× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
বজ্রপাতে প্রাণহানি ঠেকাতে সরকারের তিন প্রকল্প
google_news print-icon

বজ্রপাতে প্রাণহানি ঠেকাতে সরকারের তিন প্রকল্প

বজ্রপাতে-প্রাণহানি-ঠেকাতে-সরকারের-তিন-প্রকল্প
বজ্রপাতে মানুষের প্রাণহানি ঠেকাতে বেশ কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. মোহসীন। ছবি: নিউজবাংলা
বজ্রপাত শোষণে যন্ত্র বসানোর কথা ভাবছে সরকার। বজ্রপাতের আগাম সতর্কবার্তা পেতে বিশেষ প্রযুক্তি স্থাপনের কথাও ভাবা হচ্ছে। এ ছাড়া কৃষকের জন্য আশ্রয় ছাউনি নির্মাণ করা হতে পারে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত বজ্রপাতে মারা গেছেন ১০৭ জন। সাধারণ হিসাবে এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকে। এক দশকের পরিসংখ্যানে মৃত্যুর সংখ্যা কম হলেও বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে সরকারকে।

বজ্রপাতে মানুষের প্রাণহানি ঠেকাতে দীর্ঘমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণে বেশ কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। এগুলোর মধ্যে আছে বজ্রপাত শোষণে অ্যারেস্টার স্থাপন; বজ্রপাতের আগাম সতর্কবার্তা পেতে বিশেষ প্রযুক্তি স্থাপন এবং কৃষকের জন্য আশ্রয় ছাউনি নির্মাণ।

প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে দ্রুত একনেকে পাঠানো হবে বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব মো. মোহসীন।

একই সঙ্গে অব্যাহত থাকবে তালগাছ রোপণের কাজ।

সরকারের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বজ্রপাতে প্রতি বছর গড়ে দুই শতাশিক লোক মারা যায়। এর মধ্যে ২০১৮ সালে সর্বোচ্চ ৩৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব বলেন, ‘বজ্রপাত আবহমান কাল ধরে হচ্ছে, এখনও হচ্ছে, ভবিষ্যতেও হবে। এটা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। পৃথিবীতে বেশির ভাগ দেশেই আমাদের চেয়ে বেশি বজ্রপাত হয়।’

গত এক দশকে মৃত্যুর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, ‘২০১৭ সাল ছিল আমাদের জন্য ওয়েকআপ কল। সে বছর সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৮০ জনের প্রাণহানি ঘটে। মারা গেছে শতাধিক পশুসম্পদও ।’

ওই ঘটনার পর বজ্রপাতে মানুষের মৃত্যু ঠেকাতে সারা দেশে ১০ লাখ তালগাছ রোপণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

বজ্রপাতে প্রাণহানি ঠেকাতে সরকারের তিন প্রকল্প

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব মো. মোহসীন। ছবি: নিউজবাংলা

কিন্তু প্রকল্পটির সুফল পেতে অপেক্ষায় থাকতে হবে দীর্ঘ সময়। গত চার বছরে থামেনি মৃত্যুর মিছিল। এ বছরও বেড়েই চলেছে বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা।

মৃত্যুর ঝুঁকি এখনও কাটেনি বলেও মনে করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাধারণত এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত বজ্রপাত হয়। একেকটা স্ট্রাইককে বলি বজ্রপাত। পুরো ঘটনাকে বলি আমরা বজ্রঝড়। বজ্রঝড় হলে একটার পর একটা ব্রজপাত হতেই থাকে। সাধারণত এটি ২৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়।’

সরকার বিষয়টিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে বলে জানিয়ে মো. মোহসীন বলেন, ‘সুনামগঞ্জের বিষয়টি মাথায় রেখে প্রথমে আমরা চিন্তা করলাম হাওর-বাঁওড়ে যখন কৃষকরা কাজ করেন, তখন বজ্রপাত শুরু হলেও নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে ৩০-৪০ মিনিট সময় চলে যায়।’

আর তাই সেখানে আশ্রয় ছাউনি স্থাপনের কথা ভাবছে সরকার। সচিব বলেন, ‘হাওর অঞ্চলের জন্য একটি প্রকল্প করেছি। দুটো জেলায়, কয়েকটা উপজেলায় আমরা প্রথমে পাইলট প্রজেক্ট করে দেখব কী হয়। তারপর আমরা আগাব। এর সঙ্গে অর্থেরও সম্পর্ক আছে। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে চান বজ্রপাতে আমাদের দেশে মৃত্যুর কম হোক, ক্ষয়ক্ষতি কমে আসুক।’

বজ্রঝড়ের স্থায়িত্ব যেহেতু ৩০ মিনিটের বেশি নয়, তাই ছাউনি নির্মাণ করে মানুষের প্রাণহানি কমানো সম্ভব বলে মনে করেন সচিব। তিনি বলেন, ‘কংক্রিটের ছাউনি যদি করা যায়, লোকজন তাদের পশু নিয়ে আসল। নিরাপদে অবস্থান করল। ২০/২৫ মিনিট পর তারা আবার কাজে ফিরে গেল।’

মেহেরপুরের গাংনীতে ছোট ছোট কয়েকটি ছাউনি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এটা হাওরে শুরু করতে চাই। এটা খুব গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ থেকে আমরা আশা করছি, ছাউনি যদি করতে পারি তাহলে অনেক কাজ আসবে।’

শুধু ছাউনি নির্মাণে আটকে থাকতে চায় না সরকার। খোঁজা হচ্ছে আরও আধুনিক প্রযুক্তি। সচিব মো. মোহসীন জানালেন, অ্যারেস্টার নামের একটি যন্ত্রের কথা, যা স্থাপন করা হলে বজ্রপাত শোষণ করে নেবে ওই যন্ত্র। ঠেকানো যাবে মানুষের প্রাণহানি। বেঁচে যাবে ফসল ও প্রাণিসম্পদ।

মো. মোহসীন বলেন, ‘উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে কথা বললাম। প্রতিটি অ্যারেস্টার স্থাপনে ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা লাগবে। তার মানে, এটা দিয়ে কভার করতে অনেক টাকা লেগে যাবে।’

অ্যারেস্টার নিয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করার ফাঁকে পাওয়া গেল আরেকটি প্রযুক্তির সন্ধান। বলা হচ্ছে, স্পেনের এই প্রযুক্তি দিয়ে কোনো স্থানে বজ্রপাতের অন্তত ৩৫ মিনিট আগে পূর্বাভাস পাওয়া যাবে। দেয়া যাবে সতর্কতা।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় এমন একটি যন্ত্রের ব্যবহার নিজেই দেখেছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন। সেই অভিজ্ঞতা বিনিময় করে তিনি বলেন, ‘এই প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ হলো, মানুষকে আবার সেই তথ্য জানিয়ে দিতে হবে।’

বজ্রপাতে প্রাণহানি ঠেকাতে সরকারের তিন প্রকল্প

কীভাবে মানুষের কাছে এই সতর্কবার্তা পৌঁছানো যাবে, সেটাও ভেবে রাখা হয়েছে। সচিব বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে মোবাইল অনেকটা এগিয়ে রেখেছে। মাইকিং করা যেতে পারে। সেখানে যদি একটা স্টেশন বসানো হয়, তা হলে তারা বলতে পারবে এখানে বজ্রপাত এই সময়ের মধ্যে হতে পারে।’

গোটা বাংলাদেশকে বজ্রপাতের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে ‘তিন শতাধিক স্টেশন স্থাপন করতে হয়’ বলে জানালেন সচিব।

আর তালগাছ রোপণ কাজকে চলমান রাখতে চায় সরকার। তারা বলছে, এটি দীর্ঘমেয়াদি এবং ফলপ্রসূ।

কারণটাও ব্যাখ্যা করলেন সচিব। বলেন, ‘যেকোনো ধরনের উঁচু গাছ বজ্রপাতের হাত থেকে রক্ষা করে। যখন বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে, তখন উঁচু গাছ সেটা নিউট্রালাইজ করতে পারে। সেজন্য আমরা তালগাছ রোপণের একটি প্রকল্প নিয়েছি। তাই যেকোনো টিআর আর কাবিখা প্রকল্পে বলি, তালগাছ রোপণের ব্যবস্থা করতে। ৫০ লাখ বলি, ৫৫ লাখ বলি-এটা শুরু হয়ে গেছে। প্রতিবছর রোপণ করা হচ্ছে। কিন্তু এটির সুফল পেতে অনেক দিন সময় লাগবে।’

সরকারের এই ভাবনাগুলো কোন পর্যায়ে আছে জানতে চাওয়া হলে সচিব বলেন, ‘প্রকল্পগুলো এখনও প্রণয়ন পর্যায়ে আছে। একটি প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে, শুধু হাওর অঞ্চলের জন্য।’

তিনি বলেন, ‘আলাদা করে অ্যারেস্টার বসানোর জন্য একটি প্রকল্প নিতে চাই। আধা ঘণ্টা আগে পূর্বাভাস জানতে আমরা একটি প্রকল্প নিতে চাই। তালগাছের কাজ তো চলছে। ছাউনির জন্য আমরা আলাদা প্রকল্পের কথাও চিন্তা করছি, আবার প্রতিবছর কাবিখার ক্ষেত্রে কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ করি, সেখানেও ওই প্রকল্পে নেয়া যায় কি না… এটার সুবিধা হলো এর জন্য পরিকল্পনা কমিশনে যেতে হবে না। আমাদের এখান থেকে আমরা করতে পারব।’

বজ্রপাতে প্রাণহানি ঠেকাতে সরকারের তিন প্রকল্প
মেহেরপুরের মুজিবনগরে বজ্রপাতে মৃত কৃষকের পরিবারের আহাজারি

প্রস্তুতি নিতেই বছর দেড়েক সময় চলে গেল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামী অর্থবছরে আমরা আশা করি এগুলোর বাস্তবায়ন পর্যায়ে যেতে পারব।’

কোন প্রকল্পটিকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘প্রকল্পগুলোকে আমরা পাশাপাশি নিতে চাই। তাহলে বুঝতে পারব, কোনটাতে সুফল আমরা বেশি পাচ্ছি। আমরা অ্যারেস্টারে বেশি পাচ্ছি, নাকি আগাম সতর্কবার্তায় বেশি পাচ্ছি, নাকি ছাউনিতে বেশি পাচ্ছি।’

তবে বিল্ডিং কোড চূড়ান্ত হওয়ায় বজ্রপাতে ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে বলে মনে করেন সরকারের এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘বিল্ডিং কোডে বলা আছে, একটা ঘর করতে গেলে তার ওপরে বজ্রপাত নিরোধক মানসম্মত দণ্ড দিতে হবে। অনেকে বলেন দণ্ড আছে। কিন্তু সেটা মানসম্মত হয় না।’

প্রতিটি ভবনে বজ্রপাত নিরোধক দণ্ড স্থাপন করা হচ্ছে কি না সেটা তদারকি করার ওপর জোর দেন মো. মোহসীন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এর ফলে বজ্রপাতের ৭০ শতাংশ সংকট কেটে যাবে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
Main objective of government is to ensure that people get justice Chief Whip

জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ

জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ মোঃ নূরুল ইসলাম বলেছেন, প্রতিশোধপরায়ণ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আইন প্রয়োগ ও শাস্তির বিধান কার্যকর রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

আজ (সোমবার) জাতীয় সংসদ ভবনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর সহযোগিতায় The Enforced Disappearance Prevention and Redress Act, 2026 এবং The National Human Rights Commission Act, 2026-এর খসড়া বিষয়ে কূটনৈতিক মিশন ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে আয়োজিত এক পরামর্শ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

চীফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও দীর্ঘদিন অন্যায়-অবিচারের শিকার হয়েছেন। কিন্তু তিনি প্রতিশোধপরায়ণ বা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। বরং দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। তিনি বলেন, কেউ অপরাধ করলে অপরাধের ধরন ও গুরুত্ব অনুযায়ী তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। শাস্তির বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি আরও বলেন, অতীতে বহু মানুষ স্বজন হারিয়েও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বাবা, ভাই কিংবা বোনের হত্যার বিচার পেতে অনেককে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আইন সংস্কার প্রসঙ্গে চীফ হুইপ বলেন, একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতা ও গঠনমূলক মতামতকে সরকার স্বাগত জানায়। আইন ও নীতিমালার প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা এবং জীবনমান উন্নয়নই সরকারের লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্ব ও অবদানেরও তিনি প্রশংসা করেন।

সভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মুলার, ইউএনএইচসিএইচআরের মানবাধিকার কর্মকর্তা ইফতেখার সৈয়দ আলী, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের হেড অব অফিস লইস বারবার, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত, ইউএনডিপি বাংলাদেশের ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালী দয়ারত্নে, ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিংসহ কূটনৈতিক মিশন, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

জাতীয়
The Prime Minister returned 10 percent of the salary to the government treasury

বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী

বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রাপ্ত বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। সরকারের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রতিও নিজ নিজ বেতনের একটি নির্দিষ্ট অংশ রাষ্ট্রীয় তহবিলে জমা দেওয়ার সবিনয় আহ্বান জানিয়েছেন বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

মন্ত্রিসভার একটি বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল একটা মিটিং হয়েছে। একজন প্রধানমন্ত্রী, অনেক বড় প্রশ্ন…। একটা দেশের প্রশাসনিক প্রধান ব্যক্তি, উনি আমাদের মিটিংয়ে কী বলেছেন জানেন? খুব বিনয়ের সঙ্গে বলেছেন— মন্ত্রী মহোদয়গণ, আমি একটা কথা বলবো আজকে, বিনয় করে বলা, আপনারা রাখতেও পারেন আমার কথাটা, নাও রাখতে পারেন।’

প্রধানমন্ত্রীর সেই বক্তব্য হুবহু উদ্ধৃত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি কিন্তু হুবহু কোট করছি—রাখতেও পারেন আমার কথাটা নাও রাখতে পারেন। তবে আমি অনেক চিন্তাভাবনা করে দেখেছি, আপনাদের আমার বলা উচিত, এখন আপনাদের ইচ্ছা! যেটা বলব, আমি এটা করছি। আমার আব্বা (সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান) প্রতিমাসে তার বেতন থেকে ১০ শতাংশ বেতন সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতেন গরিব-মিসকিন মানুষদের সহযোগিতা করার জন্য বা সরকারি কোনও প্রয়োজনে খরচ করার জন্য। আমি কিন্তু বেতন নিচ্ছি, না নিয়ে চলতে পারতেছি না। আমার বেসিক বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা, ১০ শতাংশ হারে আমি ১১ হাজার ৫০০ টাকা প্রতি মাসে বেতন থেকে জমা দিচ্ছি। বেতন যখন একাউন্টে আসে আমি তুলে একটা চেক দিয়ে দেই গভর্নমেন্টের অ্যাকাউন্টে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, আমার আব্বা কাজটা করতেন, আমি করছি; আপনারাও যদি মনে কিছু না নেন বা যদি আপনাদের পক্ষে সম্ভব হয় আপনারাও প্রতি মাসে ১০ শতাংশ আপনাদের বেতনের টাকাটা সরকারের ঘরে ফেরত দিয়ে দেবেন।’

প্রধানমন্ত্রীর এমন উদার ও বিনয়ী প্রস্তাবে মন্ত্রিসভার সকল সদস্য ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলেছি। খুশি হয়েছি যে উনি আমাদের কাছে অ্যাপ্রোচটা করেছেন।’

মন্তব্য

জাতীয়
Unscrupulous officials behind high electricity bills will be investigated Power Minister

বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার নেপথ্যে অসাধু কর্মকর্তারা কি না খতিয়ে দেখা হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার নেপথ্যে অসাধু কর্মকর্তারা কি না খতিয়ে দেখা হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী ফাইল ছবি

গরমে সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ বিল কেন অস্বাভাবিক বেশি আসছে এবং এর পেছনে কোনো অসাধু কর্মকর্তার হাত রয়েছে কি না, তা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানির কোনো প্রকল্পের জন্য কৃষিজমি নষ্ট করা হবে না। তিনি বলেন, “আমরা একটি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। জ্বালানি আমদানির চাপ কমাতে আমাদের বিকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে যেতেই হবে।”

বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক সংকট ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ৫৬ হাজার কোটি টাকার বকেয়া ঋণের বোঝা এখন বর্তমান সরকারকে বইতে হচ্ছে। বর্তমানে দেশের ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র বেসরকারি খাতের হাতে থাকায় পিডিবিকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে। তিনি বলেন, “বিগত সরকারের আমলের অব্যবস্থাপনা ও অপচয় মেটানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। প্রাইভেট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া পরিশোধ করতে না পারলে তারা জ্বালানি কিনতে পারে না, যার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়।”

খাতের স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়াতে ইতিমধ্যে একটি কারিগরি (টেকনিক্যাল) দল গঠন করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। পিডিবির একজন সাবেক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এই দল বিভিন্ন পাওয়ার স্টেশন পরিদর্শন করে বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে এসির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ওঠা নানা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সবাই যে সৎ আমি তা বলছি না। এসব বিষয় নিয়ে সংবাদ পরিবেশন ও কন্টেন্ট তৈরিতে সাংবাদিকদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।”

ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম। এছাড়া সংলাপে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, বিজিএমইএ-র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং পরিবেশ ও জ্বালানি খাতের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Crown Prince Salman invited the Prime Minister to visit Saudi Arabia

প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ক্রাউন প্রিন্স সালমান

প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ক্রাউন প্রিন্স সালমান ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া এই আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বিস্তারিত তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা জানান, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সফরের আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি নিজেও বাংলাদেশ সফরের ব্যাপারে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সুবিধাজনক সময়ে ক্রাউন প্রিন্স বাংলাদেশ সফর করবেন বলে রাষ্ট্রদূত নিশ্চিত করেছেন। সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও সুদৃঢ় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, সরকার এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে একটি কৌশলগত অবস্থানে নিয়ে যেতে চায়। দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে এই সফরের আগ্রহ সম্পর্কের এক নতুন উচ্চতা ও তাৎপর্যকে তুলে ধরছে।

প্রধানমন্ত্রী কবে নাগাদ সৌদি আরব সফর করতে পারেন—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। তবে সফরের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি, যা পরবর্তী আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছরের গ্রীষ্ম মৌসুমের পর প্রধানমন্ত্রীর এই সফরটি অনুষ্ঠিত হতে পারে। দুই দেশের এই কূটনৈতিক তৎপরতা আগামী দিনে পারস্পরিক সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

জাতীয়
Last respect to Abul Kashem Fazlul Haque at Bangla Academy premises

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আবুল কাশেম ফজলুল হককে শেষ শ্রদ্ধা

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আবুল কাশেম ফজলুল হককে শেষ শ্রদ্ধা ছবি: সংগৃহীত

প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, বরেণ্য চিন্তক ও লেখক অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হককে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সোমবার সকালে তাঁর মরদেহ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে রাখা হয়। এ সময় প্রিয় শিক্ষক ও লেখককে শেষবারের মতো দেখতে এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করতে সেখানে ভিড় করেন তাঁর অসংখ্য স্বজন, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত এই বিদায়লগ্নে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত বিশিষ্ট নাগরিক ও বক্তারা অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের জীবন ও কর্মের ওপর আলোকপাত করেন। তাঁরা বলেন, তিনি ছিলেন মুক্তবুদ্ধি চর্চা, মানবিক মূল্যবোধ এবং প্রগতিশীল চিন্তার এক অনন্য ও উজ্জ্বল প্রতীক। সমাজ গঠন, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও সাহিত্যচর্চায় তাঁর যে অসামান্য অবদান, তা এ দেশের মানুষের হৃদয়ে দীর্ঘদিন অমলিন হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যুতে দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো।

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা ছাড়াও বিশিষ্ট নাগরিক এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন। একাডেমির আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁর মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পারিবারিক সূত্র ও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় মর্যাদা শেষে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এভাবেই চিরবিদায় নেবেন সমাজ ও সাহিত্যের একনিষ্ঠ এই সেবক।

মন্তব্য

জাতীয়
Government committed to rural development Mirza Fakhrul on the foundation anniversary of Sirdap

পল্লী উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার, সিরডাপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মির্জা ফখরুল

পল্লী উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার, সিরডাপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মির্জা ফখরুল ছবি: সংগৃহীত

পল্লী অঞ্চলের উন্নয়ন ও গ্রামীণ জনপদের মানুষের জীবনমান পরিবর্তন বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক পল্লী উন্নয়ন দিবস এবং সিরডাপের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, "পল্লী উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পল্লী উন্নয়নে নির্বাচিত সরকার কাজ করছে।"

গ্রামীণ দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, সরকার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন ধরণের সহায়তা কার্ডের মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালিত হচ্ছে। গ্রামীণ জনপদকে আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গড়ে তুলতে বর্তমান প্রশাসন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল থাকলে দেশের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি টেকসই হবে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী গত পাঁচ দশক ধরে পল্লী উন্নয়নে সিরডাপের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, পাঁচ যুগ ধরে সিরডাপ পল্লী উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রান্তিক পর্যায়ের নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংস্থাটির কার্যক্রম অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও সময়োপযোগী। সিরডাপের এই দীর্ঘ পথচলা পল্লী উন্নয়নের বৈশ্বিক মডেলে বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সরকারের এই পল্লী উন্নয়ন ভাবনার সফল বাস্তবায়নে সিরডাপের মতো সহযোগী সংস্থাগুলো আগামীতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Saudi Ambassador meeting with Prime Minister

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া।

আজ (সোমবার) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকালে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের একটি চিঠি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন সৌদি রাষ্ট্রদূত।

এছাড়া দু’দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের উপ-রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

p
উপরে