মিতু হত্যা: নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন মুছার স্ত্রীর

মিতু হত্যা: নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন মুছার স্ত্রীর

রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব মিল্কি নিউজবাংকে বলেন, ‘পান্না আক্তার নামে এক নারী নিজের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। আইন অনুযায়ী আমরা তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।’

আদালতে জবানবন্দি দেয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিজের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন চট্টগ্রামে মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানায় মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে তিনি জিডি করেন।

রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব মিল্কি নিউজবাংকে বলেন, ‘পান্না আক্তার নামে এক নারী নিজের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। আইন অনুযায়ী আমরা তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।’

পান্না আক্তার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জবানবন্দি দেয়ার পর আমার ভেতরে ভয় কাজ করছে। এ জন্য আমি থানায় জিডি করেছি।‘

এর আগে সোমবার বিকেল ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম হোসাইন মোহাম্মদ রেজার আদালতে পান্না আক্তার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় কর্মরত পাঁচলাইশ থানার জিআরও এসআই শাহীন ভূঁইয়া বলেন, মুছার স্ত্রী পান্না আকতার মামলার সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

জবানবন্দিতে মিতু হত্যায় বাবুল আকতারের সম্পৃক্ততার কথা পান্না আকতার জানিয়েছেন কি না, জানতে চাইলে পিবিআইয়ের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা কৌশলে প্রশ্নটি এড়িয়ে যান।

তবে তিনি বলেন, ‘পান্না আকতার মিডিয়ায় বলে আসছেন মিতু হত্যায় বাবুল আকতার সম্পৃক্ত। তার স্বামী মুছাকে দিয়ে মিতুকে হত্যা করেছেন বাবুল। তিনি এত দিন মিডিয়ায় যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটিই জবানবন্দিতে বলেছেন। আমি এখনো স্টেটমেন্টের (জবানবন্দি) কপি পাইনি। সেটি পেলে বিস্তারিত জানাতে পারব।’

গত ২৫ মে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় সাক্ষী হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম শফিউদ্দিনের আদালতে মোখলেসুর রহমান ইরাদ নামে এক ব্যক্তি জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা।

তিনি বলেন, এই মামলায় তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন ইরাদ। এর আগে সাইফুল ইসলাম ও কাজী মামুন নামে দুই সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন।

সেই হিসেবে মুছার স্ত্রী পান্না আকতারসহ মিতু হত্যা মামলায় এই পর্যন্ত চারজন সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিলেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিতে বের হওয়ার পর চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মিতুকে।

ঘটনার পর তৎকালীন এসপি বাবুল পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, তার জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

তবে বাবুলের শ্বশুর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন ও শাশুড়ি সাহেদা মোশাররফ এই হত্যার জন্য বাবুল আকতারকে দায়ী করে আসছিলেন।

শুরু থেকে চট্টগ্রাম পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) মামলাটির তদন্ত করে। পরে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আদালত মামলাটির তদন্তের ভার পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দেয়। এরপর আস্তে আস্তে জট খুলতে থাকে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টিকারী চাঞ্চল্যকর এই মামলার।

গত ১১ মে বাবুলকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। তদন্তে বাবুল আকতারের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য ১২ মে ওই মামলার ৫৭৫ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয় পিবিআই।

একই দিন দুপুরে মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলার বাকি সাত আসামি হলেন মো. কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুছা, এহতেশামুল হক প্রকাশ হানিফুল হক প্রকাশ ভোলাইয়া, মো. মোতালেব মিয়া ওয়াসিম, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. খাইরুল ইসলাম কালু, মো. সাইদুল ইসলাম সিকদার সাক্কু ও শাহজাহান মিয়া।

আরও পড়ুন:
মিতু হত্যা মামলায় একজনের জবানবন্দি
বাবুলের ‘প্রেমিকার’ তথ্য চেয়ে ইউএনএইচসিআরকে চিঠি
বাবুলকে দেয়া ‘প্রেমিকার’ বই যাচ্ছে ফরেনসিক ল্যাবে
কারাবিধি অনুযায়ী বাবুল আকতারকে চিকিৎসার নির্দেশ
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বাংলাদেশের খেলা দেখেছেন মুহিত

বাংলাদেশের খেলা দেখেছেন মুহিত

রোববার সিএমএইচে ভর্তি সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতকে দেখতে যান তার ছোট ভাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

ফেসবুকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, মুহিত ভাই গতকালের থেকে ভালো আছেন। তার অক্সিজেনের মাত্রা এখন ৯৬। তিনি ভালোভাবে রাতের খাবার খেয়েছেন এবং বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ম্যাচও দেখেছেন। এখন তিনি ঘুমানোর চেষ্টা করছেন। দয়া করে মিথ্যে সংবাদ এড়িয়ে চলুন।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচ দেখেছেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। দেশের বিজয়ে উল্লসিতও হয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখন আগের থেকে ভালো।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন মুহিতের দেখভালের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মাদ বাচ্চু।

তিনি বলেন, ‘রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আমি স্যারের মেয়েসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা স্যারের সঙ্গে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার খেলা দেখেছি। গল্প করেছি। বাংলাদেশ জেতায় খুব খুশি হয়েছেন স্যার।’

২৭ জুলাই আবুল মাল আব্দুল মুহিতের করোনা শনাক্ত হয়। বৃহস্পতিবার ৮৭ বছর বয়সী মুহিতকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করান স্বজনরা।

বুধবার রাত ১১টার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহিতের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন তার ছোট ভাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

এদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজ থেকে বড় ভাইয়ের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার তথ্য জানান তিনি।

ফেসবুকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, মুহিত ভাই গতকালের (মঙ্গলবার) থেকে ভালো আছেন। তার অক্সিজেনের মাত্রা এখন ৯৬। তিনি ভালোভাবে রাতের খাবার খেয়েছেন এবং বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ম্যাচও দেখেছেন। এখন তিনি ঘুমানোর চেষ্টা করছেন।

মোমেন ফেসবুকে আরও লেখেন, দয়া করে মিথ্যে সংবাদ এড়িয়ে চলুন।

আবুল মাল মুহিতের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘সাবেক অর্থমন্ত্রী সিলেটের কৃতি সন্তান জনাব আবুল মাল আব্দুল মুহিতের মৃত্যুর খবরটি গুজব। বর্তমানে তিনি সিএমএইচে চিকিৎসাধীন আছেন।’

৮৭ বছর বয়সী আবুল মাল আব্দুল মুহিত আওয়ামী লীগের গত দুই আমলে টানা ১০ বছর অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এসময়ে তিনি সিলেট-১ আসনের সাংসদও ছিলেন। অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুহিত সংসদে মোট ১২টি বাজেট উপস্থাপন করেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মুহিত ১৯৩৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন:
মিতু হত্যা মামলায় একজনের জবানবন্দি
বাবুলের ‘প্রেমিকার’ তথ্য চেয়ে ইউএনএইচসিআরকে চিঠি
বাবুলকে দেয়া ‘প্রেমিকার’ বই যাচ্ছে ফরেনসিক ল্যাবে
কারাবিধি অনুযায়ী বাবুল আকতারকে চিকিৎসার নির্দেশ
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল

শেয়ার করুন

নন্দিত থেকে যেভাবে নিন্দিত

নন্দিত থেকে যেভাবে নিন্দিত

ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তোলার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি পরীমনি (বাঁয়ে) এবং বুধবার র‌্যাবের হাতে আটকের পর বাসা থেকে বের হওয়ার পথে। ছবি: নিউজবাংলা

পরীমনি গত জুনে ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হওয়ার অভিযোগ তোলার পর সাধারণ মানুষের ব্যাপক সহানুভূতি পান। অবশ্য সেই আলোড়ন স্থায়ী হয়নি, কয়েক দিনের মধ্যেই তার বিতর্কিত আরও কিছু কর্মকাণ্ড প্রকাশ পেলে ঘুরে যেতে থাকে জনমত।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ পরীমনি বিভিন্ন সময়ে নানা কারণে হয়েছেন আলোচিত-বিতর্কিত। শো বিজে আসার অল্প সময়ের মধ্যে তিনি চলে আসেন আলোচনার কেন্দ্রে। তার অভিনীত সিনেমার বেশির ভাগ ব্যবসা সফল না হলেও ব্যক্তিগত ধনাঢ্য জীবন নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন।

তবে এর মধ্যেও গত জুনে তিনি ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হওয়ার অভিযোগ তোলার পর সাধারণ মানুষের ব্যাপক সহানুভূতি পান। অবশ্য সেই আলোড়ন স্থায়ী হয়নি, কয়েক দিনের মধ্যেই তার বিতর্কিত আরও কিছু কর্মকাণ্ড প্রকাশ পেলে ঘুরে যেতে থাকে জনমত।

র‌্যাবের অভিযানে বুধবার আটক হয়েছেন পরীমনি। তার বাসা থেকে ভয়ংকর মাদক এলএসডি, আইসসহ বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধারের দাবি করেছে র‌্যাব। মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে নন্দিত থেকে নিন্দিত চরিত্রে পরিণত হয়েছেন আলোচিত এই অভিনেত্রী।

গত ১৩ জুন পরীমনির একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে আটকে যায় সারা দেশের চোখ। ওইদিন রাত ৮টায় নিজের ভেরিফায়েড পেজে তিনি অভিযোগ তোলেন, ঢাকা বোট ক্লাবে তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে কারো নাম উল্লেখ করেননি তিনি।

এই স্ট্যাটাস মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সংবাদ মাধ্যমকর্মীরা রাতেই ছুটে যান পরীমনির বনানীর বাসায়। এ সময়ে তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও ঢাকা বোট ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির তখনকার সদস্য নাসির উদ্দিন মাহমুদ ৯ জুন ক্লাবে তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা করেন।

নন্দিত থেকে যেভাবে নিন্দিত
ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগ তোলার পর বনানীর বাসায় সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি পরীমনি


পরদিন ১৪ জুন সাভার থানায় ব্যবসায়ী ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা করেন পরীমনি। ওই দিনই পুলিশ নাসিরকে গ্রেপ্তার করে

১৫ জুন বিকেলে নিজের বক্তব্য জানাতে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে যান আলোচিত এই অভিনেত্রী। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ডিবি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে আসামি গ্রেপ্তারের ঘটনায় সাংবাদিকদের কাছে নিজের স্বস্তির কথা জানান তিনি। সে সময় তার বলা ‘আমি রিফ্রেশড’ কথাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচনার জন্ম দেয়।

পরীমনির সাহসিকতার প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই সরব হন। প্রবল আলোচিত হিরো আলম গানে গানে ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানান। পরীমনিকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনও।

ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তারের পর নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তার সঙ্গী তুহিন সিদ্দিকী অমিকে কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এরপর ৩০ জুন আদালত তাকে জামিন দেয়। পরদিন ১ জুলাই কারাগার থেকে মুক্তি পান নাসির উদ্দিন আহমেদ।

শুরু থেকেই তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করছিলেন নাসির। কারাগার থেকে বের হওয়ার পর নিউজবাংলার কাছে তিনি দাবি করেন, বোট ক্লাব থেকে পরীমনি তিন লিটারের একটি ব্লু লেবেলের বোতল নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। আর তাতে বাধা দেয়ার কারণেই ওই রাতে তৈরি হয় ‘ঝামেলা’।

নাসির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘ওই দিন অমি সাহেব প্রথমে তাকে (পরীমনি) একটা ব্লু লেবেল খাইয়েছিল, যেটার দাম ৩৫ হাজার টাকা। সেটা সে শরবতের মতো খেয়ে ফেলছে, অল্প সময়ের মধ্যে। পরবর্তী সময়ে আরও একটা দেয়া হয়েছিল, সেটার তিন ভাগের দুই ভাগ সে খেয়ে ফেলছিল, যতটুকু আমার মনে পড়ে।

‘আর দুটা ওয়াইনের বোতল সঙ্গে থাকা একটা মেয়ের ব্যাগে ঢুকিয়ে ফেলছিল পরীমনি। এরপর ঝামেলা শুরু হয় তিন লিটারের একটা ব্লু লেবেলের বোতল নিয়ে, যেটার দাম দেড় লাখ টাকা। যেটা আমরা বিক্রি করি না। মূল ঝামেলা ওই বোতল নেয়া থেকেই শুরু।’

নাসিরের অভিযোগ, এরপরই পরীমনি ও তার সঙ্গীরা ভাঙচুর ও গালিগালাজ শুরু করেন। এরপর তোলা হয় ‘ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার’ অভিযোগ।

নন্দিত থেকে যেভাবে নিন্দিত
ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ তুলে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরীমনি

তবে নাসিরের এই অভিযোগ অস্বীকার করেন পরীমনি।মিডিয়া ট্রায়ালের’ পাল্টা অভিযোগ তুলে ঢাকাই সিনেমার আলোচিত এই অভিনেত্রী বলেন, ‘‘এমনকি সেই রাতে (বোট ক্লাবে) নাসির একজন ওয়েটারকেও লাথি মেরেছিল। ‘ডানাকাটা পরি’ গানের সঙ্গে নাচতে নাচতে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় টাচ করছিল। তার ওই সময়ের আচরণ এত অসভ্য ছিল তা প্রকাশ করা যাবে না। শুধু তাই নয়, এসব ঘটনা তার নিজের মোবাইল ফোনে ধারণও করছিল।”

‘আমি ডানাকাটা পরি’ গানটি পরীমনি অভিনীত ‘রক্ত’ সিনেমার। সিনেমাটি ছিল বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার।

পরীমনিকে নিয়ে আলোচনার মধ্যেই গুলশানের একটি ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে জিডি করার তথ্য প্রকাশ পায় ১৬ জুন।

ক্লাব কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের জানায়, ৭ জুন রাতে গুলশান-১ এলাকার অল কমিউনিটি ক্লাব ৯৯৯ নম্বরে কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে গুলশান থানায় পরীমনির বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করে বাহিনীটি।

তবে সেই অভিযোগও অস্বীকার করেন পরীমনি। তিনি দাবি করেন, ঢাকা বোট ক্লাবের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টার অংশ হিসেবে বিষয়টিকে সামনে আনা হয়েছে।

সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরীমনির বিলাসী জীবন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে থাকে। অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্তরাও বিষয়টি নিয়ে নিজেদের অস্বস্তির কথা জানান।

নন্দিত থেকে যেভাবে নিন্দিত
ঢাকা বোট ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য নাসির উদ্দিন মাহমুদ

টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী ও পরিচালক অরুণা বিশ্বাস একটি এফএম রেডিওর সাক্ষাৎকারে পরীমনিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘একজন শিল্পী কত টাকা ইনকাম করলে পাঁচ কোটি টাকার গাড়ি চালাতে পারে, চার কোটি টাকার বাড়ি কিনতে পারে।’

এর পাল্টা জবাবও দেন পরীমনি। নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘বড় বড় সম্মানিত শিল্পীরাও পিছে রটানো গসিপ নিয়ে আমার দিকে আঙ্গুল তুলতেও ছাড়লেন না আজ।’ পাশাপাশি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ভূমিকা নিয়েও বেশ কয়েকবার হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।

পরীমনি প্রশ্নে ধীরে ধীরে জনমনে বাড়তে থাকে বিভক্তি। এর মধ্যেই বুধবার বিকেলে হঠাৎ তার ফেসবুক লাইভ হতচকিত করে সবাইকে। বিকেল ৪টার দিকে লাইভে এসে তিনি জানান, তার বাসায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে কয়েকজন ঢুকতে চাইছেন।

পরীমনি বলেন, থানায় ফোন দিয়েও কোনো সাড়া পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, ‘কাকে ফোন দেব বুঝতেছি না। থানা থেকে কেউ ফোন ধরছে না। আমি লাইভ কাটব না, যদি আমার হাত থেকে কেউ ফোন নিয়ে নেয়, বুঝবেন আমার কিছু একটা হয়েছে।’

লাইভ চলার সময়েই শোনা যাচ্ছিল, ‘দরজায় বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিরা নিজেদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বলে পরিচয় দিচ্ছেন। তাদের বলতে শোনা যায়, ‘ঘরে আসতে দেন। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোক।’

পরীমনির লাইভের মধ্যেই তার বনানীর বাসার সামনে ভিড় করতে শুরু করে গণমাধ্যমকর্মীরা। এক পর্যায়ে তিনি বাসার দরজা খুলতে রাজি হন। এরপরেই শেষ হয় প্রায় ৩২ মিনিটের লাইভ।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন নিউজবাংলাকে জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

নন্দিত থেকে যেভাবে নিন্দিত
মাদকসহ আটকের পর পরীমনিকে নেয়া হয় র‍্যাব সদর দপ্তরে

প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা অভিযান শেষে সন্ধ্যা ৭টায় র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খায়রুল ইসলাম পরীমনিকে হেফাজতে নেয়ার কথা নিশ্চিত করেন।

র‍্যাব জানায়, তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মদ, এলএসডি ও নতুন ধরনের মাদক আইস উদ্ধার করা হয়েছে।

রাত সোয়া ৮টার দিকে পরীমনিকে নিয়ে কুর্মিটোলায় র‌্যাবের সদর দপ্তরের উদ্দেশে রওনা হয় একটি গাড়ি। রাত পৌনে ৯টার দিকে গাড়িটি পৌঁছায় র‌্যাব সদর দপ্তরে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল খায়রুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বুধবার রাতে পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বৃহস্পতিবার অভিযান সম্বন্ধে বিস্তারিত গণমাধ্যমকে জানানো হবে।’

আরও পড়ুন:
মিতু হত্যা মামলায় একজনের জবানবন্দি
বাবুলের ‘প্রেমিকার’ তথ্য চেয়ে ইউএনএইচসিআরকে চিঠি
বাবুলকে দেয়া ‘প্রেমিকার’ বই যাচ্ছে ফরেনসিক ল্যাবে
কারাবিধি অনুযায়ী বাবুল আকতারকে চিকিৎসার নির্দেশ
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল

শেয়ার করুন

ইরানে প্রেসিডেন্টের শপথে প্রথমবারের মতো ঢাকার প্রতিনিধি

ইরানে প্রেসিডেন্টের শপথে প্রথমবারের মতো ঢাকার প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার তেহরানের পার্লামেন্টে ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন সাবেক প্রধান বিচারপতি ইব্রাহিম রাইসি। ছবি: এএফপি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের ভ্রাতৃপ্রতিম অন্য রাষ্ট্রগুলোর মতো ইরানের সঙ্গেও স্বাভাবিক সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ। আর এ জন্যই দেশটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসির শপথ অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো তেহরানে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে ঢাকা। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ৩ সদস্যের ওই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসির শপথের মতো এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

বুধবার নিজের ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, প্রথমবারের মতো ইরানে....

এদিকে, নিকট অতীতে এটাই বাংলাদেশের কোন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর ইরান সফর। কয়েক বছর আগে তখনকার পর্যটন ও বিমান মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে দেশটি সফর করেছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের ভ্রাতৃপ্রতিম অন্য রাষ্ট্রগুলোর মতো ইরানের সঙ্গেও স্বাভাবিক সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ। আর এ জন্যই দেশটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসির শপথ অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো তেহরানে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে ঢাকা।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ৩ সদস্যের ওই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ইরানের নতুন নেতৃত্বের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ বার্তা নিয়ে গেছেন তারা।

ইরানে প্রেসিডেন্টের শপথে প্রথমবারের মতো ঢাকার প্রতিনিধি

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসির শপথের মতো এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। ছবি: নিউজবাংলা

বৃহস্পতিবার তেহরানের পার্লামেন্টে বর্ণাঢ্য এক আয়োজনে শপথ নেবেন প্রেসিডেন্ট রাইসি। এতে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানসহ পঞ্চাশের বেশি দেশের গুরুত্বপূর্ণ অতিথিরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে অংশ নিচ্ছেন।

মঙ্গলবার সর্বোচ্চ নেতার কাছ থেকে দায়িত্ব পেলেও রেওয়াজ অনুযায়ী পার্লামেন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেবেন প্রেসিডেন্ট।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসি শপথ বাক্য পাঠ করবেন। শপথের কারণে আগামী সপ্তাহে ইরানের জাতীয় সংসদের অধিবেশন স্থগিত থাকছে।

গত ১৮ জুন ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসি ৬২ ভাগ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তিনি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট হিসেবে আগামী চার বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও পড়ুন:
মিতু হত্যা মামলায় একজনের জবানবন্দি
বাবুলের ‘প্রেমিকার’ তথ্য চেয়ে ইউএনএইচসিআরকে চিঠি
বাবুলকে দেয়া ‘প্রেমিকার’ বই যাচ্ছে ফরেনসিক ল্যাবে
কারাবিধি অনুযায়ী বাবুল আকতারকে চিকিৎসার নির্দেশ
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল

শেয়ার করুন

আগস্টে বন্যার আভাস

আগস্টে বন্যার আভাস

জুলাইয়ের শুরুর দিকে ভারী বর্ষণ ছিল। এ মাসেও তেমনই আভাস দিচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর। ছবি: সাইফুল ইসলাম

‘আমরা আগস্টেও স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত দেখব। কোনো মডেলে স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি হতে পারে। স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত বলতে আমরা বুঝিয়েছি, মূলত গত ৩০ বছরে এই মাসের সঙ্গে সমন্বয় করেই আমরা জলবায়ুর পূর্বাভাস দিয়ে থাকি।’

দেশে জুলাই মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে। মাসের শুরুতে অতিবর্ষণ হলেও মাঝের দিনগুলো বৃষ্টিহীন থাকে।

শেষ সময়ে লঘুচাপের ফলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও ভূমিধস দেখা দিলেও বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগস্ট মাসেও একই রকম বৃষ্টিপাত হতে পারে, সেই সঙ্গে বন্যাও দেখা দেবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আব্দুল কালাম মল্লিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আমরা বলেছি, স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে জুলাই মাসে। তবে সেটি -৫.১% বিচ্যুতি রয়েছে। এটাকে স্বাভাবিকের কাতারেই ধরা হয়।’

এই আবহাওয়াবিদ আরও বলেন, ‘এটাকে আমরা কম বৃষ্টি বলতে পারব না। আমাদের আবহাওয়ার ক্ষেত্রে প্লাস-মাইনাস অল্প একটু ভ্যারি করবেই। তবে এটা স্বাভাবিক।’

একই ধারা অব্যাহত থাকবে আগস্ট মাসে উল্লেখ করে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ‘আমরা আগস্টেও স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত দেখব। কোনো মডেলে স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি হতে পারে। স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত বলতে আমরা বুঝিয়েছি, মূলত গত ৩০ বছরে এই মাসের সঙ্গে সমন্বয় করেই আমরা জলবায়ুর পূর্বাভাস দিয়ে থাকি।’

আব্দুল কালাম বলেন, ‘দেশে এখন মৌসুমি বায়ু সক্রিয়। বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় আছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।’

কেমন ছিল জুলাই মাস

জুলাই মাসে খুলনা ও বরিশাল বিভাগে স্বাভাবিকের অপেক্ষা বেশি এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে স্বাভাবিকের অপেক্ষা কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুলাইয়ের ১ ও ২ তারিখে সারা দেশে মাঝারি ও ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হয়।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় সৃষ্ট নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ২৭ থেকে ৩০ জুলাই চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের অনেক স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হয়। এ সময় এই মাসের দৈনিক সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত টেকনাফে ৩২৮ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়।

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অতিভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হয়েছে। ২৭ জুলাই বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়, যা ২৮ জুলাই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়। এটি ২৯ জুলাই দুপুর ১২টায় খুলনা, সাতক্ষীরা অঞ্চল ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়।

কেমন থাকবে আগস্ট মাস

আগস্ট মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি মৌসুমি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি সমতলে স্থিতিশীল থাকতে পারে। পরবর্তী সময়ে মৌসুমি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের কয়েকটি স্থানে স্বল্প থেকে মধ্যমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। অপরদিকে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্বঞ্চলীয় পার্বত্য অববাহিকার কিছু স্থানে স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুন:
মিতু হত্যা মামলায় একজনের জবানবন্দি
বাবুলের ‘প্রেমিকার’ তথ্য চেয়ে ইউএনএইচসিআরকে চিঠি
বাবুলকে দেয়া ‘প্রেমিকার’ বই যাচ্ছে ফরেনসিক ল্যাবে
কারাবিধি অনুযায়ী বাবুল আকতারকে চিকিৎসার নির্দেশ
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়ার জড়িত থাকা স্পষ্ট: তথ্যমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়ার জড়িত থাকা স্পষ্ট: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের সময় সাক্ষী ও আসামিরা জবানবন্দিতে স্পষ্টভাবেই বলেছে কখন, কোথায় জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। জিয়াউর রহমান কী বলেছে, কীভাবে সম্মতি দিয়েছে, তাও জানিয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান জড়িত। বিচার-প্রক্রিয়ার সাক্ষ্যপ্রমাণ থেকে এ বিষয়টি দিবালোকের মতো ‘স্পষ্ট’ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে বুধবার দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের (ডিএফপি) নবারুণ ও সচিত্র বাংলাদেশ মাসিক পত্রিকা দুটির মুজিববর্ষ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তথ্য তুলে ধরে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারে সাক্ষ্যপ্রমাণই বলে দেয় জিয়াউর রহমান এতে যুক্ত, তার সম্পৃক্ততা দিবালোকের মতো স্পষ্ট।’

বিএনপি মিথ্যাচারে যুক্ত বলে অভিযোগ তুলে মন্ত্রী বলেন, ‘আগস্ট মাস এলেই বিএনপি নানা কথা বলে, জঘন্য মিথ্যাচার করে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের সময় সাক্ষী ও আসামিরা যে জবানবন্দি দিয়েছে, সেগুলো তো রেকর্ডেড। তারা জবানবন্দিতে স্পষ্টভাবেই বলেছে কখন, কোথায় জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। জিয়াউর রহমান কী বলেছে, কীভাবে সম্মতি দিয়েছে, তাও জানিয়েছে।’

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমানের যুক্ত থাকার বিষয়টি আত্মস্বীকৃত খুনি কর্নেল ফারুক ও রশিদ ১৯৭৬ সালের আগস্টে যুক্তরাজ্যের একটি টেলিভিশনকে জানিয়েছে বলেও দাবি করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘জিয়া যদি মোশতাকের আস্থাভাজনই না হয়, তাহলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর জিয়াউর রহমানকে কেন সেনাপ্রধান করা হলো? বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হচ্ছে জিয়াউর রহমান এবং তার পরিবার।’

মন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ছদ্মাবরণে পাকিস্তানিদের দোসর ছিলেন। তিনি রণাঙ্গনে, আর তার স্ত্রী-পুত্ররা পাকিস্তানিদের কাছে মেহমানের মতো থাকে, এ থেকেই তো গোমরটা বোঝা যায়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন জিয়াউর রহমানের কাছে পাকিস্তানি কর্নেল বেগের লেখা যে চিঠি, তাতেও অনেক বিষয় স্পষ্ট। চিঠিতে লেখা ছিল- ‘‘তুমি চিন্তা করো না, তোমার স্ত্রী-পুত্ররা ভালো আছে। তোমার কাজে আমরা সন্তুষ্ট।’’- এগুলো তো অস্বীকার করার উপায় নেই।’

আরও পড়ুন:
মিতু হত্যা মামলায় একজনের জবানবন্দি
বাবুলের ‘প্রেমিকার’ তথ্য চেয়ে ইউএনএইচসিআরকে চিঠি
বাবুলকে দেয়া ‘প্রেমিকার’ বই যাচ্ছে ফরেনসিক ল্যাবে
কারাবিধি অনুযায়ী বাবুল আকতারকে চিকিৎসার নির্দেশ
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল

শেয়ার করুন

পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করতে তৈরি নাসির

পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করতে তৈরি নাসির

নাসির উদ্দিন মাহমুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আমাকে জনসমক্ষে সে (পরীমনি) হেয় করেছে। আমি অবশ্যই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব, মামলা করব।’

র‍্যাবের অভিযানে আটক আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনির বিরুদ্ধে শিগগিরই মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা বোট ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য নাসির উদ্দিন মাহমুদ।

পরীমনির বাসায় র‍্যাবের অভিযানের মধ্যে বুধবার বিকেলে তিনি নিউজবাংলাকে এ কথা জানান।

পরীমনি গত ৯ জুন রাতে ঢাকা বোট ক্লাবে যাওয়ার পর ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ তুলে সারা দেশে তোলপাড় ফেলেন।

এরপর ১৪ জুন তিনি সাভার থানায় নাসির উদ্দিন ও অমির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন নাসির।

১ জুলাই জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান নাসির উদ্দিন মাহমুদ। শুরু থেকেই তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করছেন।

পরীমনির বাসায় বুধবার র‌্যাবের অভিযানের সময় নাসির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার সম্পর্কে সে (পরীমনি) মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছিল, যা সত্য নয় তা বলেছিল। ভিডিও ফুটেজ এবং তার কথাবার্তা সবকিছুতেই অসংগতি ছিল। বাস্তবে এর কোনো মিল ছিল না।

‘এই মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আমাকে জনসমক্ষে সে হেয় করেছে। আমি অবশ্যই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব, মামলা করব।’

তিনি বলেন, ‘আমার মানহানি হয়েছে, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা ছড়িয়েছে, ফেসবুকে মিথ্যাচার করেছে, বোট ক্লাবে ড্রিংক নিয়ে জোরাজুরি করেছে। আমি মামলা তো করবই। তাকে তো ছাড় দেয়া যায় না। আমি আমার মতো করে লিখে রেখেছি, যেকোনো সময় বিমানবন্দর থানায় পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করব।’

আরও পড়ুন:
মিতু হত্যা মামলায় একজনের জবানবন্দি
বাবুলের ‘প্রেমিকার’ তথ্য চেয়ে ইউএনএইচসিআরকে চিঠি
বাবুলকে দেয়া ‘প্রেমিকার’ বই যাচ্ছে ফরেনসিক ল্যাবে
কারাবিধি অনুযায়ী বাবুল আকতারকে চিকিৎসার নির্দেশ
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল

শেয়ার করুন

সরকারের সিদ্ধান্ত বদলে বক্তব্য প্রত্যাহার মোজাম্মেলের

সরকারের সিদ্ধান্ত বদলে বক্তব্য প্রত্যাহার মোজাম্মেলের

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। ফাইল ছবি

‘আমরা কালকে একটা কথা বলেছিলাম যে আগামী ১১ তারিখ থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে কোনো ব্যক্তি যদি টিকা ছাড়া রাস্তায় চলাফেরা করেন তারা আইনের আওতায় আসবেন। আমরা সেটা পর্যালোচনা করে দেখেছি যে সেটা বাস্তবসম্মত নয়। সেজন্য আমরা আমাদের, আমি যে কথা বলেছিলাম সেটা প্রত্যাহার করে নিয়েছি।’

১১ আগস্টের মধ্যে ১৮ ঊর্ধ্ব সকল নাগরিককে করোনা প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনা সম্ভব নয় বলে সরকার তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করায়, নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের আরোপ করা শাটডাউন নামে পরিচিতি পাওয়া কঠোর বিধিনিষেধ শেষে টিকা ছাড়া ১৮ বছরের বেশি বয়সীরা বাইরে আসতে পারবেন না বলে দেয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেয়ার কারণ ব্যাখ্যায় এ কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

রাজধানীর আব্দুল গণি রোডে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে সরকারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন এবং নিজের বক্তব্য প্রত্যাহারের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান মন্ত্রী।

আ ক ম মোজাম্মেল বলেন, ‘আমরা কালকে একটা কথা বলেছিলাম যে আগামী ১১ তারিখ থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে কোনো ব্যক্তি যদি টিকা ছাড়া রাস্তায় চলাফেরা করেন তারা আইনের আওতায় আসবেন। আমরা সেটা পর্যালোচনা করে দেখেছি যে সেটা বাস্তবসম্মত নয়। সেজন্য আমরা আমাদের, আমি যে কথা বলেছিলাম সেটা প্রত্যাহার করে নিয়েছি।’

এ বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যেহেতু ১১ তারিখে সমস্ত লোককে টিকা দেয়া সম্ভব নয়। কাজেই টিকা না দিয়ে আসতে পারবে না, সেই ইয়েটাও ইমপোজ করা যায় না। সে কারণেই আমরা আমাদের সিদ্ধান্তের ওই অংশটুকু, ১১ তারিখের পর থেকে কেউ আসলে আইনের আওতায় আসবে, ওই অংশটুকু প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সরকার এ দেশের সকল নাগরিকদের পর্যায়ক্রমে টিকা দেয়ার জন্য আমরা বলেছি যে ১৪ হাজার টিকা কেন্দ্র স্থাপন করে আগামী ৭ তারিখ থেকে কার্যক্রম চলবে। ১৮ বছরের সকল নাগরিকদেরকে টিকা দেয়ার জন্য আমাদের সরকার বদ্ধ পরিকর।’

নিজের বক্তব্য শেষ করেই তড়িঘড়ি করে কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে সম্মেলন কক্ষ ছেড়ে যান মন্ত্রী।

যদিও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন মঙ্গলবারে অনুষ্ঠিত কোভিড-১৯ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত আন্তঃ মন্ত্রণালয় সভায় এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

ওই বৈঠকে তিনি অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন বক্তব্য কারও ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে, কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্ত নয়।’

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সেখানে আসলে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্ত হয়নি যে (টিকা ছাড়া) ১৮ বছরের বেশি বয়সের কেউ বের হলে অপরাধ হবে। সে ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

এমন বক্তব্য সরকারের সমন্বয়হীনতা কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নাহ, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত সেখানে হয়নি। আমাদের সচিবও সেই বৈঠকে যুক্ত ছিলেন। এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটি কারও ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে, কিন্তু এই ধরনের সরকারি সিদ্ধান্ত হয়নি।’

মাস্ক পরার ওপর জোর দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একইসঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি যাতে সবাই মানে সেটির ওপর জোর দেয়া হয়েছে।’

পুলিশের হাতে শাস্তি দেয়ার ক্ষমতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মাস্ক না পরলে পরে যাতে ইন্সট্যান্টলি শাস্তি দেয়া যায়, সেজন্য পুলিশের কাছে এ ধরনের... অবশ্যই বিচারিক ক্ষমতা নয়, পুলিশ যেমন অবৈধ যানবাহনের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করে, ট্রাফিক পুলিশ ভায়োলেট করলে সেখান থেকে জরিমানা আদায় করে, সুতরাং সেই ধরনের ইনস্টিটিউট দ্বারা ভ্যালিডেটেড অবশ্যই হতে হবে সেটি আইন আনুযায়ী।’

বিষয়টি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। বলেন, ‘পুলিশ যাতে জরিমানা করতে পারে, সেটি আইনের মধ্যে থেকে কীভাবে করা যায়, সেটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। সেটা করা প্রয়োজন বলেও সবাই অভিমত ব্যক্ত করেছে।’

৭ আগস্ট থেকে সরকার ব্যাপক টিকা কার্যক্রমে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘১ সপ্তাহে ১৪ হাজার কেন্দ্র থেকে ১ কোটি দেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’

‘তখন কেউ কেউ, আমার ঠিক মনে নেই, এ ধরনের আলোচনা করেছে। টিকা ছাড়া বের হলে... এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

আরও পড়ুন:
মিতু হত্যা মামলায় একজনের জবানবন্দি
বাবুলের ‘প্রেমিকার’ তথ্য চেয়ে ইউএনএইচসিআরকে চিঠি
বাবুলকে দেয়া ‘প্রেমিকার’ বই যাচ্ছে ফরেনসিক ল্যাবে
কারাবিধি অনুযায়ী বাবুল আকতারকে চিকিৎসার নির্দেশ
হাসপাতালে থাকতে চান বাবুল

শেয়ার করুন