হেফাজতের নতুন কমিটির ঘোষণা আসছে সোমবার

হেফাজতের নতুন কমিটির ঘোষণা আসছে সোমবার

২৫ এপ্রিল গ্রেপ্তার অভিযানের মুখে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। ফাইল ছবি

২৫ এপ্রিল পূর্ণাঙ্গ কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পর হেফাজত এখন চলছে পাঁচ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে। আনাস মাদানী বলেন, ‘উনারা কমিটি ঘোষণা করুক। তারপর আমাদের বক্তব্য আমরা দেব।’

বিভেদের মধ্যেই সোমবার ঘোষণা আসছে হেফাজতে ইসলামের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির। বেলা ১১টায় খিলগাঁও চৌরাস্তায় কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠনটির রাজধানীর মহাসচিবের কার্যালয়ে (মাখজানুল উলুম মাদ্রাসা) প্রেস বিফ্রিংয়ের ডাক দেয়া হয়েছে।

হেফাজতে ইসলামের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য মাওলানা রাশেদ বিন নূরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ২৫ এপ্রিল গ্রেপ্তার অভিযানের মুখে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পাঁচ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির ঘোষণা দেয় কওমিভিত্তিক সংগঠনটি।

বিলুপ্ত কমিটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরীকেই এই কমিটির প্রধান করা হয়। আগের কমিটির মহাসচিব নুরুল ইসলাম জেহাদীকে আহ্বায়ক কমিটির মহাসচিব আর সিনিয়র নামেবে আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে করা হয় প্রধান উপদেষ্টা। সদস্য করা হয়েছে আল্লামা সালাহউদ্দীন নানুপুরী ও মিজানুর রহমানকে (পীরসাহেব দেওনা)।

নতুন কমিটির উদ্যোগের বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য আসেনি হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ আহমদ শফীপন্থিদের পক্ষ থেকে। এ পক্ষটি শাহ আহমদ শফীর ছোট ছেলে আনাস মাদানীপন্থি হিসেবে পরিচিত।

মাওলানা রাশেদ বিন নূর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘খিলগাঁও চৌরাস্তায় ওই প্রেসবিফ্রিং থেকে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। তবে কমিটিতে কারা আসছেন এ বিষয়ে আমি এখনও কিছু জানি না। এ বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব বলতে পারবেন।’

এ বিষয়ে জানতে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব নুরুল ইসলাম জেহাদীকে একাধিকবার মোবাইলে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

এর আগে গত এপ্রিলে ঘোষিত হেফাজতে ইসলামের আহ্বায়ক কমিটিকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির শফীপন্থিরা। সংগঠনের আমির জুনায়েদ বাবুনগরীর ওই কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ বলে আখ্যায়িত করেন তারা।

হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি এমন এক সময় ঘোষণা করা হচ্ছে, যখন আগে বাবুনগরীপন্থি হিসেবে পরিচিত সংগঠনটির সাবেক নায়েবে আমির ও মধুপুরের পীর আবুদল হামিদ পক্ষ ত্যাগ করে শফীপন্থিদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। গত ২ জুন শফীপন্থিদের এক সংবাদ সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি বাবুনগরীকে গ্রেপ্তার ও আহ্বায়ক কমিটিকে অবৈধ ঘোষণার দাবির প্রতি একাত্মতা জানান।

এ বিষয়ে সোমবার আনাস মাদানী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উনারা কমিটি ঘোষণা করুক। তারপর আমাদের বক্তব্য আমরা দেব।’

হেফাজতে ইসলামের শফীপন্থি হিসেবে পরিচিত মাওলানা মঈনুদ্দিন রুহী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওনারা যে কমিটি করেছেন, এটাকে আমরা গত ২ জুন সংবাদ সম্মেলনে পকেট কমিটি বলেছি। এটাই এখনও আমাদের বক্তব্য। ওনাদের কমিটি ঘোষণা হোক, আমরা আপনাদেরটা জানাব।’

তিনি দাবি করেন, ‘উনাদের (বাবুনগরীপন্থি) কমিটি মানেনি এবং মানছে না এমন অনেকেই আছে। তাদের ৫ সদস্যদের আহ্বায়ক কমিটি অনেকেই মানেনি।’

আরও পড়ুন:
হেফাজতের তাণ্ডব: সেই রেলস্টেশন চালুর দাবিতে আলটিমেটাম
দেয়াল টপকে ডিসির বাসভবনে যুবক
সন্ত্রাসে বহিরাগতরা, পুলিশকে মামুনুল
হেফাজতের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্মারকলিপি
বাবুনগরীবিরোধী জোটে এবার মধুপুরের পীর

শেয়ার করুন

মন্তব্য

হিসাব তলব সাংবাদিকদের ভয় দেখানোর নতুন কৌশল: ফখরুল

হিসাব তলব সাংবাদিকদের ভয় দেখানোর নতুন কৌশল: ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভয়াবহ দুঃশাসনে দেশের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সাংবাদিকরাও সরকারি জুলুম-নির্যাতনে জর্জরিত। সম্প্রতি অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধের ঘোষণায় আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কোনো স্বাধীনতা নেই। বিভিন্ন কায়দায় সংবাদ মাধ্যমগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় কর্তৃত্ববাদী সরকার।’

১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনাকে সাংবাদিকদের ভীতি প্রদর্শনের নতুন কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অবিলম্বে সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে সত্য প্রকাশে দেশের বিবেক তথা গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমের কর্মীদের স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সোমবার এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল এ আহ্বান জানান।

দলের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের সই করা বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিস্ট সরকার সারাদেশে যে দমন-নিপীড়ন চালাচ্ছে তা থেকে সাংবাদিকরাও রেহাই পাচ্ছেন না। সত্য প্রকাশে নির্ভীক সাংবাদিকদের বিভিন্ন উপায়ে টুটি চেপে ধরার পর এখন জাতীয় প্রেসক্লাব, বিএফইউজে, ডিইউজে ও ডিআরইউর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের ব্যাংক হিসাব তলবের মাধ্যমে সাংবাদিকদের মাঝে ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।’

এ ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং মত প্রকাশে চরম হুমকি বলেও মনে করেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘গোটা দেশ এখন আওয়ামী দুঃশাসনের লীলাভূমিতে পরিণত হয়েছে। ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার খায়েশে বিভোর ভোটারবিহীন সরকার কেবল বিএনপিসহ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মী, মানবাধিকার কর্মী ও বিরুদ্ধ মতের নাগরিকদের ওপরই জুলম-নির্যাতন চালাচ্ছে না, সত্য প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদেরও নির্যাতন শুরু করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভয়াবহ দুঃশাসনে দেশের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সাংবাদিকরাও সরকারি জুলুম-নির্যাতনে জর্জরিত। সম্প্রতি অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধের ঘোষণায় আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কোনো স্বাধীনতা নেই। বিভিন্ন কায়দায় সংবাদ মাধ্যমগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় কর্তৃত্ববাদী সরকার।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশে এক ব্যক্তির শাসন প্রতিষ্ঠা করাই এখন আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যকে বাস্তবে রূপ দিতে অনৈতিক সরকার নির্ভীক সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের কলম চেপে ধরছে।’

আরও পড়ুন:
হেফাজতের তাণ্ডব: সেই রেলস্টেশন চালুর দাবিতে আলটিমেটাম
দেয়াল টপকে ডিসির বাসভবনে যুবক
সন্ত্রাসে বহিরাগতরা, পুলিশকে মামুনুল
হেফাজতের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্মারকলিপি
বাবুনগরীবিরোধী জোটে এবার মধুপুরের পীর

শেয়ার করুন

ট্রাকের চাকা ঘুরবে না ৩ দিন

ট্রাকের চাকা ঘুরবে না ৩ দিন

অগ্রিম আয়কর (এআইটি) প্রত্যাহারসহ ১৫ দফা দাবি আদায়ে ৭২ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন পণ্যবাহী পরিবহনের শ্রমিকরা। দাবি মানা না হলে মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত এ ধর্মঘট চলবে।

মোটরযান মালিকদের ওপর আরোপ করা অগ্রিম আয়কর (এআইটি) প্রত্যাহারসহ ১৫ দফা দাবি আদায়ে ৭২ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন পণ্যবাহী পরিবহনের শ্রমিকরা।

দাবি মানা না হলে মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত এ ধর্মঘট চলবে।

সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান-ট্রাক-প্রাইমমুভার পণ্য পরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশনের বন্দর বিষয়ক সম্পাদক সামশুজ্জামান সুমন।

তিনি জানান, বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান-ট্রাক-প্রাইমমুভার পণ্য পরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ট্রাক চালক শ্রমিক ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের কদমতলীতে আন্তজেলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছিল।

ওই দিন সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জাফর আলম বলেন, ‘রোববারের মধ্যে ১৫ দফা না মানলে মঙ্গলবার থেকে আমাদের কর্মবিরতি সারাদেশে শুরু হবে। দাবিগুলো সরকারের উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে।

‘তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো সমাধান হয়নি। দাবিগুলো বাস্তবায়ন হলে শ্রমিকদের আগামী ২০ বছর আর কোনো আন্দোলনে যেতে হবে না।’

অ্যাসোসিয়েশনের ১৫ দাবির মধ্যে রয়েছে, মোটরযান মালিকদের ওপর আরোপিত অগ্রিম আয়করে (এআইটি) চাপানো বর্ধিত আয়কর প্রত্যাহার, যেসব চালক ভারী মোটরযান চালাচ্ছে তাদের সবাইকে সহজ শর্তে এবং সরকারি ফির বিনিময়ে লাইসেন্স দেয়া, ড্রাইভিং লাইসেন্সের নবায়নের হয়রানিমূলক ফিটনেস ও পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল করা এবং সরকার নিবন্ধিত শ্রমিক ইউনিয়নের কল্যাণ তহবিল সংগ্রহের ওপর কোনো বিধিনিষেধ আরোপ না করা।

এছাড়া চট্রগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে পেশ করা শ্রমিকদের প্রস্তাব বা সুপারিশগুলো বাস্তবায়নেরও দাবি জানিয়েছেন শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান, ট্রাক, প্রাইমমুভার পণ্য পরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশনের আওতায় সারাদেশে দুই লাখের বেশি যানবাহন রয়েছে।

আরও পড়ুন:
হেফাজতের তাণ্ডব: সেই রেলস্টেশন চালুর দাবিতে আলটিমেটাম
দেয়াল টপকে ডিসির বাসভবনে যুবক
সন্ত্রাসে বহিরাগতরা, পুলিশকে মামুনুল
হেফাজতের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্মারকলিপি
বাবুনগরীবিরোধী জোটে এবার মধুপুরের পীর

শেয়ার করুন

জলবায়ু পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ছয় প্রস্তাব

জলবায়ু পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ছয় প্রস্তাব

ফাইল ছবি

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের ‘রুদ্ধদ্বার বৈঠকে’ পৃথিবীর জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের দ্রুত সাহসী ও অধিক শক্তিশালী পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এ বৈঠক আহ্বান করেন।

জলবায়ু পরিবর্তন ও ‍পৃথিবীর জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের দ্রুত সাহসী ও অধিক শক্তিশালী পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংকট উত্তরণে বিশ্ব নেতাদের সামনে ৬টি প্রস্তাবও পেশ করেছেন তিনি।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সোমবার জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের ‘রুদ্ধদ্বার বৈঠকে’ এ আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এ বৈঠক আহ্বান করেন।

ছয়টি প্রস্তাব পেশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতাদের বলেন, ‘পৃথিবীর জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় আমাদের জরুরিভাবে সাহসী এবং অধিকতর শক্তিশালী ব্যবস্থা নিতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর ছয় প্রস্তাব

প্রথম প্রস্তাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে প্যারিস চুক্তি কঠোর বাস্তবায়নের কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে, উন্নত দেশগুলো থেকে বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলার তহবিল আদায় করার কথা বলেন শেখ হাসিনা। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য এ টাকার ৫০ শতাংশ অভিযোজন এবং স্থিতিস্থাপকতার জন্য খরচ করা উচিত।

তৃতীয় প্রস্তাবে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছে নতুন আর্থিক মেকানিজম এবং পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি হস্তান্তর করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

চতুর্থ প্রস্তাবে, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি ও ধ্বংস এবং এর কারণে বড় পরিসরে জনগণের বাস্তুচ্যুত হওয়ার সংকট মোকাবিলা করতে বলেন শেখ হাসিনা।

পঞ্চম প্রস্তাবে, মহামারি এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তন দুর্যোগ বাড়ার সঙ্গে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) দেশগুলোর সক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা প্রয়োজন।

ষষ্ঠ ও সবশেষ প্রস্তাবে আগামী প্রজন্মের জন্য টেকসই ভবিষ্যৎ রেখে যেতে সবাইকে বৈশ্বিক মনোভাব নিয়ে কাজ করার কথা বলেন শেখ হাসিনা।

বৈশ্বিক গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘বৈশ্বিক গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণে সবচেয়ে কম ভূমিকা রাখছে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো। যদিও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।’

সাম্প্রতিক আইপিসিসি রিপোর্টে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়ানক চিত্র তুলে ধরার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বৈশ্বিক তাপমাত্রা যদি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বৃদ্ধি পায় ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো স্থায়ী ক্ষতির মুখে পড়ব।’

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্বের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিযোজন এবং ক্ষতি প্রশমনে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে সহায়তা করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে।

সম্পদের সীমাবদ্ধতার সঙ্গে জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হওয়া সত্ত্বেও অভিযোজন ও স্থিতিস্থাপকতায় বাংলাদেশ বিশ্বে পথপ্রদর্শক বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।

‘সবুজ প্রবৃদ্ধি’, অবকাঠামোগত স্থিতিস্থাপকতা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে গুরুত্ব দিয়ে ‘মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা’ গ্রহণ করার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা জলবায়ু ভালনারেবিলিটি থেকে জলবায়ু রেজিলেন্স, জলবায়ু রেজিলেন্স থেকে জলবায়ু সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।’

ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ) এবং ভি২০ চেয়ার শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য ক্লাইমেট ভালনারেবল দেশগুলোর স্বার্থ অগ্রাধিকার দেয়া। আমরা আমাদের প্র্যাকটিস এবং অভিযোজন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা একে অন্যের সঙ্গে বিনিময় করছি।

আরও পড়ুন:
হেফাজতের তাণ্ডব: সেই রেলস্টেশন চালুর দাবিতে আলটিমেটাম
দেয়াল টপকে ডিসির বাসভবনে যুবক
সন্ত্রাসে বহিরাগতরা, পুলিশকে মামুনুল
হেফাজতের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্মারকলিপি
বাবুনগরীবিরোধী জোটে এবার মধুপুরের পীর

শেয়ার করুন

৬ মাসের মধ্যে মৎস্যজীবীদের নিবন্ধন

৬ মাসের মধ্যে মৎস্যজীবীদের নিবন্ধন

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের নবনির্মিত মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। ছবি: নিউজবাংলা

প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘মাছ ধরা বন্ধের সময় প্রকৃত মৎস্যজীবীদের ভিজিএফ সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে। মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকার সময় প্রকৃত মৎস্যজীবীরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন।’

মৎস্যজীবীদের সরকারি সব সুবিধা পৌঁছে দেয়ার জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়া ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের নবনির্মিত মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র উদ্বোধন শেষে সোমবার তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘মৎস্যজীবী নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া, মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদ করা চলমান রয়েছে। ৬ মাসের মধ্যে মৎস্যজীবীদের নিবন্ধন হালনাগাদ হয়ে যাবে। প্রকৃত মৎস্যজীবীরা এ তালিকার আওতায় আসবেন।

‘মাছ ধরা বন্ধের সময় প্রকৃত মৎস্যজীবীদের ভিজিএফ সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে। মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকার সময় প্রকৃত মৎস্যজীবীরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন।’

রেজাউল করিম বলেন, ‘মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখার সময় পরিবর্তনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে। যারা সমুদ্রে মাছ ধরতে যাবেন তাদের আধুনিক প্রযুক্তির সুযোগ-সুবিধা দেয়ার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।’

দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধির জন্য শেখ হাসিনা সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়েছে। ইলিশ নিয়ে গবেষণার জন্য গবেষণা কেন্দ্র করা হয়েছে। দেশের যে প্রান্তে ইলিশ কমে যাচ্ছে সে প্রান্তে উৎপাদন যাতে বাড়ানো যায়, ইলিশ যাতে নির্বিঘ্নে প্রজনন করতে পারে, এ বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

‘যেসব নদীতে ইলিশ ছিল, কিন্তু এখন নেই সেখানে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম করা হচ্ছে। অনাকাঙ্ক্ষিত মৎস্য আহরণ বন্ধ করার জন্য যেসব এলাকায় নজর দেয়া দরকার, সেসব এলাকায় নজর দেয়া হচ্ছে। নদীর গভীরতা যাতে নষ্ট না হয়, নদীর গতি-প্রকৃতি যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে আমরা খেয়াল রাখছি।

‘নদীর নাব্যর কারণে মৎস্যসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নজরে আনা হবে।’

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকার সময় সীমান্তবর্তী ভারতের নদী বা সমুদ্র এলাকায় একই সময়ে মৎস্য আহরণ বন্ধের বিষয়টি ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এর আগে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের খেপুপাড়া নদী উপকেন্দ্রের অফিস কাম গবেষণা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
হেফাজতের তাণ্ডব: সেই রেলস্টেশন চালুর দাবিতে আলটিমেটাম
দেয়াল টপকে ডিসির বাসভবনে যুবক
সন্ত্রাসে বহিরাগতরা, পুলিশকে মামুনুল
হেফাজতের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্মারকলিপি
বাবুনগরীবিরোধী জোটে এবার মধুপুরের পীর

শেয়ার করুন

কনডেম সেলের তথ্য চাইল হাইকোর্ট

কনডেম সেলের তথ্য চাইল হাইকোর্ট

কাশিমপুর কারাগার। ফাইল ছবি

ফাঁসির আসামিকে কনডেম সেলে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের শুনানির সময় সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

দেশের কারাগারগুলোতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত বন্দি, কনডেম সেলের সংখ্যা, কারাগারের সংস্কার, ব্যবস্থাপনা, কনডেম সেলের সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট।

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে আদালতে এ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

ফাঁসির আসামিকে কনডেম সেলে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের শুনানির সময় সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিনও এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেন। পরে আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য ৩১ অক্টোবর রিটের তারিখ ঠিক করে দেয়।

গত ১৮ জুন একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট আবেদনটি করা হয়।

কনডেম সেলের তথ্য চাইল হাইকোর্ট

তিন আবেদনকারী হলেন চট্টগ্রাম কারাগারের কনডেম সেলে থাকা সাতকানিয়ার জিল্লুর রহমান, সিলেট কারাগারে থাকা সুনামগঞ্জের আব্দুল বশির এবং কুমিল্লা কারাগারে থাকা খাগড়াছড়ির শাহ আলম।

বিচারিক আদালতের মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে তাদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের আবেদন) হাইকোর্টে বিচারাধীন।

রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, আইন সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, আইজি প্রিজন্স, চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপারকে বিবাদী করা হয়।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আরও পড়ুন:
হেফাজতের তাণ্ডব: সেই রেলস্টেশন চালুর দাবিতে আলটিমেটাম
দেয়াল টপকে ডিসির বাসভবনে যুবক
সন্ত্রাসে বহিরাগতরা, পুলিশকে মামুনুল
হেফাজতের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্মারকলিপি
বাবুনগরীবিরোধী জোটে এবার মধুপুরের পীর

শেয়ার করুন

সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব চাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন

সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব চাওয়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন

সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সরকার যে কারও ব্যাংক হিসাব তলব করতে পারে। এমপিদের ব্যাংক হিসাব তলব হয়, সরকারি কর্মকর্তাদেরও হিসাব তলব হয়, ব্যবসায়ী নেতাদেরও তলব হয়। সরকার যে কারও ব্যাংক হিসাব চাইতেই পারে, চাওয়াটা অবশ্যই দোষের নয়। কিন্তু এই চাওয়াটা কেন, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের ব্যাংক হিসাব চেয়েছে সেটি কেন পত্রিকায় আসল সেটি হচ্ছে প্রশ্ন। এটি তো কাগজে আসার কথা না।’

সংগঠনের নামে কেন সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব চাওয়া হলো এবং সে খবর পত্রিকায় কীভাবে গেল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সোমবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেটি কেন পত্রিকায় আসল সেটি হচ্ছে প্রশ্ন।’

তিনি বলেন, ‘সরকার যে কারও ব্যাংক হিসাব তলব করতে পারে। এমপিদের ব্যাংক হিসাব তলব হয়, সরকারি কর্মকর্তাদেরও হিসাব তলব হয়, ব্যবসায়ী নেতাদেরও তলব হয়। সরকার যে কারও ব্যাংক হিসাব চাইতেই পারে, চাওয়াটা অবশ্যই দোষের নয়।

‘কিন্তু এই চাওয়াটা কেন, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের ব্যাংক হিসাব চেয়েছে সেটি কেন পত্রিকায় আসল সেটি হচ্ছে প্রশ্ন। এটি তো কাগজে আসার কথা না।’

তিনি বলেন, ‘আরেকটি প্রশ্ন হচ্ছে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে যেটি উপস্থাপন করা হয়েছে, সংগঠনের নাম দিয়ে কেন ব্যাংক হিসাব চাওয়া হলো সে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি স্বচ্ছ থাকলে কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার সুযোগ নেই। যখন ব্যাংক হিসাব চাওয়ার পরে এটি প্রকাশ হবে, তাদের স্বচ্ছতা বেরিয়ে আসবে তখন তো বরং তারা যে স্বচ্ছ এটিও প্রকাশ হবে। এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।’

‘তবে এটি কেন সংগঠনের নাম দিয়ে চাওয়া হলো, আবার কেন কাগজে আসল সেটি নিয়ে প্রশ্ন আছে।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খানসহ ১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট- বিএফআইইউ।

অন্য যাদের হিসাব দিতে বলা হয়েছে তারা হলেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালাল, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, বিএফইউজের সভাপতি এম আবদুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান।

আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি, ট্রানজেকশন প্রোফাইল, শুরু থেকে এখন পর্যন্ত লেনদেনের বিবরণী উল্লেখ করে এই প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে।

একে সাংবাদিকদের মধ্যে ভয়ভীতি ছড়ানোর কৌশল হতে পারে মন্তব্য করে এই ১১ নেতা সংবাদ সম্মেলনও করেছেন।

‘সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন’

বিএনপি নেতারা দাবি জানালেও বর্তমান সরকারের অধিনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জোর গলায় দাবি করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা প্রায় ১২ বছর ধরেই এই আহ্বান জানিয়ে আসছেন, কিন্তু জনগণতো তাদের এই আহ্বানে সাড়া দেয়নি। সাড়া দেয়ার কোনো কারণও নেই। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ীই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ীই বর্তমান সরকারই নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচন কখনো সরকারের অধীনে হয় না, হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে।

‘যখন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় তখন সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাদের চাকরি নির্বাচন কমিশনের হাতে ন্যস্ত হয়। সরকার তখন একজন পুলিশ কনস্টেবলও বদলি করতে পারে না। কার্যত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে প্রচুর নির্বাচন সফলভাবে অনুষ্ঠান করেছে। আমি এ জন্য বিএনপিকে বলব, ফাঁকা বুলি আউড়িয়ে কোনো লাভ হবে না। সংবিধান অনুযায়ীই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

খালেদা জিয়ার সাজার মেয়াদ স্থগিতাদেশ যে কোন সময় বাতিল হতে পারে বলেও বিএনপি নেতাদের স্মরণ করিয়ে দেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সরকারকে বহু আগেই ধন্যবাদ দেয়া উচিত ছিল। কারণ বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কিন্তু জামিনে মুক্তি পাননি। তাকে প্রধানমন্ত্রী আইনে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সাজা স্থগিত করেছেন, এ জন্যই তিনি কারাগারের বাহিরে আছেন। বিএনপির এ জন্য শুকরিয়া করা উচিত। ধন্যবাদ দেয়া উচিত।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার যেকোনো সময় চাইলে ৬ মাসের সাজা স্থগিতের যে আদেশ তা বাতিল করতে পারে। সে আদেশ যদি আগামীকাল বাতিল হয়, তাহলে আগামীকালই তাকে কারাগারে ফেরত যেতে হবে। এটিও বিএনপির মনে রাখা প্রয়োজন।’

‘ডোমেইন বরাদ্দে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না থাকার পরেও আইপি টিভি কীভাবে ডোমেইন বরাদ্দ পায় তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আইপি টিভির নিবন্ধন দেয়ার দায়িত্ব হচ্ছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের। কিন্তু ডোমেইন বরাদ্দ দেয় বিটিআরসি। ডোমেইন বরাদ্দ কীভাবে পেল সেটিই হচ্ছে প্রশ্ন। আমি মনে করি, কাউকে ডোমেইন বরাদ্দ দেয়ার আগে এখন থেকে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করব আগামী ২২ সেপ্টেম্বর। তথ্য, ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং আইসিটি মন্ত্রণালয় এতে থাকবে। এখানেই আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব যে ডোমেইন বরাদ্দের দেয়ার ক্ষেত্রে এখন অনেক বেশি সতর্ক হতে হবে। আমরা তদন্ত করছি এবং আদালতেরও নির্দেশনা আছে। আমরা অনলাইন ও আইপি টিভির বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছি, এটি অব্যাহত থাকবে।’

আরও পড়ুন:
হেফাজতের তাণ্ডব: সেই রেলস্টেশন চালুর দাবিতে আলটিমেটাম
দেয়াল টপকে ডিসির বাসভবনে যুবক
সন্ত্রাসে বহিরাগতরা, পুলিশকে মামুনুল
হেফাজতের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্মারকলিপি
বাবুনগরীবিরোধী জোটে এবার মধুপুরের পীর

শেয়ার করুন

‘পাঁচ হাজারবার’ চুরির পর ধরা

‘পাঁচ হাজারবার’ চুরির পর ধরা

পরিবহনে যুক্ত ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান, এজেন্সি, চালক ও শ্রমিকদের যোগসাজশে গার্মেন্টস পণ্য চুরি করত সংঘবদ্ধ চোরাই চক্রটি। ছবি: নিউজবাংলা

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, সিলেটি সাঈদের পরিকল্পনায় তার নিজস্ব যানবাহনে গার্মেন্টস পণ্য পরিবহনের সময় কমপক্ষে পাঁচ হাজারবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ২৪টি মামলা হয়েছে। তিনি বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তারও হয়েছেন। সবশেষ একটি মামলায় তিনি আট মাস কারাভোগ করেন। কারাভোগ করে বেরিয়ে ফের যুক্ত হন চোরাই কারবারে।

সাহেদ ওরফে সিলেটি সাঈদের স্ত্রী ও সন্তানরা লন্ডনে থাকেন। নিজের বিশাল অট্টালিকা রয়েছে মৌলভীবাজারে। রয়েছে অসংখ্য বাড়ি ও শতাধিক গাড়ি, কাভার্ড ভ্যান। এ সবকিছুর তিনি মালিক বনেছেন গার্মেন্টস পণ্য চুরির অর্থে। সিলেটি সাঈদ গার্মেন্টস পণ্য চোরচক্রের হোতা।

সোমবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার।

সিলেটি সাঈদের পরিকল্পনায় তার নিজস্ব যানবাহনে গার্মেন্টস পণ্য পরিবহনের সময় কমপক্ষে পাঁচ হাজারবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ২৪টি মামলা হয়েছে। তিনি বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তারও হয়েছেন। সবশেষ একটি মামলায় তিনি আট মাস কারাভোগ করেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে ফের যুক্ত হন চোরাই কারবারে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পরিবহনে যুক্ত ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান, এজেন্সি, চালক ও শ্রমিকদের যোগসাজশে গার্মেন্টস পণ্য চুরি করছে সংঘবদ্ধ চোরাই চক্র। বিশ্বে লিডিং রপ্তানিকারক বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পকে ঘিরে চোরচক্রের কারণে সুনাম নষ্ট হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সংঘটিত চুরির ঘটনায় চোরাই মালামাল ও দুটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার এবং গার্মেন্টস পণ্য চোরাই চক্রের হোতাসহ সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

‘পাঁচ হাজারবার’ চুরির পর ধরা

গত ১৫ সেপ্টেম্বর নেটওয়ার্ক ক্লোথিং লিমিটেড নামের গার্মেন্টসের ১৭ হাজার ১৫২টি তৈরি পোশাক বিদেশে রপ্তানির উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দরে নেয়ার পথে চুরির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একটি মামলা হয়।

ওই ঘটনায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে গার্মেন্টস পণ্য চুরির সংঘবদ্ধ চক্রের হোতা সাহেদ ওরফে সাঈদ ওরফে সিলেটি সাঈদসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগের একটি দল।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত পর্যন্ত রাজধানীর উত্তরা এবং কুমিল্লা বুড়িচং এলাকায় ধারাবাহিক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন রাজ্জাক, ইউসুফ, মাইনুল, আলামিন, দুলাল হোসেন ও খায়রুল। এ সময় তাদের কাছ থেকে চার হাজার ৭০৫টি তৈরি পোশাকসহ দুটি কাভার্ডভ্যান জব্দ করা হয়।

‘পাঁচ হাজারবার’ চুরির পর ধরা

এ কে এম হাফিজ আক্তার ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, ‘গত ১১ মে জয়ন্তি নীট ওয়্যার লিমিটেড নামের তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ২৮ হাজার ৮২০টি পণ্য শিপমেন্ট করতে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে পাঠায়। বিদেশে মালামাল পৌঁছার পর জানা যায়, ওই শিপমেন্টে ১১ হাজার পণ্য কম। এ জন্য বিদেশি বায়ার প্রতিষ্ঠানটিকে ২৮ হাজার ৯০৮ ডলার জরিমানা করে। এতে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।

মামলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই ঘটনায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একটি মামলা করে জয়ন্তি নীট ওয়্যার গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ। এ পরিপ্রেক্ষিতে ইমরান, মোবারক ও ইব্রাহিম নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

‘অন্যদিকে গত ১৫ সেপ্টেম্বর নেটওয়ার্ক ক্লোথিং লিমিটেড নামক গার্মেন্টসের তৈরি পোশাক এক হাজার ৪৩১ কার্টনে ১৭ হাজার ১৫২টি পণ্য রপ্তানির উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়ে যায়। মালামাল শিপমেন্টের সময় গুনতে গিয়ে ৫ হাজার পণ্য কম পাওয়া যায়। ওই ঘটনায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একটি মামলা হয়।’

তেজগাঁও জোনাল টিম তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ঢাকা মহানগরীর উত্তরা থেকে চোরাই গার্মেন্টস মালামাল ও একটি কাভার্ড ভ্যানসহ রাজ্জাক, ইউসুফ, খায়রুল ও মাইনুলকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারদের দেয়া তথ্যমতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং নিমসার এলাকা থেকে চোরাই গার্মেন্টস মালামাল ও একটি কাভার্ড ভ্যানসহ আল-আমিন ও দুলালকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে এবং তাদের দেয়া তথ্যমতে চক্রের হোতা সাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাঈদের বিরুদ্ধে ২৪ মামলা

গ্রেপ্তার সাঈদের বিরুদ্ধে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ২৪টি মামলা রয়েছে। চট্টগ্রামে তিনি ৬টি মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগ করেছেন। চোর চক্রের অন্য সহযোগীদের সহায়তায় তিনি বিভিন্ন সময় ৪ থেকে ৫ হাজারবার চুরির ঘটনায় হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েক হাজার কোটি টাকার পণ্য।

হাফিজ আক্তার বলেন, সাঈদের এক স্ত্রী সন্তানসহ লন্ডনে সেটেল। তার মালিকানাধীন বিশাল অট্টালিকা রয়েছে মৌলভীবাজারে। তার রয়েছে প্রায় ৫ শতাধিক ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপ। এসব যানবাহন তিনি ভাড়ায় ব্যবহার করতেন গার্মেন্টস পণ্য শিপমেন্টের কাজে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টস পণ্য পরিবহনে যুক্ত তার ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান এবং এজেন্সি, চালক ও শ্রমিকদের সহায়তায় সংঘবদ্ধ চোরাই চক্র নিয়ন্ত্রণ করতেন।

চোরাই গার্মেন্টস পণ্য কোথায় বিক্রি ও কারা ক্রয় করছে জানতে চাইলে হাফিজ আক্তার বলেন, আমরা প্রাথমিক তদন্তে বেশ কয়েকজনের নাম জেনেছি। তদন্তের স্বার্থে বলছি না। দেশের ছোট ছোট কিছু বাইং হাউসে যাচ্ছে সেসব চোরাই গার্মেন্টস পণ্য। আর ওই সব ছোট বাইং হাউসগুলো বিদেশি ছোট ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে দেয়। এ ছাড়া, দেশের বিভিন্ন মার্কেটেও যাচ্ছে সেসব চোরাই গার্মেন্টস পণ্য।

এত মামলা নিয়ে কীভাবে সাঈদ গার্মেন্টস পণ্য চোরাই চক্র নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন জানতে চাইলে গোয়েন্দা প্রধান বলেন, তিনি বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন। সর্বশেষ একটি মামলায় তিনি আট মাস কারাভোগ করেন। তবে বেরিয়েই ফের জড়িয়ে পড়েন গার্মেন্টস পণ্য চোরাই কারবারে।

আরও পড়ুন:
হেফাজতের তাণ্ডব: সেই রেলস্টেশন চালুর দাবিতে আলটিমেটাম
দেয়াল টপকে ডিসির বাসভবনে যুবক
সন্ত্রাসে বহিরাগতরা, পুলিশকে মামুনুল
হেফাজতের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্মারকলিপি
বাবুনগরীবিরোধী জোটে এবার মধুপুরের পীর

শেয়ার করুন