প্রণোদনা প্যাকেজের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করছে সরকার

প্রণোদনা প্যাকেজের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করছে সরকার

‘সরকার অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ঘোষিত প্যাকেজের বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং অর্থনীতির ওপর এগুলোর প্রভাব পর্যবেক্ষণ করছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের অর্থনৈতিক গতি সঞ্চারের প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’

করোনার ক্ষতি মোকাবিলায় সরকার যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, তার প্রভাব পর্যবেক্ষণ করে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটুর প্রশ্নের জবাবে সরকার প্রধান শেখ হাসিনা এ কথা জানান।

তিনি জানান, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও সামাজিক সুরক্ষা সম্মিলিত ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকার ২১টি প্রণোদনা প্যাকেজসমূহ বাস্তবায়িত হচ্ছে যা জিডিপির ৪ দশমিক ৩৪ শতাংশের সমান।

সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, কিছু কিছু প্যাকেজের বাস্তবায়ন ২০২১ সালেও চলমান থাকবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকার অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ঘোষিত প্যাকেজের বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং অর্থনীতির ওপর এগুলোর প্রভাব পর্যবেক্ষণ করছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের অর্থনৈতিক গতি সঞ্চারের প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’

করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক অবস্থা সঙ্গীন হলেও বাংলাদেশ নানা পদক্ষেপে সফল হয়েছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নজিরবিহীন বিরূপ প্রভাব ফেলেছে, যা হতে বাংলাদেশ মুক্ত নয়। তবে শুরু থেকেই আমাদের সরকার সতর্কতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলার করেছে যার ফলে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা মৃত্যুর হার এবং অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে অধিকতর সাফল্য দেখাতে পেরেছে।’

অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন বলে ঘোষণা দেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অর্থনৈতিক পুনুরুদ্ধারে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংকট মোকাবিলা এবং এ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করে অর্থনীতিকে দ্রুত পুনর্গঠন এবং অর্থনীতির গতি পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী একটি সামগ্রিক কর্মপন্থা নির্ধারণ করে।’

শিগগিরই করোনার ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে বলেও সংসদকে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকারের সময় উপযোগী সকল দিকনির্দেশনা উদ্যোগ পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশের করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুহার বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম।

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের চারটি প্রধান কৌশলগত দিক হলো: প্রথমত. সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি করা। এক্ষেত্রে কর্মসৃজনকে প্রাধান্য দেয়া এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।

দ্বিতীয়ত. ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্প সুদে কতিপয় ঋণ সুবিধা প্রবর্তন করা, যাতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত হয় এবং উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অক্ষুন্ন থাকে।

তৃতীয়ত. হতদরিদ্র সাময়িক কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ জনগণকে সুরক্ষা দিতে সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতায় বৃদ্ধি করা।

চতুর্থত. মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধি করা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড দ্রুত পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে এ কৌশলটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে যাতে মুল্যস্ফীতির নেতিবাচক প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

সরকারি দলের আরেক সদস্য কাজিম উদ্দিন আহমেদ এর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার করোনাভাইরাসে মানুষের জীবন ও অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবিলায় বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার ফলে দেশে করোনাভাইরাসসহ অর্থনৈতিক অবস্থা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে।

‘দ্রুততম সময়ে ও দক্ষতার সঙ্গে সংকট মোকাবিলা করার লক্ষ্যে নেয়া হয়েছে নানাবিধ পদক্ষেপ। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম সহ অনেক দেশ ও সংস্থা প্রশংসা করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ৪৭ সদস্যের জাতীয় কমিটি এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতির নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়।

আরও পড়ুন:
নতুন করে প্রণোদনা চান পোশাক মালিকেরা
ক্ষুদ্রশিল্পের প্রণোদনার ঋণ বিতরণে আরও ১ মাস
৩ ব্যাংক থেকে প্রণোদনার তহবিল পাবে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান
বৃহৎ শিল্পে প্রণোদনা বেড়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা
প্রণোদনা বাস্তবায়নের গতি ধীর এখনও

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গুজব ছড়ানোর দায়ে মুশতাক গ্রেপ্তার: তথ্যমন্ত্রী

গুজব ছড়ানোর দায়ে মুশতাক গ্রেপ্তার: তথ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে শনিবার দুপুরে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন তথ্যমন্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রামে শনিবার এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মুশতাক কেন জামিন পাননি, তা আদালত বলতে পারবে। তার মৃত্যু স্বাভাবিক।

করোনা মহামারি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে গুজব ছড়ানোয় লেখক মুশতাক আহমেদকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

চট্টগ্রামে শনিবার এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মুশতাক কেন জামিন পাননি, তা আদালত বলতে পারবে। তার মৃত্যু স্বাভাবিক।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এক মামলায় গত বছরের মে মাসে গ্রেপ্তার লেখক মুশতাক ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে মারা যান। তার মৃত্যুর পর ২০১৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর পাস হওয়া আইনটি নিয়ে সারা দেশে নতুন করে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ শুরু হয়েছে।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে শনিবার দুপুরে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘মুশতাক করোনা মহামারি নিয়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নানা ধরনের পোস্ট দিয়েছেন। একটি পেজ থেকে নানাভাবে গুজব ছড়াচ্ছিলেন, সেই কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

Mushtak-NB
লেখক মুশতাক আহমেদ। ছবি: ফেসবুক

‘জামিন কেন পাননি, সেটি কোর্ট বলতে পারবে, এই এখতিয়ার কোর্টের। তার মৃত্যুটা স্বাভাবিক মৃত্যু, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। এভাবে ছেলেধরা নিয়েও গুজব ছড়ানো হয়েছিল।’

হাছান মাহমুদ বলেন, বাঙালি একটি নিরস্ত্র জাতি ছিল, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের একটি ভাষণের মাধ্যমে নিরস্ত্র বাঙালি সশস্ত্র বাঙালিতে রূপান্তরিত হয়েছিল। ‘বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে বললেন, তোমাদের যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থেকো, শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে।’ সেদিন নিরস্ত্র বাঙালি সশস্ত্র বাঙালিতে রূপান্তরিত হয়েছিল।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এমন একটি ভাষণ ছিল, যার লাঠি আছে সে লাঠি নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিল। যার ঘরে দা আছে, লাইসেন্স করা বন্দুক আছে- তা নিয়েই বেরিয়ে পড়েছিল। যে ভাষণ আজও যে কেউ শুনলে যেভাবে উদ্দীপ্ত হয়, গায়ের লোম যেভাবে খাড়া হয়ে যায়, এমন কোনো নেতার ভাষণ বিশ্ব ইতিহাসে প্রকৃতপক্ষে কেউ দেননি।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধুর কোনো নোট ছিল না, তিনি একনাগাড়ে বলে গেছেন। পৃথিবীতে অনেক ভাষণ আছে, অনেক অর্থবহ। কিন্তু বঙ্গবন্ধু তার এ ভাষণে একটা নিরস্ত্র জনগোষ্ঠীকে সশস্ত্র জনবাহিনীতে রূপান্তর করে প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের পর পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে লেখা হয়েছিল, চতুর শেখ মুজিব প্রকৃত অর্থে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতা ঘোষণা করার জন্য তাকে অভিযুক্তও করা যাচ্ছে না। এমনভাবে বঙ্গবন্ধু বললেন,‌‌ ‌‘“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” এর মাধ্যমে সেদিন রিপোর্টার ও তরুণদের উদ্দীপ্ত করেছিল এই ভাষণ।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ অসাধারণ ও অনন্য বিধায় জাতিসংঘের বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

ড. হাছান মাহমুদ এ সময় দলীয় নেতা-কর্মীদের সরকারের উন্নয়ন ও অর্জনের প্রচার বেশি করার পরামর্শ দেন।

বলেন, ‘বড় বড় স্লোগান ও ছবি তুলে ফেসবুকে দেয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন অপপ্রচারগুলোর বিরুদ্ধে সুপ্রচার চালানো, উন্নয়ন ও অর্জনের প্রচার করা।’

সভায় বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব এটিও বলেছেন ৭ মার্চ ইতিহাস। এই ইতিহাসকে আমাদের স্বীকার করতে হবে।

‘আমি ফখরুল সাহেবদের বলব- বাকি যে ইতিহাস বিকৃতি করেছিলেন, সেগুলোরও ভুল স্বীকার করে নেন। তাহলে জাতি আপনাদের সাধুবাদ দিবে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির এখন নানা ধরনের মিছিল আছে, দৌড় মিছিল, চোরাগোপ্তা মিছিল, হঠাৎ মিছিল। গতকাল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ নাকি একটি চোরাগোপ্তা মশাল মিছিল করেছেন।

‘তাদের বলব, এভাবে চোরাগোপ্তা মিছিল ও মানুষের ওপর চোরাগোপ্তা হামলা করে লাভ হবে না। সত্যিকার অর্থে জনগণের কাছে যদি যেতে চান তাহলে ইতিহাসকে মেনে নিন, যেভাবে ৭ মার্চকে মেনে নিয়েছেন।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে যখন কোনো অর্জন হয়, আমরা যখন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ পেলাম, তখন একটি পক্ষ লেগে গেল অন্য বিষয় নিয়ে মাঠ গরম করার জন্য।

‘অথচ এটি নিয়ে একটি অভিনন্দন তাদের মুখ থেকে আসেনি। এটি তাদের একপেশে ও চিন্তার দৈন্য। দেশের অর্জন যে তাদের চোখে পড়ে না, কানে যায় না সেটিরই বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন একটি উন্নত রাষ্ট্র রচনা করার। সেই স্বপ্ন পূরণ করে যেতে পারেননি বঙ্গবন্ধু। তিনি যদি বেঁচে থাকতেন আজকে মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরের আগেই বাংলাদেশ নাম লেখাত উন্নত দেশের কাতারে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সাঁই সাইঁ করে উন্নত দেশের কাতারে নাম লেখাতে এগিয়ে যাচ্ছে। স্বল্প আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। ‘আমাদের সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর বছরে জাতিসংঘ ফাইনাল রিকমেন্ডেশন দিয়েছে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে। এটি আমাদের দেশের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সবচেয়ে বড় অর্জন।’

সভায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাবন্ধিক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক মো. শামসুল হক।

উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ সালামের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক দেবাশীষ পালিতের সঞ্চালনায় সভায় অংশ নেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. আতাউর রহমান, সহসভাপতি অধ্যাপক মো. মঈন উদ্দিন, অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন চৌধুরী, আবুল কালাম আজাদ, এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, মঈন উদ্দিন রাশেদ, জসিম উদ্দিন, আফতাব উদ্দিন আহমেদ, স্বজন কুমার তালুকদার, আবদুল্লাহ আল বাকের ভুইঁয়া, উত্তর জেলা কৃষক লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
নতুন করে প্রণোদনা চান পোশাক মালিকেরা
ক্ষুদ্রশিল্পের প্রণোদনার ঋণ বিতরণে আরও ১ মাস
৩ ব্যাংক থেকে প্রণোদনার তহবিল পাবে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান
বৃহৎ শিল্পে প্রণোদনা বেড়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা
প্রণোদনা বাস্তবায়নের গতি ধীর এখনও

শেয়ার করুন

বনগাঁও সীমান্তে বিজিবির গুলি, ‘চোরাকারবারি’ নিহত

বনগাঁও সীমান্তে বিজিবির গুলি, ‘চোরাকারবারি’ নিহত

সুনামগঞ্জ ২৮ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের কার্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা

বিজিবি বলছে, শনিবার দুপুরে চোরাকারবারির হামলায় তাদের এক সদস্যও গুরুতর আহত হয়েছেন।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বনগাঁও সীমান্তে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক ‘চোরাকারবারি’ নিহত হয়েছেন।

বিজিবি বলছে, শনিবার দুপুরে চোরাকারবারিদের হামলায় তাদের এক সদস্যও গুরুতর আহত হয়েছেন।

সুনামগঞ্জ ২৮ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মাকসুদুল আলম জানান, রঙ্গাচর ইউনিয়নের বনগাঁও সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু পাচারের সময় এ সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা গুলি চালালেও কামাল মিয়া তাদের গুলিতেই মারা গেছেন কি না, তা নিশ্চিত নয়।

নিহত কামাল মিয়ার মরদেহ সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আহত বিজিবি সদস্য ল্যান্স নায়েক থুই হলা মং মারমাকে সুনামগঞ্জে বাহিনীটির নিজস্ব হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ওসমানী মেডিক্যাল হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মানিক মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই মারা যান কামাল।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাকসুদুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বনগাঁও সীমান্তে নিয়মিত টহলে ছিল বিজিবির ছয় সদস্য। এ সময় ৩০টি গরু পাচারের চেষ্টা করছিলেন কয়েকজন চোরাকারবারি। তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

‘একপর্যায়ে কামাল মিয়ার নেতৃত্বে স্থানীয় লোকজন হামলা চালায়। দা ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয় থুই হলা মং মারমাকে। এ সময় আত্মরক্ষায় দুই রাউন্ড গুলি করে বিজিবি সদস্যরা। এতে গুলিবিদ্ধ হন কামাল। তবে তিনি মারা গেছেন কি না, তা জানি না।’

আহত বিজিবি সদস্যের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
নতুন করে প্রণোদনা চান পোশাক মালিকেরা
ক্ষুদ্রশিল্পের প্রণোদনার ঋণ বিতরণে আরও ১ মাস
৩ ব্যাংক থেকে প্রণোদনার তহবিল পাবে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান
বৃহৎ শিল্পে প্রণোদনা বেড়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা
প্রণোদনা বাস্তবায়নের গতি ধীর এখনও

শেয়ার করুন

ঢাকার উত্তরে মশা নিধনে নামছে ১২০০ কর্মী

ঢাকার উত্তরে মশা নিধনে নামছে ১২০০ কর্মী

সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় বেড়েছে মশার উৎপাত। ছবি: নিউজবাংলা

মশা নিধনে সোমবার থেকে ক্রাশ প্রোগ্রামে নামছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। এর আওতায় একেকটি অঞ্চলে ১২০০ কর্মী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

মশা নিধনের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এটি পরিচালনার জন্য একেকটি অঞ্চলে ১২০০ কর্মী একযোগে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

রাজধানীর বনানীতে শনিবার ‘শহিদ যায়ান চৌধুরী’ খেলার মাঠের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে নিউজবাংলাকে এ কথা বলেন তিনি।

‘বর্তমানে সমস্ত অঞ্চলে আমাদের মশক কর্মীরা কাজ করছেন। তাদের আরও মনিটরিংয়ের জন্য ইনটেনসিভ একটা ক্রাশ প্রোগ্রাম অঞ্চলভিত্তিক করব। অর্থাৎ ১০টা অঞ্চল থেকে সকলকে একটি অঞ্চলে নিয়ে আসব। একেকটি অঞ্চল ধরে কাজ করব।’

আতিকুল বলেন, ‘আমরা যে মশা মারছি সেটা দেখার জন্য পৃথক একটা পরিদর্শক টিম তৈরি করছি। তারা দেখবে কোন কোন জায়গায় লার্ভা আছে। কোথায় কোথায় কাজ হচ্ছে, কোথায় কাজ হচ্ছে না। ১০ দিন ১০টা অঞ্চলে এ কার্যক্রম চলবে।’

ডিএনসিসি মেয়র জানান, ক্রাশ প্রোগ্রামের শুরুর জন্য বেছে নেয়া হয়েছে মিরপুর অঞ্চলকে। ১২০০ কর্মী সেদিন কাজ করবে। ওই দিন সামাজিক সংগঠনসহ সবার সহযোগিতা চাওয়া হবে।

‘ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডে আমাদের কর্মীরা কাজ করে। ওই দিন তারা একটি অঞ্চলে করবে। এ রকম করে ১০টি অঞ্চলে কাজ করা হবে।’

এর আগে মশক নিধনে জলাশয়গুলোতে ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে ক্রাশ প্রোগ্রামে এর ব্যবহার থাকছে না বলে জানালেন মেয়র।

তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন আমাদের অঞ্চলে (ডিএনসিসি) প্রচুর জলাশয় রয়েছে, ডোবা রয়েছে। সেসব জলাশয় ডোবায় মশার ওষুধ সঠিকভাবে প্রয়োগ হচ্ছে না। সে জন্য আমরা ড্রোন নিয়ে পরীক্ষামূলক কাজ শুরু করেছি। এটা নিয়ে আরও সার্ভে করা হবে।’

গত মঙ্গলবার ঢাকা উত্তর সিটি থেকে জানানো হয়েছিল, শুক্রবার ব্যতীত ৮ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় কিউলেক্স মশা নিধনে ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু হবে। এই ক্রাশ প্রোগ্রামে ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলের সব মশক নিধনকর্মী এবং যান-যন্ত্রপাতি একটি অঞ্চলে নিয়ে একদিন করে মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হবে।

বনানীতে ‘শহিদ যায়ান চৌধুরী’ খেলার মাঠ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং এবং বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এডাল্টিসাইডিং করা হবে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযানও চলবে। ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হবে।

৮ মার্চ মিরপুর-২ অঞ্চল (অঞ্চল-২), ৯ মার্চ মিরপুর-১০ অঞ্চল (অঞ্চল-৪), ১০ মার্চ কারওয়ান বাজার অঞ্চল (অঞ্চল-৫), ১১ মার্চ মহাখালী অঞ্চল (অঞ্চল-৩), ১৩ মার্চ ভাটারা অঞ্চল (অঞ্চল ৯) ও সাতারকুল অঞ্চল (অঞ্চল-১০), ১৪ মার্চ উত্তরা অঞ্চল (অঞ্চল-১), ১৫ মার্চ দক্ষিণখান অঞ্চল (অঞ্চল-৭) ও উত্তরখান অঞ্চল (অঞ্চল-৮) ও ১৬ মার্চ হরিরামপুর অঞ্চলে (অঞ্চল-৬) এই অভিযান পরিচালিত হবে।

আরও পড়ুন:
নতুন করে প্রণোদনা চান পোশাক মালিকেরা
ক্ষুদ্রশিল্পের প্রণোদনার ঋণ বিতরণে আরও ১ মাস
৩ ব্যাংক থেকে প্রণোদনার তহবিল পাবে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান
বৃহৎ শিল্পে প্রণোদনা বেড়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা
প্রণোদনা বাস্তবায়নের গতি ধীর এখনও

শেয়ার করুন

জিয়ার খেতাব নিয়ে সিদ্ধান্ত তদন্তের পর: মোজাম্মেল

জিয়ার খেতাব নিয়ে সিদ্ধান্ত তদন্তের পর: মোজাম্মেল

জাতীয় প্রেস ক্লাবে শনিবার বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিন ৭ মার্চকে সামনে রেখে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। ছবি: নিউজবাংলা

মন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের শুধু সুপারিশ করা হয়েছে, সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা একটি তদন্ত কমিটি করে দিয়েছি। দুই মাসের মধ্যে তারা দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর কমিটিতে আলোচনা হবে। চুলচেরা আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তদন্তের পর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে শনিবার বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিন ৭ মার্চ সামনে রেখে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের শুধু সুপারিশ করা হয়েছে, সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা একটি তদন্ত কমিটি করে দিয়েছি। দুই মাসের মধ্যে তারা দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করবে।

‘রিপোর্ট পাওয়ার পর কমিটিতে আলোচনা হবে। চুলচেরা আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘আমদের মিটিংয়ে কিছু লোকের খেতাব বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। এরা হচ্ছেন আত্মস্বীকৃত খুনি, আদালতে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি। আলোচনা হয়েছিল, বঙ্গবন্ধুর খুনের সঙ্গে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন। অনেকে অনেক উদাহরণ ও তথ্য দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ পত্রিকায় লিখেছেন এটা বাতিলের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে, কেউ কেউ বলেছেন কমিটি করা হয়েছে। আমি চেষ্টা করেছি মিডিয়ায় বিষয়টা পরিষ্কার করতে। আমরা খেতাব বাতিল করি নাই।

‘সিদ্ধান্ত হয়েছিল তদন্ত কমিটি খুঁজে বের করবে তিনি (জিয়াউর রহমান) কবে, কোথায়, কীভাবে খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এটা বের করার পর আমরা জাতির সামনে পেশ করব।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। গত ৯ ফেব্রুয়ারি জামুকার ৭২তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি শরিফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জামুকার সভা শেষে বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও জামুকা সদস্য শাজাহান খান।

তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনের মদতদাতা। সেই হিসেবে পাঁচজনের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের মধ্যে শরিফুল হক ডালিম ‘বীর উত্তম’, নূর চৌধুরী ‘বীর বিক্রম’, রাশেদ চৌধুরী ‘বীর প্রতীক’ ও মোসলেহ উদ্দিন ‘বীর প্রতীক’ খেতাব পেয়েছিলেন।

জামুকার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে জানতে চাইলে শাজাহান খান বলেন, ‘তাদের নামের পাশে যে খেতাব আছে, তারা যেসব সুযোগসুবিধা পায়, সমস্ত কিছু বাদ দেবে মন্ত্রণালয়।’

জামুকার এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে জিয়াউর রহমানসহ খেতাব বাতিল হওয়া বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ও তাদের পরিবার মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় কোনো সুযোগসুবিধা পাবে না।

এ বিষয়ে জামুকার মহাপরিচালক জহুরুল ইসলাম রোহেল বলেছিলেন, ‘জামুকার বৈঠকে সদস্যরা বিস্তারিত আলোচনার পর এই পাঁচজনের খেতাবের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন আমরা প্রস্তাব আকারে তা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’

আরও পড়ুন:
নতুন করে প্রণোদনা চান পোশাক মালিকেরা
ক্ষুদ্রশিল্পের প্রণোদনার ঋণ বিতরণে আরও ১ মাস
৩ ব্যাংক থেকে প্রণোদনার তহবিল পাবে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান
বৃহৎ শিল্পে প্রণোদনা বেড়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা
প্রণোদনা বাস্তবায়নের গতি ধীর এখনও

শেয়ার করুন

৭ মার্চের ভাষণের তাৎপর্য অনেক গভীর: খালিদ

৭ মার্চের ভাষণের তাৎপর্য অনেক গভীর: খালিদ

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এ কে এম খালিদ। ছবি: নিউজবাংলা

শিল্পকলা একাডেমির নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ৭ মার্চ উদযাপনে পরিকল্পনার কথা জানান। এর মধ্যে রয়েছে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের তাৎপর্য অনেক গভীর বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এ কে এম খালিদ।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ৭ মার্চ উদযাপনের প্রস্তুতি ও কর্মসূচি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এ ভাষণের তাৎপর্য ও গুরুত্ব অনেক বেড়েছে।

‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সমার্থক শব্দ। ৭ মার্চের ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতার লক্ষ্য অর্জনে বঙ্গবন্ধুর লড়াইয়ের চূড়ান্ত আহ্বান। এই ভাষণে ছিল মুক্তিযুদ্ধের সর্বাত্মক প্রস্তুতির পূর্ণ দিকনির্দেশনা। এ ভাষণ প্রকৃত অর্থেই ছিল বাঙালির স্বাধীনতার ঘোষণা।’

৭ মার্চ জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপনে ঢাকাসহ সব জেলা-উপজেলা প্রশাসন ও শিল্পকলা একাডেমিতে নানা আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।

শিল্পকলা একাডেমির নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী দিবসটি উদযাপনে পরিকল্পনার কথা জানান। এর মধ্যে রয়েছে ৭ মার্চ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিকেল ৩টায় আয়োজন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান। এতে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার ও ডকুড্রামাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন হবে।

এ ছাড়া রয়েছে শিশু-কিশোরসহ সারাদেশের আবৃত্তিশিল্পীদের নিয়ে আবৃত্তি অনুষ্ঠান, সংগীত শিল্পী, নিত্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বঙ্গবন্ধুর জীবন নিয়ে নাটক, চলচ্চিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সব জেলায় বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, আবৃত্তি, চিত্রাংকন, সংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব বদরুল আরেফিন ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকিত আলী লাকী।

আরও পড়ুন:
নতুন করে প্রণোদনা চান পোশাক মালিকেরা
ক্ষুদ্রশিল্পের প্রণোদনার ঋণ বিতরণে আরও ১ মাস
৩ ব্যাংক থেকে প্রণোদনার তহবিল পাবে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান
বৃহৎ শিল্পে প্রণোদনা বেড়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা
প্রণোদনা বাস্তবায়নের গতি ধীর এখনও

শেয়ার করুন

‘জলিল ছিলেন নওগাঁর গণমানুষের নেতা’

‘জলিল ছিলেন নওগাঁর গণমানুষের নেতা’

সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল। ছবি: নিউজবাংলা

বাবার স্মৃতিচারণায় নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন জলিল জন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার পিতা আব্দুল জলিল আধুনিক নওগাঁর রূপকার। জেলার সকল উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে তার অবদান রয়েছে।’

সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিলের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী পালনে নওগাঁঁয় নেয়া হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি।

প্রয়াত নেতার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ সদর উপজেলার চকপ্রাণ মহল্লায় শনিবার তার কবরে শ্রদ্ধা জানানোর পর কোরআন খতম, মিলাদ মাহফিল ও মরহুমের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জোহরের নামাজের পর শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে দোয়া ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছে।

নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার পিতা আব্দুল জলিল আধুনিক নওগাঁর রূপকার। জেলার সকল উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে তার অবদান রয়েছে।

‘শুধু তাই নয়, জাতীয় পর্যায়ে তিনি অনেক গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ছিলেন নওগাঁর গণমানুষের নেতা।’

আব্দুল জলিলের জন্ম ১৯৩৯ সালের ২১ জানুয়ারি নওগাঁ সদর উপজেলার চকপ্রাণ মহল্লায়। ১৯৫৭ সালে তিনি নওগাঁ কেডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন, ১৯৬০ সালে বগুড়া আজিজুল হক কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট, ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ (সম্মান) এবং ১৯৬৪ সালে এমএ পাস করেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় জলিল ৭ নম্বর সেক্টরের মুখ্য সমন্বয়কারী ছিলেন। ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে নওগাঁ সদর আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন। পরপর দুইবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক, ১৯৯৬ সালে প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ২০০২ সালে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

২০০০ সালে তিনি বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। সর্বশেষ তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

২০১৩ সালের ৬ মার্চ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় এই নেতার।

আরও পড়ুন:
নতুন করে প্রণোদনা চান পোশাক মালিকেরা
ক্ষুদ্রশিল্পের প্রণোদনার ঋণ বিতরণে আরও ১ মাস
৩ ব্যাংক থেকে প্রণোদনার তহবিল পাবে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান
বৃহৎ শিল্পে প্রণোদনা বেড়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা
প্রণোদনা বাস্তবায়নের গতি ধীর এখনও

শেয়ার করুন

ত্বকীর খুনিদের ধরছে না প্রশাসন: রফিউর রাব্বি

ত্বকীর খুনিদের ধরছে না প্রশাসন: রফিউর রাব্বি

ত্বকী হত্যার আট বছর পূর্তিতে নারায়ণগঞ্জ নগরীর ডিআইটিতে সমাবেশ। ছবি: নিউজবাংলা

‘আজমেরী ওসমান গভীর রাতে শহরে বিকট শব্দে গাড়ি চালিয়ে মহড়া দেন। এটা স্থানীয়রাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও দেখে। তিনি খানপুর, জামতলা ও লিংক রোডে অবস্থান করেন। কিন্তু তাকে নাকি খুঁজে পাওয়া যায় না।’

নারায়ণগঞ্জে কিশোর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীর খুনিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদের প্রশাসন ধরছে না বলে অভিযোগ করেছেন তার বাবা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি।

ত্বকী হত্যার আট বছর পূর্তিতে শুক্রবার নগরীর ডিআইটিতে এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেন, ‘কতটা পাষণ্ড হলে ত্বকীর মতো এক মেধাবী কিশোরকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। কারা, কীভাবে ত্বকীকে হত্যা করেছে, তা প্রধানমন্ত্রী জানেন। তিনি চাইলে বিচার হবে।’

সমাবেশে সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি বলেন, ‘এখনও র‌্যাব মামলার অভিযোগপত্র দেয়নি। সরকার চায় না বলে ত্বকীর বিচার হয় না। যদি প্রধানমন্ত্রী চান, তাহলে ত্বকী হত্যার বিচার হবে, অন্যথায় সম্ভব নয়।’

এ-লেভেল প্রথম পর্বের পরীক্ষায় সারা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছিল ত্বকী। ছবি আঁকা, কবিতা লেখা আর বই পড়া নিয়ে ব্যস্ত থাকত।

ত্বকী ২০১৩ সালের ৬ মার্চ বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় রাতেই সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা রফিউর রাব্বি। দুই দিন পর ৮ মার্চ নগরীর চারারগোপ এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে ত্বকীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। ফাইল ছবি

এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পরদিন নারায়ণগঞ্জে হরতাল ডাকা হয়। ত্বকীর বাবা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে পুলিশ তদন্ত করলেও ত্বকীর বাবার আবেদনে উচ্চ আদালতের নির্দেশে র‌্যাব মামলার তদন্ত করছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানতে চাইলে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, পুলিশ ও র‌্যাব ত্বকী হত্যায় জড়িত পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে ইউসুফ হোসেন লিটন ও সুলতান শওকত ভ্রমর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

২০১৩ সালের ৭ আগস্ট শহরের আল্লামা ইকবাল রোডে ও জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের ছেলে ও সাংসদ শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমানের কথিত সেই টর্চার সেলে অভিযান চালায় র‌্যাব। উদ্ধার করা হয় রক্তমাখা প্যান্ট, ধারালো অস্ত্রসহ নির্যাতনে ব্যবহার করা নানা উপকরণ।

কথিত টর্চার সেল থেকে উদ্ধার রক্তমাখা প্যান্ট। ফাইল ছবি

২০১৪ সালের ৫ মার্চ র‌্যাবের তৎকালীন অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসান গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছিলেন, এই দুই আসামি জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, আজমেরী ওসমানসহ ১১ জন ত্বকী হত্যায় অংশ নেন। খসড়া অভিযোগপত্রও প্রস্তুত। শিগগিরই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হবে।

কিন্তু এখনও এই হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দেয়নি র‌্যাব।

ত্বকী হত্যা মামলার আইনজীবী প্রদীপ ঘোষ শুক্রবার নিউজবাংলাকে জানান, গ্রেপ্তার সালে রহমান সীমান্ত, ইউসুফ হোসের লিটন, তায়েব উদ্দিন আহম্মেদ জ্যাকি ও রিফাত বিন ওসমান আদালতে হাজিরা দেন। তবে আদালত থেকে জামিন নিয়ে সুলতান শওকত ভ্রমর বিদেশে পালিয়ে গেছেন। এ মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে র‌্যাবের তৎপরতা নেই।

র‌্যাবের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ নিউজ বাংলাকে জানান, ত্বকী হত্যা একটি চাঞ্চল্যকর মামলা। এ মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয়ার জন্য ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের জন্য তদন্ত করছে র‌্যাব। তদন্ত শেষে যথা সময়ে আদালতে চার্জশিট দেয়া হবে।

২০১৮ সালের ২ ডিসেম্বর হারুন অর রশীদ নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেয়ার পর আজমেরীকে প্রায় এক বছর দেখা যায়নি। তবে ২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর হারুন বদলি হওয়ার পর তিনি আবার ফিরে আসেন নারায়ণগঞ্জে।

আজমেরী প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ান বলে জানিয়েছেন ত্বকী মঞ্চের সদস্য ও সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) মহানগর সম্পাদক ধীমান সাহা জুয়েল। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আজমেরী গভীর রাতে শহরে বিকট শব্দে গাড়ি চালিয়ে মহড়া দেন। এটা স্থানীয়রাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও দেখে। তিনি খানপুর, জামতলা ও লিংক রোডে অবস্থান করেন। কিন্তু তাকে নাকি খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রশাসন চাইলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।’

শুক্রবার সমাবেশে ত্বকীর রফিউর রাব্বি বলেন, ‘খুনের রাজনীতি নারায়ণগঞ্জে ওই ওসমান পরিবার করে। ওসমান পরিবার মনে করে, আধিপত্য বিস্তারের জন্য লাশ না ফেলে উপায় নাই। ছাত্রলীগের মিঠুকে জামতলায় দুপুরে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে আজমেরী ওসমান। এ মামলা পুলিশ নেয়নি। যখন আজমেরী ওসমানের নাম বাদ দেয়া হয় তখন মামলা নিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আইন তার নিজস্ব গতিতে চলছে না। তাই আইনকে তার নিজস্ব গতিতে আনার আন্দোলন চলবে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই নারায়ণগঞ্জে খুনিদের রাজনীতি কখন হবে না। আমরা যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন নারায়ণগঞ্জে ওসমান পরিবারের খুনের রাজনীতি করতে দেব না। এই নারায়ণগঞ্জ মানুষের নারায়ণগঞ্জ হবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নারায়ণগঞ্জ হবে।’

আরও পড়ুন:
নতুন করে প্রণোদনা চান পোশাক মালিকেরা
ক্ষুদ্রশিল্পের প্রণোদনার ঋণ বিতরণে আরও ১ মাস
৩ ব্যাংক থেকে প্রণোদনার তহবিল পাবে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান
বৃহৎ শিল্পে প্রণোদনা বেড়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা
প্রণোদনা বাস্তবায়নের গতি ধীর এখনও

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg