বুড়িমারী বর্বরতা: চার জনের জামিন নাকচ

নিহত শহীদুন্নবী জুয়েল। ছবি: নিউজবাংলা

বুড়িমারী বর্বরতা: চার জনের জামিন নাকচ

গত ২৯ অক্টোবর শহীদুন্নবী জুয়েল বুড়িমারীর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে গিয়েছিলেন নামাজ পড়তে। সেখানে তাক থেকে কোরআন শরিফ নামানোর সময় দুর্ঘটনাবশত পড়ে যায়। আর এতে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, তিনি কোরআন অবমাননা করেছেন। স্থানীয় প্রশাসন তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। এরপর উন্মত্ত জনতা হামলা করে সেখানে। পিটিয়ে হত্যা করা হয় তাকে। পরে মরদেহ পুড়িয়ে দেয়া হয়।

লালমনিরহাটের বুড়িমারীতে পেটানোর পর পুড়িয়ে হত্যার মামলায় চার আসামির জামিন আবেদন ফিরিয়ে দিয়েছে হাইকোর্ট।

রোববার বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

চার আসামি হলেন আশরাফুল ইসলাম, বাইজিদ বোস্তামি, আবদুর রহিম ও হেলাল উদ্দিন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন গাজী মামুনুর রশিদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারোয়ার হোসেন বাপ্পী।

পরে আইনজীবী গাজী মামুনুর রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা জামিন চেয়ে গত ১২ ডিসেম্বর আবেদন করেছিলাম। আদালত আমাদের আবেদনের শুনানি নিয়ে খারিজ করে দিয়েছে।’

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার গুজব ছড়িয়ে গত বছরের ২৯ অক্টোবর শহিদুন্নবী জুয়েলকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

শহীদুন্নবী বুড়িমারীর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে গিয়েছিলেন নামাজ পড়তে। সেখানে তাক থেকে কোরআন শরিফ নামানোর সময় দুর্ঘটনাবশত পড়ে যায়। আর এতে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, তিনি কোরআন অবমাননা করেছেন।

স্থানীয় প্রশাসন গিয়ে শহীদুন্নবীকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। এরপর উন্মত্ত জনতা হামলা করে সেখানে। পিটিয়ে হত্যা করা হয় তাকে।

এই ঘটনা দেশজুড়ে আলোড়ন তোলে । ন্যাক্কারজনক এই হত্যার ঘটনায় পুলিশ ব্যবস্থা নেয় তাৎক্ষণিক।

সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ গ্রেপ্তার করে ৪৫ জনকে। ১৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেয়া হয়। আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন ছয় জন।

পরদিন পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থা সিআইডির ক্রাইম সিন সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা গুজবের উৎস, অর্থাৎ প্রথমে কে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে সেটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন।

সেই সঙ্গে ঘটনার কোন পর্যায়ে কারা এবং কীভাবে সম্পৃক্ত হয়েছেন সেটি খতিয়ে দেখা হয়।

শহীদুন্নবীর ভাই সাইফুল আলম এই ঘটনায় ৪৩ জনের নাম উল্লেখ ও শত শত অজ্ঞাতপরিচয়কে আসামি করে মামলা করেন।

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পাটগ্রাম পুলিশের এসআই শাহজাহান আরও একটি মামলা করেন ৪৯ জনের বিরুদ্ধে।

বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করেন ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ মো. শাহ নেওয়াজ নিশাত। এ মামলায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাত পরিচয় শত শত ব্যক্তিকে।

আরও পড়ুন:
বছরের নৃশংসতম হত্যা
বুড়িমারী নির্মমতা: এজাহারভুক্ত আয়নাল গ্রেফতার
শহীদুন্নবীকে পোড়াতে ‘কাঠ-তেল আনেন’ ফরিদুল
বুড়িমারী নির্মমতা: দুজন রিমান্ডে
বুড়িমারী নৃশংসতা: গ্রেফতার আরও ২

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ধর্ষণের শিকার নারী-শিশুর ছবি, নাম-ঠিকানা প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা

ধর্ষণের শিকার নারী-শিশুর ছবি, নাম-ঠিকানা প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা

৩০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে হলফনামা আকারে তথ্য সচিব, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র সচিব, ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যানকে প্রতিবেদন দিতে বলেছে হাইকোর্ট।

ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের শিকার জীবিত বা মৃত নারী বা শিশুর নাম ঠিকানা, ছবি, পরিচয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থলের পরিচয় গণমাধ্যমে প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

৩০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে হলফনামা আকারে তথ্য সচিব, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র সচিব, ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যানকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এ আদেশের পাশাপাশি ধর্ষণের শিকার নারীর ছবি ও পরিচয় প্রকাশ বন্ধে বিবাদীদের নিস্ক্রীয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

ধর্ষণের শিকার জীবিত বা মৃত নারী ও শিশুর ছবি-পরিচয় গণমাধ্যমে প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে গত ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন।

আদালতে রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

আইনজীবী মাহফুজুর রহমান মিলন বলেন, ‘ধর্ষণের শিকার কোনো নারী বা শিশুর ছবি প্রকাশে আইনে বাধা থাকলেও হরহামেশাই বিভিন্ন গণমাধ্যমে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর ছবি প্রকাশ করা হচ্ছে। এতে করে তাদের পরিবারের সদস্যরা সামাজিকভাবে হেয় হচ্ছেন।

‘বিশেষ করে সম্প্রতি ধর্ষণের শিকার হয়ে মারা যাওয়া ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের এক শিক্ষার্থীর ছবি দেশের অধিকাংশ গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এ ছবি প্রকাশের ঘটনা আমাদের ব্যথিত করেছে। তাই সংক্ষুব্ধ হয়ে এ রিট করেছিলাম। আদালত শুনানি নিয়ে এ আদেশ দিয়েছে।’

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ১৪ ধারায় এ বিষয়ে বিধি-নিষেধ উল্লেখ আছে।

১৪ এর (১) ধারায় বলা হয়েছে, এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা অন্যবিধ তথ্য কোনো সংবাদপত্রে বা অন্য কোনো সংবাদমাধ্যমে এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায়।

১৪ এর (২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

আরও পড়ুন:
বছরের নৃশংসতম হত্যা
বুড়িমারী নির্মমতা: এজাহারভুক্ত আয়নাল গ্রেফতার
শহীদুন্নবীকে পোড়াতে ‘কাঠ-তেল আনেন’ ফরিদুল
বুড়িমারী নির্মমতা: দুজন রিমান্ডে
বুড়িমারী নৃশংসতা: গ্রেফতার আরও ২

শেয়ার করুন

জুতা পায়ে জবির শহীদ মিনারে ওঠায় নিন্দা

জুতা পায়ে জবির শহীদ মিনারে ওঠায় নিন্দা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমরা ভাষাশহীদ রফিক স্মৃতি পরিষদ ইতিমধ্যে লক্ষ্য করেছি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে শিক্ষার্থী ও বহিরাগত মানুষজন জুতা পায়ে অহরহ  উঠছেন। এতে শহীদদের প্রতি অবমাননা করা হচ্ছে বলে আমরা মনে করছি। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে জুতা পায়ে ওঠার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ভাষাশহীদ রফিক স্মৃতি পরিষদ। সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানায় সংগঠনটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমরা ভাষাশহীদ রফিক স্মৃতি পরিষদ ইতিমধ্যে লক্ষ্য করেছি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে শিক্ষার্থী ও বহিরাগত মানুষজন জুতা পায়ে অহরহ উঠছেন। এতে শহীদদের প্রতি অবমাননা করা হচ্ছে বলে আমরা মনে করছি। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাশে 'শহীদ মিনারে জুতা পায়ে ওঠা নিষেধ', 'সামনে শহীদ মিনার, জুতা খুলে উঠুন' লেখা সংবলিত কোন সাইনবোর্ড না থাকায় অনেকে শহীদ মিনার না বুঝে জুতা পায়ে উঠছেন বলে মনে করে সংগঠনটি। এ ব্যাপারে অনতিবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘জুতা খুলে শহীদ মিনারে ওঠার জন্য মিনারের সামনে সাইনবোর্ড ছিল। সেগুলো উঠে গেছে। আমরা নতুন সাইনবোর্ড লাগানোর ব্যবস্থা করব।’

আরও পড়ুন:
বছরের নৃশংসতম হত্যা
বুড়িমারী নির্মমতা: এজাহারভুক্ত আয়নাল গ্রেফতার
শহীদুন্নবীকে পোড়াতে ‘কাঠ-তেল আনেন’ ফরিদুল
বুড়িমারী নির্মমতা: দুজন রিমান্ডে
বুড়িমারী নৃশংসতা: গ্রেফতার আরও ২

শেয়ার করুন

রিমান্ড শেষে কারাগারে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের’ আসামিরা

রিমান্ড শেষে কারাগারে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের’ আসামিরা

এক নারীকে ব্যাংকে চাকরি দেয়ার নাম করে ১৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ মাদারটেকে একটি বাসায় ডেকে নেন তার পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তি। সেখানে ওই নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। সে বাসায় অন্য এক নারীসহ চারজন ছিলেন।

রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের’ অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

রিমান্ড ফেরত দুই আসামি হলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের-বিআইডব্লিউটিএ ও তার এক নারী সহযোগী।

সোমবার সবুজবাগ থানার পুলিশ দুই আসামিকে আদালতে হাজির করেন। পরে আসামিরা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় তা রেকর্ড করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়।

পরে আসামিরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানালে ঢাকার বিচারিক হাকিম সত্যব্রত শিকদার তাদের দুজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এক নারীকে ব্যাংকে চাকরি দেয়ার নাম করে ১৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ মাদারটেকে একটি বাসায় ডেকে নেন তার পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তি। সেখানে ওই নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। সে বাসায় অন্য এক নারীসহ চারজন ছিলেন।

এ ঘটনায় ১ মার্চ সবুজবাগ থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ওই নারী। রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে।

২ মার্চ ঢাকা বিচারিক হাকিম আসামিদের পাঁচ দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

আরও পড়ুন:
বছরের নৃশংসতম হত্যা
বুড়িমারী নির্মমতা: এজাহারভুক্ত আয়নাল গ্রেফতার
শহীদুন্নবীকে পোড়াতে ‘কাঠ-তেল আনেন’ ফরিদুল
বুড়িমারী নির্মমতা: দুজন রিমান্ডে
বুড়িমারী নৃশংসতা: গ্রেফতার আরও ২

শেয়ার করুন

দেশেই উৎপাদন হবে করোনার টিকা

দেশেই উৎপাদন হবে করোনার টিকা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার মধ্যে ওষুধের কোনো সংকট ছিল না। করোনার চিকিৎসার জন্য রাতারাতি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যে কারণে আমরা করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি। অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা অনেক ভালো করেছি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামীতে দেশেই উৎপাদন হবে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের টিকা।

সোমবার রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘করোনার এক বছরে বাংলাদেশ: সাফল্য ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন‌।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক বড় বড় ওষুধ কোম্পানি রয়েছে। সেইসব কোম্পানিকে ইতিমধ্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

‘টিকা তৈরি করতে একটা ল্যাব দরকার। ওষুধ প্রশাসনের একটি ল্যাব আছে। এই ল্যাব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন দেয়। অনুমোদন পেতে আমরা আবেদনও করেছিলাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আমাদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। সেই অনুযায়ী ল্যাব প্রস্তুত করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনার মধ্যে ওষুধের কোনো সংকট ছিল না। করোনার চিকিৎসার জন্য রাতারাতি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যে কারণে আমরা করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি।

‘অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা অনেক ভালো করেছি। অনেক দেশে এখনও লকডাউন চলছে। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনার কারণে।’

স্বাস্থ্য খাতে আরও বরাদ্দ বাড়াতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাস শিখিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য খাতকে অবহেলা করলে কী হয়। করোনার কারণে পৃথিবীর অনেক দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে। কাজেই আগামীতে এই বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে হবে।’

করোনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নজরুল ইসলাম বলেন, ‘অন্যান্য দেশে করোনার বিস্তার লাভ করলেও আমাদের দেশে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

গরমে করোনা কিছুটা বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে সাবেক উপাচার্য বলেন, ‘এর গতি-প্রকৃতি কেমন তা জানতে গবেষণা করা প্রয়োজন। তবে গবেষণার জন্য টাকা প্রয়োজন। এই টাকার জোগান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কেই দিতে হবে।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন,

‘দেশে গণটিকাদান কর্মসূচি চলছে, এর কার্যকারিতা যাচাইয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন। এ ছাড়া যাদের টিকা প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কি না তাও জানা দরকার। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করতে চায়, এ বিষয়ে নজর দেয়ার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের গবেষণাকেন্দ্র হিসেবে তৈরি করতে চাই। এ জন্য আমরা দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করছি। এ জন্য একটি ফান্ড দরকার, সেই ফান্ডের ব্যবস্থা সরকারকেই করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের চিকিৎসাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে, যেভাবে কাজ করে করোনাকে দমন করতে পেরেছি।’

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএসএমএমইউর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুলফিকার আহমেদ আমিন, স্বাচিপ সভাপতি ডা. এম ইকবাল আর্সলান, বিএমএ মহাসচিব ডা. এহতেসামুল হক, ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লাহসহ আরও অনেকে ।

আরও পড়ুন:
বছরের নৃশংসতম হত্যা
বুড়িমারী নির্মমতা: এজাহারভুক্ত আয়নাল গ্রেফতার
শহীদুন্নবীকে পোড়াতে ‘কাঠ-তেল আনেন’ ফরিদুল
বুড়িমারী নির্মমতা: দুজন রিমান্ডে
বুড়িমারী নৃশংসতা: গ্রেফতার আরও ২

শেয়ার করুন

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)।

আসলাম খান দাবি করেন, ইমরান হোসেন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি) এর সক্রিয় সদস্য। তিনি ‘গাজওয়াতুল হিন্দ’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অনলাইনে জঙ্গিবাদ প্রচারণাসহ রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে  আসছিলেন।

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের পলাতক আসামি ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)।

সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম ইমরান হোসেন। তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ শহরের এল এন এ রোড এলাকায়।

বাংলাদেশ পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মোহাম্মদ আসলাম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গ্রেপ্তার ইমরান হোসেন নরসিংদীর রায়পুর থানায় চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি সন্ত্রাস বিরোধী আইনে এজাহারের নামীয় পলাতক আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এটিইউ-এর একটি দল দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

আসলাম খান দাবি করেন, ইমরান হোসেন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি) এর সক্রিয় সদস্য। তিনি ‘গাজওয়াতুল হিন্দ’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অনলাইনে জঙ্গিবাদ প্রচারণাসহ রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন।

তিনি আরও জানান, তারা সাধারণ মানুষের মধ্যে ধর্মীয় উগ্রবাদী মতাদর্শ প্রচার ও আতংক সৃষ্টি করতেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নাশকতার জন্য পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি নেয়ার জন্য সিকিউরড অ্যাপের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে চ্যাটিং চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, একটি সিম কার্ড ও চ্যাটিংয়ের স্ক্রিনশট জব্দ করেছে এটিইউ।

আরও পড়ুন:
বছরের নৃশংসতম হত্যা
বুড়িমারী নির্মমতা: এজাহারভুক্ত আয়নাল গ্রেফতার
শহীদুন্নবীকে পোড়াতে ‘কাঠ-তেল আনেন’ ফরিদুল
বুড়িমারী নির্মমতা: দুজন রিমান্ডে
বুড়িমারী নৃশংসতা: গ্রেফতার আরও ২

শেয়ার করুন

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: আসামিদের জেরার মুখে বাদী

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: আসামিদের জেরার মুখে বাদী

সগিরা মোর্শেদ। ছবি: নিউজ বাংলা

জেরা শেষ না হওয়ায় আদালত অসমাপ্ত জেরা ও পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৮ মার্চ দিন ধার্য করেন। এই মামলায় ১১ জানুয়ারি একই আদালতে জবানবন্দি দেন নিহতের স্বামী ও মামলার বাদী আব্দুস সালাম চৌধুরী।

রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে চাঞ্চল্যকর সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় নিহতের স্বামী ও মামলার বাদী আব্দুস সালাম চৌধুরীর জেরা চলছে।

বাদীকে জেরা করছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান।

সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

এসময় রাষ্ট্রপক্ষের মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস পাল আদালতে মামলার বাদীকে সহায়তা করেন। এ তথ্যটি তিনি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

তবে এদিন জেরা শেষ না হওয়ায় আদালত অসমাপ্ত জেরা ও পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৮ মার্চ দিন ধার্য করেন।

এই মামলায় ১১ জানুয়ারি একই আদালতে জবানবন্দি দেন নিহতের স্বামী ও মামলার বাদী আব্দুস সালাম চৌধুরী।

এই মামলার আসামিরা হলেন- নিহত সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহীন, হাসান আলীর শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান ও ভাড়াটে খুনি মারুফ রেজা। এর মধ্যে সায়েদাতুল মাহমুদা শাহীন জামিনে রয়েছেন।

এই ঘটনার ৩০ বছর পর ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চারজনের বিরু‌দ্ধে গত ১৪ জানুয়া‌রি আদাল‌তে

অ‌ভি‌যোগপত্র দেয়। এক হাজার ৩০৯ পৃষ্ঠার অ‌ভি‌যোগপত্র রাষ্ট্রপক্ষে মোট ৫৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এরপর গত ২ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সগিরা মোর্শেদ সালাম ভিকারুননিসা নূন স্কুল থেকে মেয়েকে আনতে যাচ্ছিলেন। বিকাল ৫টার দিকে সিদ্ধেশ্বরী রোডে পৌঁছামাত্র মোটরবাইকে আসা ছিনতাইকারীরা তার হাতের সোনার চুড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তিনি দৌড় দিলে তাকে গুলি করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই সগিরা মোর্শেদ সালাম মারা যান।

ওই দিনই রমনা থানায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন সগিরা মোর্শেদ সালামের স্বামী সালাম চৌধুরী। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রিকশাচালক জড়িত দুজনকে শনাক্ত করলেও অজ্ঞাতকারণে মিন্টু ওরফে মন্টু ওরফে মরণ নামে একজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।

১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি আসামি মন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু বকর সিদ্দীক। সাক্ষ্য নেওয়া হয় সাতজনের। সাক্ষ্যে বাদীপক্ষ থেকে বলা হয়, তদন্তকালে আসামি মন্টু এবং তৎকালীন (১৯৮৯) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানের নিকটাত্মীয় মারুফ রেজা গ্রেপ্তার হন। কিন্তু মারুফ রেজার নাম বাদ দিয়েই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে মারুফ রেজার নাম আসায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে ১৯৯১ সালের ২৩ মে মামলার অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন ঢাকার বিচারিক আদালত। ওই আদেশের বিরুদ্ধে মারুফ রেজার রিভিশন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯১ সালের ২ জুলাই হাইকোর্ট মামলাটির অধিকতর তদন্তের আদেশ ও বিচারকাজ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করার পাশাপাশি অধিকতর তদন্তের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

পরের বছর ২৭ অগাস্ট জারি করা রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই মামলার বিচারকাজ স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এ মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা সম্প্রতি বিষয়টি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের নজরে আনলে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেয় রাষ্ট্রপক্ষ। এরপর বিষয়টি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে তোলা হলে আদালত স্থ‌গিতা‌দেশ প্রত্যাহার ক‌রে নেন।

আরও পড়ুন:
বছরের নৃশংসতম হত্যা
বুড়িমারী নির্মমতা: এজাহারভুক্ত আয়নাল গ্রেফতার
শহীদুন্নবীকে পোড়াতে ‘কাঠ-তেল আনেন’ ফরিদুল
বুড়িমারী নির্মমতা: দুজন রিমান্ডে
বুড়িমারী নৃশংসতা: গ্রেফতার আরও ২

শেয়ার করুন

রাস্তার ময়লা ফেলা হলো অ্যাপার্টমেন্টের ফটকে

রাস্তার ময়লা ফেলা হলো অ্যাপার্টমেন্টের ফটকে

রাস্তায় ফেলে দেয়া ময়লা ফেলা হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তাদের অ্যাপাটমেন্টের ফটকের সামনে

মেয়র আতিক বলেন, ‘এই আবাসনে ৬৫০টির বেশি ফ্ল্যাট আছে। যারা এই ভবনটা করেছেন তারা একবারও চিন্তা করেননি যে, এসব ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা ময়লাটা কোথায় ফেলবেন? ওনারা ময়লাটা রাস্তায় ফেলে দিয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তারা রাস্তায় ময়লা ফেললে বাকিরা কী করবেন?

নিষেধ থাকা সত্ত্বেও রাস্তায় ময়লা ফেলায় শাস্তিস্বরূপ উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামের নির্দেশে সেই ময়লা তুলে নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের অ্যাপার্টমেন্টের ফটকের সামনে ফেলা হয়েছে। সোমবার সকালে রাজধানীর মিরপুরে এ ঘটনা ঘটেছে।

সকালে মশক নিধন কার্যক্রম পরিদর্শন করতে রাজধানীর মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের রাস্তা ধরে যাচ্ছিলেন মেয়র আতিকসহ উত্তর সিটি করপোরেশনের অন্য কর্মকর্তারা।

এ সময় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নির্মাণ করা ‘সরকারি কর্মকর্তা আবাসন প্রকল্প’-এর সামনের সড়কে ময়লার স্তূপ দেখে গাড়ি থেকে নামেন তিনি। এ সবই সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনের গৃহস্থালির বর্জ্য। এরপর ওই বর্জ্য সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনের ফটকের সামনে রাখার নির্দেশ দেন। মেয়রের নির্দেশ অনুযায়ী ময়লা অপসারণ যন্ত্রের সাহায্যে সব ময়লা সরকারি আবাসনের গেটের সামনের ফাঁকা জায়গায় ফেলেন সিটি করপোরেশনের কর্মীরা।

এ বিষয়ে মেয়র আতিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আগেও তাদের বলা হয়েছিল রাস্তায় এভাবে ময়লা না ফেলতে। আমি তাদের আগে বলেছিলাম ভেতরে ময়লা ফেলার জায়গা করে দিতে, ওনারা বলেছেন ভেতরে গন্ধ হবে। ভেতরে গন্ধ হবে আর রাস্তার ওপরে ফেলে দিলে এটা তো হাজার হাজার জনগণ গন্ধ পাবে।

‘তাই আমি তাদের একটা বার্তা দিতে চাই যে আপনারা দ্রুত সবার সঙ্গে আলাপ করে একটা জায়গা দিন আমি এসটিএস করে দেব। এসটিএসের জন্য টাকা চাচ্ছি না। আমরা নিজের খরচে এসটিএস করে দেব।’

মেয়র আতিক আরও বলেন, ‘এই আবাসনের আওতায় ৬৫০টির বেশি ফ্ল্যাট আছে। যারা এই ভবনটা করেছেন তারা একবারও চিন্তা করেননি যে, এসব ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা ময়লাটা কোথায় ফেলবেন? ওনারা ময়লাটা রাস্তায় ফেলে দিয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তারা রাস্তায় ময়লা ফেললে বাকিরা কী করবেন?

‘তাই বলেছি রাস্তার ময়লাটা পরিষ্কার করে ওনাদের গেটের সামনে যে সুন্দর জায়গা আছে সেখানে ফেলে দিতে।’

আরও পড়ুন:
বছরের নৃশংসতম হত্যা
বুড়িমারী নির্মমতা: এজাহারভুক্ত আয়নাল গ্রেফতার
শহীদুন্নবীকে পোড়াতে ‘কাঠ-তেল আনেন’ ফরিদুল
বুড়িমারী নির্মমতা: দুজন রিমান্ডে
বুড়িমারী নৃশংসতা: গ্রেফতার আরও ২

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg