‘আপত্তিকর’ পোস্ট ডিলিটে ফেসবুকের ওপর চটেছেন আজহারী

আলোচিত ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী। ফাইল ছবি

‘আপত্তিকর’ পোস্ট ডিলিটে ফেসবুকের ওপর চটেছেন আজহারী

অভিমান করে আজহারী লেখেন, ‘ভাবছি, এখন থেকে ফুল, পাখি আর লতাপাতা নিয়ে স্ট্যাটাস দিব। তাহলে তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের এগেইনস্টে যাবে না।’

নীতিমালা লঙ্ঘন করে পোস্ট দেয়ায় আলোচিত ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর পেজের পোস্ট দ্বিতীয়বারের মতো ডিলিট করে দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি তার পেজ ২৪ ঘণ্টার জন্য ব্লকও করা হয়।

এই তথ্য নিজে তার পেজে দিয়েছেন আজহারী। তিনি অভিমান করে লিখেছেন, এখন থেকে কেবল সাধারণ বিষয়ে লেখালেখি করবেন।

আলোচিত এই ধর্মীয় বক্তা কী বিষয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন, তা অবশ্য জানা যায়নি। তবে ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী বেশ কিছু বিষয়ে লেখালেখি করা যায় না। এর মধ্যে আছে ধর্মীয় ও জাতিগত বিদ্বেষমূলক লেখা, ভুয়া সংবাদ, মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন, কাউকে হেয় করা, বিপজ্জনক হতে পারে এমন আধেয়, সহিংসতা বা উগ্রতা উসকে দিতে পারে এমন কিছু বা অপরাধের প্রচারসহ ২৫ ধরনের পোস্ট।

ব্লক উঠিয়ে নেয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে মালয়েশিয়ায় অবস্থানকারী আজহারী নিজেই আরেকটি পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পোস্টটি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ডিলিট করার পর অনুসারীরা নানাভাবে আজহারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আলাদাভাবে জবাব না দিয়ে পেজ ফিরে পাবার পর ফেসবুকেই এর ব্যাখ্যা দেন তিনি।

এই ধর্মীয় বক্তা লেখেন, ‘অনেকেই জানতে চেয়েছেন যে, আপনার (আজহারী) সর্বশেষ পোস্টটি আপনার পেইজে এখন আর দেখা যাচ্ছে না কেন? পোস্টটি কি আপনি ডিলিট করে দিয়েছেন?

আসলে, ফেইসবুক অথরিটি নিজেই দ্বিতীয়বারের মতো, আমার গত পরশু রাতে দেয়া পোস্টটি ডিলিট করে দিয়েছে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘পোস্টটির লেখাগুলো নাকি তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের এগেইনস্টে যায়। পাশাপাশি, এবার ফেইসবুক—২৪ ঘণ্টার জন্য আমার পেইজ এক্টিভিটিও টেমপোরারিলি ব্লক করে দিয়েছিল। কিছুক্ষণ আগে সেটা এক্সপায়ার করেছে। কবে না জানি আবার পেইজটাই ডিলিট করে দেয়!’

অভিমান করে আজহারী লেখেন, ‘ভাবছি, এখন থেকে ফুল, পাখি আর লতাপাতা নিয়ে স্ট্যাটাস দিব। তাহলে তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের এগেইনস্টে যাবে না।’

আজহারী নামে পরিচিত হয়ে উঠা এই বক্তার নাম মিজানুর রহমান। তিনি দেশে মাদ্রাসায় পড়াশোনা শেষ করে মিশরের আল আজহার ইউনিভার্সিটিতে উচ্চ শিক্ষা নিয়েছেন। এরপর তিনি নামের সঙ্গে আজহারী যুক্ত করেন। এই নামেই পরিচিত হয়ে উঠেছেন এখন।

ভিন্নধর্মী উপস্থাপনার কারণে দেশে ওয়াজ মাহফিলে দ্রুতই জনপ্রিয়তা পান তিনি। তবে মানবতাবিরোধী অপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে বক্তব্য দিয়ে তিনি সমালোচিত হয়েছেন।

গত মার্চে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর একে আল্লাহর সৈনিক আখ্যা দিয়েছিলেন। বলেন, ইসলামী অনুশাসন মানলে এই ভাইরাস কিছু করতে পারবে না। যদিও মালয়েশিয়ায় নিজে কোয়ারেন্টিনে ছিলেন।

বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় বিষয়ে বেশ কিছু আপত্তিকর বক্তব্য দিয়ে একাংশের রোষেও পড়েছেন তিনি। আর এ জন্য পরে ফেসবুকে এসে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

২০২০ সালের শুরুতে তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে মালয়েশিয়ায় চলে যান। সেখান থেকে মূলত সামাজিক মাধ্যমে তার বক্তব্য প্রচার করছেন।

আরও পড়ুন:
রাজনীতিতে আস্ফালন, ভোটে ‍শূন্য
ইসলামিক ব্যাংকিংয়ে যাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড-এনআরবি
হেফাজত মহাসচিব কাসেমী আর নেই

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ছুরিকাঘাতে নিহত যুবক মো. ইমন। ছবি: নিউজবাংলা

নিহত ২৭ বছরের যুবক মো. ইমন মুক্তিযোদ্ধা কলোনির নুর কাশেমের ছেলে। বায়েজিদ বোস্তামী থানার এসআই ছোটন সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন

চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার মুক্তিযোদ্ধা কলোনিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ছুরিকাঘাতে সংগঠনের এক কর্মী নিহত হয়েছেন।

রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ২৭ বছরের যুবক মো. ইমন মুক্তিযোদ্ধা কলোনির নুর কাশেমের ছেলে।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার এসআই ছোটন সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার নিউজবাংলাকে বলেন, ছুরিকাঘাতে আহত এক যুবককে রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ইমনের বন্ধু মোহাম্মদ ইয়াছিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি, ইমনসহ কয়েকজন মিলে মুক্তিযোদ্ধা কলোনির খলিলের দোকানে বসে কোল ড্রিংক খাচ্ছিলাম। এই সময় হঠাৎ করে ৫০-৬০ লোক এসে ধর ধর চিৎকার করে আমাদেরকে ধাওয়া করে।

‘তাদের হাতে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র ছিল। তাদের ধাওয়া খেয়ে আমরা দৌঁড়ে পালাই। কিন্তু ইমনকে তারা ধরে ফেলে। দূর থেকে দাঁড়িয়ে আমরা দেখছিলাম, ইমনকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর শুরু করে হামলাকারীরা। একপর্যায়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে তারা চলে যায়। পরে এসে দেখি ইমন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে।’

নিহত ইমন সদ্য ঘোষিত বায়েজিদ থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী। তিনি চট্টগ্রাম সরকারি পলিটেকনিক কলেজ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তানজির আহমেদের কর্মী বলে এলাকায় পরিচিত।

অন্যদিকে হামলাকারীরা হচ্ছে চট্টগ্রাম সরকারি পলিটেকনিক কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আবু মহিউদ্দীনের অনুসারী।

হামলার ব্যাপারে জানতে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আবু মহিউদ্দীনকে একাধিকবার ফোন করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন:
রাজনীতিতে আস্ফালন, ভোটে ‍শূন্য
ইসলামিক ব্যাংকিংয়ে যাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড-এনআরবি
হেফাজত মহাসচিব কাসেমী আর নেই

শেয়ার করুন

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে ১৪ পদে লড়ছেন ৫১ প্রার্থী

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে ১৪ পদে লড়ছেন ৫১ প্রার্থী

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২১-২২ বছরের নির্বাচনে ১০ ও ১১ মার্চ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে ৭ হাজার ৭২২ জন আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি (সুপ্রিম কোর্ট বার) নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। প্রচারও উঠেছে জমে। নির্বাচনে ১৪টি পদের বিপরীতে ৫১ জন প্রার্থী হয়েছেন।

রোববার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে প্রার্থী পরিচিতি হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২১-২২ বছরের নির্বাচনে ১০ ও ১১ মার্চ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে ৭ হাজার ৭২২ জন আইনজীবী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন নির্দলীয় হলেও অঘোষিতভাবে এবারও সরকারে থাকা আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত আইনজীবীদের দুটি আলাদা প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। দুই দলের সমর্থকদের মধ্য থেকে বিদ্রোহী প্রার্থীও হয়েছেন অনেকেই।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ থেকে সভাপতি পদে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু এবং সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট আবদুল আলীম মিয়া জুয়েলকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের (নীল প্যানেল) সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে সভাপতি এবং সম্পাদক পদে বারের বর্তমান সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল পেয়েছেন মনোনয়ন।

এটি ছাড়াও বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে আরেকটি প্যানেলে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট ওয়ালিউর রহমান খান এবং সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মির্জা আল মাহমুদ নির্বাচন করছেন।

এ ছাড়া লাল প্যানেল নামে আরেকটি প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে। ওই প্যানেলে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট কে এম জাবির ও সম্পাদক পদে গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর বাইরেও সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী আকন্দ স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী হয়েছেন।

নির্বাচনের প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানে আওয়ামী সমর্থিত সাদা প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী আবদুল মতিন খসরু বলেন, ‘আপনারা যদি আমাকে একটা ভোট দেন। আমি চেষ্টা করব কিছু করতে। আইনজীবী ভবনসহ আইনজীবীদের জন্য সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাব। আইনজীবীদের জন্য জায়গা সংকট হচ্ছে সেটি দূর করতে চেষ্টা করব।’

বিএনপি সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেন, ‘এ দেশে টাকাপয়সা ক্ষমতাই শেষ কথা নয়। শেষ কথা হলো আইন, মানবাধিকার, আইনের শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাব। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে সহায়তা করবেন।’

সম্পাদক পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুল আলীম মিয়া জুয়েল বলেন, ‘নবীন আইনজীবীরা এই বারের ভবিষ্যৎ। এই বার থেকেই দেশের বড় বড় আইনজীবী হয়েছেন, বিখ্যাত হয়েছেন। আইনজীবীদের বসার জায়গা সংকট নিরসনে কাজ করে যাব। আমি যদি নির্বাচিত হই, তাহলে আইনজীবীদের যে প্রধান সমস্যা জায়গা সংকট এবং উচ্চ আদালতের নিয়মিত বেঞ্চ চালু করার উদ্যোগ নেব।’

অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের মনোনীত সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল গত বছরে তার উন্নয়নের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ‘আগামীতেও যদি তিনি নির্বাচিত হন তাহলে উন্নয়নের সে ধারা অব্যাহত রাখব।’

আইনজীবীদের বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

আওয়ামী সমর্থিত সাদা প্যানেল

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ থেকে (সাদা প্যানেল) এ বছর নির্বাচনে সভাপতি পদে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট আবদুল আলীম মিয়া জুয়েল প্রার্থী হয়েছেন। এ প্যানেলের অন্য প্রার্থীরা হলেন সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শফিক উল্ল্যা ও অ্যাডভোকেট আলী আজম, কোষাধ্যক্ষ ইকবাল করিম, সহসম্পাদক ব্যারিস্টার সাফায়েত সুলতানা রুমি ও অ্যাডভোকেট নুরে আলম উজ্জ্বল। সদস্য পদে অ্যাডভোকেট মিন্টু কুমার মণ্ডল, ব্যারিস্টার মুনতাসীর উদ্দিন আহমেদ, ব্যারিস্টার সানোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট এবিএম শিবলী সালেকীন, অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক, অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন আহমেদ, অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান রোমান।

বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল

বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে সভাপতি এবং সম্পাদক পদে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল প্রার্থী হয়েছেন।

এ ছাড়া দুটি সহসভাপতি পদে জয়নাল আবেদিন তুহিন ও জালাল আহমেদ, দুটি সহ-সম্পাদক পদে মাহমুদ হাসান ও রাশিদা আলম ঐশী, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাহবুব এবং সাতটি সদস্য পদে মনজুরুল আলম সুজন, শফিকুল ইসলাম শফিক, গোলাম মোহাম্মদ জাকির, পারভীন কাওসার মুন্নি, রেদওয়ান আহমেদ রানজিব, নিয়াজ মুহাম্মদ মাহবুব ও ইফতেখার আহমেদ প্রার্থী হয়েছেন।

অন্যান্য

এর বাইরে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের মধ্য থেকে বিদ্রোহী হয়ে প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে। এ প্যানেলে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট ওয়ালিউর রহমান খান এবং সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মির্জা আল মাহমুদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া সহসভাপতি অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা এবং অ্যাডভোকেট সাবিনা ইয়াসমিন লিপি, কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান সম্রাট, সহসম্পাদক অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী জুনু এবং অ্যাডভোকেট মো. সুলতান মাহমুদ। প্যানেলের সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন অ্যাডভোকেট শাফিউর রহমান শাফি, মুনির হোসেন, অ্যাডভোকেট একেএম মুক্তার হোসেন, অ্যাডভোকেট মহিত উদ্দিন জুবায়ের, আকবর হোসেন, ওয়ালিউর রহমান শুভ ও নাজমুল হাসান।

সব ছাড়িয়ে এবার রেড প্যানেল নামে ভিন্ন আরেকটি প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে।

এ প্যানেলে সভাপতি পদে কে এম জাবির, সম্পাদক পদে গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, সহসভাপতি পদে নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পদে বদিউজ্জামান তপাদার, সহসম্পাদক পদে সাজ্জাদ হোসেন, সদস্য পদে শহিদুল হক, এস কে এম আনিসুর রহমান খান, জহিরুল আলম বাবর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

নির্বাচনে এবারও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ড. ইউনুছ আলী আকন্দ।

আরও পড়ুন:
রাজনীতিতে আস্ফালন, ভোটে ‍শূন্য
ইসলামিক ব্যাংকিংয়ে যাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড-এনআরবি
হেফাজত মহাসচিব কাসেমী আর নেই

শেয়ার করুন

মানব উন্নয়ন সূচকে অগ্রগতি বিস্ময়কর: মুহিত

মানব উন্নয়ন সূচকে অগ্রগতি বিস্ময়কর: মুহিত

আবুল মাল আব্দুল মুহিত

মুহিত বলেন, ‘টানা ১০ বছর দায়িত্ব পালনের শুরুর বছর যে বাজেট আমি জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ১০ বছর পর বিদায়ের বছরে তার আকার পাঁচ গুণ বেড়েছিল। আমি সব সময়ই এটাকে গুরুত্ব দেয়ার চেষ্টা করেছি। কারণ মানুষের জন্য কাজ করার বড় নির্দেশক হিসাবে কাজ করে এই বাজেট।’

দীর্ঘদিনের অবসরে এক দশকের ব্যস্ত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। গণমাধ্যমের ডামাডোল-হইচইয়ে একসময় অভ্যস্ত এই প্রবীণ রাজনীতিক অনেকদিন ধরেই নেই বুম-মাইক্রোফোন-ক্যামেরা-ফ্ল্যাশের জগতে। সেই তিনিই ৭ মার্চের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সরব হলেন সহোদর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের অনুরোধে।

রোববার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ‘ঐতিহাসিক সাতই মার্চ এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের অভিযাত্রা’ শীর্ষক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন সাবেক এই আমলা ও মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক সূচক একই সময়ে জোরালো সমর্থন পেয়েছে মানবিক সূচকের। মানব উন্নয়ন সূচকেও আমাদের অগ্রগতি বিস্ময়কর। যদিও আমরা এখনও মাঝ পর্যায়ে আছি। আমরা এখনও শ্রীলঙ্কা থেকে পিছিয়ে। এখানে আমাদের অধিক মনোযোগ দেয়া দরকার।’

বক্তৃতায় তিনি স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশের ক্রম উন্নতির বিভিন্ন খণ্ড চিত্র তুলে ধরেন। তিনি ক্ষুধা, পুষ্টি, মানবিকতা, রপ্তানি, কৃষি ও বাজেটের অগ্রগতির ধাপগুলোর বর্ণনা দেন।

আমলাজীবনের অভিজ্ঞতা থেকে এক মর্মস্পর্শী বর্ণনায় তিনি বলেন, ‘একসময় বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ সফরের সময় আমার কোলেই একটি শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছিল। তার মৃত্যু হয়েছিল ক্ষুধায়। ক্ষুধা ও অপুষ্টির শিকার ওই শিশুকে জাউ খাওয়াতে চাইলেও সে খেতে পারেনি। আমার কোলেই শিশুটির মারা গিয়েছিল। আমি তার নিথর শরীর কোলে নিয়ে স্তব্ধ হয়ে বসেছিলাম।’

এমন নানা অভিজ্ঞতা, ঘাত-প্রতিঘাতের শিক্ষা তিনি তার ১০ বছরের অর্থমন্ত্রিত্বকালে কাজে লাগিয়েছেন বলে জানান।

মুহিত বলেন, ‘টানা ১০ বছর দায়িত্ব পালনের শুরুর বছর যে বাজেট আমি জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ১০ বছর পর বিদায়ের বছরে তার আকার পাঁচ গুণ বেড়েছিল। আমি সব সময়ই এটাকে গুরুত্ব দেয়ার চেষ্টা করেছি। কারণ মানুষের জন্য কাজ করার বড় নির্দেশক হিসাবে কাজ করে এই বাজেট। যেটাকে আমরা ওই সময়েই ৫০০ শতাংশ বাড়াতে পেরেছিলাম।’

বিগত ৫০ বছরে দেশের খাতভিত্তিক বিপ্লবের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সার ও লোহা প্রভৃতি শিল্প খাতে ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে। আমরা খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে পেরেছি। দারিদ্র্যের সীমা ৭০ ভাগ থেকে ২২ শতাংশে নামাতে পেরেছি। অতি দরিদ্রের হারও নেমে এসেছে মাত্র ১০ শতাংশে।

তিন মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি বাজারের এখনকার আকার ৪০ বিলিয়ন ডলার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রপ্তানি খাত বিকাশে পোশাক খাত নেতৃত্বের আসনে থেকে এ খাতে বাংলাদেশ বিশ্বের এক নম্বর হয়ে ওঠার লড়াইয়ে আছে। অন্যান্য রপ্তানি খাতেও বাংলাদেশের অগ্রগতি হয়েছে। কেবল তৈরি পোশাক নয়, ওষুধ এখন আমাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানিপণ্য। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে (১৮৬) আমরা ওষুধ রপ্তানি করি। এমনকি সবচেয়ে কঠিন ওষুধ প্রশাসনের দেশ যুক্তরাষ্ট্রেও আমরা রপ্তানির অনুমতি পেয়েছি।

দেশের অর্থ-বাণিজ্যের এই উল্লম্ফনের মূলে শেখ হাসিনার সাহসী পদক্ষেপ উল্লেখ করে সাবেক অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগে উন্মুক্ত সীমান্তনীতি নেয়ার কারণেই বিপুল সম্ভাবনার দ্বার খুলে গেছে। যদিও বিএনপিসহ অন্যান্য দল শুরুতে বিরোধিতা করেছিল, পরে তারাও বিষয়টি মেনে নেয় এবং বুঝতে পারে উন্মুক্ত সীমান্ত হলে আমাদের জন্য বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ এর মাধ্যমে আমরা আশপাশের ছয়টি দেশে রপ্তানির সুযোগ তৈরি করতে পারি।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা কেবলই শুরুর দিকে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নদীপথগুলো সচল করার মাধ্যমে বাণিজ্যের সুযোগ বিপুল পরিমাণে বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার আধুনিক প্রযুক্তিকে অর্থনৈতিক অগ্রগতির কাজে লাগিয়েছে।’

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘অর্থনৈতিক ‍উন্নতি ও বিনিয়োগের সুযোগ বিদেশের মাটিতে তুলে ধরতে বাংলাদেশ মিশনগুলোকে বড় ভূমিকা রাখতে হবে।’

মুহিত
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। ছবি: নিউজবাংলা

মিশনপ্রধানদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিনিয়োগের যে সহায়ক পরিবেশ আছে, তার প্রচার অনেক সময় ঠিকমতো হয় না। আপনাদের দায়িত্ব হবে বিদেশের বিভিন্ন সংস্থা, জনগণ ও বাংলাদেশি বংশধরদের সঙ্গে মিলে জানান দেয়া— বাংলাদেশ হচ্ছে সম্ভাবনার দেশ।’

তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেটে বাংলাদেশের শ্রমিক বলতে একজন নারী ইট ভাঙছে এবং তার পাশে শিশু। কিন্তু এই অবস্থা তো এখন আর নেই। বিশ্বে পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক কারখানার মধ্যে সাতটি বাংলাদেশের। কিন্তু দুঃখ লাগে সেই ছবি আমি দেখি না। কৃষি যখন দেখায়, তখন দেখায় লাঙল দিয়ে কৃষক হালচাষ করছে। অথচ আমরা এখন এই কাজকে যান্ত্রিক করেছি।’

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

আরও পড়ুন:
রাজনীতিতে আস্ফালন, ভোটে ‍শূন্য
ইসলামিক ব্যাংকিংয়ে যাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড-এনআরবি
হেফাজত মহাসচিব কাসেমী আর নেই

শেয়ার করুন

স্যাটায়ার মানে কুৎসিত লেখা নয়: প্রধান বিচারপতি

স্যাটায়ার মানে কুৎসিত লেখা নয়: প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমেরিকায় তো মানুষ স্যাটায়ার করে, কিন্তু আমাদের এখানকার মতো কুৎসিতভাবে লেখে না। যেসব ভাষা লেখে, একজন শিক্ষিত মানুষ কীভাবে এসব ভাষা ব্যবহার করতে পারে? তাহলে শিক্ষার দাম কী হলো?’

‘দেশের মান-মর্যাদা সবার আগে’ মন্তব্য করে সবাইকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সতর্কভাবে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

তিনি বলেছেন, আমেরিকাতেও সমালোচনা করা হয়, কিন্তু আমাদের দেশে এত নগ্ন ভাষায় সমালোচনা করা হয়, যা সকলের সামনে উচ্চারণও করা যায় না। শিক্ষিত মানুষের ভাষা এমন হতে পারে না।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় এক আসামির জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানিতে রোববার এসব মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।

মামলার অভিযোগ দেখে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমাদের এখানে যেসব ভাষা ব্যবহার করা হয়, তা কীভাবে একজন শিক্ষিত লোক লিখে থাকেন? তাহলে শিক্ষার দাম কোথায় রইল।’

বেশ কয়েকটি মামলায় এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করতে দেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে কটাক্ষ ও নেতিবাচক বিভিন্ন পোস্ট ও ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে পোস্ট ও শেয়ার করার অভিযোগে সিলেট থানায় গোলাম সারোয়ারের বিরুদ্ধে গত বছরের মার্চ মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়।

এ মামলায় গত বছরের অক্টোবরে হাইকোর্ট রুল দিয়ে সারোয়ারকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেয়। পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়। রোববার আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য ওঠে।

শুনানিতে সারোয়ারের পক্ষের আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান আদালতকে বলেন, ‘এক বছর ধরে কারাগারে আছেন সারোয়ার। এই মামলায় এখন পর্যন্ত অভিযোগপত্র দেয়া হয়নি। তার হৃদযন্ত্রে চারটি স্টেন্ট পরানো আছে, স্বাস্থ্যগত কারণে জামিন চাওয়া হয়েছে।’

তখন আদালত বলে, ‘এত স্টেন্ট থাকার পরেও আপনি এসব করেন?’

তখন আসাদুজ্জামান বলেন, সারোয়ার গত ১৪ মার্চ থেকে কারাগারে আছেন। প্রায় এক বছর ধরে বিনা বিচারে কারাগারে আছেন। অভিযোগপত্র হয়নি এখনও। হাইকোর্ট মূলত মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে জামিন দিয়েছে।

তখন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘ভবিষ্যতে এগুলো করলে আর জামিন হবে না। যতই কথা বলুক। এসব বাড়াবাড়ি করে দেশের ইমেজ যদি নষ্ট করেন, দেশের ইমেজ (মর্যাদা) সবার আগে।’

আইনজীবী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘হাইকোর্ট জামিন দিলেও গত ১৮ অক্টোবর চেম্বার আদালত থেকে স্থগিতাদেশ (জামিন স্থগিত) দেয়া হয়। তারপর পাঁচ মাস হয়ে গেছে।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনি সতর্ক করবেন। আমেরিকায় তো মানুষ স্যাটায়ার করে, কিন্তু আমাদের এখানকার মতো কুৎসিতভাবে লেখে না। যেসব ভাষা লেখে, একজন শিক্ষিত মানুষ কীভাবে এসব ভাষা ব্যবহার করতে পারে? তাহলে শিক্ষার দাম কী হলো?’

এ সময় ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ বলেন, ‘শব্দচয়নগুলো খুবই কুৎসিত। শব্দচয়ন এমন সবার সামনে বলাও মুশকিল।’

পরে মামলায় সারোয়ারকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রাখে আপিল বিভাগ। এর ফলে সারোয়ারের কারামুক্তিতে আইনগত বাধা আর নেই বলে জানান তার আইনজীবী।

আরও পড়ুন:
রাজনীতিতে আস্ফালন, ভোটে ‍শূন্য
ইসলামিক ব্যাংকিংয়ে যাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড-এনআরবি
হেফাজত মহাসচিব কাসেমী আর নেই

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চর্চার আহ্বান আইজিপির

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চর্চার আহ্বান আইজিপির

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বেশি বেশি চর্চার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা

বাঙালি জাতির অস্তিত্বে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বহুবিধ ও গুণে গুণান্বিত তিনি। তাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চর্চার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক।

দেশপ্রেমকে আরও সুসংহত করতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বেশি বেশি চর্চার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ।

রোববার বিকেলে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এবং বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদাপ্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় পুলিশপ্রধান এ আহ্বান জানান। রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয়ে কাজ করতে হবে। বাঙালি জাতির অস্তিত্বে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বহুবিধ ও গুণে গুণান্বিত তিনি। তাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চর্চার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ঐক্য নিয়ে কাজ করতে হবে।’

বক্তব্যে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বেনজীর আহমেদ জানান, ১৯৭১ সালে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন তিনি। দরিদ্রতার কঠোর রূপ তিনি দেখেছেন। তিনি বলেন ‘সে সময় ক্ষুধা-দারিদ্র্য নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছিল তখনকার জনগণ। এসব দরিদ্রতার বিভীষিকাময় ইতিহাস মনে পড়লে এখনও শিহরিত হই। তবে এখন ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে, রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।’

আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সম্ভাবনাকে বাস্তব করতে ১৮ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যকে মুছে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে । এই উদযাপন অনুষ্ঠানটি দারিদ্র্যের শেকল ভাঙার উৎসব হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।

এ সময় জনসাধারণের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের ভালো আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মঈনুর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘জনসাধারণের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের আরও ভালো আচরণ করার চেষ্টা করতে হবে।’

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অপপ্রচার প্রসঙ্গে মঈনুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা স্বাধীন একটি দেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অপপ্রচার করে সব সময় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে। বাংলাদেশ কখনোই আফগানিস্তান হবে না। পছন্দ না হলে দেশ ছেড়ে চলে যান। তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে।’

অনুষ্ঠানে সিআইডিপ্রধান অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সবকিছু সাবলীলভাবে বলে গেছেন। সাবলীল ও সহজভাবে ভাষণ দিয়েছেন। তারুণ্যের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আন্দোলনে ৭ মার্চের ভাষণের ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে। পুলিশের প্রতি ইউনিট থেকে ঐতিহাসিক দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে ‌। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সাথে পুলিশের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই অর্জনকে ধরে রাখতে হবে।’

৭ মার্চের ভাষণের সময় রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত থাকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে চিত্রনায়ক আলমগীর বলেন, ‘তখন ছিল আমার ২২ বছর। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমাদের কেউ দাবায়া রাখতে পারবা না, তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা সব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।’

জনগণকে অনুরোধ জানাই, দেশ গড়ার ব্যাপারে আমি শব্দটা বাদ দিয়ে আমরা হয়ে যাই।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ( ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ যে অপ্রতিরোধ্য অগ্রগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জঙ্গি নিয়ন্ত্রণসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কাজ করে যাবে।’

দেশব্যাপী ৬৬১টি থানায় এ উদযাপন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) কৃষ্ণপদ রায়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়। যাতে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদাপ্রাপ্তির যাত্রাটি তুলে ধরা হয়। আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন:
রাজনীতিতে আস্ফালন, ভোটে ‍শূন্য
ইসলামিক ব্যাংকিংয়ে যাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড-এনআরবি
হেফাজত মহাসচিব কাসেমী আর নেই

শেয়ার করুন

এনআইডি জালিয়াতি: উপসচিবসহ ৫ জনের নামে মামলা

এনআইডি জালিয়াতি: উপসচিবসহ ৫ জনের নামে মামলা

মামলায় এনআইডি জালিয়াতি করে তাদের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতি করে শত কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগ এনে এক উপসচিবসহ পাঁচজন নির্বাচনি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

গেল ৪ মার্চ কুষ্টিয়া মডেল থানায় এই মামলা করেন জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। বিষয়টি রোববার জানাজানি হয়।

আসামিদের মধ্যে আছেন ঢাকার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব নওয়াবুল ইসলাম, ফরিদপুরের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, মাগুরা সদরের উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অমিত কুমার দাস, কুষ্টিয়া নির্বাচন অফিস সহকারী জিএম সাদিক সত্যবাদী।

মডেল থানায় করার মামলা নম্বর ৮। এই মামলার তদন্ত করছেন এসআই জাবিদ হাসান।

এ ঘটনায় একইদিন কুমারখালী থানায় করা আরেক মামলায় আসামি করা হয়েছে কুষ্টিয়া সদরের নির্বাচন কর্মকর্তা সামিউল ইসলামকে। ঘটনার সময় তিনি কুমারখালী উপজেলা নির্বাচনি কর্মকর্তা থাকায় ওই থানায় মামলাটি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, কুষ্টিয়া শহরের এন এস রোডে শত কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাৎ করতে একটি চক্র এনআইডি জালিয়াতি করে ছয়জনকে মালিক সাজায়। ওই সম্পত্তি বিক্রিও করে দেন তারা। জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়লে ৩ সেপ্টেম্বর জেলার রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ ১৮ জনের নামে প্রথমে মামলা হয়।

এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ব্যবসায়ী মহিবুল, যুবলীগ নেতা আশরাফুজ্জামান সুজনসহ সাতজন বর্তমানে এই মামলায় কারাগারে আছেন। তাদের বিচার চলছে।

জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, ওই জালিয়াতি বাস্তবায়ন করেন এসব নির্বাচনি কর্মকর্তা। তদন্তে প্রমাণ পাওয়ায় এখন তাদের বিরুদ্ধে মামলা হলো।

আরও পড়ুন:
রাজনীতিতে আস্ফালন, ভোটে ‍শূন্য
ইসলামিক ব্যাংকিংয়ে যাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড-এনআরবি
হেফাজত মহাসচিব কাসেমী আর নেই

শেয়ার করুন

নিবন্ধন ছাড়াল ৫০ লাখ, টিকা নিলেন প্রায় ৩৮ লাখ

নিবন্ধন ছাড়াল ৫০ লাখ, টিকা নিলেন প্রায় ৩৮ লাখ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ জনসহ এখন পর্যন্ত যারা টিকা নিয়েছেন তাদের মধ্যে ৮৪৮ জনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে মাত্রা খুবই মৃদু। কারও সামান্য জ্বর কিংবা বমি হয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারির পর টানা চার দিন বাড়তে থাকে টিকা নেয়া মানুষের সংখ্যা।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে গণটিকা প্রয়োগের ২৫ দিনে টিকা নিয়েছেন প্রায় ৩৮ লাখ মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকা নিয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ২০০ জন। টিকা নিতে নিবন্ধন করেছেন ৫০ লাখের বেশি মানুষ।

রোববার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় টিকা নিয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ২০০ জন। সব মিলিয়ে টিকা গ্রহীতার সংখ্যা ৩৭ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫২। এদের মধ্যে পুরুষ ২৪ লাখ ২০ হাজার ৮৫৩ জন এবং নারী ১৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৯ জন।

এদের সঙ্গে যোগ হবে আরও ৫৬৭ জন, যাদের ২৭ ও ২৮ জানুয়ারি পরীক্ষামূলকভাবে টিকা দেয়া হয়।

উদ্বোধনের ১০ দিন পর ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় গণটিকা কার্যক্রম। প্রথম দিন ৩১ হাজার মানুষ টিকা নিলেও তিন দিনের মধ্যে টিকা প্রয়োগের সংখ্যা ২৪ ঘণ্টায় ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়। মাঝে টিকা গ্রহীতার সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়ে যায়। এক দিনে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৬২ হাজারের বেশি মানুষকে টিকা দেয়া হয়। তবে গত সপ্তাহ থেকে এ সংখ্যা কমতে শুরু করে।

গত কয়েক দিনে টিকা গ্রহীতার সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমছে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত টিকা নিতে নিবন্ধন করেছেন ৫০ লাখ ১৭ হাজার ৮০৪ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ জনসহ এখন পর্যন্ত যারা টিকা নিয়েছেন তাদের মধ্যে ৮৪৮ জনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে মাত্রা খুবই মৃদু। কারও সামান্য জ্বর কিংবা বমি হয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারির পর টানা চার দিন বাড়তে থাকে টিকা নেয়া মানুষের সংখ্যা। ঢাকার ৪৭টি এবং ঢাকার বাইরে ৯৫৫টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা কার্যক্রম চলেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলাভিত্তিক সবচেয়ে বেশি টিকা দেয়া হয়েছে ঢাকায়। টিকা নিয়েছেন ২৫ হাজার ২১৭ জন। সবচেয়ে কম দেয়া হয়েছে বান্দরবানে ১৪৮ জনকে।

২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মহানগরে টিকা নিয়েছেন ২২ হাজার ৭৭৬ জন। ঢাকা বিভাগে মোট টিকা নিয়েছেন ৩৯ হাজার ২৪৪ জন। আর রাজধানীতে ১২ জনের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগে টিকা দেয়া হয়েছে ১৮ হাজার ২৫০ জনকে। এই বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

রাজশাহী বিভাগে টিকা নিয়েছেন ১১ হাজার ৪৫ জন। এই বিভাগে চারজনের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর এসেছে।

খুলনা বিভাগে ১৬ হাজার ৮৬৯ জনকে টিকা দেয়া হয়েছে। এই বিভাগে একজনের মধ্যে দেখা দিয়েছে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

বরিশালে টিকা দেয়া হয়েছে ৩ হাজার ৮০৬ জনকে। এই বিভাগে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে।

সিলেট বিভাগে টিকা দেয়া হয়েছে ৪ হাজার ৩৬৪ জনকে। এদের মধ্যে কারও শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

ময়মনসিংহ বিভাগে টিকা দেয়া হয় ৪ হাজার ৩২ জনকে। এই বিভাগেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

রংপুর বিভাগে টিকা নিয়েছেন ৯ হাজার ৫৯০ জন; পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি কারও।

বাংলাদেশ করোনার টিকা এনেছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে। ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ৩ কোটি ৪০ লাখ টিকা কেনার চুক্তি হয়েছে। এরই মধ্যে এসেছে ৭০ লাখ টিকা। এর বাইরে ভারত সরকারের উপহার হিসেবে দেয়া ২০ লাখ টিকাও এসেছে।

বিশ্বজুড়ে করোনার টিকা বিতরণে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক জোট কোভ্যাক্স থেকেও বাংলাদেশ টিকা পাবে। প্রথমে জানানো হয়েছিল দেশে মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ হিসেবে পৌনে ৭ কোটি টিকা পাওয়া যাবে। কিন্তু পরে জানানো হয় জনসংখ্যার ২৭ শতাংশ হিসেবে ৮ কোটির মতো টিকা পাওয়া যাবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে, অন্তঃসত্ত্বা, ৮০ শতাংশের বেশি মৃত্যু ঝুঁকি আছে- এমন রোগী, অ্যালার্জি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে টিকা দেয়া হবে না।

আরও পড়ুন:
রাজনীতিতে আস্ফালন, ভোটে ‍শূন্য
ইসলামিক ব্যাংকিংয়ে যাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড-এনআরবি
হেফাজত মহাসচিব কাসেমী আর নেই

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg