রোজিনার মুক্তি দাবিতে একাত্ম জাতীয় পার্টি

রোজিনার মুক্তি দাবিতে একাত্ম জাতীয় পার্টি

‘সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করলে কারও জবাবদিহি থাকবে না। তখন দেশ গণতন্ত্র নয়, রাজতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাবে। আমরা এটা হতে দিতে পারি না।’

রোজিনা ইসলামের মুক্তি দাবিসহ সাংবাদিকদের আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করেছে জাতীয় পার্টি। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এ ঘোষণা দেন।

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ এবং সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মুক্তি দাবিতে বৃহস্পতিবার মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলীয় চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, দলের কো-চেয়ারম্যান এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলাসহ নেতা-কর্মীরা।

জি এম কাদের বলেন, 'আমরা একাত্মতা ঘোষণা করছি, সাংবাদিকদের আন্দোলনে। কারণ তারাই সরকারের বিভিন্ন বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করেছেন। সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করলে কারও জবাবদিহি থাকবে না। তখন দেশ গণতন্ত্র নয়, রাজতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাবে। আমরা এটা হতে দিতে পারি না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা রোজিনা ইসলামের মুক্তি দাবি করছি। ঘটনার জন্য একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি দাবি করছি। কারণ যাদের দিয়ে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে, তারা লুটপাটে জড়িত রয়েছেন কি না আমরা নিশ্চিত নই ‘

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেন, অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট আর যাতে না থাকে সেটা আমরা দেখতে চাই। সরকার যদি দরকার মনে করে তাহলে তথ্য অধিকার আইন নতুন করে সংশোধন করুক।’

তিনি বলেন, ‘রোজিনা ইসলামকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আটকের পর নির্যাতন করা হয়েছে। এটা দেশের জন্য লজ্জাজনক। যে আইনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেটি একটি কালো আইন। সেই আইনটি বাতিল করার জন্য বিভিন্ন সময়ে আমরা দাবি জানিয়ে আসছিলাম।’

মানববন্ধনে জাতীয় পার্টির নেতারা বলেন, ফিলিস্তিনিদের জীবন বাঁচাতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী নিয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে জাতিসংঘের নেতৃত্বে শক্তি প্রয়োগ করে নিবৃত্ত করতে হবে ইসরায়েলকে। আলোচনার ভিত্তিতে স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের উদ্যোগ নিতে হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়াতে ওআইসিকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়াতে ওআইসিকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘যেই মুহুর্তে পুরো বিশ্বে ধ্বংসাত্মক মহামারির কারণে অগণিত মানুষের জীবন এবং জীবিকা অনিশ্চিত, সেই মুহুর্তে ফিলিস্তিনে আমাদের ভাই ও বোনেরা মানুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমাদের কাছে সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করছে।’

ইসরায়েলের বর্বরতার মুখে থাকা ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে মুসলিম দেশগুলোতে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর জোট ওআইসির দ্বিতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সামিটে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বুধবার দুপুরে এ আহ্বান জানান রাষ্ট্রপ্রধান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘যেই মুহুর্তে পুরো বিশ্বে ধ্বংসাত্মক মহামারির কারণে অগণিত মানুষের জীবন এবং জীবিকা অনিশ্চিত, সেই মুহুর্তে ফিলিস্তিনে আমাদের ভাই ও বোনেরা মানুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমাদের কাছে সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করছে।

‘ফিলিস্তিনের জনসাধারণের ওপর ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর বারবার এ আক্রমণে বাংলাদেশ তাৎক্ষণিক নিন্দা জানিয়েছে এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। ফিলিস্তিনের ভাতৃপ্রতিম জনগণের জন্য একটি স্বাধীন মাতৃভূমি ও সার্বভৌম ফিলিস্তিনের দাবিতে বাংলাদেশ সব সময়ই সমর্থন দিয়ে আসছে।’

রাষ্ট্রপতি তার ভাষণে রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে মুসলিম বিশ্বের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুটি বাংলাদেশ, ওআইসি এবং বিশ্বের জন্য ক্রমাগতভাবেই উদ্বেগ তৈরি করে চলেছে। আমরা সকলেই জানি সিএফএমে আনা রেজুলেশন অনুসরণ করে ২০১৯ সালে জেনেভা কনফভেনশন অনুসারে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক আদালতে অভিযোগ আনা হয়। যার মাধ্যমে আদালত মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অস্থায়ী কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, গাম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি এবং ওআইসি মহাসচিব ২০২০ সালের জুলাইয়ে সব সদস্য রাষ্ট্রের কাছে একটি যৌথ চিঠি ইস্যু করেন। সেখানে সব সদস্য রাষ্ট্রের অংশগ্রহণে একটি স্বেচ্ছাসেবী তহবিল গঠনের কথা বলা হয়, যার মাধ্যমে দীর্ঘ মেয়াদী এ মামলার ব্যয় মেটানো হবে। আমি ওআইসি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ারমারের এ সমস্যাটি মেটাতে অনুরোধ জানাচ্ছি যাতে করে রোহিঙ্গা সম্প্রদায় তাদের মাতৃভূমিকে নিরাপদে, সুরক্ষিতভাবে এবং মর্যাদা নিয়ে ফিরতে পারে।’

এ সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সামনে তুলে ধরেন রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বৈজ্ঞানিক গবেষণা, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, খাদ্য এবং কৃষি খাতে পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, স্বাস্থ্য, জ্বালানি, মানব সম্পদ উন্নয়ন ও সুনীল অর্থনীতিসহ নানা খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

‘আমরা এরই মধ্যে রূপপুরে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ নিউক্লিয়ার ক্লাবে প্রবেশ করেছি।’

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সামনে ৫টি পরামর্শ তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি।

তার পরামর্শগুলো হলো:

০১. ওআইসির প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থনে গবেষণা ও উন্নয়নে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা।

০২. আইডিবির অর্থায়নে হাইটেক শিল্প এবং গুচ্ছ প্রকল্প বাস্তবায়ন।

০৩. সদস্যরাষ্ট্রগুলোর বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে কর্ম প্রক্রিয়া, নেটওয়ার্ক ও সহযোগিতা উন্নয়ন।

০৪. উদ্ভাবন বিষয়ে বিস্তৃত বাণিজ্যিক কর্ম সম্পাদনের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে কাজ সৃষ্টি

০৫. সমস্য দেশগুলোর মধ্য প্রযুক্তি স্থানান্তর।

শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা ভোটার: ইসি পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা

রোহিঙ্গা ভোটার: ইসি পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা

মামলার বাদী শরীফ উদ্দিন নিউজবাংলাকে জানান, ২০১২ সালে নির্বাচন কমিশনের সাতটি ল্যাপটপ হারিয়ে যায়। এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি মামলা হলেও তৎকালীন জেলা নির্বাচন অফিসারসহ আসামিরা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং হারিয়ে যাওয়া একটি ল্যাপটপ দিয়ে রোহিঙ্গাসহ মোট ৫৫ হাজার ৩১০ জনকে অবৈধভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

রোহিঙ্গাসহ ৫৫ হাজার ৩১০ জনকে অবৈধভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিবালয়ের পরিচালকসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর উপসহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিন বুধবার দুপুরে এই মামলা করেন।

মামলার চার আসামি হলেন চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও ইসি সচিবালয়ের বর্তমান পরিচালক খোরদেশ আলম, জেলা নির্বাচন অফিসের সাবেক উচ্চমান সহকারী মাহফুজুল ইসলাম, সাবেক অফিস সহায়ক রাসেল বড়ুয়া ও পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন অফিসের সাবেক টেকনিক্যাল এক্সপার্ট মোস্তফা ফারুক।

মামলার বাদী শরীফ উদ্দিন নিউজবাংলাকে জানান, ২০১২ সালে নির্বাচন কমিশনের সাতটি ল্যাপটপ হারিয়ে যায়। এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি মামলা হলেও তৎকালীন জেলা নির্বাচন অফিসারসহ আসামিরা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

বরং হারিয়ে যাওয়া একটি ল্যাপটপ দিয়ে রোহিঙ্গাসহ মোট ৫৫ হাজার ৩১০ জনকে অবৈধভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আসামিরা মূলত একে অপরের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দণ্ডবিধির ২০১, ৪০৯, ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।’

শেয়ার করুন

গণমাধ্যমে ৪৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ‘চূড়ান্ত’

গণমাধ্যমে ৪৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ‘চূড়ান্ত’

জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

‘প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া উভয় ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা কর্মস্থলে চাকরির অনিশ্চয়তায় ভোগেন। এটা স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য হুমকি। তাদের চাকরির এ অনিশ্চয়তা দূর করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমকর্মী (চাকরির শর্তাবলি) আইন প্রণয়ন করছে, যা বর্তমানে অনুমোদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সাংবাদিকদের আবাসনের জন্যও বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য ৪৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা নিশ্চিত করতে আইন চূড়ান্ত হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নওগাঁর সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিনের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার গণমাধ্যমকর্মীদের ৪৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন করেছে। এটি অনুমোদনের জন্য চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।’

‘প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া উভয় ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা কর্মস্থলে চাকরির অনিশ্চয়তায় ভোগেন। এটা স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য হুমকি। তাদের চাকরির এ অনিশ্চয়তা দূর করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমকর্মী (চাকরির শর্তাবলি) আইন প্রণয়ন করছে, যা বর্তমানে অনুমোদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সাংবাদিকদের আবাসনের জন্যও বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সাংবাদিকদের পরিবারকে সহায়তা দেয়ার জন্য ১০ কোটি টাকা আর্থিক অনুদান দেয়া হয়েছে। করোনায় প্রেস ক্লাবের আয় কমে যাওয়ায় মে মাসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য ৫০ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

‘সংবাদকর্মীদের কল্যাণে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকার ২০১৩ সালে অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণার মাধ্যমে সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের বেতন ও অন্যান্য সুয়োগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ১৮৮টি পত্রিকায় অষ্টম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়িত হয়েছে। এ ছাড়া নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণার মাধ্যমে সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।’

দেশের সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যে নানা সুবিধা দেয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন সময় গুরুতর আহত সাংবাদিকদের দেশ-বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকার বহন করে থাকে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকেও সাংবাদিকদের জন্য অর্থ প্রদানসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করা হয়।’

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ

ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের স্মরণে ১৫০ ফুট উঁচু গ্লাস টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের স্মরণে ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে। এরই মধ্যে ১৫০ ফুট উঁচু গ্লাস টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। যশোরের রাজগঞ্জ বাজারে ও ফরিদপুরের অম্বিকা ময়দানে বঙ্গবন্ধু স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হবে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বিশেষ স্থান সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতীয় সংসদে বুধবার লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও বিভিন্ন আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সেসব স্থান বিশেষভাবে সংরক্ষণে বর্তমান সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের স্মরণে ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে। এরই মধ্যে ১৫০ ফুট উঁচু গ্লাস টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। যশোরের রাজগঞ্জ বাজারে ও ফরিদপুরের অম্বিকা ময়দানে বঙ্গবন্ধু স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেক স্থানে বঙ্গবন্ধুর বিশেষ স্মৃতি রয়েছে। ওইসব স্থান ঘটনার তাৎপর্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় স্মৃতিস্বরূপ সংরক্ষণ করা হবে। তাহলে তরুণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শ সম্পর্কে অবহিত হতে পারবে।’

ঢাকার মিন্টু রোড ও আব্দুল গণি রোডের ভবনগুলোতে বঙ্গবন্ধুর অবস্থান ছিল, বিধায় সেগুলো সংরক্ষণের বিষয়ে আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেয়ার করুন

দিবাযত্ন কেন্দ্রে শিশু হারালে ১০ বছরের জেল

দিবাযত্ন কেন্দ্রে শিশু হারালে ১০ বছরের জেল

ছবি: সংগৃহীত

'শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র বিল-২০২১'-এ বলা হয়েছে, কেন্দ্র থেকে কোনো শিশু নিখোঁজ বা হারিয়ে গেলে তা হবে একটি অপরাধ। এই অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র থেকে কোনো শিশু হারালে কেন্দ্র-সংশ্লিষ্টদের ১০ বছরের জেল এবং ৫ লাখ টাকার জরিমানার বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র-২০২১’ বিল পাস হয়েছে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার সংসদের অধিবেশনে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করা হলে জনমত যাচাই ও সংশোধনী প্রস্তাব দেন বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য। তাদের প্রস্তাবের পক্ষে কয়েকজন আলোচনা করলেও জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব কণ্ঠভোটে বাতিল হয়।

কর্মজীবী ও পেশাজীবী মায়েদের শিশুর জন্য উপযুক্ত স্থানে নিরাপদ ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিচর্যার লক্ষ্যে শিশুর দিবাকালীন অবস্থানের লক্ষ্যেই পাস করা হয়েছে ‘শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র-২০২১ বিল’।

বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। এর আগে গত ৩ এপ্রিল বিলটি উত্থাপন করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে বিলটি অধিকতর যাচাই-বাছাই করার জন্য মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

বিলে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই আইন প্রবর্তনের পর সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবস্থাপনায় শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন করতে পারবে।

তবে সরকার সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত কোনো শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে নিবন্ধন গ্রহণের প্রয়োজন হবে না।

বিলে কর্তব্যে অবহেলার দণ্ড সম্পর্কে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির কর্তব্যে অবহেলার কারণে কেন্দ্রে অবস্থানকালে কোনো শিশুর স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ হলে বা স্বাস্থ্যহানি ঘটলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচ্য হবে। এই অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব (২) বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

শিশুর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের দণ্ড সম্পর্কে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি কেন্দ্রে শিশুর সঙ্গে নির্ধারিত নিষ্ঠুর আচরণ করলে হবে একটি অপরাধ এবং উক্ত অপরাধের জন্য ২ মাসের কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

দিবাযত্ন কেন্দ্র থেকে শিশু নিখোঁজ বা হারিয়ে যাওয়া নিয়ে বলা হয়েছে, কোনো শিশু নিখোঁজ বা হারিয়ে গেলে তা হবে একটি অপরাধ। এই অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

বিলে অভিভাবকের সঙ্গে মতবিনিময় সম্পর্কে বলা হয়েছে, কেন্দ্র পরিচালনাকারী ব্যক্তি প্রত্যেক তিন মাসে অন্তত একবার করে সেবাগ্রহণকারী অভিভাবকের সঙ্গে নির্ধারিত পদ্ধতিতে মতবিনিময় সভার আয়োজন করবেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যৌথ পরিবার প্রথা ব্যবস্থার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে এবং একক পরিবারের সংখ্যা দেশে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে দিন দিন কর্মজীবী ও পেশাজীবী মায়েদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিকে দিনের বেশির ভাগ সময় নিজ গৃহের বাইরে অবস্থান করতে হয়। সেসব শিশুর জন্য মানসম্মত উপযুক্ত স্থানে নিরাপদ ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিচর্যার লক্ষ্যে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সেই প্রেক্ষাপটে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র আইন-২০২১ বিলটি আনা হয়েছে।

শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের জরুরি পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের জরুরি পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশ, কানাডা, সৌদি আরব ও তুরস্ক স্থায়ী মিশন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘গ্লোবাল সেন্টার ফর দ্য রেসপনসিবিলিটি টু প্রটেক্ট’ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানান তিনি।

রোহিঙ্গা-সংকট সমাধানে জাতিসংঘের জরুরি পদক্ষেপ আহ্বান করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশ, কানাডা, সৌদি আরব ও তুরস্ক স্থায়ী মিশন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘গ্লোবাল সেন্টার ফর দ্য রেসপনসিবিলিটি টু প্রটেক্ট’ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আয়োজনে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, উদ্বোধনী বক্তা ছিলেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ভলকান বজকির।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা আলোচনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।

ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ’রোহিঙ্গা সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানে আমরা সব সময়ই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছি; সমস্যার মূল কারণগুলো খুঁজে বের করে তা সমাধানের কথা বলেছি; বিশেষ করে তাদের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে নিরাপদে, নিরাপত্তার সঙ্গে এবং মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ দেশে টেকসই প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছি।’

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য নব্যসৃষ্ট আবাসনসুবিধার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের জন্য সৃষ্ট নতুন এই আবাসনব্যবস্থা জাতিসংঘ ও উন্নয়ন সহযোগীরা যথাযথভাবে পরিদর্শন ও মূল্যায়ন করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং এখানে তাদের রোহিঙ্গাবিষয়ক কর্মসূচির বাস্তবায়নকাজ শুরু করেছে।’

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ভলকান বজকির বক্তব্যে তার সাম্প্রতিক কক্সবাজার সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

এ ছাড়া প্যানেলিস্টরা রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই সমাধানে তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের মানবীয় উদারতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

শেয়ার করুন

পানপুঞ্জি দখলের ঘটনার তদন্ত দাবি

পানপুঞ্জি দখলের ঘটনার তদন্ত দাবি

এক নাগরিক প্রতিনিধিদল গত ৭-৮ জুন ক্ষতিগ্রস্থ পুঞ্জিগুলো পরিদর্শন করে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। ছবি: নিউজবাংলা

‘ভূমি সমস্যা সমাধান করা যাবে না। এটার জন্য নতুন ভাবে ভূমি ও বন-নীতি করা লাগবে। সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন করতে হবে।’

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও কুলাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর পানপুঞ্জিগুলোতে বহিরাগতরা প্রবেশ এবং জবরদখলের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে মানবাধিকারকর্মী ও পরিবেশকর্মীরা।

ঢাকা থেকে মানবাধিকারকর্মী, পরিবেশকর্মী, শিক্ষক, আদিবাসী সংগঠক, গবেষক, সাংবাদিকদের এক নাগরিক প্রতিনিধিদল গত ৭-৮ জুন ক্ষতিগ্রস্থ পুঞ্জিগুলো পরিদর্শন করে।

এই পরিদর্শনে দেখা অভিজ্ঞতা নিয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সেখানে মূল বক্তব্যে প্রতিনিধি দলের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জোবাইদা নাসরীন বলেন, মৌলভীবাজার, সিলেট ও হবিগঞ্জের খাসি ও মান্দিরা ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী সদস্যরা ঐতিহ্যগতভাবে বনবিভাগ, চা-বাগান এবং কিছু খাসজমি এলাকায় বসবাস করেন।

মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক ‘পুঞ্জিবাসী নৃ গোষ্ঠীর জীবনজীবিকার সুরক্ষাই প্রথম অগ্রাধিকার’ বলে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার বরাত দিয়ে জোবাইদা নাসরীন বলেন, আমরা প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের আশ্বাস ও তৎপরতার ওপর শতভাগ আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে চাই। আমরা দেখতে চাই রাষ্ট্র রাজনৈতিকভাবে পানপুঞ্জির ভূমি সংকটের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং বলেন, ভূমি সমস্যা সমাধান করা যাবে না। এটার জন্য নতুন ভাবে ভূমি ও বন-নীতি করা লাগবে। সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন করতে হবে।

এ সময় নাগরিক উদ্যোগের নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, মৌলভীবাজারে ৬৫টি খাসি পুঞ্জি আছে। অনেক চা বাগানের শ্রমিক আছে। এদের নিয়ে যথেষ্ট তথ্য ও গবেষণা নেই। বিগত ৫০ বছরে তাদেরকে আমরা একটা ‘ভালনারেবল’ পরিস্থিতির মধ্যে রেখে দিয়েছি।

এই মাইনোরিটিদের নিয়ে একটা ভালো গবেষণা করারও দাবি করেন তিনি।

এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাপার কেন্দ্রীয় সদস্য আমিনুর রসুল।

এ সময় ৬ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হচ্ছে, পানপুঞ্জি জবরদখল, গাছ কাটা ও পানজুম ধ্বংসের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের আইন ও বিচারের আওতায় আনতে হবে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে সুনির্দিষ্ট ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।

পানপুঞ্জির নাগিরকদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বাসস্থানসহ মৌলিক নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। পানপুঞ্জির নাগরিকদের জীবন ও জীবিকার সামগ্রিক নিরাপত্তা বিধান করতে হবে।

পানপুঞ্জিগুলোর গাছকাটা, উচ্ছেদ ও জবরদখল এগুলো সবই ধারাবাহিক নিপীড়নের ফলাফল। এক্ষেত্রে এসব অঞ্চলে ভূমি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ভিন্নভাবে ভাবা জরুরি।

এবং চাবাগান সম্প্রসারণের নামে কোনো পানপুঞ্জির গাছ কাটা যাবে না এবং পুঞ্জির জায়গা ও পানজুম দখল করা যাবে না।

প্রতিনিধি দলের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক দীপায়ন খীসাসহ আরও অনেকে।

শেয়ার করুন