× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
লাশের চোরাকারবার
google_news print-icon

লাশের ‘চোরাকারবার’

লাশের-চোরাকারবার
ময়মনসিংহ শহর থেকে মানুষের ১২টি খুলি ও দুই বস্তা হাড়সহ সম্প্রতি এক জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফাইল ছবি
‘এক সময় শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম থাকার কারণে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অ্যানাটমি বিভাগ থেকে ডোমের মাধ্যমে সংগ্রহ করা কঙ্কাল বণ্টন করা হতো। তবে এখন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই অনৈতিকভাবে কবর থেকে মৃতদেহ সংগ্রহ করে বাসায় বিভিন্ন কেমিক্যাল ব্যবহার করে মাংস পচিয়ে তা থেকে হাড় বা কঙ্কাল সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে।’

মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য কঙ্কাল প্রাপ্তি একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইউরোপে প্লাস্টিকের কঙ্কাল ব্যবহার হলেও এই অঞ্চলে মানবদেহের কঙ্কালের ব্যবহার মূলত দাম কম- এ কারণে।

কিন্তু এই কঙ্কাল প্রাপ্তির কোনো সুনির্দিষ্ট জায়গা নেই। আর এ কারণে দাম বাড়ছে।

চোরাই মার্কেটে কঙ্কালেরও একটি বাজার তৈরি হয়েছে। এই ব্যবসায় যারা জড়িত তারা মরদেহ চুরি করে জ্বাল দিয়ে মাংস গলিয়ে বের করে কঙ্কাল।

বাংলাদেশে সরকারি বেসরকারি হিসেবে ১১২টি মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আছে। ছাত্র সংখ্যা কমসে কম ৫২ হাজার। এর মধ্যে প্রথম বর্ষ থেকেই কঙ্কাল লাগে। আর প্রথম বর্ষে প্রতি বছর ভর্তি হয় সাড়ে ১০ হাজারের বেশি।

মেডিক্যালে ছাত্র সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। তবে কঙ্কাল প্রাপ্তির কোনো স্থান বা নীতিমালা এখনও ঠিক হয়নি। ফলে এক দিকে যেমন শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে অন্য দিকে অবৈধভাবে মরদেহ থেকে কঙ্কাল আলাদা করে তা দিয়ে ব্যবসা হচ্ছে।

বৈধভাবে কঙ্কাল প্রাপ্তির একমাত্র উপায় হচ্ছে যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর আগে তার দেহ দান করেন তাহলে পরবর্তী সময়ে তা থেকে কঙ্কাল পাওয়া যাবে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেটি খুবই নগণ্য বলা যায়। এত শিক্ষার্থীর কঙ্কাল প্রাপ্তির বৈধ উপায় বা ক্ষেত্র সম্পর্কে কেউ জানে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরনো কঙ্কাল দিয়ে কাজ সারলেও অনেক শিক্ষার্থী তাদের মেডিক্যাল কলেজ ও বাইরের একটি মাধ্যম থেকে নতুন কঙ্কাল কিনে থাকেন।

কোথায় পাওয়া যায়?

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ নিউজবাংলাকে বলেন, সাধারণত তিনটি সোর্স থেকে কঙ্কাল পাওয়া যায়।

প্রথমত, যদি কেউ দেহ দান করেন। সাধারণত তাদের উদ্দেশ্য থাকে তাদের দেহ থেকে পরবর্তীতে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীরা যেন কিছু জানতে পারে। তবে এটা খুবই নগণ্য।

দ্বিতীয়ত, যিনি পাস করে বের হয়ে যান, তিনি তার ব্যবহৃত কঙ্কালটি জুনিয়রদের দিয়ে যান। এটাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।

তৃতীয়ত, হচ্ছে যাদের এই দুইটার কোনো মাধ্যম নেই তারা বাইরে থেকে কিনে নিয়ে আসেন। ওটাকে ইন্ডিয়ান বোনস বলা হয়।

‘আমরা জানি ওটা ইন্ডিয়া থেকেই আসে। আসলে এটা যে কোথা থেকে আসে সেটা আমরাও জানি না। তবে লেটেস্ট একটা সোর্স আছে সেটা হচ্ছে, কিছু প্লাস্টিকের বোনস এখন পাওয়া যায়। এখন সেটা ব্যবহার করে অনেকেই।’

বাংলাদেশে মানুষের কঙ্কাল সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় মেডিক্যাল শিক্ষার ক্ষেত্রে। এ ছাড়া নার্সিং বা হোমিওপ্যাথি বিষয়ক পড়াশোনার জন্যও কঙ্কাল ব্যবহার করা হয়।

সোহেল মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের চাহিদার তুলনায় কম আছে। তবে সেটা ম্যানেজ হয়ে যাচ্ছে। দেখা যায় অনেকেই একই রুমে থাকে তারা দুইজন মিলে একটা নিয়ে পড়াশোনা করে।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অ্যানাটমি বিভাগের একজন অধ্যাপক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এক সময় শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম থাকার কারণে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অ্যানাটমি বিভাগ থেকে ডোমের মাধ্যমে সংগ্রহ করা কঙ্কাল বণ্টন করা হতো। এখন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই অনৈতিকভাবে কবর থেকে মৃতদেহ সংগ্রহ করে বাসায় বিভিন্ন কেমিক্যাল ব্যবহার করে মাংস পচিয়ে তা থেকে হাড় বা কঙ্কাল সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে।’

গত ১৫ নভেম্বর ময়মনসিংহে ১২টি মানুষের মাথার খুলি ও শরীরের নানা অংশের দুই বস্তা হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার জানান, প্রাথমিকভাবে তারা ধারণা করছেন, এসব খুলি ও হাড়গোড় ভারত ও নেপালে পাচার করা হতো। সাধারণত মেডিক্যাল কলেজগুলোতে এসব হাড় শিক্ষার কাজে ব্যবহার করা হয়।

২০১৮ সালে ময়মনসিংহে একটি চক্র ধরা পড়ে একই উপজেলায়। সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা কবর থেকে অবৈধভাবে মরদেহ উত্তোলন এবং হাসপাতালের বেওয়ারিশ লাশগুলো অবৈধ উপায়ে খালাস করার মাধ্যমে কঙ্কাল সংগ্রহ করে।

অ্যানাটমি বিভাগের অধ্যাপক বলেন, ‘এই ব্যবসা বন্ধে আমাদের পরিকল্পনা আছে। আমরা আগামীতে ভিডিও টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে শিক্ষণ পদ্ধতি চালিয়ে নেব যাতে করে আর কঙ্কালের প্রয়োজন হবে না। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কঙ্কালের চাহিদা কমে যাবে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম শাখার পরিচালক হাবিবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আসলে কঙ্কাল প্রাপ্তির কোনো বৈধ নিয়ম এখন পর্যন্ত নেই। তবে আমার জানা মতে অ্যানাটমি বিভাগে যারা ডোম হিসেবে কাজ করে তারা কোন বডি কাটাছেড়া করার পর প্রসেসিং করে থাকে।’

‘সাধারণত হাড় তো নষ্ট হয় না সহজে, যার ফলে তারা এটা সংগ্রহ করে ও পরে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের কাছে বিক্রি করে দেয়। এটার মেইন উৎস হচ্ছে ওই বিভাগে যেসব বেওয়ারিশ লাশ থাকে তাদের শরীর নষ্ট হওয়ার পর এটা সংগ্রহ করা হয়। যেহেতু বাইরের বাজার অবৈধ তাই শিক্ষার্থীরা সাধারণত ডোমদের কাছ থেকেই সংগ্রহ করে থাকে।’

মরণোত্তর দেহ দান কতটা হয়েছে

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অ্যানাটমি বিভাগে ১৯৯৮ সাল থেকে মরণোত্তর দেহদান শুরু হয়। এ পর্যন্ত মরণোত্তর দেহদানের আবেদন পড়েছে ৬৫টি। হাসপাতালে ১২টি দেহ আছে। মরণোত্তর দেহ সবচেয়ে বেশি ১৫টি সংরক্ষিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বেসরকারি মেডিক্যালে কী অবস্থা

বাংলাদেশ মেডিক্যালের সহকারী রেজিস্ট্রার সুদেষ্ণা চক্রবর্তী পুর্বা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা যখন ফার্স্ট ইয়ারে ছিলাম তখন আমরা এটা আমাদের সিনিয়রের কাছ থেকে কিনে নিতাম। আমারটা ব্যবহার করা কঙ্কাল ছিল। নতুন আমরা পেতাম না। দেখা যেত যে খুলনা অথবা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের সিনিয়র ভাইদের সঙ্গে যাদের লিংক আপ থাকত, তারা এটা ম্যানেজ করে নিত।’

‘আমি কিনেছিলাম ২৮ হাজার টাকা দিয়ে আমার সময়ে। আমাদের কলেজের ক্যাফেটেরিয়াতে একটা বিজ্ঞাপন দেখে আমি ওই আপুর সঙ্গে যোগাযোগ করি। ওই আপু তার ঢাকা মেডিক্যালের এক বন্ধুর কাছ থেকে কিনে নিয়েছিল। পরে আমি যখন থার্ড ইয়ারে উঠি, সেটা ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছিলাম। সাধারণত আমাদের কলেজে সবাই এমনভাবেই এটা সংগ্রহ করত।’

পুর্বা বলেন, ‘আসলে এটা যে কোথা থেকে আনা হয় এটা নিয়ে আমার তখন তেমন আগ্রহ কাজ করেনি। তবে এটা ঠিক যে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য এটা সবাইকেই কিনতে হয়। সবাই একটা সেট করে কিনে থাকে। তবে অনেকেই শেয়ার করে কিনে থাকে। তবে সেক্ষেত্রে যারা একই রুমে বা হোস্টেলে থাকা তারা এটা করে থাকে।’

পুর্বা আরও বলেন, ‘আমাদের ব্যাচে ১১৫ জনের প্রায় সবার কাছেই কঙ্কাল ছিল। ফুল সেট কঙ্কালে ভাটিব্রা তো একটা করেই থাকে, মাথা একটাই থাকবে এটা তো ডিভাইডেড করা সম্ভব হবে না তাই এটা শেয়ার করে পড়া সম্ভব না। সেক্ষেত্রে রুমমেট বা স্টাডি পার্টনার না হলে সেটা সম্ভব হবে না।

মেডিক্যালের সূত্র থেকে জানা যায়, দেশে কঙ্কালের চাহিদা অনেক। আর এ জন্য এটার দাম বেশি। তবে যারা মেডিক্যাল কলেজে প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করেন তারা কঙ্কালের প্রাপ্তিস্থান সম্পর্কে কখনও জানতে পারেন না। একটা সময় এটার দাম পাঁচ থেকে ১০ হাজার টাকা ছিল। তবে শিক্ষার্থী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে সাধারণত মানবদেহের কঙ্কাল ব্যবহার করা হয়। ইউরোপিয়ান দেশগুলোতে প্লাস্টিকের কঙ্কাল পাওয়া যায় তবে সেটা অনেক বেশি দামি হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ব্যবহার করা হয় না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মেডিক্যাল শিক্ষার্থী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি ফেসবুকে এমন একটা পেজের মাধ্যমে জানতে পারি। সাধারণত মেডিক্যাল কলেজের সিনিয়র ভাইয়েরা মেইনটেইন করে থাকে। সেখানে কঙ্কাল বিক্রির জন্য পোস্ট দেয়া হয়। ওখানে ৩৫-৪০ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হতো।’

কঙ্কালের আয়ুষ্কাল

সাধারণত একটি কঙ্কাল সঠিক উপায়ে পরিচর্যা করলে তা ৪০-৫০ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে।

সুদেষ্ণা চক্রবর্তী পুর্বা বলেন, ‘পাউডার দিলে হাড়গুলো ঠিক থাকে। কঙ্কালের জন্য তেলাপোকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর যার জন্য এমন স্থানে রাখতে হবে যাতে তেলাপোকা হাড়গুলো নষ্ট করতে না পারে।

‘কলেজে ব্যবহারের উপর নির্ভর করে যে কতদিন আপনি আপনার ব্যবহৃত কঙ্কাল ঠিক রাখতে পারবেন। আমি যেটি ব্যবহার করেছিলাম সেটা আমার কাছে যখন আসে তার আগে আরও তিন জন ব্যবহার করেছে। যেহেতু একটা নির্দিষ্ট সময় পর এটার কোন কাজ থাকে না তাই অনেকেই একটি কঙ্কাল দিয়ে মেডিক্যাল জীবন পার করে দিতে পারবে।’

আরও পড়ুন:
পাহাড়ের খাঁজে মানুষের কঙ্কাল
মাথাভাঙ্গায় পাওয়া কঙ্কাল কুষ্টিয়ার মিমের?

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
Digitalization of schools colleges MPOs Education Minister

ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
ফাইল ছবি
মন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্ত করার কাজটি বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অটোমেশনের মাধ্যমে করা হচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সময়ে সময়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমপিওভুক্ত করা হয়ে থাকে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার কাজটি বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অটোমেশনের মাধ্যমে করা হচ্ছে বলে জাতীয় জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। এ সময় অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।

মহিবুল হাসান বলেন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১-এর আলোকে কাম্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পাসের হার, প্রাপ্যতা ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতার ভিত্তিতে এমপিওভুক্ত করা হয়ে থাকে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত একটি চলমান প্রক্রিয়া। এমপিওভুক্ত করার কাজটি বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অটোমেশনের মাধ্যমে করা হচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সময়ে সময়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমপিওভুক্ত করা হয়ে থাকে।

এমপি নুরুন্নবী চৌধুরীর অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে বর্তমানে এডিপিতে ৫৮টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ: কঠোর ব্যবস্থা নিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী
‘নতুন শিক্ষাব্যবস্থা বদলের পরিকল্পনা নেই’
নতুন শিক্ষাক্রম কেন, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

জাতীয়
Fuel prices are falling this month State Minister

চলতি মাসেই জ্বালানি তেলের দাম কমছে: প্রতিমন্ত্রী

চলতি মাসেই জ্বালানি তেলের দাম কমছে: প্রতিমন্ত্রী প্রতীকী ছবি
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি তেলের নতুন দামের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রথমবারের মতো দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করতে যাচ্ছে সরকার। এ কাজে প্রথম দফায় দাম কমানো হচ্ছে বলে জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, চলতি মাসেই গ্রাহক পর্যায়ে দাম কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘নতুন ফর্মুলায় প্রথমবারের মতো নির্ধারণ করা হচ্ছে জ্বালানি তেলের দাম। শিগগিরই দেশে জ্বালানি তেলের দাম ঘোষণা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘জ্বালানি তেলের নতুন দামের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারিত হয় সরকারের আদেশে, কিন্তু প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় নিয়মিত মূল্য ওঠানামা করে।

বাংলাদেশেও এই পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলে মূল্য সমন্বয় করতে দীর্ঘদিন থেকেই বলে আসছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

বিদ্যুতের বাড়ানোর আগে গত মাসের শেষের দিকে নসরুল হামিদ বলেন, ‘মার্চ থেকে দেশের প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।’

এ বিষয়ে ১ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ করবে সরকার। প্রাথমিকভাবে চলতি মার্চ থেকেই এ পদ্ধতি কার্যকর হবে।

‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা’শীর্ষক ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পেট্রোলিয়াম পণ্য (ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোল) তথা সরকার যে সব গ্রেডের জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে থাকে, সেগুলোর জন্য এই স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে।

এর বাইরেও প্রয়োজন মনে করলে, সরকার বা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের ক্ষেত্রেও শর্ত সাপেক্ষে নির্দেশনা প্রয়োগ করতে পারবে।

আরও পড়ুন:
মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর
বিশ্ববাজারের সঙ্গে ওঠানামা করবে জ্বালানি তেলের দাম: প্রতিমন্ত্রী
দাম বাড়ছে বিদ্যুতের, মার্চের প্রথম সপ্তাহে কার্যকরের চিন্তা

মন্তব্য

জাতীয়
Recruitment of 2 lakh 38 thousand primary teachers in one era

এক যুগে প্রাথমিকে ২ লাখ ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

এক যুগে প্রাথমিকে ২ লাখ ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ফাইল ছবি
গত এক যুগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রধান শিক্ষক ৫ হাজার ২০৫ জন এবং সহকারি শিক্ষক ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৭৪ জনসহ মোট ২ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী জানিয়েছেন, গত এক যুগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য এম আবদুল লতিফের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। খবর বাসসের

রুমানা আলী বলেন, গত এক যুগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রধান শিক্ষক ৫ হাজার ২০৫ জন এবং সহকারি শিক্ষক ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৭৪ জনসহ মোট ২ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই সময়ে বেসরকারি ও রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ লাখ ৪ হাজার ৮৭৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকুরি সরকারিকরণ করা হয়েছে।

সরকারি দলের সদস্য মো. মামুনুর রশীদ কিরনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহকে জাতীয়করণ ঘোষণার পর আর কোনো বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়নি। বর্তমানে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিবন্ধন নীতিমালা-২০২৩ প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালার আলোকে সব বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নিবন্ধনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মন্তব্য

জাতীয়
Thunderstorms can occur in three categories

বজ্রবৃষ্টি হতে পারে তিন বিভাগে

বজ্রবৃষ্টি হতে পারে তিন বিভাগে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে রোববার বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ফাইল ছবি
পূর্বাভাসে রোববারের বৃষ্টিপাত নিয়ে বলা আছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, তবে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন বার্তা দিয়েছে।

পূর্বাভাসে রোববারের বৃষ্টিপাত নিয়ে বলা আছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে, তবে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সিনপটিক অবস্থান নিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

দিনভর তাপমাত্রা কেমন থাকবে, তা নিয়ে জানানো হয়, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন:
রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে ১ থেকে ২ ডিগ্রি
সামান্য বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা
রাত দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে ১ থেকে ২ ডিগ্রি
দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে চার বিভাগে
বজ্রবৃষ্টি হতে পারে ঢাকাসহ ছয় বিভাগে

মন্তব্য

জাতীয়
Prime Minister asked to keep an eye on hoarders during Ramadan

রমজানে মজুতদারদের ওপর নজর রাখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

রমজানে মজুতদারদের ওপর নজর রাখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে রোববার চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বিটিভি
বক্তব্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীতে এখন এমন এমন দেশ আছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি ৪০ ভাগও আছে। এ রকম বহু দেশ এখন বিরাজমান। বাংলাদেশও এর থেকে দূরে না। যদিও বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি এখনও ১০ ভাগের নিচেই আছে, কিন্তু তার পরও এটা একটা সমস্যা রয়ে গেছে। তো সেদিকে আমাদের সব থেকে লক্ষ রাখতে হবে যে, আমাদের বাজার পরিস্থিতি কেমন।’

আসন্ন রমজানে যেসব ব্যবসায়ী বাড়তি মুনাফার উদ্দেশ্যে পণ্য মজুত করেন, তাদের ওপর নজর রাখার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে রোববার চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ তাগিদ দেন।

বক্তব্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীতে এখন এমন এমন দেশ আছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি ৪০ ভাগও আছে। এ রকম বহু দেশ এখন বিরাজমান। বাংলাদেশও এর থেকে দূরে না। যদিও বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি এখনও ১০ ভাগের নিচেই আছে, কিন্তু তার পরও এটা একটা সমস্যা রয়ে গেছে। তো সেদিকে আমাদের সব থেকে লক্ষ রাখতে হবে যে, আমাদের বাজার পরিস্থিতি কেমন। আর তা ছাড়া সামনে রোজা আসবে।

‘এই রমজান মাসে আমাদের কিছু কিছু ব্যবসায়ী থাকেন সবসময় মজুতদারি করে যারা দাম বাড়িয়ে কিছু মুনাফা লুটতে চায়। তো সেদিকে বিশেষভাবে নজর আমাদের দিতে হবে। কারণ এটা আশু করণীয় একটা কাজ আমাদের সামনে যে, কোথাও যেন এভাবে, মানে কোনো ভোক্তাদের কোনো রকম হয়রানি হতে না হয়। সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।’

পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতার ওপর জোর দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দেশে উৎপাদন বাড়াতে হবে। পরনির্ভরশীলতা আমাদের কমাতে হবে এবং এটা যে আমরা করতে পারি, সেটা কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমরা প্রমাণ করেছি।’

আরও পড়ুন:
সরকারিভাবে বড় ইফতার পার্টি না করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
সরকার অফশোর গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের মানুষের সেবা করুন: পুলিশকে প্রধানমন্ত্রী
বাইডেনের চিঠির জবাব পাঠালেন শেখ হাসিনা
নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ তহবিল চান প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

জাতীয়
Foreign Minister wants global unity to stop genocide in Gaza

গাজায় ‘গণহত্যা’ বন্ধে বৈশ্বিক ঐক্য চান পররাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজায় ‘গণহত্যা’ বন্ধে বৈশ্বিক ঐক্য চান পররাষ্ট্রমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘১৯টি দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান এবং ৭০ জনের বেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এখানে অংশগ্রহণ করছেন। আমি মনে করি আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে গাজায় সহিংসতা, গণহত্যা, জাতিগত নিধন বন্ধে ইসরায়েলকে ঠেকানোর জন্য একসঙ্গে কাজ করতে পারি।’

গাজায় চলমান ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা করে সেখানে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বন্ধের জন্য ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তুরস্কের পর্যটন নগরী আনতালিয়ায় স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় তুরস্কের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেল ‘টিআরটি ওয়ার্ল্ড’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সেখানে আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে অংশগ্রহণরত মন্ত্রী এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিরতে এ তথ্য জানানো হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গাজায় যা হচ্ছে সেটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। শুধু মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ নয়, সেখানে জাতিগত নিধন চলছে। সেখানকার মৃত্যু সংখ্যা বর্তমানে ৩০ হাজারের বেশি এবং এর বেশির ভাগ নারী ও শিশু। যুদ্ধের সব ধরনের প্রথা ভঙ্গ করছে ইসরায়েল।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত যুদ্ধ, গণহত্যা থামানোর জন্য যথেষ্ট উদ্যোগ দেখতে পাচ্ছি না এবং যুদ্ধ থামানোর জন্য আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘১৯টি দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান এবং ৭০ জনের বেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এখানে অংশগ্রহণ করছেন। আমি মনে করি আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে গাজায় সহিংসতা, গণহত্যা, জাতিগত নিধন বন্ধে ইসরায়েলকে ঠেকানোর জন্য একসঙ্গে কাজ করতে পারি।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে ইশতেহার অনুযায়ী ব্যবস্থা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আশা করব মিয়ানমার সীমান্তে আগের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না
বিএনপি রোজা রমজান ঈদ কোনোটাই মানে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রোহিঙ্গাদের ফেরানোর চেষ্টা অব্যাহত আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

জাতীয়
Who is on his way to Singapore for a health checkup?

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের পথে কাদের

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের পথে কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শিগগিরই তিনি দেশে ফিরবেন।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন বলে জানায় সংবাদ সংস্থা বাসস।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শিগগিরই তিনি দেশে ফিরবেন।

আরও পড়ুন:
বিদেশিদের প্রভুত্ব মানবো না: কাদের
দেশে উগ্রবাদের জন্ম বিএনপির হাত ধরে: কাদের
সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে সিআইপি রাজ্জাক খানের শুভেচ্ছা বিনিময়
বিএনপির লক্ষ্য নির্বাচন বানচাল করা: কাদের
ইউরেনিয়াম ঢেলে হত্যার হুমকি দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের: আব্বাস

মন্তব্য

p
উপরে