‘বছরে ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচারে গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা’

আমদানি-রপ্তানির ইনভয়েস জালিয়াতি করে বছরে ৬৪ হাজার কোটি টাকার বেশি বিদেশে পাচারের অভিযোগ গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা

‘বছরে ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচারে গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা’

দুদক সচিব জানান, কেবল পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আল মুসলিম গ্রুপের বিরুদ্ধেই আমদানি-রপ্তানির আড়ালে ১৭৫ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আমদানি-রপ্তানির ইনভয়েস জালিয়াতির মাধ্যমে দেশ থেকে বছরে ৬৪ হাজার কোটি টাকা গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা পাচার করছে।

পাচারের এই আর্থিক পরিমাণ দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা এই টাকা পাচার করছেন বলে জানিয়েছে দুদক।

সোমবার বিকেলে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দুদকের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

তিনি বলেন, ‘কেবল পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আল মুসলিম গ্রুপের বিরুদ্ধেই আমদানি-রপ্তানির আড়ালে ১৭৫ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছি আমরা।’

আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘কিছু গার্মেন্টস মালিকদের বিরুদ্ধে কিছু পাবলিক সার্ভেন্টের সহযোগিতায় অবৈধ সম্পদ অর্জনপূর্বক আমদানি ও রপ্তানির আড়ালে বাংলাদেশ হতে প্রতি বছর গড়ে ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আছে। এ ছাড়া আল মুসলিম গ্রুপের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রপ্তানির আড়ালে ১৭৫ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের একটি অভিযোগ পাওয়ার পর দুদক অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

সচিব জানান, এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আলাদাভাবে তিন সদস্য ও চার সদস্যর দুটি অনুসন্ধান দল তদন্ত করছে দুদক। অনুসন্ধান দল প্রতিবেদন জমা দিলে তা পর্যালোচনা করে কমিশন আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে ওভারইনভয়েসিং সংক্রান্ত কিছু তথ্যের ভিত্তিতে এই অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ প্রসঙ্গে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যদি কেউ অর্থপাচার করে তবে সরকার তা প্রতিরোধ করুক, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিক।

‘কিন্তু দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাতকে নিয়ে এ ধরনের ঘৃণা উদ্রেকমূলক বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো একজনকে উদাহরণ হিসেবে এনে কোনো সেক্টরকে দোষারোপ করা ওই সেক্টরের প্রতি অবিচার বলেই আমি মনে করি।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

টিএসসি থেকে ছাত্রদলের ৩ জনকে তুলে নেয়ার অভিযোগ

টিএসসি থেকে ছাত্রদলের ৩ জনকে তুলে নেয়ার অভিযোগ

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন প্রত্যক্ষদর্শী অনেকে। তারা জানান, আনিস এবং জুলফিকার টিএসসির সামনে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এসময় সিভিল ড্রেস পরা কয়েকজন তাদের সামান্য ধাওয়া দিয়ে ধরে ফেলে। পরে টিএসসির পায়রা চত্বরের সামনে থেকে ধরা হয় আতিককে। এরপর পুলিশ এসে তাদের তুলে নিয়ে যায় ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে ছাত্রদলের তিন জনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

আটকেরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক, স্যার এফ রহমান হলের সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার জিসান হায়াত, সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখার কর্মী আতিক মোর্শেদ ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন প্রত্যক্ষদর্শী অনেকে। তারা জানান, আনিস এবং জুলফিকার টিএসসির সামনে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এসময় সাদা পোশাকের কয়েকজন তাদের ধাওয়া দিয়ে ধরে ফেলে। পরে টিএসসির পায়রা চত্বরের সামনে থেকে ধরা হয় আতিককে। এরপর পুলিশ এসে তাদের তুলে নিয়ে যায় ।

ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব আমানুল্লাহ আমান জানান, প্রেসক্লাবের ঘটনার জেরে তাদের তুলে নেয়া হয়ে থাকতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী নিউজবাংলাকে বলেন, 'আমি এ রকম একটি বিষয় অবগত হয়েছি। পুলিশের কাছ থেকে জানতে চেয়েছি তাদের কেন তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।'

পুলিশ কিছু জানিয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটু ধারণা পেলাম, সাদা পোশাকে তাদের নিয়ে যেতে পারে।

তবে নিশ্চিত হয়ে আমাকে জানানোর জন্য বলেছি ।

এ বিষয়ে জানতে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন অর রশীদকে ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে পুলিশের রমনা জোনের এডিসি হারুনুর রশীদ নিউজবাংলাকে বলেন, পুলিশ কাউকে টিএসসি এলাকা থেকে তুলে নেয়নি।

শেয়ার করুন

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের আহ্বান ইউজিসির

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের আহ্বান ইউজিসির

অধ্যাপক আলমগীর বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে (ডিসি) উত্তরণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে টাইম ফ্রেম নির্দিষ্ট করে এখন থেকে কাজ শুরু করতে হবে। রোহিঙ্গাদের জন্য অস্থায়ী আবাসন ভাসানচরে স্বাস্থ্যসম্মত ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুরুতেই নিশ্চিত করতে হবে।

মেডিক্যাল ও ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ অনুসরণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত আহ্বান জানিয়েছেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর।

রোববার ‘উন্নয়নশীল দেশসমূহে পৌর ও মানব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’শীর্ষক দুই দিনব্যাপি আন্তর্জাতিক সম্মেলন ওয়েস্টসেফ-২০২১ শেষ দিনে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে ভার্চুয়ালি হয় সম্মেলনটি। এ সময় তিনি ‘পলিউটার্স পে প্রিন্সিপাল’ গ্রহণসহ ১০ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন। কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বস্তরে বর্জ্য হ্রাস, পুনঃব্যবহার, পুনরুদ্ধার, পুনর্ব্যবহারযোগ্য এবং পুনরুৎপাদনে চর্চা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।

অধ্যাপক আলমগীর বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে (ডিসি) উত্তরণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে টাইম ফ্রেম নির্দিষ্ট করে এখন থেকে কাজ শুরু করতে হবে। রোহিঙ্গাদের জন্য অস্থায়ী আবাসন ভাসানচরে স্বাস্থ্যসম্মত ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুরুতেই নিশ্চিত করতে হবে।

উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে পৌর ও মানব বর্জ্য বিষয়ে গবেষণার ব্যাপ্তি বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ২০৩০ সালে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে স্থানীয় সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, সবার জন্য স্যানিটেশন নিশ্চিত করা এবং এ লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সার্কুলার ইকোনমির ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যৎ পৌর ও মানব বর্জ্য এবং ওয়েস্ট ওয়াটারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং সরকারি পর্যায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নেয়া উদ্যোগগুলোর সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

বিশ্বব্যাপী বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কৌশল, পরিবেশ ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট, কারিগরি বিষয়ে অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে নতুন নতুন কৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে সপ্তমবারের মতো এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ওয়েস্টসেফ-২০২১ এর আয়োজক কুয়েট, জার্মানির ওয়েমার বা’হস বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইতালির প্যাডোভা বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানে জার্মানির ওয়েমার বা’হস বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক একার্ড ক্রাফ্ট, ইতালির প্যাডোভা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রাফায়েলো কসু, অধ্যাপক মারিয়া ক্রিস্টিনা লাভাগনলো, ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাধন কুমার ঘোষ, নেপালের ড. নওরাজ খতিওয়াদা, বাংলাদেশের অধ্যাপক কিএইচস বারী, প্রফেসর খন্দকার মাহবুব হাসান, অধ্যাপক রাফিজুল ইসলাম এবং ড. খালিকুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

নগদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে কারা, মানববন্ধনে প্রশ্ন

নগদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে কারা, মানববন্ধনে প্রশ্ন

সম্প্রতি নগদ এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সারা দেশে ব্যাপকহারে অপপ্রচার চালানোর তথ্য মিলেছে। বিষয়টি জানতে পেরে গত ১৮ ফেব্রুয়রি অন্তত ১০ হাজার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেছে নগদ।

ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নগদ এর বিরুদ্ধে কারা অপপ্রচারে নেমেছে, সেটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়েছে একটি মানববন্ধনে। এর পেছনে অন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবার সম্পৃক্ততা আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

রোববার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের মানববন্ধনে এসব জানানো হয়।

সম্প্রতি নগদ এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সারা দেশে ব্যাপকহারে অপপ্রচার চালানোর তথ্য মিলেছে। বিষয়টি জানতে পেরে গত ১৮ ফেব্রুয়রি অন্তত ১০ হাজার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেছে নগদ।

মামলায় বলা হয়, ‘একটু ভেবে দেখবেন কি’ শিরোনামে লিফলেটটিতে ‘নগদ’ এর বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য যুক্ত করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। প্রতিহিংসার কারণে একটি চক্র ভুয়া খবর রটিয়ে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

মামলাটি করেছেন নগদের লিগ্যাল অফিসার তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী। তার জবানবন্দি গ্রহণ করে বিচারক মইনুল ইসলাম মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। তিনি আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের মানববন্ধনে দাবি করা হয়, বাজারে প্রতিযোগিতার মুখে সরকারি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নগদের বিরুদ্ধে লিফলেট ছড়ানো হচ্ছে। আর এর পেছনে বিকাশের পাশাপাশি নেত্রনিউজের সম্পাদক তাসনিম খলিলের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

এই অপপ্রচারের পেছনে অন্য একটি মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি না সে প্রশ্নও তোলা হয়।

ওই প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সালের পর থেকে চার বছরে মুনাফা ছিল যথাক্রমে ২৪ কোটি, ৩৪ কোটি, ৪৮ কোটি ও ১৯ কোটি টাকা। কিন্তু হঠাৎ করেই ২০১৯ সালে ৬৩ কোটি টাকা লোকসান দেয়।

সমাবেশে দাবি করা হয়, শুধু সেন্ড মানি ও বিল- পে সেবা থেকেই কোম্পানিটির বছরে আয় প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। আর এ কারণে তাদের লোকসান সন্দেহজনক।

মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা দুর্নীতি দমন কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছি, বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি পাঠিয়েছি যে, এটির একটা তদন্ত করে দেখা হোক।’

শেয়ার করুন

ভাসানচরে সন্তুষ্ট ওআইসির প্রতিনিধি দল

ভাসানচরে সন্তুষ্ট ওআইসির প্রতিনিধি দল

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অ্যাম্ব ইউসুফ আল দোবায়ে ভাসানচরের অবকাঠামোর পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ সরকারের দেয়া সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে এই মানবিক সংকট সমাধানে ওআইসির সহায়তা অব্যাহত রাখার কথা জানান।

ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাম্ব ইউসুফ আল দোবায়ে।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এদিন ওআইসির পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির এবং ভাসানচর পরিদর্শন করে। এর নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির সেক্রেটারি জেনারেল সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাম্ব ইউসুফ আল দোবায়ে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিনিধিদল প্রথমে নোয়াখালীর হাতিয়ায়, মেঘনা মোহনায় অবস্থিত ভাসানচরে যায়। সেখানে পরিদর্শনের বসবাসরত রোহিঙ্গাদের সামগ্রিক বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে তারা কথা বলেন। পরে তারা রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এরপর তারা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান এবং সেখানে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় ওআইসির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়ানমারের নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের অবিচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তা এবং অস্থায়ী আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করেন।

15
ভাসানচরে পরিদর্শন করেন (ওআইসি) সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল অ্যাম্ব ইউসুফ আল দোবায়ে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তিনি ভাসানচরের অবকাঠামোর পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ সরকারের দেয়া সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে এই মানবিক সংকট সমাধানে ওআইসির সহায়তা অব্যাহত রাখার কথা জানান।

প্রতিনিধি দলের মিয়ানমারের জন্য ওআইসির সেক্রেটারি জেনারেলের বিশেষ প্রতিনিধি ইব্রাহিম খাইরাত, মুসলিম সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু বিষয়ক পরিচালক, রাজনৈতিক বিষয়ক অধিদফতর ও ওআইসি জেনারেল সেক্রেটারিয়েটের কর্মকর্তারাও ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিএনপিকে ইউপি নির্বাচনে আসার অনুরোধ ইসির

বিএনপিকে ইউপি নির্বাচনে আসার অনুরোধ ইসির

‘নির্বাচন কমিশন সব সময় চায় প্রতিটি ব্যক্তি, প্রতিটি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। আমাদের কাছে যে সহযোগিতা চাইবেন, নির্বাচন কমিশন সে বিষয়ে সহযোগিতা দেবে।’

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপিকে অংশ নেয়ার অনুরোধ করেছে নির্বাচন কমিশন। দলটিকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দেয়া হয়েছে।

পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপি ইউপি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কমিশনের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানান নির্বাচন কমিশন সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার।

রোববার দেশের ২৯টি পৌরসভায় ভোট গ্রহণ শেষে বিকেলে কমিশনে ব্রিফ করছিলেন তিনি। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপির ইউপি নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় সচিব বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সব সময় চায় প্রতিটি ব্যক্তি, প্রতিটি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। আমাদের কাছে যে সহযোগিতা চাইবেন, নির্বাচন কমিশন সে বিষয়ে সহযোগিতা দেবে।’

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিএনপির অভিযোগ শুরু থেকেই। একাদশ সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি, এমন অভিযোগ করেও বর্তমান সরকারের অধীনে বেশির ভাগ ভোটেই এসেছে তারা।

পাঁচ ধাপে ২৩২টি পৌরসভায় যে ভোট হয়েছে, তা নিয়েও বিএনপির ব্যাপক অভিযোগ আছে। এর মধ্যেই আগামী ১১ এপ্রিল ২০টি জেলার ৬৩টি উপজেলার ৩২৩টি ইউনিয়নে নির্বাচনে ভোটের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পর্যায়ক্রমে সারা দেশের প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদেই হবে নির্বাচন।

সুষ্ঠু নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশনের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শনিবারই ইউপি নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত রোববার সংবাদ সম্মেলন করে জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বলেই চরম প্রতিকূল অবস্থায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, এই নির্বাচন কমিশন কোনো নির্বাচনই নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে করার যোগ্য নয়।

‘এই অনির্বাচিত সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করাই তাদের প্রধান কাজ। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের বিরোধিতা বিএনপি সব সময়ই করেছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।’

বিএনপির এই ঘোষণায় নির্বাচন কমিশন আবার কোনো প্রশ্নের মুখে পড়ল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে কমিশন সচিব বলেন, ‘সেটি দেখা যাক। এখনো তো তফসিল ঘোষণা করিনি। তফসিল ঘোষণার সময় আমরা বিষয়টি দেখব।’

ভোটার দিবস প্রসঙ্গে

২ মার্চের ভোটার দিবস উদযাপন নিয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘আমাদের ভোটার দিবসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ১৮ বছর হলে ভোটার হতে আর দেরি নয়। এটি নিঃসন্দেহে তাদের জন্য একটা আনন্দের ব্যাপার।

‘যারা ভোটার হবেন, এই নাগরিকরাই কিন্তু ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমেই গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করবেন। আমি মনে করি, আমাদের এই ভোটার দিবস উদযাপনের মধ্য দিয়ে নাগরিকরা তাদের অধিকার নিয়ে সচেতন হবেন।'

শেয়ার করুন

বাকস্বাধীনতার দাবিতে প্রতিরোধ সমাবেশ

বাকস্বাধীনতার দাবিতে প্রতিরোধ সমাবেশ

শাহবাগে প্রতিরোধ সমাবেশ। ছবি: নিউজবাংলঅ

রেহনুমা আহমেদ বলেন, ‘এত এত লেখক!  তারা আজ কোথায়? তারা কি কোনো প্রতিবাদ করবে না ? আজ নিজেকে লেখক পরিচয় দিতে লজ্জা লাগে ৷ লেখক হিসেবে যদি আপনাদের আত্মসম্মান থাকে তাহলে আসেন, এই কাতারে যোগ দিন।’

বাকস্বাধীনতার দাবিতে এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে প্রতিরোধ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷ সমাবেশ থেকে গত শুক্রবার বামপন্থি ছাত্র সংগঠনের মশাল মিছিল থেকে আটক হওয়া সাত ছাত্রনেতা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার শ্রমিকনেতা রুহুল আমিনের মুক্তি দাবি করা হয় ।

রোববার জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘বাকস্বাধীনতার দাবিতে বাংলাদেশ’ ব্যানারে এ প্রতিরোধ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রেহনুমা আহমেদ বলেন, ‘মুশতাকের মৃত্যুতে ভাষাহারা হতে হয়। আজ আমরা সবাই মুশতাক৷ স্বাধীনতার ৫০ বছরেও যদি ভাষাহারা হতে হয়, একজন লেখককে প্রাণ হারাতে হয় তা হলে তা লজ্জাজনক।’

এ সময় তিনি মুশতাকের মৃত্যুতে লেখকরা প্রতিবাদ না করায় আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এত এত লেখক! তারা আজ কোথায়? তারা কি কোনো প্রতিবাদ করবে না ? আজ নিজেকে লেখক পরিচয় দিতে লজ্জা লাগে ৷ লেখক হিসেবে যদি আপনাদের আত্মসম্মান থাকে তা হলে আসেন, এই কাতারে যোগ দিন।’

চলচ্চিত্র নির্মাতা কামার আহমেদ সাইমন বলেন, এটা ফেব্রুয়ারি মাস। সালাম, জব্বার, রফিক, তারপর কি আমরা মুশতাক লিখব? এটি আমার লিখতে ভয় হচ্ছে। কারও প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। আমি শুধু বুঝতে পারি না এই স্বাধীনতার মানে কী ?

সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, স্বৈরাচারের পতন তখনই ঘটবে, যখন আমরা দলীয় সংকীর্ণতা অতিক্রম করে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারব। এই সরকার ভোট ছাড়া ক্ষমতায় আছে । কোনো অজুহাত দিয়ে ভোট ছাড়া ক্ষমতায় থাকা বৈধ হতে পারে না। এই স্বৈরতান্ত্রিক সরকারকে ক্ষমতা থেকে হটানো প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কর্তব্য।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ বলেন, লুটেরা-দুর্নীতিবাজদের নিরাপত্তার জন্য এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়েছে। দুর্বৃত্ত ও লুটেরাদের রক্ষা করার জন্য সরকার নানাবিধ পদক্ষেপ নিচ্ছে ৷ এসব অন্যায় জুলুমের বিরোদ্ধে আমাদের সংগঠিত হওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই ৷

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, ‘আমি আজ বিবেকের তাড়নায় এখানে উপস্থিত হয়েছি। জনগণ আজ ভীত ও শংকিত৷ কারণ তারা জানে না মুশতাক ঠিক কী কথা লিখেছিল এবং কোন অপরাধে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । তার মৃত্যু কি হৃদরোগে হলো নাকি অন্য কারণে হলো এটি তদন্ত করে বের করা জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কয়েকটি বিশেষ অপরাধকে জামিন অযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অপমান, বঙ্গবন্ধুর অপমান, রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা জামিন অযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

‘অথচ বঙ্গবন্ধু নিজেই বলেছেন, ‘আমি ফেরেশতাও নই, শয়তানও নই। আমি মানুষ। আমি ভুলত্রুটি করতে পারি।’ তা হলে তার সমালোচনা কেন করা যাবে না। তিনি নিজেই তো আত্মসমালোচনা করেছেন।’

এম এম আকাশ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলা হচ্ছে ! অথচ সংবিধানে রাষ্ট্র্রধর্ম ইসলাম করার মাধ্যমে তো আপনারাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন।

‘মুশতাকের মৃত্যুর তদন্ত করা দরকার আসলে কী ঘটেছে এবং সে অনুযায়ী যারা অপরাধী তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। ডিজিটাল আইনের আবার পর্যালোচনা করা দরকার। এই আইনে জামিনের অযোগ্য ধারাগুলো পর্যালোচনা করে সংশোধন করা উচিত।’

ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সদ্য বহিষ্কৃত সহকারী সাধারণ সম্পাদক মেঘমল্লার বসুর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আরিফ মহিউদ্দিন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবির, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য উর্বী জ্যোতি, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য হাসনাত কাইয়ুম, কথাসাহিত্যিক স্বকৃত নোমান, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড শাহ আলমসহ আরও অনেকে।

শেয়ার করুন

ডিএনসিসির মশা নিধন অভিযানে ১১ লাখ টাকা জরিমানা

ডিএনসিসির মশা নিধন অভিযানে ১১ লাখ টাকা জরিমানা

ডিএনসিসির মশা নিধন অভিযান। ফাইল ছবি।

মশার লার্ভা ও বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া এবং অন্যান্য অপরাধে ৮৯টি মামলায় মোট ১০ লাখ ৮২ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সপ্তাহব্যাপী মশা নিধন অভিযানে রাজধানীতে ৮৯টি মামলায় জরিমানা করা হয়েছে প্রায় ১১ লাখ টাকা। অভিযান শেষে ডিএনসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মশার লার্ভা ও বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া এবং অন্যান্য অপরাধে ৮৯টি মামলায় মোট ১০ লাখ ৮২ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

সাত দিনের এ অভিযানে মোট ৪৪ হাজার ৯৬৮টি সড়ক, নর্দমা, জলাশয়, স্থাপনা ইত্যাদি পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে ২১০টিতে মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ৩০ হাজার ১২৯টিতে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করে কীটনাশক প্রয়োগ করা হয় বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

অভিযানে সবচেয়ে বেশি জরিমানা করা হয়েছে, ডিএনসিসির মহাখালী অঞ্চলে (অঞ্চল-৩)। এখানে ২৩ টি মামলায় জরিমানা করা হয়েছে মোট ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা। আর সবচেয়ে কম জরিমানা করা হয়েছে মিরপুর-১০ অঞ্চলে (অঞ্চল-৪)। এখানে একটি মামলায় জরিমানার পরিমাণ ১০ হাজার টাকা। দক্ষিণ খান অঞ্চলে কোনো জরিমানা করা হয় নি।

এছাড়াও উত্তরা অঞ্চলে (অঞ্চল-১) ১০ মামলায় ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা, মিরপুর-২ অঞ্চলে (অঞ্চল-২) ৯টি মামলায় ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, কারওয়ান বাজার অঞ্চলে (অঞ্চল-৫) ২টি মামলায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা, হরিরামপুর অঞ্চলে (অঞ্চল-৬) ১২টি মামলায় ৮২ হাজার টাকা, উত্তর খান অঞ্চলে (অঞ্চল-৮) ২৩টি মামলায় ৪০ হাজার ৩০০ টাকা এবং ভাটারা অঞ্চলে (অঞ্চল-৯) ৯টি মামলায় ১ লাখ ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg