ভারত-নেপালসহ ৮ দেশ থেকে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ভারত-নেপালসহ ৮ দেশ থেকে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

সোমবার বিকেলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বেবিচক এ নিদের্শনা জারি করে। এতে বলা হয়েছে, বতসোয়ানা, ভারত, মঙ্গোলিয়া, নামিবিয়া, নেপাল, পানামা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও তিউনিশিয়া থেকে কেউ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবেন না।

করোনা সংক্রণ রুখতে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা আটটি দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

সোমবার বিকেলে অনির্দিষ্টকালের জন্য এ নিদের্শনা জারি করেছে বেবিচক। এতে বলা হয়েছে বতসোয়ানা, ভারত, মঙ্গোলিয়া, নামিবিয়া, নেপাল, পানামা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও তিউনিশিয়া থেকে কেউ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবেন না।

বেবিচকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি নাগরিক ও প্রবাসী কর্মী এবং যারা ১৫ দিনের মধ্যে এই দেশগুলো ভ্রমণ করেছেন তাদের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে তাদের নিতে হবে বিশেষ অনুমতি। যারা এদেশগুলো থেকে আসবেন তাদের বাধ্যতামূলকভাবে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া, ১৪ দেশের নাগরিকদের বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হলেও তাদের প্রবেশের পর বাধ্যতামুলকভাবে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। এ দেশগুলো হলো আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, জর্জিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য এবং উরুগুয়ে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এসব দেশ থেকে যারা আসবেন তাদের মধ্যে যারা করোনার একটি বা দুটি ডোজের টিকা নিয়েছেন তারা ১৪ দিনের কঠোর হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। তবে বিমানবন্দরে কারো মধ্যে করোনার উপসর্গ দেখা গেলে তাকে সরকার মনোনীত কোনো হাসপাতালে পাঠানো হবে এবং প্রয়োজনে সেখানেই তাকে আইসোলেশনে রাখা হবে।

এই তালিকার বাহিরে অন্য কোনো দেশে থেকে কেউ ফিরলে তাদের বাধ্যমতামূলক ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে বেবিচকের নির্দেশনায়।

দেশে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি। বিদেশগামীদের সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জারি করা বিধিনিষেধ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বেবিচকের নির্দেশনায়।

বিদেশ যাওয়া এবং আসার ক্ষেত্রে ১০ বছর বয়সের সকলকে বাধ্যতামুলকভাবে পিসিআর টেস্ট সম্পন্ন করতে হবে। দেশে আসা কূটনীতিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

এর বাহিরে এয়ারলাইনসগুলোকে উড়োজাহাজে যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত মানতে বলেছে বেবিচক। ঢাকা ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইটের ক্ষেত্রে মাঝারি আকারের উড়োজাহাজে কোনো যাত্রী বহন সংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি।

তবে সুপরিসর উড়োজাহাজে সর্বোচ্চ ২৮০ জন যাত্রী পরিবহনের শর্ত দেয়া হয়েছে। অবশ্য এক্ষেত্রে বোয়িং ট্রিপল সেভেন ও সেভেন ফোর সেভেন উড়োজাহাজে সর্বোচ্চ বহন করা যাবে ৩৫০ জন যাত্রী।

ঢাকায় আসার ক্ষেত্রে মাঝারি আকারের উড়োজাহাজে সর্বোচ্চ ১৪০ জন এবং সুপরিসর উড়োজাহাজে আনা যাবে সর্বোচ্চ ২০০ জন যাত্রী।

আরও পড়ুন:
বিদেশযাত্রা বন্ধ হওয়ায় ২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়
লকডাউন মানছে না হাওর ভ্রমণপিপাসুরা
‘মাস্কের কথা কইলে কয় বেডা বেশি বুঝিছ না’
হাওরে এবার সবুজের ঢেউ
যে বাড়ি ফেলনা বোতলের

শেয়ার করুন

মন্তব্য