ফেরি বন্ধ, বিকল্প রুট বঙ্গবন্ধু সেতু

ফেরি বন্ধ, বিকল্প রুট বঙ্গবন্ধু সেতু

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটে দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। ছবি: নিউজবাংলা

দূরপাল্লার গণপরিবহন না চলায় প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে এ সেতু হয়ে মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল ও ট্রাকে গাদাগাদি করে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছেন মানুষজন।

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটে দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় বিকল্প পথে ঢাকা ছাড়ছেন মানুষ। এতে বঙ্গবন্ধু সেতুতে বেড়েছে যানবাহনের চাপ।

শুক্রবার রাতে এই নৌরুটগুলোতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। এতে শনিবার সকাল থেকেই বঙ্গবন্ধু সেতুতে অতিরিক্ত গাড়ির চাপ দেখা দেয়।

দূরপাল্লার গণপরিবহন না চলায় প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে এ সেতু হয়ে মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল ও ট্রাকে গাদাগাদি করে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছে মানুষজন।

এমন অবস্থায় কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। ফলে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।

গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, রাতে পণ্যবাহী ট্রাকের চাপ বেশি হয়। ঈদের আগে এ সংখ্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।

ফেরি বন্ধ, বিকল্প রুট বঙ্গবন্ধু সেতু
ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিলে যানবাহনের চাপ বাড়ে বঙ্গবন্ধু সেতুতে। ছবি: নিউজবাংলা

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পার কড্ডার মোড় এলাকায় ঢাকা থেকে কুষ্টিয়াগামী ট্রাকচালক জিয়াউর হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দৌলতদিয়া নৌ-রুটে অনেক যানজট। ঠিকমতো ফেরি চলতেছে না। রাতে অনেক ভিড়। তাই বাধ্য হয়ে এই পথে যাচ্ছি। তাই আমার অনেক ঘুরে যেতে হচ্ছে।’

যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস চালক আরিফ হোসেন বলেন, ‘আমি যশোরে যাব। কিন্তু দৌলতদিয়া-পাটুরিয়াতে পার হতে দিচ্ছে না। তাই এই রোড দিয়ে যাচ্ছি। আর বাস বন্ধ থাকায় আমাদের এই মাইক্রোবাসে এখন যাত্রীর চাপ অনেক বেশি।’

বঙ্গবন্ধু সেতুর উপসহকারী প্রকৌশলী শাহিন রেজা নিউজবাংলাকে জানান, গত দুই দিন ধরে সেতুর ওপর যান চলাচল অনেকটাই বেড়ে গেছে। ঈদের আগে আরও বাড়বে। তবে দৌলতদিয়া নৌ-রুট স্বাভাবিক করে দিলে এই যান চলাচলের চাপ অনেটাই কমে যাবে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসাদ্দেক হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কিছুটা বেড়েছে। যাত্রীবাহী কোনো যানবাহন চলতে দেয়া হচ্ছে না। তবে মানুষ বিভিন্ন প্রাইভেট কার এ মাইক্রোবাসে করে যাতায়াত করছে।

তিনি আরও জানান, পণ্যবাহী ট্রাক ঢাকায় পণ্য খালাসের পর তাতে গাদাগাদি করে লোক নিয়ে ফিরছে। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে মহাসড়কে চাপ ধীরে ধীরে ততই বাড়ছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নিজ প্রতিষ্ঠানে মারধরের শিকার সাঈদীর মামলার সাক্ষী

নিজ প্রতিষ্ঠানে মারধরের শিকার সাঈদীর মামলার সাক্ষী

পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাঈদীর মামলার স্বাক্ষী জলিল শেখ। ছবি: নিউজবাংলা

ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ‘সাক্ষী জলিল শেখের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে এক ব্যক্তির সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত জাহিদুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।’

পিরোজপুরে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মারধরের শিকার হয়েছেন মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী জলিল শেখ।

জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট বন্দর বাজারে শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় পুলিশ হামলাকারী জাহিদুল ইসলামকে আটক করেছে। আর আহত জলিল শেখকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জলিল শেখকে মারধর করেন জাহিদুল।

এ ঘটনায় আহত ৭২ বছরের জলিল শেখের বাড়ি পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিথলিয়া গ্রামে। আটক জাহিদুলের বাড়ি খুলনার রামনগর এলাকায়।

পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জলিল শেখ জানান, পাড়েরহাট বন্দর বাজারে তার ইলেক্টনিক্স যন্ত্রাংশ মেরামতের দোকার রয়েছে। কয়েক দিন আগে স্থানীয় একজন তার কাছে একটি আইপিএস মেরামতের জন্য দেন।

শুক্রবার সেই ব্যক্তির পরিবর্তে জাহিদুল আইপিএসটি নিতে যান। অপরিচিত হওয়ায় তিনি আইপিএস দিতে না চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে জাহিদুল তার উপর হামলা চালায়।

পিরোজপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক তন্ময় মজুমদার জানান, জলিল শেখের পিঠের দিকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ‘সাক্ষী জলিল শেখের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে এক ব্যক্তির সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত জাহিদুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।’

পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, যুদ্ধাপরাধী মামলার সাক্ষী জলিল শেখের নিরাপত্তার জন্য থাকা পুলিশই তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

শেয়ার করুন

ডেঙ্গু: হাসপাতালে ভর্তি আরও ১৮৯

ডেঙ্গু: হাসপাতালে ভর্তি আরও ১৮৯

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ১২২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৮৯ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৩১৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৮৬ জন।

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু শনাক্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫৫ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৪ জন।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ৩১৯ জন। এর মধ্যে শুরুর ছয় মাস ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ২৭০ জন।

এ বছরের জুলাইয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে। ওই মাসে রোগী শনাক্ত হয়েছিল ২ হাজার ২৮৬ জন। মারা যান ১২ জন।

আগস্টে ডেঙ্গু রোগী ছিল ৭ হাজার ৬৯৮ জন। মারা যান ৩৪ জন।

সেপ্টেম্বরে রোগীর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৮৪১ জন। ওই মাসে মশাবাহিত রোগটিতে প্রাণ হারান ২৩ জন।

চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ১২২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৭ জন।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২২ হাজার ৩১৯ জনের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২১ হাজার ৩৯৬ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৮৩৮ জন।

এদের মধ্যে ঢাকার ৪৬টি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৬৬৯ ডেঙ্গু রোগী। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে চলতি বছর ৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শেয়ার করুন

কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের পৃথক সেল

কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের পৃথক সেল

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এখন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি ও তাদের উৎসাহিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারা দেশে কৃষি উদ্যোক্তারা কে কী ফসল চাষ করবে, কোন ধরনের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত করবে, তাদের কী সহযোগিতা দরকার- এসব বিষয়ে দেখভাল, সহযোগিতা এবং যোগাযোগ রক্ষা করবে এই সেল।’

কৃষি উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতে একটি পৃথক সেল গঠন করছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে শনিবার কৃষি উদ্যোক্তা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, ‘দেশে এখন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি ও তাদের উৎসাহিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারা দেশে কৃষি উদ্যোক্তারা কে কী ফসল চাষ করবে, কোন ধরনের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত করবে, তাদের কী সহযোগিতা দরকার- এসব বিষয়ে দেখভাল, সহযোগিতা এবং যোগাযোগ রক্ষা করবে এই সেল।’

কৃষিমন্ত্রী জানান, এ বছরের মধ্যে সারা দেশে ২৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি কৃষি ঋণ বিতরণের খোঁজ খবর রাখতে মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘কৃষকেরা সঠিকভাবে ঋণ পাচ্ছে কিনা, ঋণ পেতে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে কিনা, কোন জেলায় কী পরিমাণ ঋণ বিতরণ হচ্ছে-এসব বিষয়ে খোঁজখবর রাখতে ইতোমধ্যে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নিয়েও কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এবারের দুর্গাপূজায় যে সহিংসতা হয়েছে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর যে আক্রমণ হয়েছে তা জাতির জন্য লজ্জাজনক। এটি আমাদের গায়ে কালিমা লেপন করেছে। এ ধরনের ঘটনা কোনোক্রমেই কাম্য নয়।

‘ধর্মের নামে অপপ্রচার চালিয়ে যারা রংপুরের জেলেপল্লিতে মানুষের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে, আগুনে পুড়িয়েছে তারা অমানুষ, পশুতুল্য এবং বর্বর। এ ধর্মান্ধ বর্বরদের শিকড় সমূলে উৎপাটন করতে হবে।’

শেয়ার করুন

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন করছেন ঢাকায় কানাডার হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন (বামে) ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

অনুষ্ঠানে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ আজ শুরু হলো। আমার বিশ্বাস, কাজ শেষ হলে ক্যাম্পাসটি ঢাকা শহর ও দেশের শিক্ষা খাতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হবে।’

রাজধানীর পূর্বাচলে নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসের নির্মাণকাজ শুরু করল দেশের প্রথম সারির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)।

পূর্বাচলের ৯ নম্বর সেক্টরে শনিবার বেলা ৩টায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন করেন ঢাকায় কানাডার হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন বলেন, ‘আমি যখন প্রথম চৌধুরী নাফিজ সরাফাতের সঙ্গে দেখা করি তখন তিনি আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নিয়ে পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। কখনোই ভাবিনি, আমিই সেটির ভিত্তি উদ্বোধনে থাকব। ঢাকায় আমার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। আর এ জন্য সাড়ে চার বছর আগে তার সঙ্গে প্রথম দেখা করার পর আজ এখানে এই অনুষ্ঠানে এসে খুব ভালো অনুভব করছি।

‘নাফিজ সরাফাত আমাকে তার কিছু স্বপ্নের কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এই ক্যাম্পাস ঢাকায় সবসময় কানাডার একটি ছোট অংশ হবে। আমি এখানে এসেও তাই দেখছি। চার পাশে সবুজ মাঠ। যখন এই ক্যাম্পাস তৈরি হয়ে যাবে তখন এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থী থাকবে। পড়াশোনার পাশাপাশি তারা আরও অনেক কিছু করবে। সেসব অভিজ্ঞতা তারা এখানে অর্জন করবে, যা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়েই পাওয়া যায়।’

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকায় কানাডার হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইন। ছবি: নিউজবাংলা

তিনি বলেন, ‘আমি এখন থেকে ১৫ বছর পরের কথা ভাবছি, যখন নতুন নতুন কোম্পানি আসবে আর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেগুলো পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে তারা মেধা ও প্রযুক্তি দিয়ে এই শহর ও দেশকে উন্নত করবে।’

কানাডিয়ান হাইকমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশ ও কানাডার সম্পর্ক খুব ভালো। আমি স্বপ্ন দেখি যে এই ভালো সম্পর্ক আরও বহু দূর যাবে। আমি বিশ্বাস করি, কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে কাজ করবে। কানাডার শিক্ষার্থীরা এখানে আসবে। তারা এশিয়া সম্পর্কে জানবে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও অধ্যাপকরা কানাডা যাবেন।’

অনুষ্ঠানে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের জন্য এক বিশেষ মাইলফলক। কারণ আমরা কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন করেছি। এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা শিক্ষার্থীদের তাদের নিজস্ব দিগন্তের বাইরে অন্বেষণ করতে, সহনশীল হতে ও সংস্কৃতি, জাতি, ধর্ম বা প্রেক্ষাপটের বিভেদকে অতিক্রম করে পারস্পরিক বন্ধন আবিষ্কারে অনুপ্রাণিত করে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের ফ্যাকাল্টি, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইসহ সিইউবি সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। শুরুর দিন থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে সাহায্য ও দিকনির্দেশনা দেয়ায় আমি আন্তরিকভাবে বেনোয়া প্রিফন্টেইন ও কানাডিয়ান হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানাই।

‘আমাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ আজ শুরু হলো। আমার বিশ্বাস, কাজ শেষ হলে ক্যাম্পাসটি ঢাকা শহর ও দেশের শিক্ষা খাতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হবে।’

পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন
স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত স্থাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

স্থায়ী ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করে ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় ভবন, দৃষ্টিনন্দন লেক এবং বিশাল খেলার মাঠ থাকছে আমাদের ক্যাম্পাসে। তার চেয়েও বড় কথা, এটি হতে যাচ্ছে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব একটি ক্যাম্পাস।

‘সর্বাধুনিক ল্যাব, স্টুডিও, লাইব্রেরি, থিয়েটার, স্টাডি জোনের সঙ্গে থাকছে শিক্ষার্থী লাউঞ্জ, অবসর কাটানোর জায়গা, জিম, ফুড লাউঞ্জসহ বিভিন্ন সুবিধা। শিক্ষার্থীদের মনে রাখার মতো একটি অভিজ্ঞতা দিতেই ক্যাম্পাসটি গড়ে তোলা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময় পর্বতশীর্ষের চাকচিক্য দেখে মুগ্ধ হই। কিন্তু আমার কাছে পর্বতের ভিত্তিপ্রস্তরটির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এ কারণেই আজকের দিনটি এতটা তাৎপর্যপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সিনিয়র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এইচ এম জহিরুল হকসহ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ইউজিসি সদস্য, কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট এবং অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পূর্বাচলে ১২ বিঘা জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সুবিশাল ক্যাম্পাস। সেখানে নির্মাণ করা হবে অ্যাকাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, ল্যাব বিল্ডিং, বিনোদন, অডিটোরিয়াম, লাইব্রেরি ও প্রার্থনাকক্ষ।

বিশ্বমানের স্থাপত্য নকশায় গড়ে তোলা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির নান্দনিক স্থায়ী ক্যাম্পাস।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশে রয়েছে আধুনিক সময়ের উপযোগী বিভিন্ন বিভাগ। শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে রয়েছে বৃত্তির সুযোগ।

ইনফরমেশন সিস্টেমস অডিট অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা আছে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের।

এ ছাড়া কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংগতি রেখে সাজানো হয়েছে পাঠ্যক্রম।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা সর্বোত্তম মানের শিক্ষা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে প্রায়োগিক জ্ঞানের ওপর জোর দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

শেয়ার করুন

ছয় বছরে রেনাটার সর্বোচ্চ লভ্যাংশ

ছয় বছরে রেনাটার সর্বোচ্চ লভ্যাংশ

শেয়ারধারীরা শেয়ার প্রতি পাবেন ১৪ টাকা ৫০ পয়সা। আর প্রতি ১০টি শেয়ারের বিপরীতে দেয়া হবে একটি করে শেয়ার। সব মিলিয়ে ১৫৫ শতাংশ লভ্যাংশ ২০১৬ সালের পর সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বোচ্চ লভ্যাংশ ছিল ১৪৫ শতাংশ।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি রেনাটা আগের বছরের চেয়ে বেশি আয় করে গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

গত ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য বিনিয়োগকারীদেরকে ১৪৫ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।

অর্থাৎ শেয়ারধারীরা শেয়ার প্রতি পাবেন ১৪ টাকা ৫০ পয়সা। আর প্রতি ১০টি শেয়ারের বিপরীতে দেয়া হবে একটি করে শেয়ার। সব মিলিয়ে ১৫৫ শতাংশ লভ্যাংশ ২০১৬ সালের পর সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বোচ্চ লভ্যাংশ ছিল ১৪৫ শতাংশ।

শনিবার গত অর্থবছরের আর্থিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয় রেনাটার পরিচালনা পর্ষদ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২০ সালের জুলাই থেকে গত জুন পর্যন্ত শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫১ টাকা ৯৪ পয়সা। আগের বছর বোনাস শেয়ার সমন্বয়ের পর আয় ছিল ৪১ টাকা ১৭ পয়সা।

২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত ১৮ মাসের লভ্যাংশ একবারে দেয়ার পর রেনাটার এই আয় সর্বোচ্চ।

ছয় বছরে রেনাটার সর্বোচ্চ লভ্যাংশ

২০১৭ সালে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৪৩ টাকা ৯৮ পয়সা, ২০১৮ সালে তা আরেকটু বেড়ে হয় ৪৪ টাকা ৩৫ পয়সা। ২০১৯ সালে তা আরও বেড়ে হয় ৪৬ টাকা ৬৩ পয়সা। গত বছর তা ছিল ৪৫ টাকা ২৯ পয়সা। পরে ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার সমন্বয়ের কারণে আয় কিছুটা কমে।

২০১৬ সালে রেনাটা মোট ১০০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে, এর মধ্যে ৮৫ শতাংশ নগদ, আর ১৫ শতাংশ বোনাস। পরের বছর বোনাস লভ্যাংশ ঠিক রেখে বাড়ানো হয় নগদ লভ্যাংশ। ওই বছর নগদ দেয়া হয় ১৩০ শতাংশ। সব মিলিয়ে লভ্যাংশ আসে ১৪৫ শতাংশ।

২০১৮ সালে ১৫ শতাংশ বোনাসের সঙ্গে নগদ লভ্যাংশ আসে ৯৫ শতাংশ (শেয়ারে সাড়ে ৯ টাকা), সব মিলিয়ে ১১০ শতাংশ। ২০১৯ সালে ১০০ শতাংশ নগদের সঙ্গে (শেয়ারে ১০ টাকা) বোনাস দেয়া হয় ১০ শতাংশ। গত বছর ১০ শতাংশ বোনাসের সঙ্গে নগদ দেয়া হয় শেয়ারে ১৩ টাকা। সব মিলিয়ে লভ্যাংশ আসে ১৪৫ শতাংশ।

কোম্পানিটির আয়ের পাশাপাশ সম্পদমূল্যও বেড়েছে। গত ৩০ জুন শেষে শেয়ারপ্রতি সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৬৩ টাকা ৮৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে এই সম্পদ ছিল ২২৩ টাকা ৩২ পয়সা।

এই লভ্যাংশ যারা নিতে চান, তাদেরকে আগামী ১৫ নভেম্বর শেয়ার ধরে রাখতে হবে। অর্থাৎ সেদিন হবে রেকর্ড ডেট। লভ্যাংশ চূড়ান্ত করতে বার্ষিক সাধারণ সভা ডাকা হয়েছে ১৮ ডিসেম্বর।

শেয়ার করুন

করোনায় ৯ মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৮

করোনায় ৯ মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৮

দেশে এ পর্যন্ত করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৭ জনের দেহে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৮১৪ জনের।

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে সংক্রমণ ধরা পড়েছে আরও ২৭৮ জনের দেহে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে শনিবার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দেশে এ পর্যন্ত করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৭ জনের দেহে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৮১৪ জনের।

২৪ ঘণ্টায় দেশের ৮৩২টি ল্যাবে করোনার ১৫ হাজার ৪২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। শনাক্তের হার ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এ নিয়ে টানা ৩২ দেশে করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী কোনো দেশের করোনা সংক্রমণ হার টানা দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের নিচে থাকলে সেই দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে বিবেচনা করা হয়।

সেই অনুযায়ী বাংলাদেশ করোনা দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে এসেছে অনেক আগে। তবে সরকারের লক্ষ্য সংক্রমণ হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা।

গত বছরের মার্চে ছড়ানো করোনা বছরের শেষে নিয়ন্ত্রণে আসার পর চলতি বছর এপ্রিলের আগে থেকে আবার বাড়তে থাকে। এর মধ্যে প্রাণঘাতি ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পর এপ্রিলের শুরুতে লকডাউন এবং ১ জুলাই থেকে শাটডাউন দেয় সরকার।

তবে সংক্রমণ কমে আসার পর আগস্টের মাঝামাঝি থেকে ধীরে ধীরে সব বিধিনিষেধ তুলে নেয়া শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত একদিনে মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৬ জন, নারী ৩ জন। এর মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। বাকিদের মধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব ১, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১ ও ষাটোর্ধ্ব ৬ জন।

বিভাগ অনুযায়ী ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনাতে ২ জন করে মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন করে মারা গেছে। এদের মধ্যে একজন বাড়িতে বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৯৪ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হলেন ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৪১ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

শেয়ার করুন

দেশ চালাচ্ছে ‘অদৃশ্য শক্তি’: ফখরুল

দেশ চালাচ্ছে ‘অদৃশ্য শক্তি’: ফখরুল

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে অলি আহাদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সারভেইলেন্সটা এবং এই অদৃশ্য শক্তির ক্ষমতা এত গভীরে চলে গেছে যে তারা এ দেশের মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করছে। এ দেশের সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করছে। এ রকম একটা অবস্থার মধ্যে আমরা গণতন্ত্রের লড়াইটা করছি।’

এক ‘অদৃশ্য শক্তি’ দেশ চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, “প্রতি মুহূর্তে প্রতিক্ষণে আমাদের ওপর খবরদারি করা হচ্ছে। কিছুক্ষণ আগে আমি নিচে জাতীয় প্রেস ক্লাবের লাউঞ্জে চা খাচ্ছিলাম। আজকে আওয়ামী ঘরানার সাংবাদিকদের একটা নির্বাচন হচ্ছে। আওয়ামী ঘরানার এক সাংবাদিক বললেন যে অদ্ভুত কাণ্ড, এই আমরা সবাই তো আওয়ামী ঘরানার। আমাদের কাছে মেসেজ আসতে শুরু করেছে ‘অদৃশ্য জায়গা’ থেকে যে অমুককে ভোট দিতে হবে, অমুককে ভোট দিতে হবে।”

ফখরুল বলেন, ‘সারভেইলেন্সটা এবং এই অদৃশ্য শক্তির ক্ষমতা এত গভীরে চলে গেছে যে তারা এ দেশের মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করছে। এ দেশের সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করছে। এ রকম একটা অবস্থার মধ্যে আমরা গণতন্ত্রের লড়াইটা করছি।’

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে প্রয়াত রাজনীতিক অলি আহাদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে অংশগ্রহণে সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান রেখে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা (বিএনপি) তো লড়ছি। আমরা আপনাদের কাছে এইটুকু আশা করব, এই লড়াইয়ে একটা ইস্যুতে অর্থাৎ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই, সেই লড়াইয়ে আসুন আমরা একসঙ্গে আসি। লেট আস ফাইট টুগেদার। আমরা একসঙ্গে লড়াইটা করি এবং দেশকে এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে বের করে নিয়ে আসি। এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটিয়ে একটা গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করি।’

তিনি বলেন, ‘এরপরে যার সেটা বোঝাপড়া তারা সেটা করে নেবেন। অন্তত একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আমরা ফিরে আসি।’

প্রয়াত রাজনীতিক অলি আহাদের মেয়ে বিএনপিদলীয় সাংসদ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান জোনায়েদ সাকি এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।

শেয়ার করুন