× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
ইসরায়েলের এ ধরনের আচরণ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন
hear-news
player
google_news print-icon

আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে ইসরায়েল: চরমোনাই পীর

আন্তর্জাতিক-আইন-লঙ্ঘন-করছে-ইসরায়েল-চরমোনাই-পীর
চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ছবি: সংগৃহীত
বিবৃতিতে চরমোনাই পীর বলেন, ‘নামাজরত মুসল্লিদের ওপর হামলা করে ইসরায়েল নিজেদের চরম অসভ্য, বর্বর ও কাপুরুষতার পরিচয় দিয়েছে। জারজ রাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলি বাহিনী বিনা উসকানিতে হামলা চালিয়ে পবিত্র আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করেছে।’

আল-আকসা মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর শুক্রবার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

গণমাধ্যমে রোববার পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ অবস্থান ব্যক্ত করেন।

বিবৃতিতে চরমোনাইয়ের পীর বলেন, আল-আকসা মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর ইহুদিবাদী ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার বিরুদ্ধে জাতিসংঘ, ওআইসিসহ বিশ্ব মুসলিম ও বিশ্ব সম্প্রদায়কে সোচ্চার হতে হবে।

তিনি বলেন, ‘নামাজরত মুসল্লিদের ওপর হামলা করে ইসরায়েল নিজেদের চরম অসভ্য, বর্বর ও কাপুরুষতার পরিচয় দিয়েছে। জারজ রাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলি বাহিনী বিনা উসকানিতে হামলা চালিয়ে আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করেছে।’

রেজাউল বিশ্ব ইসলামী নেতৃত্বকে অবিলম্বে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর পরিচালিত ‘ইসরায়েলি নৃশংসতা’ বন্ধে বিশ্বব্যাপী প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘মুসলমানদের প্রথম কেবলা আল-আকসায় মুসল্লিদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা মুসলমানের হৃদয়ে চরম রক্তক্ষরণ। পবিত্র রমজানের শেষ জুমায় আল-আকসা মসজিদ এবং পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি পুলিশের হামলায় ২০০ মুসল্লিকে আহত ও রক্তাক্ত করে চরম বর্বরতার পরিচয় দিয়েছে।

‘তথাকথিত শান্তি আলোচনার সুযোগে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে বারবার বিমান হামলা চালিয়ে নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ এ পর্যন্ত কয়েক হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে এবং হাজার হাজার বাড়িঘর, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল ধ্বংস করেছে। ইসরায়েলের এ ধরনের আচরণ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।’

চরমোনাই পীর বলেন, রমজান মাসে আল-আকসা মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলমানরা চরমভাবে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ। অবিলম্বে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর পরিচালিত ইসরায়েলি নৃশংসতা বন্ধে বিশ্ব মুসলমানকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, আল-আকসা মসজিদকে মুসলমানদের ইবাদতের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অবৈধ দখলদারিত্ব থেকে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানদের ওপর চলমান জুলুম-নির্যাতন বন্ধ করতে হবে।

ইসরায়েলের দখলকৃত জেরুজালেমের শেখ জারাহ এলাকায় ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিন ধরে উত্তপ্ত আল-আকসা মসজিদ ও আশপাশের এলাকা। সেখানে প্রতিদিনই ইসরায়েলি পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হচ্ছে ফিলিস্তিনের।

সংঘর্ষের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন মহল।

আরও পড়ুন:
সরকারের অবহেলায় টিকা সংকট: চরমোনাই পীর
গরিব মানুষের প্রতি সদয় হোন: চরমোনাই পীর
ভোট না দিয়ে নির্বাচিত ঘোষণা করুন: চরমোনাইয়ের পীর
সিলেটে চরমোনাই পীরের ওয়াজের অনুমতি বাতিল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
Dont scare A League by showing rally Farooq Khan

স‌মাবেশ দেখিয়ে আ.লীগ‌কে ভয় দেখা‌বেন না: ফারুক খান

স‌মাবেশ দেখিয়ে আ.লীগ‌কে ভয় দেখা‌বেন না: ফারুক খান টঙ্গী সরকারি ক‌লেজ মাঠে শুক্রবার বি‌কে‌লে টঙ্গী পূর্ব ও প‌শ্চিম থানা আওয়ামী লী‌গের স‌ম্মেল‌ন উদ্বোধন করেন কর্নেল (অব.) ফারুক খান। ছবি: নিউজবাংলা
ফারুক খান বলেন, ‘বিএনপি জামায়াত দেশব্যাপী যে গুজব রটানোর চেষ্টা করছে তা আপনাদের বন্ধ করতে হবে। সঠিক তথ্য জানাতে হবে। কোনভাবেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অগ্রগতি তা যেন বিএনপি জামায়াতের গুজব, মিথ্যাচারে থমকে না যায়।’

বিএন‌পি‌ নেতাদের উ‌দ্দেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেছেন, ‘স‌মাবেশ দেখিয়ে আওয়ামী লীগ‌কে ভয় দেখা‌বেন না। আওয়ামী লীগ জা‌নে কীভা‌বে স‌মাবেশের মাধ্যমে, নির্বাচনের মাধ্যমে জিততে হয়। দেশকে এগিয়ে নিতে হয়।’

শুক্রবার বি‌কে‌লে গাজীপু‌রের টঙ্গী সরকারি ক‌লেজ মাঠে টঙ্গী পূর্ব ও প‌শ্চিম থানা আওয়ামী লী‌গের ত্রি-বা‌র্ষিক স‌ম্মেল‌নে প্রধান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ফারুক খান বলেন, ‘ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি জামায়াত দেশব্যাপী যে গুজব রটানোর চেষ্টা করছে তা আপনাদের বন্ধ করতে হবে। সঠিক তথ্য জানাতে হবে। কোনভাবেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অগ্রগতি তা যেন বিএনপি জামায়াতের গুজব, মিথ্যাচারে থমকে না যায়।’

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে এখনই কমিটি গঠন করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ফারুক খান।

সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক মতিউর রহমান মতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামসুন্নাহার ভূঁইয়া, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লা খান, সাধারণ সম্পাদক আতাউল্লাহ মণ্ডল।

নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই দুই থানায় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানান আজমত উল্লাহ খান।

বিএনপি সূত্র জানায়, নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে ৮ অক্টোবর থেকে প্রতি শনিবার দেশজুড়ে বিভাগীয় সমাবেশ করছে বিএনপি। এ পর্যন্ত আটটি সমাবেশ হয়েছে। শনিবার নবম সমাবেশটি হচ্ছে রাজশাহীতে।

মন্তব্য

জাতীয়
BNP is afraid of Suhrawardy Udyan Obaidul Quader

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ছাত্রলীগের সমাবেশ ৮ থেকে ৬ ডিসেম্বর নিয়ে এসেছি। অনুরোধ করেছি পরিবহন চালু রাখার। তারপরও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে তাদের ভয় কেন? তারা মনে হৃদয়ে চেতনায় মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে না।’

বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘যেখানে পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে, যেখানে স্বাধীনতার অন্যতম ভাষণ দেয়া হয়েছে, সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে বিএনপির ভয় পায়। কারণ তারা হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে না।’

নিজ এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সন্ত্রাস, আগুন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক। সাম্প্রদায়িকতার বিশ্বস্ত ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি। তারা জানান দিচ্ছে আন্দোলনে সহিংসতার উপাদান যুক্ত হবে। এতে মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত।

‘আমরা ক্ষমতায় আছি, আমরা অশান্তি চাই না। ছাত্রলীগের সমাবেশ ৮ থেকে ৬ ডিসেম্বর নিয়ে এসেছি। অনুরোধ করেছি পরিবহন চালু রাখার। তারপরও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে তাদের ভয় কেন? তারা মনে হৃদয়ে চেতনায় মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে না।’

তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘অর্থপাচারে দণ্ডিত, মুচলেকা দিয়ে যে দেশ ছেড়েছে সে বলে, হাসিনা পালাবে, মন্ত্রীরা পালাবে, সে ২০০৮ সাল থেকে পলাতক। সে সম্মানের সঙ্গে শেখ হাসিনার নাম নেয় না। সে একটা বেয়াদব।

‘জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে। তাদের পুনর্বাসিত করেছে। আর তারেক রহমান হাওয়া ভবন থেকে চক্রান্ত করে বঙ্গবন্ধুকন্যার ওপর গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে।

‘তারেক রহমানের লোকেরা এখানে আমাদেরকে ভয় দেখান তারেক রহমান আসবে বীরের মতো। কাপুরুষের মতো যে পালিয়ে গেছে। সে বীরের মতো আসবে। এত বছরে যা ঘটল না। এখন ঘটবে সেটা বিশ্বাস হয় না।’

উপজেলার নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ক্ষমা মহত্তের লক্ষণ। আমি বড় হয়েছি। বড় গাছে বড় আঘাত আসে। সেটা সহ্য করার ক্ষমতা আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন। আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি। সংকটের সময় এমনও দিন গেছে আমি ঘর থেকে বের হইনি। লজ্জায় নেত্রীর সঙ্গে দেখা করিনি। কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও করিনি।

‘আমি শুধু একটা কথা বলবো, আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। যারা কোম্পানীগঞ্জে আতঙ্কে ছিলেন, যে ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে আমাকে বারবার ফোন করতেন, তাদের কাছে আমি ক্ষমা চাই। কোম্পানীগঞ্জবাসীর কাছে আমি ক্ষমা চাই। আমি বলবো, উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের ওইসব দিনের দুর্ভোগ ও যন্ত্রণার জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমরা তো রাজনীতি করি মানুষের জন্য।’

সম্মেলনে ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জাকে সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
সম্মেলনে বিশৃঙ্খলায় ছাত্রলীগ, ক্ষোভ কাদেরের
বিএনপির খবর আছে: কাদের
সড়কে আ.লীগের মঞ্চ, ক্ষোভ নগরবাসীর
সরকার পতনের হাঁকডাক দিয়ে লাভ নেই: ওবায়দুল কাদের
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন

মন্তব্য

জাতীয়
Mirza Fakhrul in Rajshahi to attend the rally

সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল

সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল শুক্রবার বিকেলে বিমানযোগে রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
শনিবার সকাল থেকেই সমাবেশ শুরু করতে চায় বিএনপি। তবে অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় মঞ্চসহ সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করতে শুক্রবার রাত হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিভাগীয় গণসমাবেশে অংশ নিতে রাজশাহীতে পৌঁছেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিকেলে বিমানযোগে তিনি রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান।

বিকেল ৫টায় বিমানবন্দরে পৌঁছালে স্থানীয় নেতারা তাকে শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি রাজশাহীর কাজিহাটা এলাকার একটি হোটেলে যান।

এদিকে শনিবার সকাল থেকেই সমাবেশ শুরু করতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা। তবে অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় মঞ্চসহ সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করতে সময় লাগছে। রাতের মধ্যেই মঞ্চসহ সমাবেশ আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

অন্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো রাজশাহীর মঞ্চেও ফাঁকা থাকবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের চেয়ার। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‌‘সকাল ৯টার দিকে মঞ্চে আসন গ্রহণ শুরু হবে। প্রতিবারের মতো এবারও মঞ্চে দুটি চেয়ার ফাঁকা রাখা হবে।’

সমাবেশের আগে পরিবহন ধর্মঘটের কারণে আশপাশের জেলা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী এরই মধ্যে রাজশাহীতে পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার থেকে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হওয়ায় বাসে আসার সুযোগ নেই। এ কারণে অসংখ্য নেতা-কর্মীরা বুধবারই রাজশাহীতে পৌঁছান।

আবার কিছু নেতা-কর্মী বৃহস্পতিবার এসেছেন ট্রাক ভাড়া করে। রাজশাহী অভিমুখী প্রতিটি ট্রেনেই আসছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। উত্তরাঞ্চলের সবগুলো জেলা থেকে ইতোমধ্যেই দলটির নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে পৌঁছেছেন।

শনিবার দুপুর পর্যন্ত লোকজন আসবে বলে জানিয়েছেন উপস্থিত নেতারা।

সমাবেশস্থলের পাশের ঈদগাহ মাঠ জুড়ে দেখা গেছে উৎসবের আমেজ। পুরো ঈদগাহ মাঠ জুড়ে তাঁবু টানানো হয়েছে। বাঁশ আর শামিয়ানায় ঢাকা পড়েছে মাঠ। জেনারেটরের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। বড় বড় তাঁবুর একেকটিতে একেক জেলার নেতা-কর্মীরা অবস্থান করছেন।

নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে ৮ অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে বিভাগীয় সমাবেশ করছে বিএনপি। এ পর্যন্ত আটটি সমাবেশ হয়েছে। শনিবার নবম সমাবেশটি হচ্ছে রাজশাহীতে।

আরও পড়ুন:
সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল
২০০ মোটরসাইকেল নিয়ে রাজশাহীতে বগুড়ার নেতা-কর্মীরা
এবারও মঞ্চে থাকবে খালেদা-তারেকের চেয়ার
রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ মঞ্চ প্রস্তুত হয়নি এখনও
বাসের পর রাজশাহীতে অটোরিকশাও বন্ধ, ভোগান্তি চরমে

মন্তব্য

জাতীয়
The age limit of BCL remains thirty nine

ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে

ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে ছবি: সংগৃহীত
চার বছর পর ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন। এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনায় এসেছে ছাত্রলীগের বয়সসীমার বিষয়টি।

ছাত্রলীগের নেতৃত্বের বয়সসীমা ঊনত্রিশই থাকছে। সংগঠনটির অভিভাবক দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের বিশ্বস্ত সূত্র নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রতিদিনের মতো অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেন দলটির নেতারা। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ওবায়দুল কাদের অন্য নেতাদের জানিয়ে দেন, দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে। ছাত্রলীগের নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের বয়সসীমা এবারও ঊনত্রিশই থাকছে। কোনোভাবেই তা বাড়ানো হবে না।

সূত্রমতে, বৈঠকে ছাত্রলীগের দেখভালের দায়িত্বে থাকা চার নেতার মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম উপস্থিত ছিলেন। তারা বয়সসীমার বিষয়ে কিছুটা আপত্তির সুর তুললে ওবায়দুল কাদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন- দলের সভাপতি কোনোভাবেই ছাত্রলীগকে আদু ভাইদের দল বানাতে চান না।

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট নেতারা দলের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে এ নিয়ে পরে বৈঠক করতে চান।

প্রসঙ্গত, চার বছর পর আগামী ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন।

সম্মেলনকে ঘিরে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন সংগঠনটির শীর্ষ পদপ্রত্যাশীরা। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই লবিং-তদবিরের ব্যস্ততা বাড়ছে এসব নেতার। শীর্ষ পদে কারা আসছেন এ নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। আর বয়সসীমার বিষয়টি পরিষ্কার না থাকায় প্রার্থীদের অনেকের মধ্যেই এ নিয়ে ধোঁয়াশা বিরাজ করছে। তারা এখন আশা-নিরাশার দোলাচলে। কেননা আলোচিত প্রার্থীদের বেশিরভাগই ঊনত্রিশোর্ধ্ব।

সংগঠনটির গঠনতন্ত্রের ৫-এর ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২৭ থাকলেও ২৮ বছর ৩৬৫ দিনের মধ্যে নেতৃত্ব বাছাই করা হয়। মূলত, যথাসময়ে সম্মেলন না হওয়ার কারণেই ছাত্রলীগের নেতৃত্ব প্রত্যাশীরা এই ছাড় পেয়ে থাকেন।

ছাত্রলীগের সর্বশেষ সম্মেলন ২০১৮ সালের ১১ ও ১২ মে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সম্মেলনে অনূর্ধ্ব ২৯ বছর বয়সী রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর দুজনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তখন ওই কমিটির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়কে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি তাদের পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাসক দল আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ পদ পেতে আগ্রহীরা হলেন সহ-সভাপতি শেখ সাগর আহমেদ, সোহান খান, ইয়াজ আল রিয়াদ, সৈয়দ আরিফ হোসেন, মাজহারুল ইসলাম শামীম, কামাল খান, রাকীব হোসেন, মাহমুদুল হাসান তুষার, ফরিদা পারভীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের মধ্য থেকে প্রদীপ চৌধুরী, আরিফুজ্জামান আল ইমরান, তাহসান রাসেল, বেনজীর নিশি, সাংগঠনিক সম্পাদক ফোরদৌস আলম, বরিকুল ইসলাম বাঁধন, সোহানুর রহমান সোহান, সাদ বিন কাদের, নাজিমুদ্দিন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হায়দার মোহাম্মদ জিতু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন সাদ্দাম, ত্রাণ ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক এমরান জমাদ্দার, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ লিমন, স্কুলছাত্র বিষয়ক সম্পাদক প্রতুল চন্দ্র রায়, ক্রীড়া সম্পাদক আলামিন সিদ্দিক সুজন, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু হাসনাত হিমেল, মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহীন, আইন সম্পাদক ফুয়াদ হাসান শাহাদৎ, গণশিক্ষা সম্পাদক আব্দুল্লাহ হিল বারী, গণযোগাযোগ সম্পাদক শেখ শামীম তুর্য, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক রনি মোহাম্মদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস, পরিবেশ সম্পাদক শামীম পারভেজ, ধর্ম সম্পাদক তুহিন রেজা, উপ-দপ্তর সম্পাদক সজীব নাথ, উপ-তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক আহসান পিয়াল, এস এম হলের সাবেক সভাপতি কামাল হোসেন ওরফে ভিপি কামাল উল্লেখযোগ্য।

ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে সোহান খান, প্রদীপ চৌধুরী, ইয়াজ আল রিয়াদ, সৈয়দ আরিফ হোসেন ও কামাল খান ত্রিশোর্ধ্ব। আর সাদ বিন কাদের মেহেদী হাসান তাপস আবু হাসনাত হিমেল শামীম পারভেজ, নাজিমুদ্দিন, নাহিদ হাসান শাহীন, তুহিন রেজা, আব্দুল্লাহ হিল বারী, বরিকুল ইসলাম বাঁধন, রনি মোহাম্মদ, ফুয়াদ হাসান শাহাদৎ এর বয়স ৩০ এর মধ্যে।

এ ছাড়া ফরিদা পারভীন, এমরান জমাদ্দার, প্রশিক্ষণ বিষয়ক উপ সম্পাদক মেশকাত হোসেন, কামাল হোসেন ওরফে ভিপি কামাল, জিয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান শান্ত, মুহসিন হল ছাত্রলীগের সভাপতি শহিদুল হক শিশিরের বয়স ২৯ এর মধ্যে।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের বহরে বিস্ফোরণ: যুবদল নেতাসহ ১২ জনের নামে মামলা
ছাত্রলীগ নেতাকে বাড়ি থেকে বের করে পিটুনি
ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল বহরে ককটেল হামলা
এমপির ছেলের সভায় ককটেল বিস্ফোরণ
ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ৩ ডিসেম্বর, দুই মহানগরের ২ ডিসেম্বর

মন্তব্য

জাতীয়
Unique thoughts on Khaleda Zias public meeting Information Minister

খালেদা জিয়ার জনসভায় যাওয়া অলীক চিন্তা: তথ্যমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার জনসভায় যাওয়া অলীক চিন্তা: তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘খালেদা জিয়া নিজের জন্মের তারিখ বদলে দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে যেদিন হত্যা করা হয় সেদিন তিনি জন্মদিনের কেক কাটেন। এরপরও প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বদান্যতায় তিনি কারাগারের বাইরে আছেন। এখন যদি এরকম চিন্তা ওরা করে থাকে তাহলে সরকার তাকে কারাগারে পাঠাতে বাধ্য হবে।’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি, তিনি আদালত কর্তৃক কোনো জামিন পাননি। বঙ্গবন্ধু কন্যার বদান্যতায় তিনি কারাগারের বাইরে আছেন। তাই ১০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া বিএনপির জনসভায় যাওয়া না যাওয়ার আলোচনা অবাস্তব ও অলীক চিন্তা।

শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ সরকারি হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজের রিইউনিয়ন ফেস্টে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘খালেদা জিয়া নিজের জন্মের তারিখ বদলে দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে যেদিন হত্যা করা হয় সেদিন তিনি জন্মদিনের কেক কাটেন। এরপরও প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বদান্যতায় তিনি কারাগারের বাইরে আছেন। এখন যদি এরকম চিন্তা ওরা করে থাকে তাহলে সরকার তাকে কারাগারে পাঠাতে বাধ্য হবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বাদ দিয়ে নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কেন তাদের পছন্দ নয় এটি একটা বিরাট প্রশ্ন? এর দুটি কারণ থাকতে পারে। প্রথমত নয়া পল্টনের সামনে বড়জোড় পঞ্চাশ হাজার মানুষ ধরে। অর্থাৎ তাদের জনসভায় যে পঞ্চাশ হাজারের বেশি মানুষ হবে না এটি তারা নিশ্চিত হয়েছেন। এ জন্য তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যেতে চাচ্ছেন না।’

‘আর দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, কার্যত স্বাধীনতারই ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেখানেই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। বিএনপি তো পাকিস্তানের দোসর, তাদের মহাসচিব বলেছেন পাকিস্তানই ভালো ছিল। সুতরাং যে ময়দানে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণ করেছিল সেই ময়দান তাদের পছন্দ নয়। এই দুটি কারণে তারা সেখানে যেতে চান না।

‘কিন্তু বড় জনসভার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানই হচ্ছে উত্তম এবং তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানই চেয়েছিল। তাদের চাওয়া অনুযায়ী সোহরাওয়ার্দী উদ্যান তাদেরকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির উদ্দেশ্য তারা বিশৃঙ্খলা করতে চায়। বিশৃঙ্খলা করতে চাওয়ার কারণেই তারা নয়াপল্টনের সামনে সমাবেশ করতে চায়। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার সুযোগ তাদের দেয়া হবে না। জনগণই তাদের প্রতিহত করবে।’

চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার প্রস্তুতি সম্পর্কে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আগামী ৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার জনসভা উপলক্ষে পুরো চট্টগ্রামে সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এটা স্মরণকালের বৃহত্তম এবং লাখ লাখ মানুষের সমাবেশ হবে ইনশাআল্লাহ। কারণ ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেভাবে উৎসাহ উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, এতে আমরা নিশ্চিত যে এটি স্মরণকালের একটি বৃহত্তম জনসভা হবে।’

চট্টগ্রাম সরকারি মহসিন কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন একুশে পদকপ্রাপ্ত দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক। অনুষ্ঠানে অ্যালামনাই সদস্যরাও স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Khaleda Tareks seats will be on the stage this time too

এবারও মঞ্চে থাকবে খালেদা-তারেকের চেয়ার

এবারও মঞ্চে থাকবে খালেদা-তারেকের চেয়ার রাজশাহীতে মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির সমাবেশ মঞ্চ প্রস্তুতের কাজ চলছে। ছবি: নিউজবাংলা
দুলু জানান, সকাল ৯টার দিকে মঞ্চে আসন গ্রহণ শুরু হবে। প্রতিবারের মতো এবারও সমাবেশ মঞ্চে দুটি চেয়ার ফাঁকা রাখা হবে।

বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশে যোগ দিতে আশপাশের জেলা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এরই মধ্যে রাজশাহীত পৌঁছেছেন। নগরীর মাদ্রাসা মাঠে চলছে মঞ্চ তৈরি।

আয়োজকরা বলছেন, অন্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো রাজশাহীর মঞ্চেও ফাঁকা থাকবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের চেয়ার। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালাকদার দুলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে ৮ অক্টোবর থেকে প্রতি শনিবার দেশজুড়ে বিভাগীয় সমাবেশ করছে বিএনপি। এ পর্যন্ত আটটি সমাবেশ হয়েছে। শনিবার নবম সমাবেশটি হচ্ছে রাজশাহীতে।

দুলু জানান, সকাল ৯টার দিকে মঞ্চে আসন গ্রহণ শুরু হবে। প্রতিবারের মতো এবারও সমাবেশ মঞ্চে দুটি চেয়ার ফাঁকা রাখা হবে।

কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির রেখে বিএনপির সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের পাশাপাশি গীতা ও ত্রিপিটকের বাণীও পাঠ করা হয়। ছিল বাইবেল পাঠের পরিকল্পনাও, তবে নির্ধারিত ব্যক্তির স্বজনের অসুস্থতার কারণে শেষ পর্যন্ত সেটি হয়নি।

রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশেও তেমনটি হবে কি না এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি বিএনপি। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আপনি এটা বলে খুব ভালো করেছেন। কুমিল্লার বিষয়টি আমি জানতাম না। এটা চমৎকার উদ্যোগ। আমি অবশ্যই হাইকমান্ডের কাছে এই প্রস্তাব রাখব, এ নিয়ে আলোচনা করব।’

শুক্রবার দুপুরে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত কী হলো জানতে চাইলে দুলু জানান, এখনও কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি।

দুপুরে মাদ্রাসা মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন মঞ্চ প্রস্তুতকারী কর্মীরা। মাদ্রাসা মাঠের মূল মঞ্চের সঙ্গে কাঠ জোড়া দিয়ে কিছুটা বড় করা হয়েছে। সেখানে এখন তৈরি করা হচ্ছে বাঁশের ফ্রেম। পাশেই আরও একটি মঞ্চ তৈরি শেষ। সেখানে টানানো হচ্ছে শামিয়ানা।

মাঠজুড়ে রয়েছে পুলিশের কড়া নিরাপত্তা। মঞ্চ বানানো শ্রমিক ছাড়া সেখানে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। গণমাধ্যমকর্মীরা পরিচয় নিশ্চিত করার পর মাঠে ঢুকতে পারছেন। তবে পরিদর্শনের জন্য বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা কিছু সময়ের জন্য প্রবেশ করতে পারছেন।

আরও পড়ুন:
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন
জামিন পেলেন বিএনপি নেতা সাবেক এমপি নাদিম
‘ধর্মঘটে মিডিয়ায় বাড়তি প্রচার পাচ্ছে বিএনপি’
কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশে ৪ ধর্মগ্রন্থ, রাজশাহীতে কী?
সমাবেশ কোথায় হবে তা সময়ই বলে দেবে: আব্বাস

মন্তব্য

জাতীয়
BNPs rally stage in Rajshahi is not ready yet

রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ মঞ্চ প্রস্তুত হয়নি এখনও

রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ মঞ্চ প্রস্তুত হয়নি এখনও রাজশাহীতে মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির সমাবেশ মঞ্চ প্রস্তুতের কাজ চলছে। ছবি: নিউজবাংলা
মাদ্রাসা মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন মঞ্চ প্রস্তুতকারী কর্মীরা। মাদ্রাসা মাঠের মূল মঞ্চের সঙ্গে কাঠ জোড়া দিয়ে কিছুটা বড় করা হয়েছে। সেখানে এখন তৈরি করা হচ্ছে বাঁশের ফ্রেম।

রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ শনিবার। এদিন সকাল থেকেই সমাবেশ শুরু করতে চান বিএনপি নেতারা। তবে এখনও সমাবেশের মঞ্চ প্রস্তুত কাজ পুরোপুরি শেষ করতে পারেননি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের দাবি, এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বিএনপি নেতারা বলছেন, অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় মঞ্চ প্রস্তুত হতে সময় লাগছে। তবে রাতের মধ্যেই মঞ্চ পুরোপুরি প্রস্তুত হবে বলে আশা তাদের।

শুক্রবার দুপুরে মাদ্রাসা মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন মঞ্চ প্রস্তুতকারী কর্মীরা। মাদ্রাসা মাঠের মূল মঞ্চের সঙ্গে কাঠ জোড়া দিয়ে কিছুটা বড় করা হয়েছে। সেখানে এখন তৈরি করা হচ্ছে বাঁশের ফ্রেম। পাশেই আরও একটি মঞ্চ তৈরি শেষ। সেখানে টানানো হচ্ছে শামিয়ানা।

মাঠজুড়ে রয়েছে পুলিশের কড়া নিরাপত্তা। মঞ্চ বানানো শ্রমিক ছাড়া সেখানে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। গণমাধ্যমকর্মীরা পরিচয় নিশ্চিত করার পর মাঠে ঢুকতে পারছেন। তবে পরিদর্শনের জন্য বিএনপির সিনিয়র নেতারা কিছু সময়ের জন্য প্রবেশ করতে পারছেন।

শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে মঞ্চ তৈরির অবস্থা দেখতে মাঠে যান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু ও
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। এ সময় দুলু বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওই সময় পুলিশ আমাদের কাজ করতে দেয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে কাজ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ৮০ ভাগ কাজ শেষ করা সম্ভব হয়েছে। আজ সন্ধ্যার আগেই মঞ্চ প্রস্তুত হবে।’

সমাবেশ কখন শুরু হবে জানতে চাইলে দুলু বলেন, ‘আমরা সকাল ৯টা থেকে সমাবেশ শুরু করতে চাই। পুলিশ আমাদের যে সময় সমাবেশ শুরু করতে বলেছে, সেটি করলে আমাদের সমাবেশই হবে না। বিভাগীয় সমাবেশ কি দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত করা সম্ভব?’

মন্তব্য

p
উপরে