দুদকে সিইসির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের নালিশ

দুদকে সিইসির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের নালিশ

ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচনের দিন ব্রিফিংয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদা। ছবি: নিউজবাংলা

লিখিত অভিযোগে আইনজীবীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘দেশে আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আমরা সর্বদা সচেষ্ট। আমরা মনে করি দুর্নীতি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অন্যতম অন্তরায়।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা, অন্য কমিশনার, বর্তমান সচিব, সদ্য সাবেক সচিবসহ কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানের কাছে বৃহস্পতিবার লিখিত এ অভিযোগ দেন তারা।

লিখিত অভিযোগে আইনজীবীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘দেশে আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আমরা সর্বদা সচেষ্ট। আমরা মনে করি দুর্নীতি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অন্যতম অন্তরায়।’

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দুর্নীতি দমন বিধিমালা, ২০০৭-এর বিধি ৩ (১) অনুযায়ী এই অভিযোগ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন আইনজীবীরা।

অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ ভাতার নামে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা বহির্ভূতভাবে ওই কর্মকর্তারা ৭ কোটি ৪৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকা খরচের মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় করেছেন।

অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না নিয়ে পদ ছাড়াই ‘বিশেষ বক্তা’, ‘কোর্স পরিচালক’ ও ‘কোর্স উপদেষ্টা’ হিসেবে ভাড়া নেয়া, নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি এবং খাত পরিবর্তন করে ভাতা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আইনজীবীরা বলেন, কর্মকর্তারা তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৫১১/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

অভিযোগ আমলে নিয়ে ইসির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৭(ক), ১৭(খ), এবং ১৭(গ) অনুযায়ী অনুসন্ধান, তদন্ত পরিচালনা এবং মামলার অনুরোধ করেন আইনজীবীরা।

অভিযোগকারী আইনজীবীরা হলেন মোহাম্মদ শিশির মনির, আসাদ উদ্দিন, মুজাহিদুল ইসলাম, জুবায়েদুর রহমান, আবদুস সবুর দেওয়ান, আল রেজা মো. আমির, আব্দুল্লাহ হিল মারুফ ফাহিম, জি এম মুজাহিদুর রহমান, মুস্তাফিজুর রহমান ও মো. জহিরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
আমাদের কাছে অনেক শেখার আছে আমেরিকার: সিইসি
নির্বাচনি আইন লঙ্ঘন নিক্সনের: সিইসি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জামিন চেয়ে ‘শিশু বক্তা’ রফিকুলের হাইকোর্টে আবেদন

জামিন চেয়ে ‘শিশু বক্তা’ রফিকুলের হাইকোর্টে আবেদন

মতিঝিল থেকে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় ২৫ মার্চ আটক করা হয় ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানীকে, যিনি ‘শিশুবক্তা’ হিসেবে পরিচিত। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

রফিকুলের আইনজীবী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় আমরা জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছি। মামলা দুটির মধ্যে একটি ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানায়, আরেকটি গাজীপুরে বাসন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাসহ দুই মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন আটক ‘শিশু বক্তা’ হিসেবে খ্যাত রফিকুল ইসলাম মাদানি।

তার পক্ষে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে বুধবার আবেদন করেন আইনজীবী আশরাফ আলী মোল্লা।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় আমরা জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছি। মামলা দুটির মধ্যে একটি ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানায়, আরেকটি গাজীপুরে বাসন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা।’

বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চে জামিন আবেদনের শুনানি হতে পারে বলে জানান এই আইনজীবী আশরাফ।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গত ১১ এপ্রিল মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে গাজীপুরের বাসন থানায় একটি মামলা হয়। এছাড়া গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

গত ৭ এপ্রিল ভোরে রফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা থেকে তাকে আটক করে র‍্যাবের একটি দল।

এর আগে মার্চে পল্টনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছিল। সেবার কিছু শর্তে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। পরে শর্তগুলো রাখেননি তিনি।

আরও পড়ুন:
আমাদের কাছে অনেক শেখার আছে আমেরিকার: সিইসি
নির্বাচনি আইন লঙ্ঘন নিক্সনের: সিইসি

শেয়ার করুন

লিঙ্গ সমতা অর্জনে নারী নেতাদের নেটওয়ার্ক চান প্রধানমন্ত্রী

লিঙ্গ সমতা অর্জনে নারী নেতাদের নেটওয়ার্ক চান প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নারী নেতাদের নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এ প্রস্তাব রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘দৃঢ়ভাবে অনুভব করছি, নারী নেতাদের নিয়ে একটি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করতে পারি, যা আমাদের শুধু একক বৈঠকের জন্য একত্রিত করবে না, বরং লিঙ্গ সমতা অর্জনে বাস্তব পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে একটি শক্তি হিসেবে কাজ করবে।’

বিশ্বে লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে নারী নেতৃত্বের একটি নেটওয়ার্ক গঠনের ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে এ নেটওয়ার্ক চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করবে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মঙ্গলবার নারী নেতাদের নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘দৃঢ়ভাবে অনুভব করছি, নারী নেতাদের নিয়ে একটি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করতে পারি, যা আমাদের শুধু একক বৈঠকের জন্য একত্রিত করবে না, বরং লিঙ্গ সমতা অর্জনে বাস্তব পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে একটি শক্তি হিসেবে কাজ করবে এবং এটি নারী ক্ষমতায়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।’

লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে বিশ্ব নেতাদের সামনে তিনটি প্রস্তাব পেশ করেন শেখ হাসিনা।

প্রথম প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘লিঙ্গ সমতার বিষয়ে উপদেষ্টা বোর্ড প্রতিষ্ঠার জন্য আপনাদের প্রশংসা করি। এখন এটিকে স্থানীয়করণ করা দরকার। প্রতিটি পর্যায়ে, বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে লিঙ্গ চ্যাম্পিয়ন প্রয়োজন। এর মাধ্যমে আমরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারি।’

দ্বিতীয় প্রস্তাবে নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে পর্যাপ্ত রাজনৈতিক ও আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা দেয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, এ ধরনের প্রচেষ্টায় জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দরকার।

লিঙ্গ সমতার জন্য সাধারণ কর্মসূচিকে জোরদার করতে বিশ্ব নেতাদের একটি সম্মেলনের আহ্বান জানিয়ে তৃতীয় প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শুধু আমরা নয়, সকল নেতার এতে যোগদান করা উচিত এবং লিঙ্গ সমতার অগ্রগতির জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন।’

করোনা মহামারিতে দেশে নারীদের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের প্রায় ৭০ শতাংশ নারী এবং তারা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে রয়েছে। তৈরি পোশাককর্মীদের ৮০ শতাংশের বেশি নারী। অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে নারীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ।’

সেই সঙ্গে করোনাকালে নারীদের পিছিয়ে পড়ার চিত্রটিও তুলে ধরেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, ‘তাদের অনেকে চাকরি ও আয় হারিয়েছে। নারীসহ ২০ লাখ প্রবাসী শ্রমিক দেশে ফিরে এসেছে।’

করোনা মহামারির কারণে বাংলাদেশ কষ্টার্জিত অগ্রগতির চাকা পেছনে ঘোরার ঝুঁকি রয়েছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা। মহামারির নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণে তাগিদ দেন তিনি।

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অর্থনীতি সচল রাখতে বাংলাদেশের বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ২৮টি প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। আমরা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাড়িয়েছি। যেখানে বেশির ভাগ সুবিধাভোগী নারী ও শিশু।’

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ, নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ, নারী উদ্যোক্তাদের বিনা জামানতে ঋণ সুবিধা দিতে বাংলাদেশ সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
আমাদের কাছে অনেক শেখার আছে আমেরিকার: সিইসি
নির্বাচনি আইন লঙ্ঘন নিক্সনের: সিইসি

শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে বিমানের নিয়মিত ফ্লাইট ‘শিগগিরই’

যুক্তরাষ্ট্রে বিমানের নিয়মিত ফ্লাইট ‘শিগগিরই’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বিমান নিয়ে এসেছেন। এটি চার্টার্ড ফ্লাইট হতে পারে, কিন্তু তারা তো বিমানকে অ্যালাউ করেছে। আমি সে জন্য আশা করি, আগামীতে নিউইয়র্ক-ঢাকা বিমান চালু হবে। সঠিক তারিখ জানি না। দোয়া করবেন, তাড়াতাড়ি হলে ভালো।’

জাতীয় পতাকাবাহী বিমানের ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সফরে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সরকারপ্রধানের এমন সফরের মধ্য দিয়েই কাটতে পারে দীর্ঘ দিনের অচলাবস্থা। শিগগিরই চালু হতে পারে ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নিয়মিত ফ্লাইট।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন নিউইয়র্কের হোটেল লোটে প্যালেসে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। দেশটির ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটির সঙ্গে এ বিষয়ে চুক্তি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অনেক বছর পর বাংলাদেশের ফ্লাইট যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাওয়ায় সন্তোষ জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমেরিকাবাসী খুব খুশি হবে যদি বাংলাদেশ থেকে এখানে বিমানের ফ্লাইট চালু হয়। প্রধানমন্ত্রী বিমান নিয়ে এসেছেন। এটি চার্টার্ড ফ্লাইট হতে পারে, কিন্তু তারা তো বিমানকে অ্যালাউ করেছে। আমি সে জন্য আশা করি, আগামীতে নিউইয়র্ক-ঢাকা বিমান চালু হবে। সঠিক তারিখ জানি না। দোয়া করবেন, তাড়াতাড়ি হলে ভালো।’

ড. মোমেন বলেন, ‘বহু বছর আগে নিউইয়র্ক-ঢাকা বিমানের ফ্লাইট পরিচালিত হতো। তারপর বিমানটা বন্ধ হয়ে যায়। এখন আবার আমাদের বিমান এখানে এসেছে। আমাদের প্রত্যাশা যে, আগামীতে বাংলাদেশ বিমানের নিউইয়র্ক-ঢাকা এই লাইনটা চালু হবে।’

ফ্লাইট চালুর অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আপনারা জেনে খুশি হবেন, এরই মধ্যে এখানকার ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটির সঙ্গে একটা চুক্তি হয়েছে। এটা বেশ ভালো পর্যায়ে রয়েছে। সে জন্য আমরা আশাবাদী হতে পারি।’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ইমেজ, বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি ও কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে ফ্লাইট চালুর বিষয়ে ‘অনেক অগ্রগতি’ হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বহু বছর পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকেছে জানিয়ে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম নিজ দেশের বিমান নিয়ে এসেছেন।’

ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাসোসিয়েশনের (এফএএ) ক্যাটাগরি-১ ছাড়পত্র ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে কোনো দেশের এয়ারলাইনস ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারে না। এই ছাড়পত্র না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্কের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। বিমানের ফ্লাইট চালু করতে এরই মধ্যে ফেডারেল এভিয়েশনের সঙ্গে একটি চুক্তি সই হয়েছে। তাতেই ধরে নেয়া হচ্ছে দীর্ঘ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে চালু হবে ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট।

আরও পড়ুন:
আমাদের কাছে অনেক শেখার আছে আমেরিকার: সিইসি
নির্বাচনি আইন লঙ্ঘন নিক্সনের: সিইসি

শেয়ার করুন

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদরদপ্তরে উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সাধারণ পরিষদের অধিবেশন ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ২৪ সেপ্টেম্বর বক্তব্য রাখবেন তিনি।

জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের প্রথম দিনে উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদরদপ্তরে উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেন তিনি। সাধারণ পরিষদের অধিবেশন ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ২৪ সেপ্টেম্বর বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী।

বিশ্বব্যাপী মহামারির কারণে এবার সাধারণ পরিষদ অধিবেশন হলে অনুমোদিত প্রতিনিধিদলের আকার সীমিত হবে। এর আগে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সদর দপ্তরে ভ্রমণের পরিবর্তে ধারণ করা ভাষণে উৎসাহিত করা হয়েছিল।

অধিবেশনে প্রায় ১০০ দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
আমাদের কাছে অনেক শেখার আছে আমেরিকার: সিইসি
নির্বাচনি আইন লঙ্ঘন নিক্সনের: সিইসি

শেয়ার করুন

প্রথম আলো থেকে শতকোটি টাকা ক্ষতিপূরণ আদায়ে রুল

প্রথম আলো থেকে শতকোটি টাকা ক্ষতিপূরণ আদায়ে রুল

নাইমুল আববার। ছবি: সংগৃহীত

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার বলেন, ‘আবরার হত্যায় তার বাবা আদালতে এসেছিলেন। তাদের আবেদন শুনে আদালত রুল জারি করেছেন। আবরারের বাবা এ রিট আবেদন করেন। রিটে ৫০ কোটি টাকা কলেজের জন্য এবং বাকি ৫০ কোটি টাকা নাইমুল আবরারের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে চাওয়া হয়েছে।’

প্রথম আলোর সাময়িকী ‘কিশোর আলোর’ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঢাকা রেসিডে‌ন্সিয়াল মডেল ক‌লে‌জের ছাত্র নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যুর ঘটনায় ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেয়া হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

রুল জারির বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

তিনি বলেন, ‘আবরার হত্যায় তার বাবা আদালতে এসেছিলেন। তাদের আবেদন শুনে আদালত রুল জারি করেছেন। আবরারের বাবা এ রিট আবেদন করেন। রিটে ৫০ কোটি টাকা কলেজের জন্য এবং বাকি ৫০ কোটি টাকা নাইমুল আবরারের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে চাওয়া হয়েছে।’

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম আব্দুর রউফ।

তিনি জানান, ওই ঘটনায় কলেজের সুনাম ক্ষু্ণ্ন হয়েছে। কারণ কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রথম আলোর সঙ্গে অনুষ্ঠানের যে চুক্তি করে সেখানে কার কী দায়দায়িত্ব সেটি উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার দায়িত্ব ছিল প্রথম আলোর আয়োজকদের। এ কারণে কলেজ কর্তৃপক্ষকে ৫০ কোটি এবং আবরারের পরিবারকে ৫০ কোটি টাকা দিতে এ রিট করা হয়েছে।

২০১৯ সালের ১ ন‌ভেম্বর ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নাইমুল আবরার রাহাত নামে নবম শ্রেণির এক ছাত্রের মৃত্যু হয়। ওই দিন বিকেলে বিদ্যুতায়িত হওয়ার পর আবরারকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

একই বছরের ৬ নভেম্বর নাইমুল আবরা‌রের বাবা ম‌জিবুর রহমান প্রথম আলোর সম্পাদক ও প্রকাশক এবং কি‌শোর আলোর প্রকাশক ম‌তিউর রহমা‌নের বিরু‌দ্ধে মামলা করেন।

২০২০ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ ওই ঘটনায় করা মামলায় প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানসহ নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনে আদেশ দেয়া হয়েছে এরা হলেন মতিউর রহমান, কবির বকুল, শুভাশিষ প্রামাণিক শুভ, মুহিতুল আলম পাভেল, শাহ পুরান তুষার, জসিম উদ্দিন তপু, মোশারফ হোসেন, মো. সুমন ও কামরুল হওলাদার। আসামিদের সবাই জামিনে রয়েছেন।

তবে অপর আসামি কিশোর আলো সম্পাদক আনিসুল হককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

পরে অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন মতিউর রহমান। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে মতিউর রহমানের ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্ট।

২০১৯ সালেই ওই কলেজের সাবেক ছাত্র ওবায়েদ আহমেদ ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট করেছিলেন। তখন আদালত বলেছিলেন, ক্ষতিপূরণের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করতে হবে।

আরও পড়ুন:
আমাদের কাছে অনেক শেখার আছে আমেরিকার: সিইসি
নির্বাচনি আইন লঙ্ঘন নিক্সনের: সিইসি

শেয়ার করুন

বাংলাদেশিদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

বাংলাদেশিদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত যেকোনো টিকা নেয়ার পর মালয়েশিয়া যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা। ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ান হাইকমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের ওপর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এ আদেশ কার্যকর হবে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা নেয়া বাংলাদেশিদের জন্য মধ্য এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার মালয়েশিয়ার দুয়ার খুলে দেয়ার ঘোষণা এসেছে।

মালয়েশিয়ান হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের ওপর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এ আদেশ কার্যকর হবে।

অবশ্য দেশটিতে যেতে কিছু শর্ত মানতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে মালয়েশিয়ার বৈধ ভিসা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পাওয়া করোনার টিকা নেয়া ব্যক্তিরা দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন।

পাশাপাশি ইমিগ্রেশনের জন্য প্রয়োজন হবে করোনা নেগেটিভ সনদ।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ামানুসারে মালয়েশিয়ায় যেতে ইচ্ছুকদের সে দেশে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

মালয়েশিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশি হাজার হাজার শ্রমিক করোনাভাইরাস মহামারিতে দেশে এসেছিলেন। তাদের জন্য বন্ধ হয়ে যায় দেশটিতে প্রবেশ। করোনার টিকা নেয়ার পর এখন যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা।

আরও পড়ুন:
আমাদের কাছে অনেক শেখার আছে আমেরিকার: সিইসি
নির্বাচনি আইন লঙ্ঘন নিক্সনের: সিইসি

শেয়ার করুন

আরও দুই মামলায় জামিন হেলেনার

আরও দুই মামলায় জামিন হেলেনার

আইনজীবী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চার মামলার মধ্যে তিনটিতে জামিন পেলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তার জামিন এখনও হয়নি। এ জন্য তিনি কারামুক্ত হতে পারছেন না।’

আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটি থেকে বহিষ্কার হওয়া হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আরও দুই মামলায় জামিন দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত গুলশান থানায় করা বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং পল্লবী থানার প্রতারণা মামলায় এ জামিনের আদেশ দেয়।

এর আগে পল্লবী থানার টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ১৭ আগস্ট হেলেনা জাহাঙ্গীরকে জামিন দেয় ঢাকার সিএমএম আদালত।

তবে তিন মামলায় জামিন মিললেও এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না হেলেনা। কারামুক্ত হতে হলে তাকে গুলশান থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জামিন পেতে হবে।

হেলেনা জাহাঙ্গীরের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চার মামলার মধ্যে তিনটিতে জামিন পেলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তার জামিন এখনও হয়নি। এ জন্য তিনি কারামুক্ত হতে পারছেন না।’

২৯ জুলাই র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-১-এর অভিযানে রাজধানীর গুলশান থেকে গ্রেপ্তার হন হেলেনা জাহাঙ্গীর।

অভিযানে বিদেশি মদ, ক্যাঙ্গারুর চামড়া, হরিণের চামড়া, চেক বই ও বিদেশি মুদ্রা, ওয়াকিটকি সেট এবং জুয়া খেলার সরঞ্জাম জব্দের কথা জানায় র‍্যাব।

ওই দিনই হেলেনা জাহাঙ্গীরের মালিকানাধীন জয়যাত্রা টেলিভিশন স্টেশনেও অভিযান চালায় বাহিনীটি। পরে বিটিআরসির সহযোগিতায় অনুমোদনহীন জয়যাত্রা টেলিভিশন স্টেশন সিলগালা করা হয়।

এসব ঘটনায় হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে চারটি আলাদা মামলা হয়। এই মামলাগুলোতে বিভিন্ন মেয়াদে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
আমাদের কাছে অনেক শেখার আছে আমেরিকার: সিইসি
নির্বাচনি আইন লঙ্ঘন নিক্সনের: সিইসি

শেয়ার করুন