিক জোনের কাজ শুরু হলে স্থায়ী বাঁধ হয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন:
জামালপুরে যমুনায় তীব্র ভাঙন শুরু, নির্ঘুমে এলাকাবাসী
ভাঙন রোধে ফুলছড়িতে বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর
অসময়ে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে দিশেহারা কুড়িগ্রামবাসী
ভাঙনের কবলে কুশিয়ারার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ
ভাঙনে যমুনায় মিশছে শাহজাদপুরের একের পর এক গ্রাম

মন্তব্য

জাতীয়
Myanmar has been told to retaliate Home Minister

মিয়ানমারকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে পাল্টা গুলি চালাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমারকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে পাল্টা গুলি চালাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: সংগৃহীত
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘নাফ নদ মোহনা কিছু নাব্য হারিয়েছে। কাজেই সেখানে আমাদের নৌযান মিয়ানমারের অংশ দিয়ে যেতে হয়। কখনও মিয়ানমার আর্মি, কখনও আরাকান আর্মি ফায়ার ওপেন করে। আমরা উভয়কেই বলে দিয়েছি- তারা যদি আর গুলি করে, আমরাও পাল্টা গুলি ছুড়ব।’

মিয়ানমার থেকে আর কোনো গুলি বাংলাদেশ ভূখণ্ডে এলে পাল্টা গুলি চালানো হবে- সেদেশে বিবাদমান দুপক্ষকে এমনটা হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারে বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। আমরা যতদূর শুনেছি আরাকান রাজ্যে আরাকান আর্মি অনেক এলাকা দখল করে নিয়েছে। সেজন্য মিয়ানমারের যে বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) তারা আত্মরক্ষার্থে আমাদের এলাকায় পালিয়ে আসছে। কাজেই সেখানকার অবস্থা কী, সেটা আমরা বলতে পারব না।

‘তবে এটুকু বলতে পারি, তারা মাঝে মাঝে ভুল করে আমাদের বিজিবির দলের ওপর গুলি ছুড়েছে। বিষয়টি তাদেরকে জানিয়েছি। তারা বলছে যে, সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের পতাকা যেন উড়িয়ে যায়, তাহলে আর কেউ গুলি করবে না।’

আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনে যেতে হলে আমাদের এলাকায় নাফ নদ মোহনা কিছু নাব্য হারিয়েছে। কাজেই সেখান দিয়ে আমাদের নৌযান চলাচল করতে পারে না। মিয়ানমারের অংশ দিয়ে যেতে হয়। আর সে কারণে এই বিপত্তিটা ঘটেছে।

‘কখনও মিয়ানমার আর্মি, কখনও আরাকান আর্মি ফায়ার ওপেন করে। আমরা উভয়কেই বলে দিয়েছি, তারা যদি আর গুলি করে, আমরাও পাল্টা গুলি ছুড়ব। ওখান থেকে আর কোনো গোলাগুলি হচ্ছে না। এখানে মিয়ানমারের যে দুটি জাহাজ ছিল সেগুলো ফেরত নিয়ে গেছে।

‘আমরা আশা করছি, সেখানে আর গুলি হবে না। তারপরও আমাদের যারা ওই পথ দিয়ে যাতায়াত করছেন, তারা সাবধানতা অবলম্বন করবেন।’

আরও পড়ুন:
সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই বেশি ব্যথা লাগবে: কাদের
সেন্টমার্টিনে মিয়ানমারের গুলির ঘটনায় প্রয়োজনে জবাব: কাদের
মিয়ানমার থেকে আসা গুলির শব্দে টেকনাফে নির্ঘুম রাত
রোহিঙ্গাদের সহায়তায় বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্রের
ফিরলেন ৪৫ বাংলাদেশি, মিয়ানমারে ফেরত গেলেন ১৩৪ বিজিপি-সেনা

মন্তব্য

জাতীয়
If Benji doesnt come to ACC on June 23 case will be filed against him Lawyer

বেনজীর ২৩ জুন দুদকে না এলে তার নামে মামলা হবে: আইনজীবী

বেনজীর ২৩ জুন দুদকে না এলে তার নামে মামলা হবে: আইনজীবী
আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘বেনজীর আহমেদের ৬ জুন দুদকে হাজির হওয়ার কথা ছিল। তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে সময় চেয়ে আবেদন করলে ২৩ জুন সময় নির্ধারণ করে দুদকের অনুসন্ধান টিম। ওইদিন হাজির না হলে ধরে নেয়া হবে যে তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ সত্য এবং এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য নেই। তখন বেনজীর আহমেদের নামে মামলা হবে।’

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে আর সময় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। তিনি বলেছেন, আগামী ২৩ জুন দুদকে হাজির না হলে আইন অনুযায়ী বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলা হবে।

বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বেনজীর আহমেদকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ২৩ জুন পর্যন্ত সময় দিয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।

খুরশীদ আলম খান বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের বলেন, ‘৬ জুন বেনজীর আহমেদের দুদকে হাজির হওয়ার কথা ছিল। তিনি হাজির না হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে সময় চেয়ে আবেদন করলে ২৩ জুন সময় নির্ধারণ করে দুদকের অনুসন্ধান টিম।

‘ওইদিন হাজির না হলে আইন অনুযায়ী ধরে নেয়া হবে যে তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ সত্য এবং এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য নেই। তখন বেনজীর আহমেদের নামে মামলা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ভালোভাবে চলছে। তার আরও অবৈধ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেগুলো জব্দের জন্য দুদক আদালতের শরণাপন্ন হবে।’

এর আগে ২৮ মে বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ পাঠায় দুদক। সেই নোটিশে বেনজীরকে ৬ জুন এবং তার স্ত্রী ও সন্তানদের ৯ জুন দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছিল।

এরপর বেনজীরের পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের জন্য নতুন দিন ধার্য করে দুদক।

আরও পড়ুন:
ঢাকা বোট ক্লাবের দায়িত্ব ছাড়লেন বেনজীর
বেনজীরের আরও বিপুল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি জব্দের আদেশ
বেনজীরের স্ত্রী-সন্তানদের দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ পিছিয়ে ২৩ জুন
বেনজীরের রিসোর্টে পুকুর থেকে মাছ চুরির চেষ্টা, মামলা
বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানের সম্পদ দেখভালে তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ

মন্তব্য

জাতীয়
Seasonal leather traders suffer losses in Naogaon

নওগাঁয় লোকসানে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা

নওগাঁয় লোকসানে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা বদলগাছী উপজেলার চাকরাইল চামড়া আড়ৎ বুধবার চামড়া বেচাকেনার দৃশ্য। ছবি: নিউজবাংলা
মৌসুমী ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এ বছর লবণের দাম বেশি এবং শ্রমিকের মজুরি বেশি হওয়ায় চামড়া লবণজাত করতে তাদের খরচ বেশি পড়েছে। আর বাইরের ব্যবসায়ীরা না আসায় তাদের লোকসান করে চামড়া বিক্রি করতে হয়েছে। চামড়া সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি তাদের।

ঈদ-পরবর্তী সময়ে উত্তরের জেলা নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার চাকরাইল চামড়া আড়তে শুরু হয়েছে চামড়া বেচাকেনা। ছাগল-ভেড়ার চামড়া প্রকারভেদে ২০ থেকে ৬০ টাকা এবং গরু-মহিষের চামড়া প্রতি পিস ৩০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তবে মৌসুমী ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এ বছর লবণ ও শ্রমিকের মজুরি বেশি এবং চামড়া ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম কম রাখায় তাদের লোকসান করে বিক্রি করতে হয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্যানুসারে, জেলায় এ বছর ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৭৫৯টির মতো পশু কোরবানি হয়েছে।

বদলগাছী উপজেলার চাকরাইল চামড়া আড়ৎ, যেখানে সপ্তাহের প্রতি বুধবার হাট বসে। সারা বছর এ হাটে কমবেশি চামড়া বেচাকেনা হয়ে থাকে। তবে কোরবানির ঈদ-পরবর্তী সময়ে প্রচুর চামড়া বেচাকেনা হয়ে থাকে। ভোরের আলো ফোটার পর থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে এ আড়ৎ।

জেলায় দুটি চামড়া আড়ৎ রয়েছে, যার মধ্যে চাকরাইল একটি। যেখানে জেলার বিভিন্ন উপজেলা, পার্শ্ববর্তী জয়পুরহাট জেলা ও বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা এবং ঢাকা থেকে ব্যবসায়ীরা চামড়া কেনাবেচার জন্য আসেন।

তবে ঈদের পর বুধবার চামড়ার আড়তে বেচাকেনা জমে ওঠেনি। ঢাকা বা জেলার বাইরের ব্যবসায়ীরা না আসায় কাঙ্ক্ষিত দাম পাননি মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। আড়তে গরুর চামড়ার সরবরাহ কম হলেও ছাগলের চামড়ার সরবরাহ হয়েছে বেশি। ব্যবসায়ীরা না আসায় তাদের লোকসান করে বিক্রি করতে হয়েছে।

মৌসুমী ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এ বছর লবণের দাম বেশি এবং শ্রমিকের মজুরি বেশি হওয়ায় চামড়া লবণজাত করতে তাদের খরচ বেশি পড়েছে। আর বাইরের ব্যবসায়ীরা না আসায় তাদের লোকসান করে চামড়া বিক্রি করতে হয়েছে। চামড়া সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি তাদের।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবছর এ আড়তে ছাগল-ভেড়ার চামড়া প্রকারভেদে প্রতি পিস ২০ থেকে ৬০ টাকা এবং গরু-মহিষের চামড়া প্রতিপিস ৩০০ থেকে ৭০০ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে। সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া বিক্রি হচ্ছে না।

গত বছরের তুলনায় বস্তায় লবণের দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। এতে চামড়া প্রক্রিয়াজাতে খরচ বেড়েছে। এমতাবস্থায় চামড়া শিল্পকে রক্ষায় সরকারের হস্তক্ষেপ চান তারা।

সাপাহার উপজেলা থেকে চামড়া বিক্রি করতে আসা গোলাম হোসেন বলেন, ‘মাদরাসায় এবছর ২২টি ছাগলের চামড়া পাওয়া গেছে। চামড়ায় লবণজাত করতে খরচ পড়েছে ৪৪০ টাকা। আড়তে বিক্রি করেছি ৩৪০ টাকায়। এরমধ্যে ২০ টাকা খাজনা দিয়েছি। এখন ভ্যান ভাড়া দিতে হবে ৩০০ টাকা।

‘ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে চামড়ার দাম কমিয়ে দিয়েছে। আর এভাবে চলতে থাকলে চামড়া সংগ্রহ করা মানুষের আগ্রহ হারিয়ে যাবে।’

মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ী দিলীপ কুমার বলেন, ‘১৫০ পিস ছাগলের চামড়া কিনেছিলাম, যেখানে লবণজাত করতে খরচ হয়েছে আড়াই হাজার টাকা। আড়তে বিক্রি করেছি ২২ শ টাকা। আর খাজনা দিয়েছি ১৮০ টাকা। লাভ করতে এসে লোকসান করে চামড়া বিক্রি করতে হয়েছে। চামড়া সংরক্ষণ করার উপায় না থাকায় বাধ্য হয়ে কম দামে বিক্রি করতে হয়েছে।’

মহাদেবপুর উপজেলার চামড়া ব্যবসায়ী সাহাদত হোসেন বলেন, ‘গত বছর প্রায় ১৩ লাখ টাকার চামড়া কিনেছিলাম, যা থেকে প্রায় দুই লাখ টাকার মতো লাভ হয়। এবছর প্রায় ৭ লাখ টাকার গরু ও ছাগলের চামড়া কিনেছি। এবার খরচ অনেক বেশি, তারপরও লাভ থাকবে ইনশাল্লাহ।’

চাকরাইল চামড়া আড়তের আহ্বায়ক ও জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ঈদ-পরবর্তী আড়ত হওয়ায় অনেকেই ব্যস্ত রয়েছে। মৌসুমী ব্যবসায়ীদের বাড়িতে চামড়া লবণ দিয়ে মজুত করে রাখায় আড়তে চামড়া সরবরাহ কম হয়েছে। ঈদের পর আড়তে ১৪ লক্ষাধিক টাকার চামড়া বেচাকেনা হয়েছে। তবে আগামী বুধবার আড়তে চামড়া বেচাকেনা জমজমাট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

নওগাঁ জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘জেলায় ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ১৫০ জন চামড়া ব্যবসায়ী আছে। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে আমরা নিজেরা ইতোমধ্যে ৫০ হাজার পিস চামড়া সংগ্রহ করেছি। মৌসুমী ব্যবসায়ীরা লবণ দিয়ে চাড়মা সংগ্রহ করে রেখেছেন। কয়েকদিনের মধ্যে আমাদের কাছে ওইসব চামড়া চলে আসবে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গরু ও মহিষের চামড়া ৬০ থেকে ৬৫ হাজার পিস এবং ছাগল ও ভেড়ার চামড়া ১ লাখ পিস কেনা হবে, যার বাজার মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা। এসব চামড়া ট্যানারিতে হস্তান্তর করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘চামড়ার দাম ঠিক আছে। তবে যেসব চামড়া ছেঁড়া ও কাটা রয়েছে সেগুলোর দাম কম। ছাগলের চামড়া বেশি কাটাছেঁড়া হয়। তবে ভালো চামড়ার দাম ভালো আছে।’

তবে চামড়ার দাম অতিরিক্ত কম হওয়ার কারণে অনীহা রয়েছে বলে তিনিও স্বীকার করেন।

আরও পড়ুন:
ঈদ-পরবর্তী সাতদিন বাইরের চামড়া ঢাকায় ঢুকতে পারবে না
কোরবানির পশুর চামড়া বেচাকেনায় সেই নৈরাজ্য
বকেয়ার আশায় দিন গুনছেন বগুড়ার চামড়া ব্যবসায়ীরা
গরুর চামড়ায় বাড়ল ৩ টাকা
‘লেদারটেক বাংলাদেশ’ প্রদর্শনী শুরু

মন্তব্য

p
উপরে