× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
রিসোর্টের নারী নয় তাইয়্যেবা মামুনুলের প্রকৃত স্ত্রীর নাম
google_news print-icon

রিসোর্টের নারী নয়, তাইয়্যেবা মামুনুলের প্রকৃত স্ত্রীর নাম

রিসোর্টের-নারী-নয়-তাইয়্যেবা-মামুনুলের-প্রকৃত-স্ত্রীর-নাম
নারায়ণগঞ্জের রিসোর্টে অবরুদ্ধ হওয়ার পর মামুনুল হক এই নারীর নাম আমেনা তাইয়্যেবা বললেও পুলিশ জানতে পেরেছে, এটি তার প্রকৃত স্ত্রীর নাম।
স্থানীয় যুবকরা মামুনুলকে ঘিরে ধরে যখন একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকেন তখন তিনি ওই নারীর পরিচয় দেন আমেনা তাইয়্যেবা। বলেন তার শ্বশুরবাড়ি খুলনায়, শ্বশুরের নাম জাহিদুল ইসলাম। তবে তার এই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে সেই মেয়ের বক্তব্যে। তিনি নিজের নাম বলেন জান্নাত আরা ঝর্ণা। বাবার নাম লেখেন ওলিয়র রহমান। বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায়। নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা শুনতে পেরেছি তার (মামুনুল) আসল স্ত্রীর নাম আমেনা তাইয়্যেবা। বিষয়টির তদন্ত করছি।’

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের রয়্যাল রিসোর্টের কক্ষ ভাড়ার সময় হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক নিজের নাম সঠিক লিখলেও তার সঙ্গীনির নাম লুকিয়েছেন।

সেই নারী নিজের নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা লিখলেও মামুনুল রিসোর্টের নথিতে তার উল্লেখ করেছেন আমেনা তাইয়্যেবা।

তবে তাইয়্যেবা তার চার সন্তানের জননী স্ত্রীর নাম।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনতে পেরেছি তার (মামুনুল) আসল স্ত্রীর নাম আমেনা তাইয়্যেবা। বিষয়টির তদন্ত করছি।’

শনিবার বেলা দুইটার দিকে সাদা রঙের একটি গাড়ি নিজেই চালিয়ে রিসোর্টটিতে যান মামুনুল। ভাড়া করেন এক্সিকিউটিভ ডিলাক্স (সেমি সুইট) কক্ষ।

এই কক্ষগুলোর ভাড়া এমনিতে ১০ হাজার টাকা। সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আর ১০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ যুক্ত হয়।

তবে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ ডিসকাউন্ট করে মামুনুল হককে সাত হাজার টাকায় ভাড়া দেয়।

রিসোর্টের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ বকুল নিউজবাংলাকে বলেন, অভ্যর্থনার কর্মীরা মামুনুলের কাছে তার সঙ্গীনির পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেছেন তার স্ত্রী, নাম আমেনা তাইয়্যেবা। নিজের পেশার পরিচয় দিয়েছেন চাকরি।

মামুনুল কক্ষ ভাড়া করার সময় নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও জমা দেন।

হেফাজত নেতা ১২ ঘণ্টার জন্য ভাড়া করে যান ৫০১ নম্বর কক্ষটি। সেখানে এক ঘণ্টা অবস্থানের পর মামুনুল খাবারের অর্ডার করেন। এরপর সাড়ে পাঁচটার দিকে শুরু হয় হাঙ্গামা।

রিসোর্টের নারী নয়, তাইয়্যেবা মামুনুলের প্রকৃত স্ত্রীর নাম
স্থানীয়রা অবরুদ্ধ করার পর পুলিশ গিয়ে কথা বলে মামুনুল হকের সঙ্গে

স্থানীয় যুবকরা মামুনুলকে ঘিরে ঘরে যখন একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকেন তখন তিনি ওই নারীর পরিচয় দেন আমেনা তাইয়্যেবা। বলেন তার শ্বশুরবাড়ি খুলনায়, শ্বশুরের নাম জাহিদুল ইসলাম।

তবে তার এই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে সেই মেয়ের বক্তব্যে। তিনি নিজের নাম বলেন জান্নাত আরা ঝর্ণা। বাবার নাম লেখেন ওলিয়র রহমান। বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায়।

৬ থেকে ৭ বছর আগে রিসোর্টটি সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘরের আধা কিলোমিটার এলাকায় গড়ে উঠে। জাদুঘর ঘুরতে আসা লোকজন ছাড়াও সেখানে প্রায়ই মানুষ ঘুরতে যায়।

রিসোর্টের নারী নয়, তাইয়্যেবা মামুনুলের প্রকৃত স্ত্রীর নাম
মামুনুল হক এই ফরম পূরণ করে রিসোর্ট ভাড়া করেন, যেখানে নিজের পেশার পরিচয় দেন চাকরি, স্ত্রীর নাম লেখেন আমেনা তাইয়্যেবা

মামুনুল যখন বেকায়দায় পড়েন, তখন তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসে হেফাজতে ইসলামের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। তারা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে জড়ো করে হামলে পড়ে রিসোর্টে। ব্যাপক ভাঙচুর করে ছিনিয়ে নেয় মামুনুল হককে।

সকালে রিসোর্টটিতে গিয়ে ভাঙচুরের চিত্র দেখা যায়। প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকে নিচতলা থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত প্রায় সব জানলার কাচ, আর্চওয়ে, অভ্যর্থনা কক্ষ, অতিথি কক্ষ, জিম ভাঙচুর করা হয়।

রিসোর্টের উপমহাব্যবস্থাপক খায়রুল কবির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হিসাব করছি কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এরপর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মামলা করব।’

রিসোর্টের নারী নয়, তাইয়্যেবা মামুনুলের প্রকৃত স্ত্রীর নাম
রিসোর্ট ভাড়া নেয়ার সময় নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দেন মামুনুল হক

সেখানে গিয়ে পাওয়া যায় নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদ পারভেজকেও। তিনি বলেন, ‘যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার হিসাব করছেন রিসোর্টের কর্মকর্তারা। যারা ভাঙচুর করেছে, সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে ভিডিও দেখে পুলিশ তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

মামুনুল সেই রিসোর্টে আগেও গিয়েছেন

রিসোর্টের কর্মীরা জানান, হেফাজত নেতা মামুনুল এর আগেও সেখানে থেকেছেন।

সুনির্দিষ্ট তারিখ জানাতে না পারলেও মাস চারেক আগে সোনারগাঁওয়ে মাহফিল করতে এসে সেখানে অবস্থান করেন।

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে অনেক প্রশ্ন

দুইজনের তথ্যে নানা অনিয়মের পর রাতে তিনটি মোবাইল কথোপকথনের অডিও ফেসবুকে ফাঁস হয়। এর একটিতে বোঝা যায় মামুনুল তার চার সন্তানের জননী স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, সেই নারী তার পরিচিত শহীদুল ইসলামের স্ত্রী। ঘটনার কারণে চাপে পড়ে স্ত্রী বলতে বাধ্য হয়েছেন।

পরে আরেকটি কথোপকথন ফাঁস হয়, যা মামুনুলের সঙ্গে তার রিসোর্টের সঙ্গীনির মধ্যকার বলে প্রতীয়মান হয়। সেখানে সেই নারী জানান, তিনি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তার মায়ের একটি বন্ধ মোবাইল নম্বর দিয়েছেন। আর অন্য একজন যখন তাকে কোথায় বিয়ে হয়েছে জিজ্ঞেস করেছে, তখন তিনি বলেছেন, এটা জানেন না। মামুনুলের সঙ্গে কথা বলে নেবেন।

শনিবার কয়েক ঘণ্টা হাঙ্গামার পর রিসোর্ট থেকে মামুনুলকে ছিনিয়ে নিয়ে আসেন হেফাজতকর্মীরা।

আরও একটি কথোপকথনে বোঝা যায় মামুনুলের বোন কথা বলেছেন হেফাজত নেতার চার সন্তানের জননী স্ত্রীর সঙ্গে। তিনি তাকে বুঝিয়েছেন, কেউ যদি তাকে ফোন করে, তাহলে তিনি যেন বলেন, তিনি বিয়ের অনুমতি দিয়েছেন এবং তার শাশুড়ি এই বিয়ের আয়োজন করেছেন।

এরপর মামুনুল ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, তিনি বিয়ে করেছেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুর স্ত্রীকে। পারিবারিকভাবেই এই বিয়ে হয়েছে।

পরদিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি একে একটি মানবিক বিয়ে উল্লেখ করে লেখেন, সেই নারীর সঙ্গে তার স্বামীর ছাড়াছাড়ির আগে তিনি সংসার ঠেকানোর চেষ্টা করেছেন। ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর মেয়েটি দুর্দশায় পড়ে যায়। সে সময় তিনি বিয়ে করে নিয়েছেন তাকে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
Distribution of health cards to cleaning workers of DSCC has started

ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের হেলথ কার্ড বিতরণ শুরু

ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের হেলথ কার্ড বিতরণ শুরু

পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে স্বাস্থ্যসেবা কার্ড প্রদান শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। গতকাল মঙ্গলবার নগরভবন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এই স্বাস্থ্যসেবা কার্ড প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে এক হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে স্বাস্থ্যসেবা কার্ড প্রদান হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ডিএসসিসির ৬ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী এই কার্যক্রমের আওতায় আসবে।

‎অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার বলেন, ‘এই কার্ডে মাধ্যমে ৪৫০টি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারবেন। এতে ৫০ শতাংশ ছাড় পাবেন কার্ডধারীরা। এমনকি ১০০ শতাংশও ছাড় পাবেন তারা।’

‎ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু তারা চিকিৎসা নিতে পারেন না। তাই তাদের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

‎অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘আমরা প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ করছি। এরমধ্যে দিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানও উৎসাহিত হবেন।’

‎তিনি বলেন, ‘একদিন যদি পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা ময়লা না নেন তাহলে ভয়াবহ পরিস্থিতি দাঁড়াবে৷ তাই কর্মীদের স্বাস্থ্য দিকটি আমাদের দেখতে হবে।’

‎এসময় নগরবাসীর উদ্দেশে প্রশাসক বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। আমি অনুরোধ করবো, যেন সবাই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখি।’

‎তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সচেতন হই। যত্রতত্র ময়লা না ফেলি। এবং ঢাকা আমার শহর, এটাকে গর্ব করি, তবেই ঢাকা সুন্দর হয়ে উঠবে।’

‎অনুষ্ঠানে জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা কার্ডটি প্রদানে সহযোগিতা করছে হারপিক, সাজেদা ফাউন্ডেশন, সুইডেন সভেরিয়ে ও একশান এইড।

মন্তব্য

জাতীয়
Urban development will continue despite hundreds of hurdles DNCC Administrator

শত বাধা পেরিয়ে অব্যাহত থাকবে নগর উন্নয়নের কাজ: ডিএনসিসি প্রশাসক

শত বাধা পেরিয়ে অব্যাহত থাকবে নগর উন্নয়নের কাজ: ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, নগর উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে যত বাধা-বিপত্তি ও ষড়যন্ত্রই আসুক না কেন? নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সব উন্নয়নমূলক কাজ চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে আয়োজিত শিশু সুরক্ষায় শিশু ও যুব কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ শীর্ষক প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘একটা পর্যায়ে গিয়ে তিনি অবশ্যই সফল হবেন। ৪১ বছরের রাজনৈতিক জীবনে অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে আজ এ অবস্থানে এসেছেন। ভালো কাজের ক্ষেত্রে নানা বাধা থাকে। তবে থেমে থাকলে চলবে না, সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, নগরবাসীর জন্য সচেতনতামূলক ও উন্নয়নমূলক সংবাদ প্রচারে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রম ও ইতিবাচক উদ্যোগ যথাযথভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে বাসাবাড়ি, ছাদ, ছাদবাগান ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। সচেতনতার মাধ্যমেই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব। ক্লিন ঢাকা-গ্রীন ঢাকা বাস্তবায়ন করতে হলে প্রথমে নগরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে, এরপর সবুজায়নের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।’

সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার জন্য ওয়ার্ল্ড ভিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেগুনা, রিকশাসহ বিভিন্ন পরিবহনে কর্মরত শিশুদের কল্যাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এর আগে প্রশাসক প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং শিশুদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Government is taking new initiatives to develop talent negative campaign will not continue Minister of State for Primary and Mass Education

মেধা বিকাশে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার, নেতিবাচক প্রচারণা চলবে না: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

মেধা বিকাশে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার, নেতিবাচক প্রচারণা চলবে না: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক মেধা বিকাশে সরকার নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, মেধা বিকাশের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা বা নেতিবাচক প্রচারণা গ্রহণ করা হবে না। আগামী প্রজন্মকে দক্ষ, সৃজনশীল ও আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, যে শিক্ষার্থী সংগীতে ভালো, সে যেন বিদ্যালয় থেকেই উন্নত প্রশিক্ষণ পায়। যে বিতর্কে দক্ষ, সে যেন বিশ্বমানের বিতার্কিক হওয়ার সুযোগ পায়। আবার যে ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস, ব্যাডমিন্টন কিংবা হাডুডু খেলতে চায়, সে যেন আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় হওয়ার পথ খুঁজে পায়। এ লক্ষ্যেই সরকার স্কুলভিত্তিক প্রতিভা বিকাশ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং গান, নৃত্য, আবৃত্তি, বিতর্ক, বিজ্ঞান, গণিত, খেলাধুলা ও অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পিইডিপি-৪) মোহাম্মদ আতিকুর রহমানসহ অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকেরা।

মন্তব্য

জাতীয়
To bring relief to the buyers the supply to the government market in the field is normal

ক্রেতাদের স্বস্তি ফেরাতে মাঠে সরকার, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক

ক্রেতাদের স্বস্তি ফেরাতে মাঠে সরকার, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে পোলাওয়ের চালের দাম কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মহাখালী কাঁচাবাজার ও মোহাম্মদপুর টাউন হল কাঁচাবাজার পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।

বাজার পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে পণ্যের সরবরাহ ও বিপণন পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। একই সঙ্গে বাজারে উপস্থিত ক্রেতাদের কাছ থেকেও মূল্য পরিস্থিতি সম্পর্কে মতামত নেন।

তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের নির্দেশনায় সরকার নিয়মিত বাজার তদারকি করছে। এর অংশ হিসেবে সোমবার কারওয়ান বাজার এবং মঙ্গলবার মহাখালী ও মোহাম্মদপুরের বাজার পরিদর্শন করা হয়েছে। এসব বাজারে ক্রেতাদের মধ্যে সন্তুষ্টির চিত্র দেখা গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শরীফুল আলম বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের লাভ করার সুযোগ থাকতে হবে, তবে অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়িয়ে ভোক্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা যাবে না। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।’

তিনি জানান, বর্তমানে অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ব্যবসায়ীরাও জানিয়েছেন, বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে।

বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি দোকানে দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্য তালিকা টানিয়ে রাখার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নিয়মিত বাজার তদারকি এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সচল থাকলে নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

মন্তব্য

জাতীয়
Sweden passed stricter laws
অভিবাসন নীতি

আরও কঠোর আইন পাস করল সুইডেন

আরও কঠোর আইন পাস করল সুইডেন ছবি: সংগৃহীত

অভিবাসন নীতিতে আরও কঠোর অবস্থান নিয়ে নতুন একটি আইন পাস করেছে সুইডেন। নতুন আইনের আওতায় কোনো অভিবাসী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত না হলেও ‘খারাপ আচরণ’-এর অভিযোগে তার আবাসিক অনুমতি (রেসিডেন্সি পারমিট) বাতিল করা যাবে।

গত সোমবার সুইডিশ পার্লামেন্টে আইনটি পাস হয়। ফলে বকেয়া ঋণ পরিশোধ না করা, কর ফাঁকি দেওয়া, ঘোষণাবিহীন কাজ করা কিংবা উগ্রপন্থি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার মতো আচরণকে আবাসিক অনুমতি বাতিলের কারণ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে।

নতুন আইনটি শুধু ভবিষ্যতের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেই নয়, বরং যাদের আবাসিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ এটি পূর্ববর্তী অনুমতির ওপরও কার্যকর হবে।

কোন আচরণে বাতিল হতে পারে অনুমতি?

আইনটিতে ‘খারাপ আচরণ’-এর নির্দিষ্ট তালিকা দেওয়া হয়নি। তবে সরকার কয়েকটি উদাহরণ উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে-

১. বকেয়া ঋণ পরিশোধ না করা।

২. কর না দেওয়া বা কর ফাঁকি।

৩. ঘোষণাবিহীন বা অবৈধ কাজ করা।

৪. অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা।

৫. উগ্রবাদী বা চরমপন্থি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে অভিবাসীদের আবাসিক অনুমতি পুনর্বিবেচনা করবে সুইডিশ মাইগ্রেশন এজেন্সি। তবে কোনো ব্যক্তির অনুমতি বাতিল করা হলে তিনি মাইগ্রেশন আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন।

নির্বাচনের আগে অভিবাসন নীতিতে আরও কঠোরতা

আগামী সেপ্টেম্বরে সুইডেনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এর আগে ডানপন্থি জোট সরকার এবং তাদের সমর্থক জাতীয়তাবাদী দল ‘সুইডেন ডেমোক্র্যাটস’ অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থান জোরদার করছে।

২০২২ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার সময় বর্তমান সরকার অভিবাসন কমানো ও অপরাধ দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় গত কয়েক বছরে দেশটি একের পর এক কঠোর অভিবাসন আইন প্রণয়ন করেছে।

সরকারের দাবি, যারা দেশের আইনকানুন মেনে চলবে না বা সমাজের জন্য সমস্যা তৈরি করবে, তাদের সুইডেনে থাকার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।

‘ভালো আচরণ আইন’ নিয়ে সমালোচনা

তবে আইনটি বিরোধী দল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। স্টকহোমভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ‘সিভিল রাইটস ডিফেন্ডারস’ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘নতুন আইন অভিবাসীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করবে।’

সংগঠনটির মতে, আইনটি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেনি কোন ধরনের আচরণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে গণ্য করা হবে। ফলে মানুষ বোঝতে পারবে না কোন বক্তব্য, মতামত বা কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে। তাদের ভাষায়, এই আইন আইনের শাসন এবং আইনের দৃষ্টিতে সমতার নীতিকে দুর্বল করতে পারে।

সরকারের অবস্থান

সুইডেনের অভিবাসনমন্ত্রী জোহান ফরসেল মার্চ মাসে বিলটি উপস্থাপনের সময় বলেছিলেন, ‘যারা সঠিক কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় চেষ্টা করে না, তারা সুইডেনে থাকার নিশ্চয়তা আশা করতে পারে না।’

সরকারের মতে, নতুন আইন সুইডিশ সমাজে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করবে ও দেশের অভিবাসন ব্যবস্থার প্রতি জনসাধারণের আস্থা বাড়াবে।

তবে সমালোচকদের আশঙ্কা, ‘ভালো আচরণ’ ও ‘খারাপ আচরণ’-এর অস্পষ্ট সংজ্ঞা ভবিষ্যতে আইনটির অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং বহু অভিবাসীকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলতে পারে।

মন্তব্য

জাতীয়
Afroza Abbas is the new chairman of the National Womens Organization

জাতীয় মহিলা সংস্থার নতুন চেয়ারম্যান হলেন আফরোজা আব্বাস

জাতীয় মহিলা সংস্থার নতুন চেয়ারম্যান হলেন আফরোজা আব্বাস জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় মহিলা সংস্থার নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক অফিসিয়াল প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানীর সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিশেষ অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ‘জাতীয় মহিলা সংস্থা আইন, ১৯৯১’ এর ধারা-৮(১) এবং ধারা-৮(২) এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আফরোজা আব্বাসকে তাঁর যোগদানের তারিখ থেকে জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান পদে এই নিয়োগ প্রদান করা হলো।

সরকারি এই প্রজ্ঞাপনে আফরোজা আব্বাসের নিয়োগের ক্ষেত্রে দুটি প্রধান শর্তের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম শর্ত অনুযায়ী, দায়িত্বে যোগদানের তারিখ হতে চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর কার্যকাল পরবর্তী দুই বছরের জন্য বলবৎ থাকবে। তবে এই মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পূর্বে সরকার চাইলে যেকোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে এবং একইভাবে তিনি নিজেও সরকারের উদ্দেশে স্বহস্তে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে যেকোনো সময় স্বীয় পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপনের দ্বিতীয় শর্তে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাতীয় মহিলা সংস্থার শীর্ষ পদে তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগটি সম্পূর্ণ অবৈতনিক বা বিনা বেতনে হবে।

মন্তব্য

জাতীয়
Approval of 5 projects worth 7000 crore rupees in Ecnec meeting

একনেক সভায় ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্পের অনুমোদন

একনেক সভায় ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্পের অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (১৬ জুন) অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ে আয়োজিত এই সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর জন্য সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৪ হাজার ৫৩৬ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ সহায়তা হিসেবে ২ হাজার ৪৬৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি একেবারেই নতুন এবং বাকি দুটি সংশোধিত। উল্লেখযোগ্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে ‘সাপোর্টিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্ট ফর চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’। এই প্রকল্পের মাধ্যমে চিনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এছাড়া পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফেনীর মুহুরি-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন, করতোয়া নদী সিস্টেমের উন্নয়ন এবং পদ্মা নদীর ভাঙন থেকে কুষ্টিয়ার মিরপুর ও কুমারখালী উপজেলা রক্ষার সংশোধিত প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ‘১০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনীও এই সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। গুরুত্বপূর্ণ এই সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদসহ মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্য এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা। নদী রক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ও শিল্পায়নের লক্ষ্যে গৃহিত এই প্রকল্পগুলো দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

p
উপরে