প্রথম নারী সভাপতি পেল জাতীয় প্রেসক্লাব

player
প্রথম নারী সভাপতি পেল জাতীয় প্রেসক্লাব

জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রথম নারী সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন। সঙ্গে অন্য নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা

নির্বাচনে দুটি প্যানেলের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও অংশ নেন। এতে ১৭টি পদে লড়েন ৪৬ জন। নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন বিএনপি সমর্থক সবুজ-ইলিয়াস পরিষদের ইলিয়াস খান।

জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রথম নারী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরামের প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন।

বৃহস্পতিবারের এই নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন বিএনপি সমর্থক সবুজ-ইলিয়াস পরিষদের ইলিয়াস খান।

জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বিবার্ষিক (২০২১-২২) মেয়াদের এই নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে রাতে ফল ঘোষণা করে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মোস্তফা-ই-জামিলের নেতৃত্বে সাত সদস্যের কমিটি নির্বাচন পরিচালনা করে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জাফর ইকবাল, মোস্তাফিজুর রহমান, এসএম শওকাত হোসেন, গৌতম অরিন্দম বড়ুয়া (শেলু বড়ুয়া), শামীমা চৌধুরী ও মো. মনিরুজ্জামান।

সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

নির্বাচনে দুটি প্যানেলের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও অংশ নেন। এতে ১৭টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪৬ জন।

নির্বাচনে ভোটার ছিল ১১৫১ জন। ভোট দিয়েছেন এক হাজার জন। ভোট পড়েছে ৮৬.৮৮ শতাংশ।

প্রথম নারী সভাপতি পেল জাতীয় প্রেসক্লাব

নির্বাচনে সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন হাসান হাফিজ; সহ-সভাপতি হয়েছেন রেজোয়ানুল হক রাজা।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মাঈনুল আলম ও মো. আশরাফ আলী। কোষাধ্যক্ষ পদে জয় পেয়েছেন শাহেদ চৌধুরী।

সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আইয়ুব ভূঁইয়া, জাহিদুজ্জামান ফারুক, ভানুরঞ্জন চক্রবর্তী, রহমান মুস্তাফিজ, রেজানুর রহমান, শাহনাজ সিদ্দিকী সোমা, সৈয়দ আবদাল আহমদ, কাজী রওনাক হোসেন, বখতিয়ার রাণা ও শাহনাজ বেগম পলি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অমর একুশে: শহীদ মিনারে যেতে লাগবে টিকা সনদ

অমর একুশে: শহীদ মিনারে যেতে লাগবে টিকা সনদ

করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গত ১৩ জানুয়ারি নানা বিধিনিষেধ জারি করে সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করে। ২১ জানুয়ারি আরেক আদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় যে কোনো অনুষ্ঠানে এক শ জনের বেশি মানুষের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। জানানো হয়, যারা উপস্থিত হবেন, তাদের হয় টিকার সনদ, নয় করোনা নেগেটিভ সনদ লাগবে।

২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যেতে হলে করোনা টিকার সনদ সঙ্গে রাখতে হবে। সেই সঙ্গে সবাইকে পরতে হবে মাস্ক।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে প্রতিটি সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে সর্বোচ্চ পাঁচজন প্রতিনিধি ও ব্যক্তি পর্যায়ে একসঙ্গে সর্বোচ্চ দুইজন শহীদ মিনারে ফুল দিতে পারবেন।

অমর একুশে উদযাপন বিষয়ে রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ভার্চুয়াল সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান এর সভাপতিত্ব করেন।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্যরা ছাড়াও কোষাধ্যক্ষ, সিনেট-সিন্ডিকেট সদস্য, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, প্রক্টরও যুক্ত ছিলেন।

উপাচার্য বলেন, ‘কোভিড-১৯ উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ও সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত পরিসরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মহান শহীদ দিবস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হবে।’

করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গত ১৩ জানুয়ারি নানা বিধিনিষেধ জারি করে সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করে। ২১ জানুয়ারি আরেক আদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় যে কোনো অনুষ্ঠানে এক শ জনের বেশি মানুষের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। জানানো হয়, যারা উপস্থিত হবেন, তাদের হয় টিকার সনদ, নয় করোনা নেগেটিভ সনদ লাগবে।

এই পরিস্থিতিতে অমর একুশের অনুষ্ঠান কীভাবে হবে, তা জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত বছরের ন্যায় এ বছরও জনসমাগম এড়িয়ে চলার বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।’

সভায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে অমর একুশে উদযাপন কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি এবং বিভিন্ন উপ-কমিটিও গঠন করা হয়।

শেয়ার করুন

অর্ধেক জনবলের অফিসে ফিরল সরকার

অর্ধেক জনবলের অফিসে ফিরল সরকার

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব হলে ১৭ মার্চ থেকে ঘোষণা করা সাধারণ ছুটিতে জরুরি সেবা ছাড়া অফিস আদালত ছিল বন্ধ। পরে এক পর্যায়ে অর্ধেক লোকবল দিয়ে অফিস চালানোর আদেশ আসে। গত বছর লকডাউন ও শাটডাউনেও ছিল একই পরিস্থিতি।

করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ায় আবার অর্ধেক জনবল দিয়ে সরকারি-বেসরকারি দপ্তর পরিচালনার নির্দেশ জারি করেছে সরকার।

রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. সাইফুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সোমবার থেকে নতুন এ বিধি নিষেধ কার্যকর হবে। বহাল থাকবে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকল সরকারি, বেসরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত অফিসগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক অর্ধেক সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে পরিচালনা করতে হবে। অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম ভার্চুয়ালি করবেন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব হলে ১৭ মার্চ থেকে ঘোষণা করা সাধারণ ছুটিতে জরুরি সেবা ছাড়া অফিস আদালত ছিল বন্ধ। পরে এক পর্যায়ে অর্ধেক লোকবল দিয়ে অফিস চালানোর আদেশ আসে।

২০২১ সালের এপ্রিলে প্রথমবারের মতো যখন লকডাউন দেয়া হয়, সে সময়ও একই পদ্ধতিতে চলে অফিস। একই বছরের ১ জুলাই থেকে শাটডাউন হিসেবে পরিচিতি পাওয়া বিধিনিষেধেও একই পদ্ধতিতে চলে অফিস।

গত ৪ অক্টোবর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিস আদালতে ফেরে স্বাভাবিক অবস্থা। তবে ৯ জানুয়ারি করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের প্রাথমিক লক্ষণ নিশ্চিত হওয়ার চার দিন পর আবার ১১ দফা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এরপর আবার অর্ধেক জনবলে অফিস করতে বলা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলেও জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

ইসির জটিলতা দূর করবে আইন, বিএনপির বক্তব্য উদভ্রান্তের প্রলাপ: কাদের

ইসির জটিলতা দূর করবে আইন, বিএনপির বক্তব্য উদভ্রান্তের প্রলাপ: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

‘রাজনীতির মাঠে পরাজিত বিএনপি এখন নির্বাচন কমিশন গঠন আইন নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এই আইনকে শুধু নয়, তারা বরাবরের মতো নির্বাচন ও নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা করছে। তারই ধারাবাহিকতায় নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রচুর পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ ও বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের নতুন নতুন নাটক মঞ্চায়ন করেও বিএনপি’র মরা গাঙ্গের খরা কাটেনি। তাই তারা উদভ্রান্তের মতো প্রলাপ বকতে শুরু করেছে।’

নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে আইন করতে জাতীয় সংসদে তোলা বিলের সমালোচনা করে বিএনপির বক্তব্যকে ‘উদভ্রান্তের প্রলাপ’ আখ্যা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সংবিধানে আইনের কথা বলা থাকলেও স্বাধীনতার ৫০ বছরেও এ আইনটি হয়নি। আগামী ফেব্রুয়ারিতে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়ার আগে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতি যখন বিভিন্ন দলের সঙ্গে সংলাপ করেন, তখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয় এই আইনের বিষয়টি নিয়ে। এরই মধ্যে এই আইনের একটি বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির আগের দুই সংলাপে বিএনপি অংশ নিলেও এবার তারা এই আলোচনা বর্জন করেছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিলেও দলটি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে ফিরে গেছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন গঠনে যে বিল আনা হয়েছে, তার সমালোচনা করেছেন দলটির সংসদ সদস্যরা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাজনীতির মাঠে পরাজিত বিএনপি এখন নির্বাচন কমিশন গঠন আইন নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এই আইনকে শুধু নয়, তারা বরাবরের মতো নির্বাচন ও নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা করছে। তারই ধারাবাহিকতায় নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রচুর পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ ও বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের নতুন নতুন নাটক মঞ্চায়ন করেও বিএনপি’র মরা গাঙ্গের খরা কাটেনি। তাই তারা উদভ্রান্তের মতো প্রলাপ বকতে শুরু করেছে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নির্বাচন কমিশন গঠন আইন সম্পর্কিত বিলটির উপর জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সকল রাজনৈতিক দল আলোচনা করবেন এবং নিজেদের মতামত ব্যক্ত করবেন। সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা মহান জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত রয়েছে। সে মোতাবেক সংসদে উত্থাপিত বিলটি যথাযথ প্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক রীতি-নীতির মধ্য দিয়েই পাস হবে বলে আশা রাখে।

‘বিএনপি নেতৃবৃন্দ উত্থাপিত আইনটি সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে না জেনে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অভিপ্রায়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।’

গণতান্ত্রিক কাঠামো ও আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি বিএনপির কোনো শ্রদ্ধাবোধ নেই মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘বন্দুকের নলের মুখে অসাংবিধানিক ও অবৈধ পন্থায় ক্ষমতা দখল করে যাদের নেতা নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করতে পারে, আইনি কাঠামোর প্রতি তাদের আস্থা থাকবে না এটাই স্বাভাবিক। সংবিধান ও আইন লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে যাদের জন্ম তাদের কাছে যে কোনো আইনি কাঠামোই তামাশা মনে হবে। কারফিউ মার্কা গণতন্ত্রের যে প্রহসনের বীজ তাদের অস্থিমজ্জায় প্রথিত তা থেকে এখনো তারা বেরিয়ে আসতে পারেনি।’

নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের দাবি সব মহল থেকে উঠে এসেছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, সব রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আইনের খসড়া মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে। এই বিল সংসদে পাসের মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে জটিলতা নিরসনে সমাধানের স্থায়ী পথ উন্মুক্ত হতে চলেছে।

শেয়ার করুন

পুলিশের কাছে প্রত্যাশা আকাশচুম্বী: আইজিপি

পুলিশের কাছে প্রত্যাশা আকাশচুম্বী: আইজিপি

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা

আইজিপি বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘যারা পুলিশে পদোন্নতি পেয়ে শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছেছেন, তাদের বাহিনী থেকে তেমন কিছু পাওয়ার নেই। এখন শুধু দেয়ার পালা। আপনারা এখন দেশ, জনগণ এবং পুলিশ বাহিনীর জন্য কাজ করবেন।’

পুলিশের কাছে মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী বলে মনে করেন বাহিনীপ্রধান ড. বেনজীর আহমেদ। নানা সীমাবদ্ধতায় সে আশার সবকিছু পূরণ সম্ভব না হলেও পুলিশ বাহিনী আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

সদ্য পদোন্নতি পাওয়া সাতজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান অনুষ্ঠানে রোববার তিনি এ কথা বলেন।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অফ প্রাইডে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মহাপরিদশর্ক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিজেদের অতিক্রম করে সেবা দিতে হবে। পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

‘যারা পুলিশে পদোন্নতি পেয়ে শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছেছেন, তাদের বাহিনী থেকে তেমন কিছু পাওয়ার নেই। এখন শুধু দেয়ার পালা। আপনারা এখন দেশ, জনগণ এবং পুলিশ বাহিনীর জন্য কাজ করবেন।’

পুলিশের কাছে প্রত্যাশা আকাশচুম্বী: আইজিপি
আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ মতবিনিময় করেন পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের সঙ্গে। ছবি: নিউজবাংলা

আইজিপি পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ এবং অতিরিক্ত আইজি (এঅ্যান্ডআই) ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী।

অতিরিক্ত আইজি হিসেবে সদ্য পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের আবু হাসান মুহম্মদ তারিক, পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের পরিচালক ড. হাসান উল হায়দার, স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান, শিল্পাঞ্চল পুলিশের মো. মাহাবুবর রহমান ও ময়মনসিংহ রেঞ্জের ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ।

অনুষ্ঠানে পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা দেশ ও জনগণের কল্যাণে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার করেন।

শেয়ার করুন

জেলা পরিষদে প্রশাসক, সংসদে বিল

জেলা পরিষদে প্রশাসক, সংসদে বিল

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সদস্যরা। ফাইল ছবি

বিলে বলা হয়েছে, পরিষদের মেয়াদ শেষে পরবর্তী পরিষদ গঠনের আগ পর্যন্ত কার্যক্রম সম্পাদনে সরকার একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোনো কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করতে পারবে। প্রশাসকের মেয়াদ ও অব্যাহতি সরকার নির্ধারণ করবে।

জেলা পরিষদের মেয়াদ শেষ হলে প্রশাসক নিয়োগের বিধান রেখে জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল-২০২২ সংসদে উত্থাপন হয়েছে। রোববার সকালে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

বিলটি পরীক্ষার জন্য স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। স্থায়ী কমিটি সাত দিনের মধ্যে বিলটির ওপর প্রতিবেদন দেয়ার কথা। সে ক্ষেত্রে বর্তমান অধিবেশনেই বিলটি পাস হতে পারে।

বিদ্যমান জেলা পরিষদ আইনে কোনো পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রশাসক নিয়োগের বিধান নেই। নতুন বিলে জেলা পরিষদের মেয়াদ শেষ হলে সরকার কর্তৃক প্রশাসক নিয়োগের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরবর্তী পরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সরকার একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোনো কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করতে পারবে। প্রশাসকের মেয়াদ ও অব্যাহতি সরকার নির্ধারণ করবে।

জেলা পরিষদে সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন নির্বাহী কর্মকর্তা।

বিলটিতে জেলা পরিষদ সদস্য সংখ্যায়ও কিছু সংশোধন আনা হয়েছে। বর্তমান আইনে প্রতিটি জেলা পরিষদে ১৫ জন সাধারণ সদস্য এবং পাঁচজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য থাকার কথা বলা আছে। সংশোধিত বিলে জেলার প্রতিটি উপজেলা পরিষদের একজন সদস্য এবং চেয়ারম্যানসহ মোট সদস্যসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ নারী সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে।

বিলটিতে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদের সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানগণ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর মেয়রগণ অংশ নিতে পারবেন। তবে তারা ভোট দিতে পারবেন না।

জেলা পরিষদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের (যদি থাকে) মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা ভোট দিতে পারবেন।

বিলে আরও বলা হয়েছে, পরিষদ প্রতি অর্থবছর শেষে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সরকারকে সম্পাদিত কার্যাবলির ওপর একটি বার্ষিক প্রতিবেদন দেবে।

বিলটি উত্থাপন প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যমান আইনে জেলার আয়তন, জনসংখ্যা, উপজেলার সংখ্যা ইত্যাদি নির্বিশেষে সব জেলা পরিষদে সমসংখ্যক মোট ২১ জন সদস্য রয়েছে। কিন্তু বৃহৎ আয়তনের তুলনায় ক্ষুদ্র আয়তনের জেলা পরিষদগুলোর রাজস্ব আয়ের সংস্থান খুবই কম।

‘ফলে ক্ষুদ্র জেলার পরিষদের পক্ষে সদস্যদের সম্মানী পরিশোধ ও অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহের পর উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ সম্ভব হয় না। এ সমস্য থেকে উত্তরণে প্রতিটি জেলা পরিষদের সদস্যসংখ্যা যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।’

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যমান আইনে জেলা পরিষদগুলোর মেয়াদ পাঁচ বছর শেষ হওয়া সত্ত্বেও নতুন পরিষদের প্রথম সভায় মিলিত না হওয়া পর্যন্ত আগের পরিষদ দায়িত্ব পালন করতে পারে। এ শর্তটি সংশোধন করে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা পরিষদের ক্ষেত্রে পরবর্তী নতুন পরিষদ গঠন না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসক নিয়োগ করা প্রয়োজন।’

শেয়ার করুন

করোনা সংক্রমণ এখন শাটডাউনকালের সমান

করোনা সংক্রমণ এখন শাটডাউনকালের সমান

হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে রোগী নিয়ে এসেছেন স্বজনরা। ছবি: সাইফুল ইসলাম

গত ৭ জানুয়ারি পরীক্ষার বিপরীতে করোনার সংক্রমণ ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার পর এ নিয়ে ১৭ দিনে সংক্রমণের হার বেড়ে ৬ গুণ হয়ে গেল। টানা দুই সপ্তাহ সংক্রমণের হার ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার পর করোনার তৃতীয় ঢেউ নিশ্চিত হয়ে যায়।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে যখন দেশে শাটডাউন নামে বিধিনিষেধ দেয়া হয়, সে সময় পরীক্ষার বিপরীতে যে সংক্রমণের হার ছিল, বর্তমান অবস্থা ঠিক সে সময়ের মতো।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে যতগুলো নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, তার মধ্যে প্রতি ৩১ দশমিক ২৯ শতাংশের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই হার গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

শাটডাউন চলাকালে গত বছরের ২৪ জুলাই এর চেয়ে বেশি সংক্রমণে হার পাওয়া গেছে। সেদিন ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণ ছিল ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

গত শনিবার সকাল থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত সারা দেশে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৫৪ জনের। এদের মধ্যে রোগী পাওয়া গেছে ১০ হাজার ৯০৬ জন।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

আগের ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী পাওয়া যায় ৯ হাজার ৬১৪ জন।

এ নিয়ে ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হিসাবে শনাক্ত হয়েছেন ১৬ লাখ ৮৫ হাজার ১৩৬ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৮৬১ জন।

শনিবারের তুলনায় রোগী বেশি পাওয়া গেলেও সংখ্যাটি শুক্রবারের তুলনায় কম। সেদিন ২৪ ঘণ্টায় রোগী ছিল ১১ হাজার ৪৩৪ জন।

তবে বরাবর শনিবার তুলনামূলক কম রোগী পাওয়া যায়। এর কারণ, শুক্রবার সাধারণত নমুনা পরীক্ষা কম হয়।

গত ৭ জানুয়ারি পরীক্ষার বিপরীতে করোনার সংক্রমণ ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার পর এ নিয়ে ১৭ দিনে সংক্রমণের হার বেড়ে ৬ গুণ হয়ে গেল। টানা দুই সপ্তাহ সংক্রমণের হার ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার পর করোনার তৃতীয় ঢেউ নিশ্চিত হয়ে যায়।

তবে প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ের তুলনায় এবার মৃত্যুর হার তুলনামূলক কম। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৪ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছে, যা আগের ২৪ ঘণ্টায় ছিল ১৭ জন।

এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মারা গেছে ২৮ হাজার ২২৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন, তাদের ৬ জন পুরুষ, নারী ৮ জন। মৃত্যু সবচেয় বেশি ঢাকা বিভাগে, ৫ জন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দুইজন করে এবং খুলনা, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

আক্রান্তও সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই বিভাগে রোগী পাওয়া গেছে ৬ হাজার ৫৮১ জন।

তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পর সারা দেশে জারি করা হয়েছে নানা বিধিনিষেধ। এর মধ্যে আছে সামাজিক ও রাজনৈতিক জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা, সামাজিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি হাজির না হওয়া প্রভৃতি। সশরীরে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও।

গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী বহনের নিষেধাজ্ঞা নিয়েও তা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে, যদিও ট্রেনে প্রতি দুই আসনে একজন যাত্রী তোলা হচ্ছে।

এবার এখন পর্যন্ত লকডাউনের মতো কঠোর না হওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

ওমিক্রনের সামাজিক সংক্রমণ চলছে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ওমিক্রনের সামাজিক সংক্রমণ চলছে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ওমিক্রন আস্তে আস্তে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের জায়গা দখল করে নিচ্ছে। ফাইল ছবি

ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের সামাজিক সংক্রমণ ঘটেছে। আস্তে আস্তে ডেল্টার জায়গাগুলোকে দখল করে ফেলছে ওমিক্রন।’

করোনারভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের সামাজিক সংক্রমণ চলছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে ওমিক্রন আস্তে আস্তে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের জায়গা দখল করে নিচ্ছে।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত রোববার দুপুরে ভার্চুয়াল বুলেটিনে অধিদপ্তরের মুখপাত্র ডা. নাজমুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করে নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের সামাজিক সংক্রমণ ঘটেছে। আস্তে আস্তে ডেল্টার জায়গাগুলোকে দখল করে ফেলছে ওমিক্রন।’

যদিও শুক্রবার বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে এসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, দেশে করোনা আক্রান্তদের ৭০ শতাংশই ওমিক্রনে আক্রান্ত। এমন পরিস্থিতি গোটা দেশে। এর দুই দিন পর, এমন তথ্য জানাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘৭৩ শতাংশ মানুষের নাক দিয়ে পানি ঝরছে। ৬৮ শতাংশ মানুষের মাথা ব্যথা করছে। ৬৪ শতাংশ রোগী অবসন্ন-ক্লান্তি অনুভব করছেন। ৭ শতাংশ রোগী হাঁচি দিচ্ছেন। গলা ব্যথা হচ্ছে ৭ শতাংশ রোগীর। ৪০ শতাংশ রোগীর কাশি হচ্ছে। এই বিষয়গুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে। এখন সিজনাল যে ফ্লু হচ্ছে তার সঙ্গে কিন্তু ওমিক্রনের মিল রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডিসেম্বরের শেষ থেকে বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। ২২ জানুয়ারি এসে শনাক্তের হার ২৮ শতাংশের বেশি রয়েছে। সপ্তাহের শুরু ১৬ জানুয়ারি যেটা ছিল ১৭ দশমিক ৮২ শতাংশ। গত বছরের শেষ দিক থেকে এ বছরের শুরু পর্যন্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নেয়ার জন্য আগ্রহী রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১০০টি নমুনা সংগ্রহের বিপরীতে শনাক্তের হার ২৮ শতাংশের বেশি। আজ পর্যন্ত যে গড় আছে তা ১৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

শেয়ার করুন