দেশি মাছ শিকারও বন্ধ থাকবে প্রজননকালে

দেশি মাছ। ফাইল ছবি

দেশি মাছ শিকারও বন্ধ থাকবে প্রজননকালে

সচিব বলেন, ‘দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ রক্ষায় প্রজননকাল নির্ধারণ করে ওই সময় মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হবে। তবে নিষিদ্ধকাল হবে স্বল্প সময়ের জন্য। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সময় মাছ ধরা নিষিদ্ধ করে সবচেয়ে ভালো ফলাফল পেতে হবে।’

দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ রক্ষায় প্রজননকাল নির্ধারণ করে অল্প সময়ের জন্য মাছ শিকার নিষিদ্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ।

রাজধানীর মৎস্য ভবনে বুধবার বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত ‘বাণিজ্যিক গুরুত্বসম্পন্ন দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছের প্রজননকাল নির্ধারণ ও সংরক্ষণ’ বিষয়ক কর্মশালায় তিনি এ কথা জানান।

সচিব বলেন, ‘দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ রক্ষায় প্রজননকাল নির্ধারণ করে ওই সময় মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হবে। তবে নিষিদ্ধকাল হবে স্বল্প সময়ের জন্য। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সময় মাছ ধরা নিষিদ্ধ করে সবচেয়ে ভালো ফলাফল পেতে হবে।’

এ জন্য একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রয়োজনে উপজেলাভিত্তিক পাইলটিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ সংরক্ষণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে জনসম্পৃক্ততাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

দেশের মৎস্য খাতের প্রবৃদ্ধি অভাবনীয় মন্তব্য করে সচিব বলেন, ‘জলাশয় কমে যাওয়াসহ নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বর্তমানে দেশে মাছের উৎপাদন প্রায় ৪৬ লাখ মেট্রিক টন।’

কর্মশালায় মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ বলেন, ‘দেশীয় মাছের প্রজননকাল নিয়ে মৎস্য অধিদপ্তর কাজ করছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে নতুন প্রকল্পও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

জনসচেতনতা বাড়াতে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মাছের অভয়াশ্রম সংরক্ষণ ও বিএফআরআই উদ্ভাবিত মাছের চাষ প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে মৎস্য অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে।

দেশি মাছ শিকারও বন্ধ থাকবে প্রজননকালে
রাজধানীর মৎস্য ভবনে বুধবার বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত ‘বাণিজ্যিক গুরুত্বসম্পন্ন দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছের প্রজননকাল নির্ধারণ ও সংরক্ষণ’ বিষয়ক কর্মশালা।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। এ জন্য স্থায়ীভাবে মা মাছ সংরক্ষণে বছরব্যাপী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে প্রজননকাল নির্ধারণ করেও সাফল্য আসবে না।’

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, ‘গবেষণার ফল মাঠে সম্প্রসারণ করা না গেলে গবেষণার কোনো মূল্য নেই। এ জন্য বিএফআরআইয়ের সব গবেষণায় মৎস্য অধিদপ্তরকে সম্পৃক্ত করা হবে।’

জনগণকে যুক্ত করতে না পারলে কোনো গবেষণায় সাফল্য পাওয়া যাবে না বলেও মত দেন তিনি।

কর্মশালা শেষে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রকাশিত ‘বিলুপ্তপ্রায় মাছের প্রজনন ও চাষ প্রযুক্তি নির্দেশিকা’ নামের একটি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বিএফআরআই) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শাহা আলী নিউজবাংলাকে জানান, সাধারণত দেশীয় মাছের প্রজননকাল এপ্রিল থেকে জুলাই মাস। এই সময়ে মাছ ধরা বন্ধ থাকলে উৎপাদন বাড়বে।

ওই কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, যুগ্ম সচিব ড. মশিউর রহমান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের উপপরিচালক শেফাউল করিম এবং মৎস্য অধিদপ্তর ও বিএফআরআইয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
এবার খাবার টেবিলে আসছে চাষের পিয়ালি
পদ্মার ২০ কেজির বাগাড়
পুকুরে নেমে দেখেন পাঙ্গাশ মরা
বিদেশে যেতে না পারাই শাপে বর নরেনের
গোপন সংবাদে জব্দ ডিমওয়ালা মা-মাছ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

টিকা উৎপাদনে সহযোগিতা দিন

টিকা উৎপাদনে সহযোগিতা দিন

গণটিকা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর টিকা নিচ্ছেন এক নারী। ফাইল ছবি

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ নিয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে করোনা মহামারি প্রতিরোধে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন ৫ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ যেসব দেশের টিকা উৎপাদনে সক্ষমতা আছে, সেসব দেশকে টিকা উৎপাদনে সহায়তা দিন।

টিকা উৎপাদনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আবারও সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ (বিআরআই) নিয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে মোমেন এই সহযোগিতা চান।

বৃহস্পতিবার সকালে পাঠানো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এই সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং আই সভাপতিত্ব করেন।

চীনা উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যোগ দেন।

সম্মেলনে করোনা মহামারি প্রতিরোধে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন ৫ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ যেসব দেশের টিকা উৎপাদনে সক্ষমতা আছে, সেসব দেশকে টিকা উৎপাদনে সহায়তা দিন।

করোনা নিয়ে তথ্য আদান-প্রদান, করোনা প্রতিরোধে যৌথ উদ্যোগ ও সমন্বয়, টিকাকে জনগণের সম্পত্তি ও কোভ্যাক্স উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে প্রস্তাব দেন তিনি।

টিকা উৎপাদনে সহযোগিতা দিন

টিকা উৎপাদনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আবারও সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ফাইল ছবি

সম্মেলনে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের জনগণের স্বার্থে টেকসই উন্নয়নে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের সঙ্গে বাংলাদেশ কাজ করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
এবার খাবার টেবিলে আসছে চাষের পিয়ালি
পদ্মার ২০ কেজির বাগাড়
পুকুরে নেমে দেখেন পাঙ্গাশ মরা
বিদেশে যেতে না পারাই শাপে বর নরেনের
গোপন সংবাদে জব্দ ডিমওয়ালা মা-মাছ

শেয়ার করুন

আইনের ফেরে আটকে আছে রাজাকারের তালিকা

আইনের ফেরে আটকে আছে রাজাকারের তালিকা

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে খুলনার খানজাহান আলী সড়কে জামায়াত নেতা এ কে এম ইউসুফের নেতৃত্বে রাজাকার বাহিনীর শপথ।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বললেন, চলতি অধিবেশনের পরের অধিবেশনে জামুকা আইনের সংশোধনী উত্থাপন করা হবে। ফলে আরও দুই মাস প্রয়োজন হবে আইনটি পাস হতে।

আইন পাস না হওয়ায় থেমে আছে রাজাকারের তালিকা তৈরির কাজ। তবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জানালেন, জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন-২০২০।’ সেটি পাস হলে রাজাকারের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হতে আর বাধা থাকবে না।

সংসদে এখন বাজেট অধিবেশন চলছে। একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার পর পরের অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে শুরু করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই আইনটি পাস হতে অন্তত আরও মাস দুয়েক অপেক্ষায় থাকতে হবে বলেও মনে করছেন তিনি।

যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরুর পর রাজাকারের তালিকা তৈরির দাবি জোরালো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

তবে ভুল তথ্যের অভিযোগে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে তালিকাটি। ওই তালিকায় মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নামও স্থান পেতে দেখা যায়। একপর্যায়ে সমালোচনার মুখে তালিকা প্রত্যাহার করে নেয় মন্ত্রণালয়।

তখনই রাজাকারের তালিকা তৈরি করতে কোনো আইনি কর্তৃপক্ষ না থাকার বিষয়টি সামনে আসে। দেখা দেয় জটিলতা। পরে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) কাছে রাজাকারের তালিকা তৈরির কাজটি ন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ জন্য জামুকা আইন সংশোধনের প্রয়োজন দেখা দেয়।

আইনের ফেরে আটকে আছে রাজাকারের তালিকা

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ২০০২ সালের পৃথক আইনবলে গঠিত একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, যেটির কার্যাবলির মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়নও আছে।

গত বছরের ৭ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজাকারের তালিকা তৈরির বিধান যুক্ত করে ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন-২০২০’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।

সেদিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর সদস্য ছিলেন বা আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য হিসেবে সশস্ত্র যুদ্ধে নিয়োজিত থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন, তাদের একটা তালিকা প্রণয়ন ও গেজেট প্রকাশের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করবে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল।

মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলেও এখনও সংসদ অধিবেশনে উত্থাপন করা হয়নি আইনটি। রাজাকারের তালিকা তৈরির অগ্রগতি নিয়ে জানতে চাইলে আ ক ম মোজাম্মেল বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রিসভায় সেই আইনটা পাস হয়ে গেছে। এখন পার্লামেন্টে উত্থাপনের জন্য অপেক্ষমাণ।’

দেরি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যায় মন্ত্রী বলেন, ‘মহামারির কারণে সংসদ পূর্ণ গতিতে চলছে না। তাই আইনগুলো আসতে একটু দেরি হচ্ছে।’

তবে পরের অধিবেশনে আইনটি উত্থাপন করা হবে বলে আশাবাদী মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘মাননীয় স্পিকারের কার্যালয় আমাকে আশ্বস্ত করেছে পরবর্তী সেশনে। ৬০ দিনের ব্যবধানে সংসদ বসতে হয়, সেটা বাধ্যতামূলক। পরবর্তী সেশনে ইনশা আল্লাহ এটি আসবে।’

সংসদে আইনটি পাস হলেই রাজাকারের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যদি মাননীয় সংসদ সদস্যরা অধিকাংশ একমত পোষণ করেন, তাহলে পাস হয়ে যাবে। পাস হলেই বাস্তবায়ন হয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন:
এবার খাবার টেবিলে আসছে চাষের পিয়ালি
পদ্মার ২০ কেজির বাগাড়
পুকুরে নেমে দেখেন পাঙ্গাশ মরা
বিদেশে যেতে না পারাই শাপে বর নরেনের
গোপন সংবাদে জব্দ ডিমওয়ালা মা-মাছ

শেয়ার করুন

ভিন্ন দাবিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাক-ভারত হাইকমিশনার

ভিন্ন দাবিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাক-ভারত হাইকমিশনার

পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী এবং ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। ফাইল ছবি

বৈঠকে বাংলাদেশের টিকা প্রাপ্তি নিয়ে কোনো কথা হয়নি। বৈঠক অনেকটা অনানুষ্ঠানিক। তাই কোনো প্রেস রিলিজও ইস্যু হয়নি। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বন্ধু ও ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ভারত কিছু বিষয়ে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে।

একই দিনে প্রায় একই সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক করলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারত ও পাকিস্তানের হাইকমিশনার। কাছাকাছি সময়ে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রতিবেশী এই দুই দূতের প্রবেশ এবং বের হওয়ার দৃশ্য একেবারেই বিরল। ঘটনাটি কাকতালীয় হলেও তাৎপর্যপূর্ণ- এমনটাই দাবি পররাষ্ট্র দপ্তরের সংশ্লিষ্টদের।

তাদের মতে, মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, বুধবার দুপুরের বৈঠক দুটি ছিল আলোচনার বিষয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েনমেন্ট ছিল ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামীর।

নির্ধারিত সময়েই তিনি পৌঁছান। কিন্তু এর ১৫ মিনিট আগে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ঢাকার পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী। ওই বৈঠক শেষ হওয়ার আগেই প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ- বৈঠক সেরে বিদায় নেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

প্রতিমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনার নাতিদীর্ঘ ওই বৈঠকে সুনির্দিষ্টভাবে কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে তার বিস্তারিত জানা সম্ভব হয়নি। সেগুনবাগিচার দায়িত্বশীল সূত্র অবশ্য এটুকু আভাস দিয়েছে যে, বৈশ্বিক ফোরামে ভারত বেশকিছু নির্বাচনে বাংলাদেশের সমর্থন চাইছে বহু দিন ধরে। এ নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়ে থাকতে পারে।

সূত্র মতে, ওই বৈঠকে বাংলাদেশের টিকা প্রাপ্তি নিয়ে কোনো কথা হয়নি। বৈঠক অনেকটা অনানুষ্ঠানিক। তাই কোনো প্রেস রিলিজও ইস্যু হয়নি। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বন্ধু ও ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ভারত কিছু বিষয়ে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এ নিয়ে কথা হয়েছে। যদিও মঙ্গলবারই ভারতের সংবাদমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে জুলাইয়ের শেষ নাগাদ কিংবা আগস্টের শুরুতে বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে কিছু টিকা সরবরাহের বিষয়ে ভাবছে দিল্লি।

এদিকে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের কী কথা হলো জানতে চাইলে দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকটি রুটিন হলেও ইস্যুতে ঠাসা ছিল। বহুদিন ধরে বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনের জন্য বরাদ্দ হওয়া প্লট জটিলতা ছিল। মঙ্গলবার এর সুরাহা হয়েছে। পাকিস্তান দূত এ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

দ্বিতীয়ত বৈরী পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চায়। এ নিয়ে ইমরান খান সরকারের উদ্যোগ রয়েছে। হাইকমিশনার সেটি পুশ করছিলেন। ঢাকা সাড়া দিয়েছে। তাতে তিনি খানিকটা সফল হয়েছেন বলে সচিবকে জানিয়েছেন। পাকিস্তানের বন্দর ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে পণ্য পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন পাক রাষ্ট্রদূত।

একই সঙ্গে ঢাকা চেম্বার অফ কমার্সের সঙ্গে তার বৈঠক হয়েছে জানিয়ে তিনি একটি প্রতিনিধিদলকে করাচি বন্দর পরিদর্শনে নিয়ে যেতে চান বলে জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের ওষুধসহ বেশ কিছু পণ্যের চাহিদা রয়েছে জানিয়ে পাকিস্তানের দূত এ বিষয়ে ঢাকার সহায়তা চেয়েছেন। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বর্তমান বাণিজ্য সাড়ে ৭০০ মিলিয়ন ডলার থেকে আরও বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন এবং কিছু প্রস্তাবও করেছেন। তবে সচিবের ওই আলোচনায় বাংলাদেশের বড় দাবি একাত্তরের অপরাধের জন্য ইসলামাবাদের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনার বিষয়ে হাইকমিশনার বরাবরের মতোই নীরব ছিলেন।

আরও পড়ুন:
এবার খাবার টেবিলে আসছে চাষের পিয়ালি
পদ্মার ২০ কেজির বাগাড়
পুকুরে নেমে দেখেন পাঙ্গাশ মরা
বিদেশে যেতে না পারাই শাপে বর নরেনের
গোপন সংবাদে জব্দ ডিমওয়ালা মা-মাছ

শেয়ার করুন

গায়েবি মামলা ঠেকাতে হাইকোর্টের ৫ নির্দেশনা

গায়েবি মামলা ঠেকাতে হাইকোর্টের ৫ নির্দেশনা

গায়েবী মামলার করে নিরাপরাধ মানুষকে হয়রানি থেকে রক্ষায় পাঁচ দফা নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট। ছবি: নিউজবাংলা

৪৯ ভুয়া মামলা নিয়ে হয়রানির শিকার রাজধানীর শান্তিবাগের বাসিন্দা একরামুল আহসান কাঞ্চনের আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত এ আদেশ দেয়। 

গায়েবি মামলার করে নিরাপরাধ মানুষকে হয়রানি থেকে রক্ষায় পাঁচ দফা নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার লিখিত এসব নির্দেশনা দেয়।

পাঁচ দফা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মামলা করার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্ট নম্বর প্রদান করতে হবে।

বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে তাকে শনাক্তকারির জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর উল্লেখ করতে হবে।

এছাড়া বিশেষ পরিস্থিতিতে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বর না থাকলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা এজহারকারির পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য নিজ বিবেচনায় অন্যান্য যথাযথ পদ্ধতি গ্রহণ করবেন।

আদালত কিংবা ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিলের ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট না থাকলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী অভিযোগকারীকে শনাক্ত করবেন।

অভিযোগকারী প্রবাসী কিংবা বিদেশি নাগরিক হলে নিজ দেশের পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করতে হবে।

দেশে ভুয়া মামলা ঠেকাতে গত ১৪ জুন থানায় বা আদালতে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে মামলার বাদীকে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দেয় আদালত।

পাশাপাশি গায়েবি মামলার বাদী খুঁজে বের করতে সিআইডিকে তদন্তেরও নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

৪৯ ভুয়া মামলা নিয়ে হয়রানির শিকার রাজধানীর শান্তিবাগের বাসিন্দা একরামুল আহসান কাঞ্চনের আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

৪৯ মামলা মাথায় নিয়ে দীর্ঘ দিন জেল খাটার পর এর থেকে পরিত্রাণ পেতে গত ৭ জুন হাইকোর্টে রিট করেন একরামুল আহসান কাঞ্চন।

রিটে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের আইজিপি, অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (এসবি), অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (সিআিইড), মহাপরিচালক র‍্যাব, ঢাকার পুলিশ কমিশনারসহ ৪০ জনকে বিবাদী করা হয়।

ঢাকার শান্তিবাগ এলাকার বাসিন্দা একরামুল আহসান কাঞ্চনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, চুরি ডাকাতি, মানবপাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৪৯টি মামলা হয়।

এসব মামলায় তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। কিন্তু একটি মামলারও বাদী খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাদী খুঁজে না পাওয়ায় অনেক মামলাতে খালাসও পেয়েছেন তিনি।

তারপরও তার বিরুদ্ধে এভাবে গায়েবি মামলা দিয়ে হয়রানি করায় তার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। এসব মামলায় ১ হাজার ৪৬৫ দিন জেলে খেটেছেন বলেও রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
এবার খাবার টেবিলে আসছে চাষের পিয়ালি
পদ্মার ২০ কেজির বাগাড়
পুকুরে নেমে দেখেন পাঙ্গাশ মরা
বিদেশে যেতে না পারাই শাপে বর নরেনের
গোপন সংবাদে জব্দ ডিমওয়ালা মা-মাছ

শেয়ার করুন

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের চার দশক নিয়ে স্মারকগ্রন্থ  

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের চার দশক নিয়ে স্মারকগ্রন্থ  

স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফেসবুক

বুধবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে গণভবন প্রান্ত থেকে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির উদ্যোগে প্রকাশিত গ্রন্থটির মোড়ক উম্মোচন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বের চার দশক: সংগ্রামী নেতা থেকে কালজয়ী রাষ্ট্রনায়ক’ শীর্ষক তথ্যচিত্র স্মারক গ্রন্থ।

বুধবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে গণভবন প্রান্ত থেকে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির উদ্যোগে প্রকাশিত গ্রন্থটির মোড়ক উম্মোচন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা।

স্মারক গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। প্রিন্টিংসহ কারিগরি সহযোগিতা করেছেন জয়ীতা প্রকাশনী ও ইয়াসিন কবির জয়।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বের চার দশকের উপর নির্মিত স্মারক গ্রন্থে তার সংগ্রামী জীবনের ইতিহাস এবং একজন সংগ্রামী নেতা থেকে তিনি কীভাবে একজন কালজয়ী রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়েছেন, তার ইতিহাস রয়েছে।

আরও পড়ুন:
এবার খাবার টেবিলে আসছে চাষের পিয়ালি
পদ্মার ২০ কেজির বাগাড়
পুকুরে নেমে দেখেন পাঙ্গাশ মরা
বিদেশে যেতে না পারাই শাপে বর নরেনের
গোপন সংবাদে জব্দ ডিমওয়ালা মা-মাছ

শেয়ার করুন

অপরাধীর অবস্থান শনাক্তে র‍্যাবের নতুন প্রযুক্তি

অপরাধীর অবস্থান শনাক্তে র‍্যাবের  নতুন প্রযুক্তি

‘আমরা এখন তাৎক্ষণিকভাবে যে কোনো ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের জন্য অনসাইট আইডেন্টিফিকেশন অ্যান্ড ভেরিফিকেশন সিস্টেম (ওআইভিএস) নামের একটি আধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইস ব্যবহার করছি। এতে সাফল্য বাড়ছে। একইভাবে নতুন প্রযুক্তি র‌্যাবের হাতে আসলে অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।’

অপরাধীর অবস্থান শনাক্তের জন্য নতুন প্রযুক্তি কিনতে যাচ্ছে পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাব।

অর্থমন্ত্রী আহ ম মুস্তফা কামালের উপস্থিতিতে বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় ও ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রযুক্তিটি কেনার জন্য ২৯ কোটি ৬৪ লাখ ৩৯ হাজার ৬০০ টাকার প্রস্তাবটিতে অনুমোদন দেয়া হয়।

এর আগে গত মার্চে অপরাধীর অবস্থান শনাক্তে নতুন এই প্রযুক্তির জন্য দরপত্র আহ্বান করে র‌্যাব।

থ্রিসিক্সটি টেকনোলজি নামে একটি প্রতিষ্ঠান সাইপ্রাসের ডেলহাজ লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রযুক্তিটি কেনা হবে।

র‌্যাব বলছে, এই প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে অপরাধী শনাক্ত ও দমনে আরও বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে তারা।

এই প্রযুক্তি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবির কাছে রয়েছে। র‌্যাব এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ দমনে আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে মনে করেন আইটি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘র‌্যাবের জন্য যে প্রযুক্তি কেনা হচ্ছে তা দিয়ে অপরাধীর রিয়েল টাইম অবস্থান জানা যাবে।’

নতুন এই সংযোজনের ফলে প্রযুক্তির দিক থেকে র‌্যাব আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির দিক থেকে নতুন কিছু আসলে র‌্যাব সেটা ব্যবহারের জন্য আবেদন জানায়। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাওয়ার পর অর্থের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

‘আমরা এখন তাৎক্ষণিকভাবে যে কোনো ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের জন্য অনসাইট আইডেন্টিফিকেশন অ্যান্ড ভেরিফিকেশন সিস্টেম (ওআইভিএস) নামের একটি আধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইস ব্যবহার করছি। এতে সাফল্য বাড়ছে। একইভাবে নতুন প্রযুক্তি র‌্যাবের হাতে আসলে অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।’

আরও পড়ুন:
এবার খাবার টেবিলে আসছে চাষের পিয়ালি
পদ্মার ২০ কেজির বাগাড়
পুকুরে নেমে দেখেন পাঙ্গাশ মরা
বিদেশে যেতে না পারাই শাপে বর নরেনের
গোপন সংবাদে জব্দ ডিমওয়ালা মা-মাছ

শেয়ার করুন

পার্বত্য জেলার ১৪২ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের সুপারিশ

পার্বত্য জেলার ১৪২ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের সুপারিশ

বৈঠকে পার্বত্য এলাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষার মাধ্যমে জ্ঞানার্জনের জন্য স্থানীয় ভাষা সংরক্ষণ, শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগ ‍সৃষ্টিতে দ্রুত আঞ্চলিক ভাষায় দক্ষ শিক্ষকদের পদ সৃষ্টির সুপারিশ করা হয়।

তিন পার্বত্য জেলায় প্রতিষ্ঠিত ১৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বিশেষ বিবেচনায় জাতীয়করণের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

এছাড়া কমিটি তিন পার্বত্য জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করার সুপারিশ করেছে কমিটি।

বুধবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব বিষয়ে সুপারিশ করা হয়।

এদিন সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিৎ করা হয়েছে।

বৈঠকে পার্বত্য এলাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষার মাধ্যমে জ্ঞানার্জনের জন্য স্থানীয় ভাষা সংরক্ষণ, শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগ ‍সৃষ্টিতে দ্রুত আঞ্চলিক ভাষায় দক্ষ শিক্ষকদের পদ সৃষ্টির সুপারিশ করা হয়।

এছাড়াও বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটনসহ কোনো স্থাপনা নির্মাণে সেখানকার প্রতিবেশ ব্যবস্থার যাতে কোনো ক্ষতি না হয় সেই বিষয়ে দৃষ্টি দিতে বলেছে সংসদীয় কমিটি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে পার্বত্য এলাকায় পর্যটনসহ যে কোনো স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে যেন পরিবেশ এবং প্রতিবেশের কোনো প্রকার ক্ষতি না হয় এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির সংরক্ষণ, জীবন-জীবিকায় বাধার সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিটির সভাপতি দবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী বীর বাহাদুর উ শৈ সিং, দীপংকর তালুকদার, এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ও মীর মোস্তাক আহমেদ রবি অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
এবার খাবার টেবিলে আসছে চাষের পিয়ালি
পদ্মার ২০ কেজির বাগাড়
পুকুরে নেমে দেখেন পাঙ্গাশ মরা
বিদেশে যেতে না পারাই শাপে বর নরেনের
গোপন সংবাদে জব্দ ডিমওয়ালা মা-মাছ

শেয়ার করুন