× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
ভোটের অপেক্ষায় ২৪ পৌরসভা
google_news print-icon

ভোটের অপেক্ষায় ২৪ পৌরসভা

ভোটের-অপেক্ষায়-২৪-পৌরসভা
মোট ছয় লাখ ২৪ হাজার ৮০৭ জন ভোটার। কেন্দ্রে কেন্দ্রে এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে ভোটের সরঞ্জাম। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

তিন সপ্তাহের প্রচারে প্রায় সোয়া ছয় লাখ ভোটারের সমর্থন আদায়ে নির্ঘুম প্রচারের পর এখন অপেক্ষায় প্রার্থীরা। রাত পোহালে সকাল আটটা থেকে ভোটাররা রায় দেবেন কাকে পাঁচ বছরের জন্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান তারা।

২৪টি পৌরসভায় মেয়রের পাশাপাশি ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন ছয় লাখ ২৪ হাজার ৮০৭ জন ভোটার।

বরিশাল

জেলায় ভোট হবে বাকেরগঞ্জ ও উজিরপুর পৌরসভায়।

রোববার বিকালের মধ্যেই ভোটগ্রহণের জন্য ইভিএম মেশিন পাঠানো হয় কেন্দ্রে। এর আগে দুই পৌরসভা নির্বাচনে দায়িত্বরতদের দুই দিনের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী লোকমান হোসেন ডাকুয়া, বিএনপির এসএম মনিরুজ্জামান ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের খলিলুর রহমান।

সংরক্ষিত নয় জন ও সাধারণ কাউন্সিল ২৫ জন প্রার্থীও রায়ের অপেক্ষায়। নয়টি কেন্দ্রের ৪৯টি কক্ষে ভোট দেবেন ১৫ হাজার ৩০৪ জন ভোটার।

ভোটের অপেক্ষায় ২৪ পৌরসভা
ভোটকেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ছবি: নিউজবাংলা

উজিরপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন বেপারী, বিএনপির শহিদুল ইসলাম খান ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের কাজী শহিদুল ইসলাম।

সাধারণ কাউন্সিল পদের জন্য ২৪ জন আর সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলের জন্য ৯ জন আছেন ভোটের লড়াইয়ে।

এখানে নয়টি ভোট কেন্দ্রের ৪১টি কক্ষে ভোট দেবেন ১১ হাজার ৯২৪ জন।

চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় ৩৩টি কেন্দ্রে নেয়া হবে ভোট। দুপুরেই সেগুলোতে ইভিএম পাঠিয়ে দেয়া হয়। এর মধ্যে ১০টি পয়েন্টে ভোটারদের ইভিএমে ভোট দানের পদ্ধতি শেখানো হয়েছে।

পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা ৬৭ হাজার ৮০৮ জন।

মেয়র পদে লড়ছেন সাত জন। এদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন, বিএনপির সিরাজুল ইসলাম মনি, ইসলামী আন্দোলনের তুষার ইমরান ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মজিবুল হক মালিক মজু।

ভোটের অপেক্ষায় ২৪ পৌরসভা
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল। ছবি: নিউজবাংলা

এ ছাড়া স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন মনিবুল হাসান পলাশ, সৈয়দ ফারুক উদ্দিন আহম্মেদ ও তানভীর আহমেদ মাসরিকী।

সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর তিনটি পদে ১৩ জন ও সাধারণ কাউন্সিলরের নয়টি পদে ৬৪ জন লড়াই করছেন।

বুধবার সকালে ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বিল্লাল হোসেন বেল্টু মারা যাওয়ায় ওই ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে নির্বাচন স্থগিত করেছে কমিশন।

কুষ্টিয়া

জেলার খোকসা পৌরসভায় হচ্ছে ভোট। রোববার বেলা ১২টায় উপজেলা থেকে কেন্দ্রগুলোতে ইভিএম মেশিন সরবরাহ করা হয়।

নয়টি ওয়ার্ডে মোট নয়টি ভোটকেন্দ্রের জন্য ৭২টি ইভিএম মেশিন দেয়া হয়েছে। পাঁচটি করে ইভিএম মেশিনের বিপরীতে তিনটি মেশিন রিজার্ভ রাখা হচ্ছে।

প্রিজাইডিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচন পরিচালনাকারীদের ইভিএম সম্পর্কে প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে।

ভোট সুষ্ঠু রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে আছে বলে জানান কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত।

পৌরসভায় মেয়র পদে প্রার্থী দুই জন। এরা হলেন আওয়ামী লীগের তারিকুল ইসলাম ও বিএনপির নাফিজ আহম্মেদ খান রাজু।

নয়টি ওয়ার্ডে ৩১ জন কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের তিনটি পদে ১০ জন অংশ নিয়েছেন।

পৌরসভায় ভোটার ১৪ হাজার ৯৪০ জন।

মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জ পৌরসভার ভোট দিতে দুপুরে সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের হল রুমে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে নির্বাচনি সরাঞ্জাম হস্তান্তর করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার।

এখানে মেয়র পদে দুই জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৭ জন আর সংরক্ষিত নারী আসনে ১৫ জন প্রার্থী হয়েছেন।

এই নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৫৫ হাজার ২০২ জন, এর মধ্যে পুরুষ ২৬ হাজার ৯৬৬ জন, নারী ২৮ হাজার ২৬৬ জন।

নয়টি ওয়ার্ডে ২৫টি কেন্দ্রের ১৪৫টি ভোট কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে।

ভোটের অপেক্ষায় ২৪ পৌরসভা
নির্বাচনি সরঞ্জাম নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন আনসার বাহিনীল সদস্যরা। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান জানান, ৪৫ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ১৪৫ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ২৯০ জন পোলিং এজেন্ট দায়িত্ব পালন করবেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৬১৯ জন পুলিশ ও ২২৫ জন আনসার দায়িত্ব পালন করবেন।

মৌলভীবাজার

এই জেলায় ভোট হবে বড়লেখা পৌরসভায়।

বিকেলে এখানকার নয়টি কেন্দ্রে নির্বাচনি সামগ্রী পাঠানো হয়। এসব কেন্দ্রে ৪৩টি ভোটকক্ষের প্রতিটির জন্য একটি করে ইভিএম পাঠানোর পাশাপাশি আরও তিনটি দেয়া হয়েছে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করতে।

নির্বাচনে দুই প্লাটুন বিজিবি, প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেট ও সমস্ত পৌর এলাকায় একজন নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেট কাজ করবেন।

নির্বাচনে তিন জন মেয়র প্রার্থী ও ২৬ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী ও ১১ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী অংশ নিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, বিএনপির আনোয়ারুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র সাইদুল ইসলাম।

পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে ভোটার ১৫ হাজার ৪৪৩ জন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

পঞ্চগড়

পঞ্চগড় পৌরসভায় ভোট নিতে দুপুরে জেলা নির্বাচন অফিসের সামনে থেকে নির্বাচনি সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।

প্রিজাইডিং অফিসাররা মালামাল বুঝে নিয়ে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের নিয়ে নিজ নিজ কেন্দ্রে যান।

১৫টি কেন্দ্রে ৯৭ বুথে নেয়া হবে ভোট। মেয়র পদে ৩ জন, কাউন্সিলর পদে ৩৭ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ঢাকা

জেলায় ভোট হবে ধামরাই পৌরসভায়। নয়টি ওয়ার্ডের ২১ কেন্দ্রে ১০৮টি কক্ষে নেয়া হবে ভোট। মোট ভোটার ৪২ হাজার ৬৪৪ জন।

মেয়র প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের গোলাম কবির মোল্লা, বিএনপির দেওয়ান নাজিম উদ্দিন মঞ্জু ও ইসলামী আন্দোলনের শওকত হোসেন।

সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে নয় জন লড়াই করছেন।

ঢাকা জেলা সিনিয়র নির্বাচন কমিশনার মুনীর হোসাইন খান বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে নির্বাচনি মালামাল স্ব-স্ব কেন্দ্রে চলে গেছে। আনসার, বিজিবি ও র‌্যাব টহলে আছে। ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে নয় জন। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।’

ভোটের আগের দিন কুয়াকাটার এক প্রার্থীর অভিযোগ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভায় ভোটের আগের দিন সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হাওলাদার।

তার দাবি, নৌকার প্রার্থী আবদুল বারেক মোল্লার নির্দেশে তার ছেলে মাসুদ মোল্লা এবং ভাই লতাচাপলী ইউপি চেয়ারম্যান আনছার উদ্দিন মোল্লার বাহিনী তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করছে, হুমকি দিচ্ছে। তার লোকদের কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মহিব্বুর রহমান মুহিব গত শুক্রবার থেকে নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

তবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জেলা প্রশাসনের বিশেষ নির্দশনা রয়েছে। মাঠে পর্যাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে। আশা করি, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন শেষ হবে।’

আরও যেসব পৌরসভায় ভোট

রংপুর বিভাগে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী, রংপুরের বদরগঞ্জ ও কুড়িগ্রামের কুড়িগ্রাম সদর।

রাজশাহী বিভাগে রাজশাহীর পুঠিয়া ও কাটাখালী, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর ও পাবনার চাটমোহর।

খুলনা বিভাগে খুলনার চালনা।

বরিশাল বিভাগে বরগুনার বেতাগী।

ময়মনসিংহ বিভাগে ময়মনসিংহের গফরগাঁও, নেত্রকোণার মদন।

সিলেট বিভাগে সুনাগঞ্জের দিরাই, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ।

চট্টগ্রাম বিভাগে একমাত্র পৌরসভা হিসেবে ভোট হচ্ছে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডতে।

গত ২২ নভেম্বর প্রথমধাপে ২৫টি পৌরসভার তফসিল ঘোষণা করেছিল ইসি। তবে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার একজন মেয়র প্রার্থীর মৃত্যুতে সেখানে স্থগিত হয়েছে নির্বাচন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
Mobile library program is being conducted at 3 200 spots Minister of Culture

‘৩,২০০ স্পটে পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রম’: সংস্কৃতিমন্ত্রী

‘৩,২০০ স্পটে পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রম’: সংস্কৃতিমন্ত্রী

সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে বই পড়ার সুযোগ পৌঁছে দিতে বর্তমানে ৭৬টি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাড়ির মাধ্যমে ৬৪ জেলার ৩৬৮টি উপজেলা ও থানার তিন হাজার ২০০টি স্পটে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে কুড়িগ্রাম-১ আসনের বিরোধীদলীয় (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের টেবিল উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য, বিশেষ করে নারী ও শিশু-কিশোরদের কাছে বই পড়ার বিকল্প উৎস তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, জ্ঞানচর্চা বৃদ্ধি এবং কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

নিতাই রায় চৌধুরী আরও জানান, জনগণের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি, জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়া, তরুণ প্রজন্মকে অপসংস্কৃতি ও মাদকের প্রভাব থেকে দূরে রাখা এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ‘উপজেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত প্রকল্পে প্রতিটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের একটি ফ্লোর পাবলিক লাইব্রেরি হিসেবে বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।’

প্রথম পর্যায়ে ২৬টি উপজেলা সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে পর্যায়ক্রমে কুড়িগ্রাম-১ আসনের ভুরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী উপজেলাসহ দেশের সব উপজেলায় সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স ও আধুনিক লাইব্রেরি নির্মাণ করা হবে।

মন্তব্য

জাতীয়
ACC summoned Mahbub Morshed former MD of Bus

বাসসের সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে তলব করল দুদক

বাসসের সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে তলব করল দুদক

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ‘অনিয়ম ও দুর্নীতির’ অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তার বক্তব্য শুনতে তাকে ডাকা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এ কে এম মাহবুবুর রহমানের সই করা এক নোটিশ পাঠানো হয়। তাতে মাহবুব মোর্শেদকে আগামী সোমবার দুপুর ৩টায় সেগুনবাগিচায় কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।

নোটিশে আরও বলা হয়, মাহবুব মোর্শেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিরুদ্ধে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে আপনার বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।

নোটিশে তাকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের কপিসহ হাজির হতে বলা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদকের দায়িত্বে থাকার সময় নিজের একটি গাড়ি আরেকটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত এ সংবাদমাধ্যমেই ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ১৮ আগস্ট সাংবাদিক মাহবুব মোর্শেদকে দুই বছর মেয়াদে বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব দেয় অন্তর্বর্তী সরকার।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে বিএনপি সরকার গঠনের পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারি বাসসে গিয়ে কর্মীদের ‘বিক্ষোভের’ মুখে পড়েন মাহবুব মোর্শেদ। সেদিন অফিস থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর আর সেখানে ফেরেননি তিনি। পরে ফেসবুকে নিজের আইডিতে এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করে লেখেন, ‘মব তৈরি করে’ তাকে ‘অপসারণের’ জন্য চাপ তৈরি করা হয়েছে।

এর পরদিন তার বিরুদ্ধে ওঠা ‘দুর্নীতির’ অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। কমিটির কাছে তার বিরুদ্ধে আরও কিছু অনিয়মের অভিযোগ জমা পড়ার কথা বলেন বাসসের কর্মীদের কয়েকজন।

সবশেষ গত ১ এপ্রিল এক প্রজ্ঞাপনে মাহবুব মোর্শেদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মন্তব্য

জাতীয়
The High Court directed to conduct the written examination for the post of EC data entry operator within 60 days

ইসির ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদের লিখিত পরীক্ষা ৬০ দিনের মধ্যে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

ইসির ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদের লিখিত পরীক্ষা ৬০ দিনের মধ্যে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের লিখিত পরীক্ষা ৬০ দিনের মধ্যে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রিট মামলা নিষ্পত্তি করে বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্ত্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

পরে রায়ের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম মুকুল। তিনি বলেন, ‘রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে ২০১৯ সালের ২০ মে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে। সেখানে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর (গ্রেড-১৬) পদে ৪৬৮ জনকে নিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় ১৯ হাজার ৫৬২ জন উত্তীর্ণ হন। কিন্তু গত দুই বছরেও এই পরীক্ষা গ্রহণ করেনি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।

পরে প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শহীদুল ইসলামসহ ৬৬ জন হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ১০ নভেম্বর হাইকোর্ট ৬০ দিনের মধ্যে পরীক্ষা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট সচিবালয়কে নির্দেশ দেন। এরপরেও পরীক্ষা অনুষ্ঠানে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

শুনানিকালে নির্বাচন কমিশনের পক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, আগামী ১০ জুলাই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

জবাবে রিটকারী পক্ষের কৌঁসুলি নুরুল ইসলাম মুকুল বলেন, ‘ইতোপূর্বে চারবার দিন ধার্য করলেও পরীক্ষা গ্রহণ করেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে এই ধার্যকৃত দিনেও যে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে তা নিশ্চয়তা কোথায়।’

শুনানি শেষে হাইকোর্ট জারিকৃত রুল নিষ্পত্তি করে ৬০ দিনের মধ্যে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে নির্দেশ দেন।

মন্তব্য

জাতীয়
172 Bangladeshis returned home from Libya

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭২ বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭২ বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৭২ জন বাংলাদেশি। তারা দেশেটির বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। বৃহস্পতিবার বুরাক এয়ারের বিশেষ ফ্লাইটে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তারা দেশে ফিরেছেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওই বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেন বলে জানা গেছে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে বিনিময় করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের প্রত্যেককে পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

মন্তব্য

জাতীয়
12 thousand 633 crores of bribe transactions in one year during Yunus period
টিআইবির খানা জরিপ

ইউনূস আমলে এক বছরে ঘুষ লেনদেন ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা

ইউনূস আমলে এক বছরে ঘুষ লেনদেন ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা ছবি: সংগৃহীত

মুহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের (২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত) এক বছরে বিভিন্ন সেবা খাতে মোট ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

টিআইবি বলছে, জরিপটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের দুর্নীতির চিত্রের বিশ্লেষণ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে ‘সেবা খাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ ২০২৫’ শীর্ষক এক জরিপের ফলাফলে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) নমুনাকাঠামো ব্যবহার করে দেশের আটটি বিভাগের গ্রাম ও শহরাঞ্চল থেকে দুই ধাপে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে ১ হাজার ১৪৯টি এলাকা নির্বাচন করে এই জরিপ করেছে টিআইবি। জরিপে সুনির্দিষ্ট ১৮টি সেবা খাতের চিত্র উঠে এসেছে। এর আগে ২০২৩ সালে এই জরিপ করেছিল টিআইবি।

বর্তমান জরিপের ফলাফল বলছে, ২০২৩ সালের মতো ২০২৫ সালেও পাসপোর্ট (৭৬.৬ শতাংশ) ও বিআরটিএ (৬৩.৫) থেকে সেবা নিতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ ঘুষ ও দুর্নীতির শিকার হয়েছেন। এরপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, কৃষি, ভূমি ও বিচারসংশ্লিষ্ট সেবা। এসব খাতে পরিবারপ্রতি গড় ঘুষের পরিমাণও সবচেয়ে বেশি।

তবে সার্বিকভাবে পরিবারপ্রতি গড় ঘুষের পরিমাণ ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। গত বছরে খানাপ্রতি গড় ঘুষের পরিমাণ ৫ হাজার ১২৪ টাকা।

জরিপে অংশ নেওয়া ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবার মনে করে, ঘুষ ছাড়া সেবা পাওয়া কঠিন। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও বিচারিক সেবায় ঘুষ ও দুর্নীতির উচ্চহার মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে বাধা হয়ে আছে। পাশাপাশি কৃষি, স্থানীয় সরকার, ভূমি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পাসপোর্ট ও বিআরটিএ খাতেও দুর্নীতির প্রবণতা বেড়েছে বা আগের মতোই রয়ে গেছে।

দুর্নীতির শিকার হলেও ৬১ দশমিক ৩ শতাংশ পরিবার কোনো অভিযোগ করেনি। তাদের মতে, পুরো ব্যবস্থাই দুর্নীতিগ্রস্ত। আবার প্রায় অর্ধেক পরিবারেরই দুর্নীতির অভিযোগ কোথায় ও কীভাবে করতে হয়, সে বিষয়ে কোনো ধারণা নেই।

দুদক সম্পর্কে ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং সরকারি অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (জিআরএস) সম্পর্কে মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ পরিবার জানলেও অভিযোগ করার হার খুবই কম। অভিযোগ করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা গ্রহণ করা হয়নি বা কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

জরিপে অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, দুর্নীতির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ বিচারহীনতা, সচেতনতার অভাব এবং দুর্নীতিতে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির বদলে সুবিধা পাওয়া।

জরিপে আরও দেখা গেছে, গ্রামাঞ্চলের পরিবারগুলো শহরের তুলনায় বেশি ঘুষের শিকার হয় (৬৬ শতাংশ বনাম ৫৮ দশমিক ৫ শতাংশ)। তবে ঘুষের পরিমাণের দিক থেকে শহরের পরিবারগুলোকে বেশি টাকা দিতে হয়েছে। নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো তাদের আয়ের তুলনায় বেশি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়।

টিআইবির প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, ‘নারী, আদিবাসী ও প্রতিবন্ধী’ ব্যক্তিদের জন্য এ পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন খাতে ডিজিটাল সেবা চালু হলেও তা দুর্নীতি কমাতে পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে সেবাগ্রহীতাদের এখনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, ফলে ঘুষ ও দুর্নীতির সুযোগ থেকেই যাচ্ছে।

মন্তব্য

জাতীয়
India launched tourist visa for Bangladeshis

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালু করল ভারত

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালু করল ভারত ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পর্যটন বা ট্যুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে ভারত। আগামী ২৮ জুন থেকে এই ক্যাটাগরির ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (আইভ্যাক) পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।

ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা—এই পাঁচটি প্রধান শহরের ভিসা কেন্দ্রগুলো থেকে পর্যটন ভিসার আবেদন গ্রহণ করা শুরু হবে। তবে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শহরের ভিসা সেন্টারগুলোতেও এই কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হবে। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গত প্রায় দুই বছর ধরে সাধারণ ভ্রমণ বা ট্যুরিস্ট ভিসা প্রদান স্থগিত রেখেছিল ভারত। হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে এই ঘোষণা দিতে পেরে তিনি বিশেষ সন্তোষ প্রকাশ করেন।

মেডিকেল ভিসা প্রসঙ্গে দিনেশ ত্রিবেদী উল্লেখ করেন যে, এই ক্যাটাগরির ভিসা প্রদান প্রক্রিয়া আগে থেকেই চালু রয়েছে এবং এর পরিধি আরও বৃদ্ধি করা হবে। বিশেষ করে মানবিক বিবেচনায় জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে আসা আবেদনকারীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দীর্ঘ বিরতির পর সাধারণ ভিসা চালু হওয়ার ফলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে।

এর আগে আজ বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা মিশনের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন দিনেশ ত্রিবেদী। দায়িত্ব শুরুর প্রথম দিনেই ভিসা আবেদন কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে তিনি সাধারণ মানুষের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজখবর নেন। তিনি জানান, ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে ভিসা সেন্টার পরিদর্শন করে সাধারণ আবেদনকারীদের কথা শুনবেন এবং সেবার মান উন্নয়নে গণমাধ্যমকর্মীদের সুচিন্তিত পরামর্শ গ্রহণ করবেন। ভারতের এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

মন্তব্য

জাতীয়
Presenting identity card of Indian High Commissioner Dinesh Trivedi to the President

রাষ্ট্রপতির কাছে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর পরিচয়পত্র পেশ

রাষ্ট্রপতির কাছে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর পরিচয়পত্র পেশ ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছে তাঁর আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। সাবেক এই রেলমন্ত্রীকে গত এপ্রিলে বাংলাদেশের জন্য ভারতের ১৬তম হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয় নয়াদিল্লি। গত ১২ জুন তিনি পশ্চিমবঙ্গ থেকে স্থলসীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে এসে পৌঁছান এবং দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

এদিকে, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দীনেশ ত্রিবেদীকে একটি বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় ভূষিত করেছে ভারত সরকার। গত ২৪ জুন জারি করা এক সরকারি পরিপত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশে দায়িত্বরত থাকাকালীন তাঁকে ভারতের কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমমর্যাদা দেওয়া হয়েছে। মূলত আনুষ্ঠানিক প্রটোকলের ক্ষেত্রে এবং রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার তালিকায় (টেবিল অব প্রিসিডেন্স) তিনি এই উচ্চমর্যাদা ভোগ করবেন।

তবে স্মারকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই মর্যাদা শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় ও আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এটি দীনেশ ত্রিবেদীর ব্যক্তিগত সম্মাননা হিসেবে গণ্য হবে এবং এর ফলে ভারতের স্থায়ী প্রটোকল তালিকায় বা ‘টেবিল অব প্রিসিডেন্স’-এর মৌলিক কাঠামোতে কোনো স্থায়ী পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। কূটনৈতিক মহলে দীনেশ ত্রিবেদীর এই বর্ধিত মর্যাদা দুই দেশের মধ্যকার নিবিড় সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মন্তব্য

p
উপরে