সুপেয় পানির জন্য প্রয়োজনে প্রতিটি গ্রামে ট্যাংক

সুপেয় পানির জন্য প্রয়োজনে প্রতিটি গ্রামে ট্যাংক

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘একনেক সভায় নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন বিষয়ক একটি প্রকল্প অনুমোদন পায়। এই প্রকল্প অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি গ্রামে সুপ্রিয় পানির ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। প্রয়োজনে প্রত্যেকটি গ্রামে আলাদা ট্যাংক স্থাপন করতে হবে।’

দেশের প্রতিটি গ্রামে সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে চায় সরকার। গ্রামগুলোতে প্রয়োজনে সুপেয় পানির ট্যাংক বসানোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তিনি সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

একনেক সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভাপতিত্বও করেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে সভার বিস্তারিত সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘একনেক সভায় নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন বিষয়ক একটি প্রকল্প অনুমোদন পায়। এই প্রকল্প অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি গ্রামে সুপ্রিয় পানির ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। প্রয়োজনে প্রত্যেকটি গ্রামে আলাদা ট্যাংক স্থাপন করতে হবে।

‘গ্রামে সুপেয় পানি দিলে মানুষের রোগ বালাই কম হবে। রোগ বালাই কম হলে কাজ করার শক্তি বাড়বে ফলে দেশের উন্নয়ন আরও বেগবান হবে। বৃষ্টির পানি সবচেয়ে নিরাপদ পানি। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করতে হবে। শুধু টিউবওয়েল স্থাপন নয় ভূ-উপরিস্থ পানি সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেন, পানির ট্যাংক আমাদের কাছে কিন্তু পরিচিত শব্দ। ফকিরাপুলের পানির ট্যাংকি সবার চেনা। তেমনি পানির ট্যাংক স্থাপন করে গ্রামে গ্রামে সুপেয় পানি সরবরাহের কথা বলেছেন। দেশের প্রান্তিক অঞ্চল বা গ্রামগুলোকে শহরের রূপ দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিতে যে সকল প্রকল্প নেয়া হবে দ্রুত পাস করা হবে।’

বৈঠকে ২৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে গোপালগঞ্জ জেলার পল্লী এলাকার নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। ২০২১ সালের জুলাই থেকে প্রকল্পটি ২০২৩ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়িত হবে।

রাজধানীর যানজট নিরসনে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থেকে মদনপুর পর্যন্ত ৪৮ কিলোমিটার ঢাকা বাইপাস সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হবে। চলমান ‘সাপোর্ট টু জয়দেবপুর-দেবগ্রাম-ভুলতা-মদনপুর সড়ক (ঢাকা বাইপাস) পিপিপি (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে ১৮৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। সেই সঙ্গে মেয়াদ বাড়ছে আরও ৪ বছর। এ প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

একনেক সভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুজিববর্ষ উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে বঙ্গবন্ধু’ -এর মোড়ক উন্মোচন করেন।

আরও পড়ুন:
বরিশালে পান্ডব পায়রায় সেতুর অনুমোদন একনেকে
অনুমোদন পেল শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্প
অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন
প্রকল্পে বারবার ব্যয় বৃদ্ধি তদন্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
গরিবের স্বাস্থ্যসেবায় ১ হাজার ৮৮২ কোটি টাকার প্রকল্প

শেয়ার করুন

মন্তব্য