× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
তাসখন্দে মোমেন বৈঠকে প্রাধান্য পাবে টিকা
google_news print-icon

তাসখন্দে মোমেন, বৈঠকে প্রাধান্য পাবে রোহিঙ্গা, তালেবান

তাসখন্দে-মোমেন-বৈঠকে-প্রাধান্য-পাবে-রোহিঙ্গা-তালেবান
উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিইয়োইয়েভের উদ্যোগে আয়োজিত ওই সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, মূলত অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সংযুক্তির মাধ্যমে ঐতিহাসিক সম্পর্ক জোরদারের জন্য উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এই সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সংযুক্তির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে মধ্য এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দ গেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

দেশটির উদ্দেশে বুধবার সকালে ঢাকা ছেড়ে যান তিনি।

সম্মেলনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি চীন, রাশিয়া ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে করোনাভাইরাসের রোহিঙ্গা, টিকা ও তালেবান ইস্যু নিয়ে আলাদা বৈঠক হবে।

১৫ ও ১৬ জুলাই অনুষ্ঠেয় দুই দিনের এই সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান ও ইইউসহ বিশ্বের অন্তত ৪০টি দেশ ও জোটের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা।

উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিইয়োইয়েভের উদ্যোগে আয়োজিত ওই সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, মূলত অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সংযুক্তির মাধ্যমে ঐতিহাসিক সম্পর্ক জোরদারের জন্য উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এই সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণার পর থেকেই ক্রমশ সংঘাতপূর্ণ হয়ে উঠেছে আফগানিস্তান। দুই দিনের সম্মেলন সংযুক্তির হলেও সমকালীন প্রসঙ্গ হিসেবে আফগানিস্তান নিয়ে আলোচনা হবে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, সম্মেলনের পার্শ্ব বৈঠকগুলোতেও আফগানিস্তান পরিস্থিতিসহ সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার কানেকটিভিটি বাড়ানোই এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য। ওই সম্মেলনের ফাঁকে উজবেকিস্তানসহ আরও কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাস কাজ করছে।’

উজবেকিস্তানের সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও যাচ্ছেন না মোদি। সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

সম্মেলনটি দুই দিনের হলেও করোনায় বিপর্যস্ত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক দিনের জন্য উজবেকিস্তানে যাবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, উজবেকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ঢাকা-তাসখন্দ সরাসরি বিমান চলাচলের পাশাপাশি ঢাকায় কনস্যুলেট চালুর প্রস্তাব দিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে এ বিষয়গুলো নিয়ে আবার আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ দেয়ার বিষয়টি এগিয়ে নেয়া হতে পারে।

সম্মেলনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন ড. মোমেন। তিনি উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

তাসখন্দের সম্মেলনে ৪০টি দেশ থেকে ২৫০ প্রতিনিধি অংশ নেবেন।

সম্মেলন শেষে ১৯ জুলাই ঢাকা ফিরবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে মোমেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উজবেকিস্তান সফরকালে রাশিয়া, ভারত ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমার বৈঠক হবে। এসব বৈঠকে রোহিঙ্গা, টিকা সহযোগিতা আলোচনা প্রাধান্য পাবে।’

তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের সেনাপ্রধান কিছুদিন আগে রাশিয়া গিয়েছিলেন। আমিও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি তুলে ধরতে চাই।

‘চীনের পররাষ্ট্র ওয়াং ইর সঙ্গে সেখানে বৈঠক হবে। চীন জানিয়েছে, আমাদের আরও ১০ লাখ টিকা উপহার দেবে। বৈঠকে টিকাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।’

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে বৃহস্পতিবার বৈঠক করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তাসখন্দ সফরের সময় আরও কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মোমেনের আলোচনার সম্ভাবনা আছে।

মোমেন-জয়শঙ্কর বৈঠক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গত মার্চে ঢাকা সফরের সময়ে অনেকগুলো বিষয়ে একমত হয়েছিল দুই দেশের সরকার। কিন্তু সেগুলো নিয়ে দৃশ্যত কোনো ধরনের অগ্রগতি হয়নি গত কয়েক মাসে।

এ নিয়ে মোমেন বলেন, ‘আমরা চাই, যে বিষয়গুলো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতৈক্য হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত কাজ শুরু করা। গত তিন মাসে এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি এবং এ জন্য এটি আমাদের অগ্রাধিকার।’

ভারত থেকে পণ্য আমদানি ৪০ শতাংশের ওপর বৃদ্ধি পেলেও রপ্তানি আশানুরূপ বাড়েনি। এমনকি পাট পণ্যের ওপরে শুল্ক এখনও বলবৎ আছে। আরও কয়েকটি পণ্যের ক্ষেত্রে অশুল্ক ও শুল্ক বাধা আরোপ করার চিন্তা করছে ভারত সরকার।

মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রের ভাষ্য, ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি অনেক বেশি। তারপরেও বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে বিভিন্ন বাধা দিচ্ছে ভারত।

মোমেন-ওয়াং বৈঠক

চীনের কাছ থেকে টিকা কিনছে সরকার। এ ছাড়া রোহিঙ্গা বিষয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বেইজিং।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও কীভাবে দৃঢ় করা যায়, সেটি নিয়ে আলোচনা হবে।’

টিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চীন আমাদেরকে জানিয়েছে যে, টিকা সরবরাহে কোনো ধরনের ঘাটতি হবে না। এ মাসেই সিনোফার্মের আরও ৫০ লাখ টিকা পাওয়ার আশা করছি আমরা।’

চীন থেকে দেড় কোটি টিকা কেনার চুক্তি হয়েছে। এরই মধ্যে ২০ লাখ টিকা হস্তান্তর করেছে দেশটি। এ ছাড়াও চীন ১১ লাখ টিকা বাংলাদেশকে উপহার দিয়েছে।

মিয়ানমারের ওপর চীনের প্রভাব রয়েছে এবং এই প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর জন্য পুনরায় অনুরোধ করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন।

মোমেন-ল্যাভরভ বৈঠক

মুজিব জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সম্পর্কের দৃঢ়তা আরও বাড়ানোর বিষয়ে রাজনৈতিক পর্যায়ে সফরের জন্য একমত হয়েছে দুই দেশ।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প, টিকা ক্রয়, রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই মন্ত্রীর মধ্যে আলাপ হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রের ভাষ্য, ‘আমরা চাই, আরও বেশি রাজনৈতিক সফর এবং এ ক্ষেত্রে ল্যাভরভ ঢাকা আসতে পারেন বা আমাদের মন্ত্রী মস্কো যেতে পারেন।’

আরও পড়ুন:
মেহেরপুরে সিনোফার্মের টিকাদান শুরু
সিএনজি অটোরিকশায় টিকা পরিবহন, তাপমাত্রা সংরক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন
নিবন্ধনের আগে টিকার জন্য আবেদন করতে হবে বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের
রেজিস্ট্রেশন করেই টিকাকেন্দ্রে, ভিড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি
এবার জনসনের টিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
The government wants to ensure 100 paperless services by 2041

২০৪১ সালের মধ্যে শতভাগ কাগজহীন সেবা নিশ্চিত করতে চায় সরকার

২০৪১ সালের মধ্যে শতভাগ কাগজহীন সেবা নিশ্চিত করতে চায় সরকার প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশাসন ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটাতে কাগজহীন সেবা প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি সংসদে উপস্থাপিত একটি সরকারি নথিতে বলা হয়, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সরকারি পরিষেবাগুলোকে প্রস্তুত করতে শতভাগ কাগজহীন, সরলীকৃত ও পারসোনালাইজড করা হবে।

‘স্মার্ট বাংলাদেশ: ২০৪১’ রূপকল্পের অংশ হিসেবে সব পরিষেবা সম্পূর্ণ কাগজহীন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশাসন ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটাতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি সংসদে উপস্থাপিত একটি সরকারি নথিতে বলা হয়, সরকারের লক্ষ্য শতভাগ কাগজহীন, সরলীকৃত ও পারসোনালাইজড পরিষেবা প্রদান।

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সরকারি পরিষেবাগুলোকে প্রস্তুত করতে শতভাগ কাগজহীন, সরলীকৃত ও পারসোনালাইজড করা হবে।’

এই রূপান্তরের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- স্মার্ট বাংলাদেশ ধারণার মাধ্যমে ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি করে সব সেবা সহজলভ্য ও আন্তঃব্যবহারযোগ্য করে তোলা। এ ছাড়াও, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুত করতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জন্য তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ড্যাশবোর্ড তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। খবর ইউএনবি

২০৪১ সালের মধ্যে, জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সে ৫০-এর ঘরে অবস্থান করার লক্ষ্যে নিজের অবস্থানের উন্নতিতে কাজ করছে সরকার। তাছাড়া প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মাধ্যমে কর-জিডিপি অনুপাত কমপক্ষে ২২ শতাংশে উন্নীত করার চেষ্টাও চলমান।

সরকারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হচ্ছে, সব নাগরিকের জন্য সর্বজনীন ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, ব্যাপক সামাজিক কল্যাণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করা।

স্মার্ট বাংলাদেশের অন্যতম কৌশলগত লক্ষ্য হলো, ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি উদ্ভাবনী জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এ লক্ষ্যে সরকার ফ্রিল্যান্সার, সিএমএসএমই উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতাদের গড়ে তুলছে।

এই কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ২০৪১ সালের মধ্যে প্রতিটি পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে স্মার্ট এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট (এসইইডি)-ভিত্তিক সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে ‘ওয়ান ফ্যামিলি ওয়ান সিড’ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ দেশজুড়ে উদ্যোক্তাদের একটি শক্তিশালী ভিত গড়ে তোলার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়া, ‘হার পাওয়ার প্রজেক্ট: এমপাওয়ারমেন্ট অফ উইমেন উইথ দ্য হেল্প অফ টেকনোলজি’ নামক একটি প্রকল্পও পরিচালনা করছে সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে ৪৪টি জেলার ১৩০টি উপজেলার ২৫ হাজার ১২৫ জন নারীকে আইটি প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। পাঁচ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে এক মাসের মেন্টরশিপ ও একটি ল্যাপটপ দেয়া হয়।

তরুণ উদ্যোক্তাদের সক্রিয়ভাবে সহায়তা করতে সরকার ‘ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যাকাডেমি’ (আইডিইএ) প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করেছে। নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ ও স্টার্টআপকে উৎসাহিত করতে উদ্ভাবনের কেন্দ্রস্থলের বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ লঞ্চপ্যাড’ নামে ভেঞ্চার স্টুডিও প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

স্টার্টআপগুলোকে আরও সহায়তা করতে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ নামের কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। এই কোম্পানি একটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম, যা স্টার্টআপগুলোর যাত্রা শুরু ও বেড়ে ওঠার সময় বিনিয়োগের মাধ্যমে সাহায্য করে এবং জাতীয় পর্যায়ে নীতি প্রণয়নে যুক্ত করে।

এ ছাড়াও মিশন গভর্নমেন্ট ব্রেইনের (জি-ব্রেইন) অধীনে বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত উদ্যোগের বিকাশ ঘটানো হচ্ছে, যেমন: পার্সোনালাইজড লার্নিং ইনভেস্টরজিপিটি, লজিপিটি, হেলথজিপিটি ও ক্লাইমেটজিপিটি। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য বিভিন্ন খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করে দক্ষতা ও পরিষেবা সরবরাহ বাড়ানো।

স্মার্ট প্রশাসনে রূপান্তরকে সহজতর করতে আরও বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি ইমেইল নীতিমালা ২০১৮ এবং ৪৭টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও ৬৪টি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ ১৮ হাজার ৪৩৪টি সরকারি অফিসকে একটি সমন্বিত নেটওয়ার্কে একীভূত করা।

এদিকে, কোনো বাড়তি ইউএসবি সিস্টেম বা ডঙ্গলের ব্যবহার ছাড়াই ই-সই প্রযুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। এরইমধ্যে ২৭৩ জন কর্মকর্তা ই-সই ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি ডিজিটাল পৌরসভা পরিষেবা সিস্টেমের (ডিএমএসএস) কাজ চলছে।

কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (কোইকা) সহায়তায় ৯টি পৌরসভা এবং একটি সিটি করপোরেশনে ই-পরিষেবা সরবরাহ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ৩২৯টি পৌরসভায় ১১টি ই-সেবা দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে ‘ন্যাশনাল মিউনিসিপ্যাল ডিজিটাল সার্ভিস’ প্রকল্প।

সরকারি অফিসগুলোকে কাগজহীন করতে ৯টি মডিউলসহ একটি এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি) সিস্টেম তৈরি করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫টি মডিউল আইসিটি ও পরিকল্পনা বিভাগে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ ছাড়াও সরকার ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব নিরসনে চালু করা হয়েছে নাগরিকবান্ধব ওয়েব পোর্টাল ‘জনতার সরকার’। নাগরিক ও সরকারের মধ্যে স্বচ্ছ ও পারস্পরিক যোগাযোগের সুবিধার্থে এই পোর্টাল বর্তমানে ১১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে যুক্ত করেছে।

মন্তব্য

জাতীয়
Road accidents due to motorcycles and easybikes have increased Kader

মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে: কাদের

মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে: কাদের বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে লাখ লাখ তিন চাকার যান ও মোটরসাইকেলের জন্য সড়কে শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। ভোটের রাজনীতি যারা করেন তাদের এতে সায় আছে। হাইওয়েতে ইজিবাইক চলে- এটি অনেকে সমর্থন করেন, অথবা পেছন থেকে মদদ দেন।’

সারা দেশে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের কারণে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক যে ইদানীং যেসব দুর্ঘটনা ঘটছে তার মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। মোটরসাইকেলের পরই সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে ইজিবাইকের। এর সঙ্গে বেপরোয়া ড্রাইভিংও আছে, এটাকে বাদ দেয়ার উপায় নেই।’

এ বিষয়ে দ্রুত নীতিমালা করার জন্য সচিবকে বলবেন বলে জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সারা দেশে লাখ লাখ তিন চাকার যান ও মোটরসাইকেলের জন্য সড়কে শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। সেজন্য নীতিমালাটা জরুরি। মানুষের জীবন আগে, জীবিকা পরে। জীবিকা রক্ষা করতে গিয়ে জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে।

‘ভোটের রাজনীতি যারা করেন তাদের এতে সায় আছে। হাইওয়েতে ইজিবাইক চলে- এটি অনেকে সমর্থন করেন, অথবা পেছন থেকে মদদ দেন। ঢাকায় যে নিয়ম চালু করেছি, তাতে ৯৮ শতাংশ ক্ষেত্রে (মোটরসাইকেলের) দুজনেরই হেলমেট থাকে।’

তিনি বলেন, ‘সড়কে এবার ঈদযাত্রা অনেকটা ভালো হয়েছে। কিন্তু ফিরতি পথের বিষয়টি এখনও রয়েছে। এদিকে নজর অনেকটা কম থাকে। তাই দুর্ঘটনাও ঘটে অনেক সময়। তাই ফিরতি পথটাও এখন দেখতে হবে।

‘রাস্তায় শৃঙ্খলা আনতে পারলে দুর্ঘটনা কমবে। তাই শৃঙ্খলাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।’

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন কাদের
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সব নিবন্ধিত দলকে আমন্ত্রণ জানাবে আওয়ামী লীগ
নেতা-কর্মীদের রাজপথে প্রস্তুত থাকতে বললেন কাদের
স্বাধীনতার পথে সংগ্রামের ঐতিহাসিক মাইলফলক ছয় দফা: কাদের
প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে দেশ: জিএম কাদের

মন্তব্য

জাতীয়
The army is a smart force today due to the unilateral efforts of the Prime Minister
কুমিল্লা সেনানিবাসে বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন

প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চেষ্টায় সেনাবাহিনী আজ চৌকস বাহিনী

প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চেষ্টায় সেনাবাহিনী আজ চৌকস বাহিনী কুমিল্লা সেনানিবাসে বুধবার সেনাপ্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদকে সামরিক রীতিতে বিদায় জানানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লা সেনানিবাস এরিয়া পরিদর্শন ও বিদায়ী দরবার গ্রহণ এবং মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। সব পদবির সেনা সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা পেয়েছি। পরবর্তী সময়ে তা মনে রাখব।’

প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক চেষ্টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ একটি আধুনিক ও চৌকস বাহিনী হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার সকালে কুমিল্লা সেনানিবাস এরিয়া পরিদর্শন ও বিদায়ী দরবার গ্রহণ এবং মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

সব পদবির সেনা সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জেনারেল শফিউদ্দিন বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা পেয়েছি। আমার পরবর্তী সময়ে তা মনে রাখব।’

এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মতবিনিময়ের পর কুমিল্লা সেনানিবাসের অদূরে নবনির্মিত বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (BAUST) ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করেন।

পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধানকে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে ফুলসজ্জিত গাড়িতে করে সামরিক রীতিতে বিদায় জানানো হয়। পরে সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে কুমিল্লা সেনানিবাস ত্যাগ করেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

বিদায়ী অনুষ্ঠানে সেনা সদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ কুমিল্লা সেনানিবাসের সব পদবির কর্মকর্তাগণ, জেসিও, অন্যান্য পদবির সেনা সদস্যগণ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা সেনাপ্রধানের
সিঙ্গাপুর সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
মাতৃভূমি রক্ষা করা আমাদের প্রধান কর্তব্য: সেনাপ্রধান
পাহাড়ের পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত কম্বিং অপারেশন চলবে: সেনাপ্রধান
পেশাগত দক্ষতা দিয়ে সেনাবাহিনী বিদেশেও সুনাম অর্জন করেছে: সেনাপ্রধান

মন্তব্য

জাতীয়
Area 8 is likely to experience storms by noon

দুপুরের মধ্যে ৮ অঞ্চলে হতে পারে ঝড়

দুপুরের মধ্যে ৮ অঞ্চলে হতে পারে ঝড় প্রতীকী ছবি
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

দেশের আটটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি বুধবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানায়।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে
বৃষ্টি হতে পারে সব বিভাগে
দেশজুড়ে বাড়তে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রা
৯ জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ
রিমালে সুন্দরবনের ক্ষত দৃশ্যমান হচ্ছে, এখনও মিলছে মৃত প্রাণী

মন্তব্য

জাতীয়
Office is opening on new schedule from today

আজ থেকে অফিস খুলছে নতুন সময়সূচিতে

আজ থেকে অফিস খুলছে নতুন সময়সূচিতে ঈদের ছুটির পর নতুন সময়সূচিতে অফিস খুলছে আজ। ফাইল ছবি
দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস নতুন সময়সূচি অনুযায়ী চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। শুক্রবার ও শনিবার যথারীতি সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

ঈদের ছুটির পর আজ বুধবার থেকে সরকারি অফিস খুলছে। দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস নতুন সময়সূচি অনুযায়ী চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

ঈদুল আজহার ছুটির পর বুধবার প্রথম কর্মদিবস থেকে নতুন এই অফিস সময়সূচি কার্যকর হচ্ছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী যথারীতি কোর্ট-কাচারি ও স্টক মার্কেট চলবে। ৩ জুন মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বাংলাদেশে স্বাভাবিক সময়ে অফিস চলত সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। কিন্তু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত করা হয়। এখন আবার আগের সময়সূচিতে ফিরছে অফিস সময়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ বিষয়ে বলেন, রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অফিস চলবে। আর দুপুর ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের জন্য বিরতি থাকবে। শুক্রবার ও শনিবার যথারীতি সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

কী কারণে অফিস সময় পুনঃনির্ধারণ করা হলো- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটিই তো স্বাভাবিক ছিল। দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ হবে। ৫ দিনে ৪০ ঘণ্টা। এতো দিন ৩৫ ঘণ্টা কাজ হতো। কিন্তু সেটি বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। এখন আবার মূল অবস্থানে ফিরে আসা হলো।’

মন্তব্য

জাতীয়
The office is opening on a new schedule from tomorrow after the Eid holiday

ঈদের ছুটির পর কাল থেকে নতুন সময়সূচিতে অফিস খুলছে

ঈদের ছুটির পর কাল থেকে নতুন সময়সূচিতে অফিস খুলছে ফাইল ছবি।
দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস নতুন সময়সূচি অনুযায়ী চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। শুক্রবার ও শনিবার যথারীতি সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

ঈদের ছুটির পর আগামীকাল বুধবার থেকে সরকারি অফিস খুলছে। দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস নতুন সময়সূচি অনুযায়ী চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

ঈদুল আজহার ছুটির পর বুধবার প্রথম কর্মদিবস থেকে নতুন এই অফিস সময়সূচি কার্যকর হচ্ছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী যথারীতি কোর্ট-কাচারি ও স্টক মার্কেট চলবে। ৩ জুন মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বাংলাদেশে স্বাভাবিক সময়ে অফিস চলত সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। কিন্তু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত করা হয়। এখন আবার আগের সময়সূচিতে ফিরছে অফিস সময়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ বিষয়ে বলেন, রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অফিস চলবে। আর দুপুর ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের জন্য বিরতি থাকবে। শুক্রবার ও শনিবার যথারীতি সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

কী কারণে অফিস সময় পুনঃনির্ধারণ করা হলো- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটিই তো স্বাভাবিক ছিল। দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ হবে। ৫ দিনে ৪০ ঘণ্টা। এতোদিন ৩৫ ঘণ্টা কাজ হতো। কিন্তু সেটি বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। এখন আবার মূল অবস্থানে ফিরে আসা হলো।

আরও পড়ুন:
ঈদের পর সরকারি অফিসের নতুন সময় ৯-৫টা
স্কুল-মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
তাপপ্রবাহের মধ্যেই রোববার শর্তসাপেক্ষে খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
আরও এক সপ্তাহ স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত আসছে
ঈদ ও নববর্ষের দীর্ঘ ছুটি শেষ, তবু আমেজ কাটেনি

মন্তব্য

জাতীয়
Prime Minister will visit Delhi on June 21

প্রধানমন্ত্রী দিল্লি সফরে যাচ্ছেন ২১ জুন

প্রধানমন্ত্রী দিল্লি সফরে যাচ্ছেন ২১ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের দিল্লি সফরের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে আন্তঃসীমান্ত সংযোগ উদ্যোগ, তিস্তা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভারতীয় বিনিয়োগ, মোংলা বন্দরের ব্যবস্থাপনা এবং বিদ্যুৎ বাণিজ্য। সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনারও প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দুদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ২১ জুন শুক্রবার দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর এটি হবে কোনো সরকারপ্রধানের ভারতে প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর।

নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের আগে ১৫ দিনেরও কম সময়ে ভারতের রাজধানীতে এটি শেখ হাসিনার দ্বিতীয় সফর হতে চলেছে। ৯ জুন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ব্যক্তিদের মধ্যে শেখ হাসিনাও ছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর এবারের দিল্লি সফরের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে আন্তঃসীমান্ত সংযোগ উদ্যোগ, তিস্তা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভারতীয় বিনিয়োগ, মোংলা বন্দরের ব্যবস্থাপনা এবং বিদ্যুৎ বাণিজ্য। এছাড়া একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনারও প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

গত এক দশকে শক্তিশালী আঞ্চলিক অংশীদারত্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে অসংখ্য আন্তঃসীমান্ত উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, ২২ জুন শনিবার অনুষ্ঠেয় হাসিনা-মোদি শীর্ষ বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে। ভারত প্রতিরক্ষা খাতে বাংলাদেশকে ৫০ কোটি ডলারের ঋণ দেয়ার প্রস্তাব দিলেও এখনও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট শুক্রবার দুপুর ২টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে।

ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় দিল্লির পালাম বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। সেখানে ভারতের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন।

ওইদিন সন্ধ্যায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে তার বাসস্থান হোটেল তাজ প্যালেসের সভাকক্ষে বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা।

শনিবার সকালে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়া হবে। এ সময় তাকে গার্ড অফ অনার দেয়ারও কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এরপর রাজঘাটে গিয়ে ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে হায়দ্রাবাদ হাউসে মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং এরপর প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন শেখ হাসিনা। এ সময় উভয়েই সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষর করবেন।

পরবর্তীতে যৌথ বিবৃতি দেবেন দুই প্রধানমন্ত্রী। এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত ভোজসভায় যোগ দেবেন তারা।

শনিবার বিকেলে নয়াদিল্লির সচিবালয়ে ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন শেখ হাসিনা। সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

ওইদিন স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে রাত ৯টায় ঢাকায় অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
গণভবনে আ.লীগ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়
ত্যাগের চেতনায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রীকে ঈদের শুভেচ্ছা মোদির
ভোট চুরি করলে কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী
গাজীপুরের ফজিলাতুন্নেসা হাসপাতালে রুটিন চেকআপ প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

p
উপরে