× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেলেন ১১ জন
google_news print-icon

ডিআইজি হলেন ১১ পুলিশ কর্মকর্তা

ডিআইজি-হলেন-১১-পুলিশ-কর্মকর্তা
অতিরিক্ত ডিআইজি থেকে ১১ পুলিশ কর্মকর্তাকে ডিআইজি পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ রোববার প্রজ্ঞাপন দিয়ে পদোন্নতির কথা জানিয়েছে।  

পুলিশের ১১ অতিরিক্ত ডিআইজিকে পদোন্নতি দিয়ে ডিআইজি পদমর্যাদা দেয়া হয়েছে।

রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এ পদোন্নতি দেয়ার কথা জানানো হয়।

অতিরিক্ত ডিআইজি থেকে ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন, খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হাবিবুর রহমান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মহা. আশরাফুজ্জামান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আমেনা বেগম, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি হায়দার আলী খান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মনিরুল ইসলাম।

এ ছাড়া রয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আজাদ মিয়া, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি মাহবুবুর রহমান ভুইয়া, র‌্যাবের পরিচালক (অতিরিক্ত ডিআইজি) বেগম আতিকা ইসলাম, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি রুহুল আমিন ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বাসুদেব বনিক।

আরও পড়ুন:
পুলিশের গাড়িচাপায় ঝুঁকিতে কিশোরের প্রাণ
ব্যবসায়ীর টাকা লুট: এসআই-কনস্টেবল গ্রেপ্তার
ঢাকার ৮ থানায় নতুন ওসি
মালি মিশনে ১৪০ পুলিশ সদস্য

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
Nothing comes without going to America Prime Minister

আমেরিকায় না গেলে কিছু এসে যায় না: প্রধানমন্ত্রী

আমেরিকায় না গেলে কিছু এসে যায় না: প্রধানমন্ত্রী শনিবার ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের নবনির্মিত কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
দেশে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর আবারও জোর দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা নিজের পায়ে চলব। নিজের দেশকে গড়ে তুলব। কারও মুখাপেক্ষি হয়ে থাকব না। কে স্যাংশন দিল, কে ভিসা দিল না, তা নিয়ে মাথাব্যথা করে লাভ নেই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘২০ ঘণ্টা বিমান ভ্রমণ করে আমেরিকা না গেলে কিচ্ছু আসে যায় না। পৃথিবীতে আরও অনেক মহাসাগর আছে, মহাদেশ আছে। সেসব জায়গায় যাবো, তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করবো।

শনিবার ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের নবনির্মিত কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

দেশে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর আবারও জোর দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘আমরা নিজের পায়ে চলব। নিজের দেশকে গড়ে তুলব। কারও মুখাপেক্ষি হয়ে থাকব না। কে স্যাংশন দিল, কে ভিসা দিল না, তা নিয়ে মাথাব্যথা করে লাভ নেই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা ভোট চুরি করে, ভোট নিয়ে খেলে, জনগণের ভাগ্য নিয়ে খেলছে, তাদের দিকে, ওই সন্ত্রাসী দলের দিকে নজর দিন। কানাডার আদালত বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। আর দুর্নীতির দায়ে আমেরিকাই তারেক জিয়াকে ভিসা দেয়নি। যদিও তারাই (বিএনপি) এখন আমেরিকার কাছে ধর্না দেয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের উৎপাদন বাড়াতে হবে। এক ইঞ্চি মাটিও যেন অনাবাদি না থাকে। শুধু ফসল নয়; মাছ চাষ, ডেইরি ফার্ম, হাঁস-মুরগি পালন, যার যে সুযোগ আছে তিনি তা-ই করবেন। বৃক্ষরোপণ করতে হবে।

‘মোদ্দা কথা, উৎপাদন বাড়াতে হবে। বিশ্বব্যাপী যে খাদ্য মন্দা চলছে, তা যেন আমাদের স্পর্শ করতে না পারে। তার জন্য আমাদের উর্বর মাটি ব্যবহার করতে হবে।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘দেশের জনগণ জানে নৌকায় ভোট দিলে ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। দেশের স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন হয়। নৌকায় ভোট দিয়ে তারা স্বাধীনতা পেয়েছে, উন্নত জীবন পেয়েছে, ডিজিটাল দেশ পেয়েছে।

‘জনগণের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস আছে, তারা নৌকায় ভোট দেবে। কারণ আওয়ামী লীগ থাকলে সবার জন্য কাজ করে, সবার সেবা করে।

‘জনগণের জন্য কাজ করলে তারা এর মর্যাদা দেয়। সেভাবে জনগণের কাছে যেতে হবে।’

নেতাকর্মীদের জনগণের জন্য ত্যাগ স্বীকার করার আহ্বান জানান বঙ্গবন্ধু-কন্যা। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ত্যাগ করতে এসেছে- এটা মাথায় রেখে কাজ করে যাচ্ছি। কোনো অশুভ শক্তি যাতে দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে সেভাবে দেশের মানুষকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের ওপর বার বার আঘাত, হামলা হয়েছে। আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা হয়েছে। ইয়াহিয়া খান চেষ্টা করেছে, জিয়াউর রহমান চেষ্টা করেছে, এরশাদ-খালেদা জিয়াও চেষ্টা করেছে- আওয়ামী লীগকে কীভাবে ধ্বংস করা যায়।

‘আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠেছে। তাই এই সংগঠনকে কেউ ধ্বংস করতে পারেনি, পারবেও না। আওয়ামী লীগ শুধু একটি দল নয়, আওয়ামী লীগ ইনস্টিটিউটের মতো। আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের জন্য আন্দোলন-সংগ্রামে সবসময় ভূমিকা পালন করেছে।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মানুষের কল্যাণে কাজ করে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি। আমরা যেসব কাজ করি, আওয়ামী লীগ যেসব পরিকল্পনা নেয়, প্রকল্প নেয়, তা সুপরিকল্পিতভাবেই করা হয়।

‘আমাদের মাটি, মানুষ, পরিবেশ, ভৌগোলিক অবস্থান, প্রাকৃতিক অবস্থা- সবকিছু বিবেচনা করেই আমরা প্রকল্প গ্রহণ করি। তার ফলে আমাদের প্রতিটি প্রকল্পই সাফল্য অর্জন করে। মানুষ তার সুফল পায়।’

তিনি বলেন, ‘২০০৮-এর বাংলাদেশ কী ছিল, এখন বাংলাদেশ কী অবস্থায় আছে- কেউ তুলনাটা বিবেচনা করলেই পরিবর্তনটা দেখতে পারবেন। একই দিনে ১০০ সড়ক উদ্বোধন করা- এটা কি কোনো সরকার আগে করেছে? পারেনি। কে পেরেছে? আওয়ামী লীগ।

‘আজকে আমরা বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি, এখন আমাদের বেকারত্ব মাত্র ৩ শতাংশ। সেটাও থাকবে না। যদি কেউ উদ্যোগ নেয় সেও কাজ করতে পারবে। আমরা সেই ব্যবস্থাটাও করে দিয়েছি। আমাদের গ্রামের অর্থনীতি অনেক মজবুত। গ্রামের দারিদ্র্যের হার হ্রাস পেয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কৃষকদের আমরা সব ধরনের প্রণোদনা দিচ্ছি। দুই কোটি ১০ লাখ কৃষককে কার্ড দিয়েছি। ভর্তুকির টাকাটা তার ব্যাংকে চলে যায়। ১০ টাকা দিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ আমরা করে দিয়েছি। এক কোটি ২ লাখ ৭০ হাজার ১৪৩ জন কৃষক পুরো বাংলাদেশে অ্যাকাউন্ট খুলেছে। এখন তারা সেখানে বসে টাকা পেয়ে যায়।

‘ধান কাটার মৌসুমে মানুষ পাওয়া যায় না, মজুরের দাম বেড়ে গেছে। আমি আহ্বান করেছি আমার ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মাঠে চলে গেছে। তারা কৃষকের ধান কেটে ঘরে পৌঁছে দিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিদ্যুৎ শতভাগ দিতে পেরেছি। এখন তেলের দাম বেড়ে গেছে, গ্যাসের দাম বেড়ে গেছে, কয়লার দাম বেড়ে গেছে, কয়লাও পাওয়া যাচ্ছে না। আগে এক সময় যারা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা করেছিল, তারাই এখন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করছে। তার কারণে কয়লা কিনে আনতে সমস্যা হচ্ছে।

‘আমি জানি মানুষের অনেক কষ্ট হচ্ছে। আমরা লোডশেডিং একেবারে দূর করে দিয়েছিলাম। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ যদি না হতো আর করোনা ভাইরাস যদি না দেখা দিতো, আজকে যদি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা না দেখা দিতো, মুদ্রাস্ফীতি না দেখা দিতো, তাহলে মানুষের কষ্ট হতো না। আজকে আমরা ভেতরে যতই চেষ্টা করি, যে জিনিসটা বাইরে থেকে আনতে হচ্ছে। সেটা কষ্ট করে আমাদেরকে জোগাড় করতে হচ্ছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কাতার ও ওমানের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়ে গেছে। আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে করছি, যাতে গ্যাস কিনতে পারি। এই কষ্ট দূর করতে পারি।

‘একবার অভ্যাস হয়ে গেলে মানুষের কষ্ট বাড়ে। বিএনপি-জামায়াতের আমলে তো বিদ্যুৎ ছিলই না। তখন মানুষ হাহাকার করত। বিদ্যুৎ চাওয়ার কারণে কানসাটে খালেদা জিয়া গুলি করে মানুষ হত্যা করেছিলেন। সারের দাবি করেছিল বলে ১৮ জন কৃষককে হত্যা করছিলেন। শ্রমের মজুরি দাবি করেছিল বলে ২৭ জন শ্রমিককে রোজার সময় হত্যা করা হয়েছিল।’

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
সরকারের পদক্ষেপে পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ সম্ভব হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
মুসলিম উম্মাহর পতনের কারণ দ্বন্দ্ব ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের অভাব: প্রধানমন্ত্রী
শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ-চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে আরও মনোযোগ দেয়া উচিত : প্রধানমন্ত্রী
অস্ত্র প্রতিযোগিতার অর্থ কেন ক্ষুধার্ত শিশুদের জন্য নয়: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

জাতীয়
The park will be built to teach road traffic rules

সড়কে চলাচলের নিয়ম শেখাতে নির্মাণ হবে ‘পার্ক’

সড়কে চলাচলের নিয়ম শেখাতে নির্মাণ হবে ‘পার্ক’ শনিবার সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পটির উদ্দেশ্য ও বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানান সংশ্লিষ্টরা। ছবি: নিউজবাংলা
ডিআরএসপির ম্যানেজার সামনুন সুলতানা বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষের মনোভাব পরিবর্তন করা দরকার। রাস্তা খালি আছে, আমরা সিগন্যাল না মেনে পার হয়ে যাই। এটার শুরু করতে হবে বাসা থেকে, স্কুল থেকে। শিক্ষার্থীরা ছোট, ওদের যেভাবে বুঝানো হবে, শেখানো হবে ধীরে ধীরে তারা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে যাবে ‘

শিশুদের জন্য নির্মাণ করা হবে ‘চিলড্রেন পার্ক’, যেখানে হাতে-কলমে শেখানো হবে সড়কে চলাচলের নিয়ম। রাজধানী ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধে এমন বেশ কিছু পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সঙ্গে যৌথভাবে এ প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে জাইকা। ইতোমধ্যে স্কুল শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক আইন শেখানোর কাজ শুরু করেছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

তিন বছর মেয়াদী এ প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছে ‘ঢাকা রোড ট্রাফিক সেইফটি প্রজেক্ট (ডিআরএসপি)’।

শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পটির উদ্দেশ্য ও বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানান সংশ্লিষ্টরা।

ডিআরএসপির ম্যানেজার (কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) সামনুন সুলতানা বলেন, ‘শুধু ঢাকা সিটি নয়, বাংলাদেশের কোথাও এমন চিলড্রেন পার্ক নেই। আমরা একটা চিলড্রেন পার্ক করতে চাচ্ছি যেখানে বাচ্চারা যাবে, ট্রাফিকের রুলস-রেগুলেশন সম্পর্কে জানবে।

‘আমরা ছোট পরিসরে শুরু করব, একটা শুরু করলে আরও অনেক করা যাবে। ট্রাফিক সিগন্যাল, জেব্রা ক্রসিং নিয়েও আমরা কাজ করব।’

সবার সহযোগিতা পেলে এটি নিয়ে আরও বড় পরিসরে যাওয়া সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শিশু শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক আইন শেখানোর ওপর জোর দিয়ে সামনুন বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষের মনোভাব পরিবর্তন করা দরকার। রাস্তা খালি আছে, আমরা সিগন্যাল না মেনে পার হয়ে যাই। এটার শুরু করতে হবে বাসা থেকে, স্কুল থেকে। শিক্ষার্থীরা ছোট, ওদের যেভাবে বুঝানো হবে, শেখানো হবে ধীরে ধীরে তারা তাতেই অভ্যস্ত হয়ে যাবে। এর ফলাফল আমরা হয়ত সঙ্গে সঙ্গে পাব না।

‘আমরা শিশুদের শেখাচ্ছি। ৫-১০ বছর পর সেটার ফলাফল পাব। তারা যখন নিজে ড্রাইভ করবে বা রোড ক্রস করবে, তখন যেন তারা শিক্ষাটা প্রয়োগ করতে পারে।’

এসময় জাপানের ট্রাফিক আইন শিক্ষার উদাহরণ টানেন এ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘ঠিক এভাবেই শুরু করেছিল জাপান। আজ থেকে ৩৭ বছর আগে জাপানে কিন্তু এত ভালো ট্রাফিক আইন বা রাস্তা ছিল না। অথচ, ট্রাফিক আইন মানায় এখন বিশ্বের অন্যতম দেশ তারা। ওরাও ওদের কার্যক্রম স্কুলপর্যায় থেকে শুরু করেছিল।’

ডিআরএসপি প্রকল্পের এক্সপার্ট টিমের ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানার তেতসুশি ইরি (Tetsushi IRIE) বলেন, ‘ডিআরএসপি প্রজেক্টটি একত্রে বাস্তবায়ন করছে ডিএমপি ও জাইকা। এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে ঢাকা মহানগরীতে বসবাসকারী সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের চালক-যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।’

এর আগেও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক প্রোগাম করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বিভিন্ন স্কুল এবং কলেজের শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। জাইকা রোড সেফটি প্রজেক্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাজ করছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষকে সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে তারা কীভাবে সস্পৃক্ত করছে ও সে দেশের মানুষের মনোভাব কীভাবে পরিবর্তন করছে, সেগুলো নিয়ে আরও ২ বছর কাজ করা হবে।

‘তিন বছর মেয়াদী এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় সর্বাত্মক সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়নে ডিএমপি’র সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ।’

২০২২ সালের মার্চ থেকে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর সহযোগিতায় ঢাকা মহানগর এলাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মাধ্যমে ‘ঢাকা রোড ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্ট (ডিআরএসপি)’ শীর্ষক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়ে আসছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের হাঁটার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে রাজধানীর সড়ক

মন্তব্য

জাতীয়
There is growing concern about missing Bangladeshis

নিখোঁজ বাংলাদেশিদের নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

নিখোঁজ বাংলাদেশিদের নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ ভারতের ওড়িশার বালেশ্বরে ‍দুর্ঘটনার শিকার হয় তিনটি ট্রেন। ছবি: সংগৃহীত
এখন পর্যন্ত দুই জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও কোনো বাংলাদেশির নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। সে সঙ্গে নিখোঁজ রয়েছেন কয়েকজন বাংলাদেশি।

ভারতের ওড়িশার বালেশ্বরের বাহানাগা স্টেশনের কাছে ট্রেন দুর্ঘটনায় ক্রমশ বাড়ছে আহত ও নিহতের সংখ্যা। শুক্রবার সন্ধ্যায় সেখানে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেস। একই সঙ্গে দুর্ঘটনা ঘটে হাওড়াগামী ব্যাঙ্গালুরু-হাওড়া যশবন্তপুর সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেসও। দুর্ঘটনাগ্রস্ত ওই ট্রেনে ছিলেন বাংলাদেশের কয়েকজন যাত্রীও। দুর্ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত তাদের ব্যাপারে কোনো খোঁজ না পাওয়ায় বাড়ছে উদ্বেগ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের খবরে বলা হয়, দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই পশ্চিমবঙ্গের অধিবাসী। তবে দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের কারো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ভয়াবহ ওই ট্রেন দুর্ঘটনায় কয়েকজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন বলে বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র জানিয়েছে। তবে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেনগুলোতে ঠিক কয়জন বাংলাদেশি যাত্রী ছিলেন ও তাদের মধ্যে কয়জন আহত হয়েছেন তা এখনও জানা যায়নি।

কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, স্থানীয় সাংবাদিকরা হাইকমিশনকে জানিয়েছে যে দুয়েকজন বাংলাদেশি সামান্য আহত হয়েছেন। তারা ওড়িশার সরো সরকারি হাসপাতাল ও বালেশ্বর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে দুর্ঘটনার পর থেকে কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।

এর মধ্যে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের পক্ষ থেকে তিন জনের একটি দল দুর্ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) মারেফত তারিকুল ইসলাম।

কলকাতাস্থ উপ-হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আহতদের একাংশ কলকাতায় ফিরতে শুরু করেছেন।

দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে রাজশাহীর বাসিন্দা ২৭ বছর বয়সী মো. রাসেলুজ্জামানকে সরো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে বালেশ্বর জেলা হাসপাতালে নিয়ে স্থানান্তর করা হয়।

এ ছাড়াও গোপালগঞ্জের বাসিন্দা সাজ্জাদ আলীও আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

সে সঙ্গে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না একাধিক বাংলাদেশিকে। নিখোঁজদের মধ্যে পাবনার বাসিন্দা আসলাম শেখ, খুলনার বাসিন্দা রুপা বেগম খান এবং ঢাকার বাসিন্দা খালেদ বিন আওকাত ও ৩৫ বছর বয়সী মোক্তার হোসেন রয়েছেন।

দুর্ঘটনার পর একটি হটলাইন নম্বর (৯১৯০৩৮৩৫৩৫৩৩) চালু করে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন। দেশ থেকে অনেকেই ওই নম্বরে ফোন করে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের খোঁজ নিচ্ছেন।

উপ-হাইকমিশন তাদের তালিকা তৈরি করছে। হাইকমিশনের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালিকা ধরে তাদের খোঁজ নেবে।

আরও পড়ুন:
এটি একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ট্রেন দুর্ঘটনা: মমতা
ট্রেন দুর্ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের নিহতদের পরিবার পাবে ৫ লাখ রুপি
ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ২৬১

মন্তব্য

জাতীয়
Bangladesh will give 50 thousand dollars for Palestinian refugees

ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য ৫০ হাজার ডলার দেবে বাংলাদেশ 

ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য ৫০ হাজার ডলার দেবে বাংলাদেশ  ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য ৫০ হাজার ডলার দেবে বাংলাদেশ। ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ড. মো. মনোয়ার হোসেন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে উপরোল্লিখিত আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের ঘোষণা করেন। তার বক্তব্যে ইউএনআরডব্লিউএর চলমান তহবিল ঘাটতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি ‘টেকসই, অনুমানযোগ্য এবং পর্যাপ্ত’ তহবিল সুরক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তার জন্য ৫০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে ২০২৩ সালের জন্য ‘ইউনাইটেড নেশনস রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি ফর প্যালেস্টাইন রিফিউজিস ইন দ্য নিয়ার ইস্ট (ইউএনআরডব্লিউএ)’-তে বাংলাদেশ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার আর্থিক অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে শনিবার ঢাকায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। খবর বাসসের

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামের প্রতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলনস্বরূপ ২০১৮ সাল থেকে ইউএনআরডব্লিউএ-তে অনুদান প্রদান করে আসছে বাংলাদেশ।

সম্মেলনটি আহ্বান করেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি সাবা কোরেশী। এতে সদস্য দেশগুলোকে ফিলিস্তিনি শরণার্থী এবং তাদের জন্য নিবেদিত সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএর কার্যাবলীর বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ব্রিফ করেন ইউএনআরডব্লিউএর কমিশনার জেনারেল।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ড. মো. মনোয়ার হোসেন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে উপরোল্লিখিত আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের ঘোষণা করেন। তার বক্তব্যে ইউএনআরডব্লিউএর চলমান তহবিল ঘাটতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি ‘টেকসই, অনুমানযোগ্য এবং পর্যাপ্ত’ তহবিল সুরক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের সমর্থনের জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে ইউএনআরডব্লিউএ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে শুধু আর্থিক সমর্থন প্রদান করা সমাধান নয়। এই সংকটের একমাত্র সমাধান হল ১৯৬৭-এর পূর্ববর্তী সীমানা অনুযায়ী দ্বি-রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধান অর্জনের মাধ্যমে ইসরাইলি অবৈধ দখল দারিত্বের অবসান ঘটানো।’

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের রেজুলেশনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের দুর্দশার ন্যায্য এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য সহায়তা এবং সুরক্ষা প্রদানের জন্য একটি মানবিক এবং উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইউএনআরডব্লিউএ । বর্তমানে এই সংস্থায় শরণার্থী হিসাবে ৫৯ লক্ষ ফিলিস্তিনি নিবন্ধিত রয়েছে।

আরও পড়ুন:
সৌদিতে ওষুধ শিল্প স্থাপনে বাংলাদেশকে অনুরোধ
মেসিদের সঙ্গে বিকাশের চুক্তি
সুদান থেকে সৌদিতে ৭০ বাংলাদেশি, সকালে ঢাকায় ফিরবেন
সুদানে আটকা দেড় হাজার বাংলাদেশি, ফিরতে দ্রুত নিবন্ধনের আহ্বান
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে এফবিসিসিআই-জেসিসিআই চুক্তি

মন্তব্য

জাতীয়
Pyra will be completely closed after June 5

৫ জুনের পর পুরোপুরি বন্ধ হবে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র

৫ জুনের পর পুরোপুরি বন্ধ হবে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবস্থিত পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র। ফাইল ছবি
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কয়লা আমদানি করতে আরও অন্তত ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগবে।

জ্বালানি সংকটে ৫ জুনের পর পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

তিনি জানিয়েছেন, কয়লা আমদানি করতে আরও অন্তত ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগবে।

সাভারের খাগান এলাকায় শনিবার দুপুরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে নবায়নযোগ্য শক্তি গবেষণা ল্যাবরেটরি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি হাফ বন্ধ আছে এবং আমাদের সেকেন্ড হাফও আগামী ৫ জুনের পর বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ এখানে কয়লার অভাব দেখা গেছে এবং এটা আসতে ২০-২৫ দিন লেগে যাবে আমাদের। এটা একটা বড় বিষয় কয়লার কারণের জন্য। আমাদের এখানে এলসি খুলতে দেরি হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়গুলোও ছিলো।

‘এখানে একটা বড় বিদ্যুৎ আমরা পাচ্ছি না সিস্টেমে। এ কারণে আমি মনে করি যে, কিছুটা জনদুর্ভোগ হচ্ছে। লোডশেডিং বেড়ে গেছে কয়েকটা বিদ্যুৎ কেন্দ্র কাজ না করাতে। তেলের ব্যাপারে আমরা আনার জন্য রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছি। এখন বেশির ভাগ গ্যাস আমরা ইন্ডাস্ট্রিতে ডাইভার্ট করছি।’

বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখ প্রকাশ করে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আবার আবহাওয়া অনেক গরম। ৩৮ ডিগ্রির ওপরে চলে গেছে। কোনো কোনো জায়গাতে ৪০-৪১ ডিগ্রি হয়ে গেছে। এই কারণে আমরা খুবই দুঃখিত এই বিষয়ে।

‘আমাদের এই মুহূর্তে কিছুটা লোডশেডিং চলছে এবং এটা কিছুদিন যাবে। জাতীয় গ্রিডে প্রায় দেড় হাজারের ওপরে ১৭০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং চলছে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশের আহ্বায়ক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নাহিম রাজ্জাক।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম লুৎফর রাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. সবুর খান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের ডিন ড. এম সামসুল আলম।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎ উৎপাদনে একের পর এক রেকর্ড, বেড়েছে লোডশেডিংও
লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভের সময় পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ভাঙচুর  
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভারতীয় শ্রমিকের মৃত্যু
আম কুড়াতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে দু’ভাইয়ের মৃত্যু
টিভির এন্টেনা লাগাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল পল্লি চিকিৎসকের

মন্তব্য

জাতীয়
Prime Minister Sheikh Hasina mourns Indias train accident

ভারতে ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শোক

ভারতে ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শোক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ শোক জানানো হয়।

ভারতের ওড়িশার বালেশ্বরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ট্রেন দুর্ঘটনায় ২৬১ জন নিহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ শোক জানানো হয়।

বার্তা সংস্থা এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই) জানায়, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ২৬১। আহত যাত্রীদের গোপালপুর, খান্তাপাড়া, বালেশ্বর, ভাদরাক ও সোরো এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে ওড়িশার মুখ্যসচিব প্রদীপ জেনার বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, দুই ট্রেনের পাশাপাশি দুর্ঘটনার শিকার হয় মালবাহী একটি ট্রেনও।

ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম প্রাণঘাতী এ দুর্ঘটনায় পড়ে বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস, শালিমার-চেন্নাই সেন্ট্রাল করমন্ডল এক্সপ্রেস ও মালবাহী একটি ট্রেন।

ওড়িশার মুখ্যসচিব জানান, কলকাতা থেকে ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বর থেকে ১৭০ কিলোমিটার উত্তরে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবিন পট্টনায়েক রাজ্যে এক দিনের শোক ঘোষণা করেছেন।

ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এক টুইটে বলেছেন, দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো প্রত্যেকের পরিবার পাবে ১০ লাখ রুপি। মারাত্মক আহত ব্যক্তিদের ২ লাখ রুপি এবং সামান্য আহত যাত্রীদের ৫০ হাজার রুপি করে দেয়া হবে।

দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, রেল মন্ত্রণালয় প্রদেয় অর্থের বাইরে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল (পিএমএনআরএফ) থেকে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ২ লাখ রুপি করে এবং আহত ব্যক্তিদের ৫০ হাজার রুপি করে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বই উপহার দিলেন আজমত
অস্ত্র প্রতিযোগিতার অর্থ কেন ক্ষুধার্ত শিশুদের জন্য নয়: প্রধানমন্ত্রী
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
বর্তমান সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রী
ক্ষমতা আঁকড়ে থাকতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

জাতীয়
Cyclone Mokha Navy ship goes to Myanmar with relief

ঘূর্ণিঝড় মোখা: ত্রাণ নিয়ে মিয়ানমার যাচ্ছে নৌবাহিনীর জাহাজ

ঘূর্ণিঝড় মোখা: ত্রাণ নিয়ে মিয়ানমার যাচ্ছে নৌবাহিনীর জাহাজ ঘূর্ণিঝড় মোখায় ক্ষতিগ্রস্ত মিয়ানমার। ফাইল ছবি: সিএনএন
আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ঘূর্ণিঝড় মোখায় মিয়ানমারের ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য খাদ্য ও চিকিৎসাসহায়তা নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ‘সমুদ্র জয়’।

আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতে মিয়ানমারে সরকারিভাবে ১৪৫ জন মারা যান। এর মধ্যে ১১৭ জনই মুসলিম রোহিঙ্গা গোষ্ঠীর সদস্য।

মোখায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাখাইন রাজ্য।

দুর্বল হওয়ার আগে মোখা প্রতি ঘণ্টায় ২০৯ কিলোমিটার (১৩০ মাইল) বেগে রাখাইন রাজ্যের সিটওয়ে শহরের কাছের স্থলভাগে আঘাত হানে।

এই ঘূর্ণিঝড়টি অন্তত এক দশকের মধ্যে দেশটির সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক দুর্যোগ। এর ফলে আকস্মিক প্রবল বন্যা, বিদ্যুৎ বিভ্রাট, প্রবল বাতাসে ভবনের ছাদ ভেড়ে পড়া এবং সেলফোন টাওয়ারগুলো ভেঙে পড়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

ঝড়ের কবলে পড়া রোহিঙ্গারা বেশিরভাগই জনাকীর্ণ বাস্তুচ্যুত শিবিরে বসবাস করতেন। মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর নেতৃত্বে ২০১৭ সালের একটি নৃশংস ‘বিদ্রোহী বিরোধী অভিযানে’ তাদের বাড়িঘর হারানোর পরে তারা ওই স্থানে স্থানান্তরিত হয়েছিল।

মোখা আঘাত হানার পর ভারত, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশ আর্থিক বা বস্তুগত সহায়তা ঘোষণা করে।

ওই সময় ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ত্রাণসামগ্রী নিয়ে মিয়ানমারে যায়। জাহাজগুলোতে জরুরি খাদ্যসামগ্রী, তাঁবু, প্রয়োজনীয় ওষুধ, পানির পাম্প, বহনযোগ্য জেনারেটর, জামাকাপড়, স্যানিটারি ও স্বাস্থ্যবিধি সামগ্রী ছিল।

ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বাংলাদেশও নৌবাহিনীর জাহাজে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন:
দেশজুড়ে বাড়তে পারে গরম
বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে সব বিভাগে
বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা কমতে পারে শনিবার থেকে
সব বিভাগে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
গরম একটু কমতে পারে শিগগিরই

মন্তব্য

p
উপরে