দেশে ফিরলেন লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৬০ বাংলাদেশি  

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহায়তায় লিবিয়াপ্রবাসীদের দেশে ফিরিয়ে আনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ছবি: নিউজবাংলা

দেশে ফিরলেন লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৬০ বাংলাদেশি  

বুরাক এয়ারের একটি ভাড়া করা বিশেষ বিমানে বৃহস্পতিবার সকালে প্রবাসীরা রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন।

করোনাভাইরাস মহামারি ও অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতায় লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৬০ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় তাদের ফিরিয়ে এনেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বুরাক এয়ারের একটি ভাড়া করা বিশেষ বিমানে বুধবার সকালে প্রবাসীরা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লিবিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বেনগাজিসহ পূর্বাঞ্চলীয় শহরগুলোতে আটকা পড়েছিলেন ওই বাংলাদেশিরা। আইওএমের ভাড়া করা বুরাক এয়ারের ফ্লাইটটি তাদের নিয়ে মঙ্গলবার লিবিয়ার বেনগাজি বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। ফ্লাইটটি বুধবার সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

একই ফ্লাইটে লিবিয়ায় মৃত্যুবরণকারী এক বাংলাদেশি নাগরিককেও দেশে আনা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রবাসীদের সবাই স্বেচ্ছায় দেশে ফেরত এসেছেন। দেশে পৌঁছার পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বিমানবন্দরে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ওই প্রবাসীদের মধ্যে ৯ জন অসুস্থ ও ৭ জন হেপাটাইটিস-বি আক্রান্ত হওয়ায় লিবিয়ার বিশেষ জেলে আটক ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দেশে আসা প্রবাসীদের বেশির ভাগ ৭ থেকে ৮ বছর লিবিয়ায় কাজ করেছেন। কেউ কেউ ১০ থেকে ১২ বছরও কাজ করেছেন।

তবে লিবিয়ার বিরাজমান পরিস্থিতি, পর্যাপ্ত কাজের সুযোগ না থাকা এবং দিনারের অবমূল্যায়নসহ নানা কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশে ফেরত আসতে চাইছিলেন। কিন্তু লিবিয়া থেকে কোনো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু না থাকায় তারা ফিরতে পারছিলেন না।

এ অবস্থায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আইওএমের সহায়তায় আটকে পড়া বাংলাদেশিদের পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

করোনাভাইরাসের মধ্যে আইওএমের সহায়তায় এখন পর্যন্ত ৯টি ফ্লাইটে লিবিয়ায় আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরত আনা হয়েছে। এসব ফ্লাইটে ১ হাজার ৩৭৯ জন প্রবাসী দেশে ফিরেছেন।

আরও পড়ুন:
দেশে ফেরা প্রবাসীদের ৪৭ শতাংশই বেকার
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ আরও সাত দিন
অবশেষে সৌদির পথে বিমানের প্রথম বিশেষ ফ্লাইট

শেয়ার করুন

মন্তব্য

রাজবাড়ীতে সংক্রমণের হার ৬৩ শতাংশ

রাজবাড়ীতে সংক্রমণের হার ৬৩ শতাংশ

গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন নিউজবাংলাকে বলেন, ভারত থেকে এসে তথ্য পোগন করে বিভিন্ন জেলায় লোকজনের লুকিয়ে থাকার কারণে সীমান্তবর্তী জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় করোনা সংক্রমণ খারাপের দিকে যাচ্ছে।

করোনাভাইরাস থেকে রাজধানী ঝুঁকিমুক্ত রাখতে ঢাকাকে ঘিরে রাখা সাত জেলায় লকডাউন দেয়া হয়েছে। এই সাত জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত জেলা রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জ।

রাজবাড়িতে নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৬৩ দশমিক ১০ শতাংশ। এরপরেই অবস্থান গোপালগঞ্জের। এই জেলায় করোনা শনাক্তের হার ৪২ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই এটি জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, রাজবাড়ীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। শনাক্ত হয়েছে ৬৫ জন। আর গোপালগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৫ জন।

সনাক্তের হারে ‍তৃতীয় স্থানে অবস্থান গাজীপুরের। এই জেলায় গত এক দিনে ২৩২টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এছাড়া মুন্সিগঞ্জে শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, মানিকগঞ্জে ১৫ দশমিক ১৬। মাদারিপুরে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ১৬ শতাংশ।

এই সাত জেলার মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ নারায়ণগঞ্জ। এখানে শনাক্তের হার ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ।

গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন সুজাত আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, বিশেষ করে ভারত থেকে এসে তথ্য পোগন করে বিভিন্ন জেলায় লোকজনের লুকিয়ে থাকার কারণে সীমান্তবর্তী জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় করোনা সংক্রমণ খারাপের দিকে যাচ্ছে। গোপালগঞ্জের সংক্রমণের হার অনেক কম ছিল। কিন্তু এই সব লোক বিভিন্ন জায়গা থেকে আসার কারণে রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে।

সুজাত আহমেদ বলেন, ‘সাধারণ করোনা উপসর্গ যাদের মধ্যে দেখা দেয়, আমরা তাদের নমুনা সংগ্রহ করে থাকি। যারা কারণে সংক্রমণ হার একটু বেশি মনে হচ্ছে। এখন সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

‘আমাদের জেলার যে গ্রামে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে, সেখানে এরই মধ্যে লকডাউন কার্যকর করা হয়েছে। এর মধ্যে সেটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে আংশিক লকডাউন করা হয়েছে। এই লকডাউন চলছে।’

তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে করোনা নমুনা সংগ্রহ বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। জেলায় ব্যাপক প্রচার-প্রচালনা চালানো হচ্ছে, স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বলা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
দেশে ফেরা প্রবাসীদের ৪৭ শতাংশই বেকার
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ আরও সাত দিন
অবশেষে সৌদির পথে বিমানের প্রথম বিশেষ ফ্লাইট

শেয়ার করুন

কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়: ইসি

কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়: ইসি

ভোলার চরফ্যাশনে সোমবার ইউপি নির্বাচনে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হন। ছবি: নিউজবাংলা

ইসি সচিব বলেন, লক্ষ্মীপুর-২ আসন, দুটি পৌরসভা ও প্রথম পর্যায়ের ২০৪টি ইউপিতে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয়েছে। ভোট শেষে এখন গণনার কাজ চলছে। ইউপি নির্বাচনে কয়েকটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুইজন নিহত হয়েছেন। তবে কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়।

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রথম ধাপে নির্বাচনি সহিংসতায় দুইজনের প্রাণহানির প্রসঙ্গ টেনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলেছে, কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়।

সোমবার প্রথম ধাপে ২০৪টি ইউপিতে নির্বাচন হয়েছে। এদিন ভোট হয়েছে লক্ষ্মীপুর-২ আসন এবং দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ ও ঝালকাঠি পৌরসভাতেও। বরিশাল ও ভোলার দুই ইউপিতে নির্বাচনি সহিংসতায় দুইজন নিহত হয়েছেন।

ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেন, লক্ষ্মীপুর-২ আসন, দুটি পৌরসভা ও প্রথম পর্যায়ের ২০৪টি ইউপিতে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয়েছে। ভোট শেষে এখন গণনার কাজ চলছে। ইউপি নির্বাচনে কয়েকটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুইজন নিহত হয়েছেন। কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়।

তিনি জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের কেন্দ্রের বাইরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হন। বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কমলাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হন।

এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব সাংবাদিকদের বলেন, নিজেদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটায় প্রার্থীরাই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন।

তিনি বলেন, দু-একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়া ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যথেষ্ট সদস্য মোতায়েন ছিল। কী কী ব্যবস্থা নিলে এই ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না, তা পর্যালোচনা করা হবে।

ইসি সচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে নির্বাচন মনিটরিং করা হয়েছে। বিভিন্ন মিডিয়ায় যেসব খবর প্রচারিত হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। লক্ষ্মীপুর-২ আসনে ইভিএমের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে।

স্থগিত থাকা নির্বাচন ঈদের আগে হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমিশন এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। পরবর্তী সভায় এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে। ইউপির পরবর্তী ধাপের নির্বাচনের বিষয়েও কমিশন সভায় আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হবে।

আরও পড়ুন:
দেশে ফেরা প্রবাসীদের ৪৭ শতাংশই বেকার
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ আরও সাত দিন
অবশেষে সৌদির পথে বিমানের প্রথম বিশেষ ফ্লাইট

শেয়ার করুন

করোনায় আরেক ডাক্তারের মৃত্যু

করোনায় আরেক ডাক্তারের মৃত্যু

শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন অ্যান্ড টক্সিকোলজি বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক ডা.কে এম সাইফুল ইসলাম ডেভিড করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ছবি: সংগৃহীত

বিএমএ সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৪১ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে।

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন অ্যান্ড টক্সিকোলজি বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক ডা. কে এম সাইফুল ইসলাম ডেভিড করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

সোমবার ভোররাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে বা ভাইরাসপরবর্তী জটিলতায় মারা যাওয়া চিকিৎসকদের তালিকায় নতুন করে নাম উঠল ডা. ডেভিডের।

ডা. ডেভিড জয়পুরহাট পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের দেবীপুর-কাজীপাড়া এলাকার মৃত সোলায়মান আলীর ছেলে।

তার ভাতিজা ইমরুল কায়েস জানান, ডা. ডেভিড গত ১০ জুন করেনায় আক্রান্ত হয়ে তার বর্তমান কর্মস্থল বগুড়া টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হয়েছিলেন।

অবস্থার অবনতি হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ডা. ডেভিডের অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে অক্সিজেন ছাড়াই ছিলেন তিনি। গত রাত থেকে আবারও তার অবস্থার অবনতি হয়। ভোররাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

করোনায় মৃত এ চিকিৎসক স্ত্রী ও ২ ছেলে রেখে গেছেন।

তার সহকর্মী ডা. আনোয়ার হোসেন নিশ্চিত করে জানান, তিনি জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতাল, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

পরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে অবসর গ্রহণের পর বগুড়ার বেসরকারি টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত কাজ করেছেন।

বিএমএ সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৪১ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দেশে ফেরা প্রবাসীদের ৪৭ শতাংশই বেকার
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ আরও সাত দিন
অবশেষে সৌদির পথে বিমানের প্রথম বিশেষ ফ্লাইট

শেয়ার করুন

৭ জেলায় সব অফিসও শাটডাউন

৭ জেলায় সব অফিসও শাটডাউন

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে ঢাকার আশপাশের ৭ জেলায় শাটডাউন দিয়েছে সরকার। ছবি: সাইফুল ইসলাম

সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘বলেই তো দিয়েছি, সব বন্ধ, শুধুমাত্র কয়েকটি সার্ভিস (জরুরি সেবা) ছাড়া।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে যে ৭ জেলায় মঙ্গলবার থেকে এক সপ্তাহের শাটডাউন দেয়া হয়েছে, সেসব জেলায় সরকারি-বেসরকারি সব অফিসও বন্ধ থাকবে।

সচিবালয়ে সোমবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জরুরি বৈঠকে ঢাকার আশপাশের ৪ জেলাসহ দেশের ৭ জেলায় শাটডাউনের সিদ্ধান্ত হয়।

জেলাগুলো হলো নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ী। এসব জেলায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘সবকিছু বন্ধ থাকবে। মানুষও যাতায়াত করতে পারবে না। পণ্যবাহী ট্রাক এবং অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া কিছুই চলবে না।’

সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বলেই তো দিয়েছি, সব বন্ধ, শুধুমাত্র কয়েকটি সার্ভিস (জরুরি সেবা) ছাড়া।’

শাটডাউনের আওতায় থাকা জেলাগুলো পুরোপুরি ‘ব্লকড’ থাকবে জানিয়ে সচিব বলেন, ‘এসব জেলায় কেউ ঢুকতে পারবে না।’

৭ জেলাতে শাটডাউনের প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ২২ জুন সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী এবং গোপালগঞ্জ জেলায় সার্বিক কার্যাবলি/চলাচল (জনসাধারণের চলাচলসহ) বন্ধ থাকবে।

এ সময়ে শুধু আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা যেমন: কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের নদীবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবাসংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী, যানবাহন এবং পণ্যবাহী ট্রাক, লরি নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

আরও পড়ুন:
দেশে ফেরা প্রবাসীদের ৪৭ শতাংশই বেকার
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ আরও সাত দিন
অবশেষে সৌদির পথে বিমানের প্রথম বিশেষ ফ্লাইট

শেয়ার করুন

ঢাকাকে ঝুঁকিমুক্ত করতেই বিচ্ছিন্নের সিদ্ধান্ত

ঢাকাকে ঝুঁকিমুক্ত করতেই বিচ্ছিন্নের সিদ্ধান্ত

করোনাভাইরাস থেকে ঢাকাকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী ৪ জেলাসহ ৭ জেলায় শাটডাউন দিয়েছে সরকার। ছবি: সাইফুল ইসলাম

ঢাকাকে বিচ্ছিন্ন করা নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে করোনা সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজকের সিদ্ধান্ত হয়েছে যে ঢাকাকে আমরা একটু কাট-অফ (বিচ্ছিন্ন) রাখতে চাই অন্য জেলার সঙ্গে। ঢাকাকে নিরাপদ শুধু নয়, ঢাকার সঙ্গে কমিউনিকেশনটা যদি কাট-অফ হয় তাহলে এমনিতেই মুভমেন্ট অনেক কমে যাবে।’

করোনাভাইরাস থেকে ঢাকাকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতেই সরকার সারা দেশের সঙ্গে রাজধানীকে বিচ্ছিন্ন করার কৌশল নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সচিবালয়ে সোমবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জরুরি বৈঠকে ঢাকার আশপাশের ৪ জেলাসহ দেশের ৭ জেলায় শাটডাউনের সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে করোনা সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজকের সিদ্ধান্ত হয়েছে যে ঢাকাকে আমরা একটু কাট-অফ (বিচ্ছিন্ন) রাখতে চাই অন্য জেলার সঙ্গে।

‘ঢাকাকে নিরাপদ শুধু নয়, ঢাকার সঙ্গে কমিউনিকেশনটা যদি কাট-অফ হয় তাহলে এমনিতেই মুভমেন্ট অনেক কমে যাবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, সাতক্ষীরা, বাগেরহাটের মোংলা, যশোর পৌরসভা, অভয়নগর, বেনাপোল, শার্শা, ঝিকরগাছা, কুষ্টিয়া সদর, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা, মেহেরপুরের পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ড, মাগুরা পৌরসভা, রাজশাহী সিটি করপোরেশন, নাটোর পৌরসভা, সিংড়া, বগুড়া পৌরসভা, জয়পুরহাট পৌরসভা, কালাই, পাঁচবিবি, নওগাঁর প্রতিটি উপজেলায় স্থানীয়ভাবে লকডাউন চলছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এর বাইরে স্থানীয়ভাবে যেখানে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি খারাপ হবে, সেখানে স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

ঢাকার অভ্যন্তর নিয়ে বিশেষ কোনো নির্দেশনা আছে কি না জানতে চাইলে খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘আমরা সন্ধ্যায় বসব, দেখি। একটা ভিডিও কনফারেন্স করব অন্য ডিভিশনের সঙ্গে। তবে ঢাকার বিষয়ে ইমিডিয়েট কোনো সিদ্ধান্ত আসবে না।’

শাটডাউনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ২২ জুন সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী এবং গোপালগঞ্জ জেলায় সার্বিক কার্যাবলি/চলাচল (জনসাধারণের চলাচলসহ) বন্ধ থাকবে।

এ সময়ে শুধু আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা যেমন: কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের নদীবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবাসংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী, যানবাহন এবং পণ্যবাহী ট্রাক, লরি নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

আরও পড়ুন:
দেশে ফেরা প্রবাসীদের ৪৭ শতাংশই বেকার
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ আরও সাত দিন
অবশেষে সৌদির পথে বিমানের প্রথম বিশেষ ফ্লাইট

শেয়ার করুন

করোনা ঠেকাতে মঙ্গলবার থেকে বিচ্ছিন্ন ঢাকা

করোনা ঠেকাতে মঙ্গলবার থেকে বিচ্ছিন্ন ঢাকা

রাজধানীর পার্শ্ববর্তী জেলা নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জে মঙ্গলবার সকালে শুরু হচ্ছে শাটডাউন। পাশাপাশি মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ীতেও শাটডাউন আরোপ করা হচ্ছে। এ অবস্থা চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ঢাকাকে সারা দেশ থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হচ্ছে। রাজধানীর পার্শ্ববর্তী জেলা নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জে মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে শাটডাউন।

পাশাপাশি মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ীতেও শাটডাউন আরোপ করা হচ্ছে। এ অবস্থা চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত।

সচিবালয়ে সোমবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এই ৭ জেলাতে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। শুধু পণ্যবাহী ট্রাক ও জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহনে বিধিনিষেধ থাকবে না।

৭ জেলাতে শাটডাউনের প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ২২ জুন সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী এবং গোপালগঞ্জ জেলায় সার্বিক কার্যাবলি/চলাচল (জনসাধারণের চলাচলসহ) বন্ধ থাকবে।

এ সময়ে শুধু আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা যেমন: কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের নদীবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবা সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী, যানবাহন এবং পণ্যবাহী ট্রাক, লরি নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

আরও পড়ুন:
দেশে ফেরা প্রবাসীদের ৪৭ শতাংশই বেকার
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ আরও সাত দিন
অবশেষে সৌদির পথে বিমানের প্রথম বিশেষ ফ্লাইট

শেয়ার করুন

বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন

বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন

শেখ ইউসুফ হারুন। ফাইল ছবি

সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নিয়োগ পাওয়ার দিন থেকে ৩ বছর বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সাবেক এই সিনিয়র সচিব।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছেন সদ্য অবসরে যাওয়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব শেখ ইউসুফ হারুন।

সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শেখ ইউসুফ হারুনকে আগামী ৩ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপন উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ধারা-৪৯ অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব শেখ ইউসুফ হারুনকে অবসরোত্তর ছুটি এবং তদসংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিতের শর্তে আগামী ০৬ জুলাই অথবা যোগদানের তারিখ থেকে এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পরবর্তী ৩ বছর মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

আরও পড়ুন:
দেশে ফেরা প্রবাসীদের ৪৭ শতাংশই বেকার
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ আরও সাত দিন
অবশেষে সৌদির পথে বিমানের প্রথম বিশেষ ফ্লাইট

শেয়ার করুন