দেশ রক্ষার জন্য নদী রক্ষা অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

দেশ রক্ষার জন্য নদী রক্ষা অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘পৃথিবীর তাপমাত্রা যদি ৩ ডিগ্রী বাড়ে তাহলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে। এই বাস্তবতায় নদীগুলো কিভাবে বাঁচানো যায়, সেজন্য আগামী ১০০ বছরের ভাবনা মাথায় রেখেই আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন,‘দেশ রক্ষার জন্য দেশের নদ-নদী রক্ষা অপরিহার্য।

তিনি বলেন, ‘মানুষের দেহের শিরা-উপশিরা নষ্ট হলে যেমন মৃত্যু অনিবার্য, ঠিক একইভাবে আমাদের নদীগুলোকে দখল-দুষণ থেকে রক্ষা করতে না পারলে দেশকে রক্ষা করা কঠিন। দেশের জলবায়ু এবং এই নদীপারের মানুষগুলোকে রক্ষা করা কঠিন। সেজন্য আমাদের সবাইকে নদীরক্ষায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।’


তথ্যমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও নদীমাতৃক বাংলাদেশ’ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।


তথ্যমন্ত্রী জানান, ‘বাংলাদেশের নদীগুলোর শতকরা ৯৩ ভাগের উৎস বাংলাদেশের বাইরে। এই নদীগুলো আমাদের দেশের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রে গিয়ে পড়ার পথে ৩.৮ বিলিয়ন টন পলি বহন করে। এরমধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ মিলিয়ন টন নদী পথে জমা হয়। এইভাবেই গত ৪ বছরে সমুদ্র বেশ কয়েকটি দ্বীপচর জেগেছে। সুবর্ণচর কিন্তু ৫০ বছর আগে ছিল না, উপজেলাটি ছিল। এরকম আরো অনেক ছোট ছোট দ্বীপ জেগে উঠেছে, যেখানে আজকে রোহিঙ্গাদের সাময়িক স্থানান্তরের কথা বলা হচ্ছে, সেই চরটিও ৫০ বছর আগে ছিল না। এই যে সম্ভাবনা সমুদ্রে তৈরি হচ্ছে তা কাজে লাগানোর জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া সম্ভব।’

‘প্যারিস চুক্তিতে বিশ্বের দেশগুলোর দেয়া সমস্ত প্রতিশ্রুতি যদি শতভাগ বাস্তবায়িত হয়, তারপরও পৃথিবীর তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রী বাড়বে’ উল্লেখ করে পরিবেশ গবেষক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘পৃথিবীর তাপমাত্রা যদি ৩ ডিগ্রী বাড়ে তাহলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে। এই বাস্তবতায় নদীগুলো কিভাবে বাঁচানো যায়, সেজন্য আগামী ১০০ বছরের ভাবনা মাথায় রেখেই আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে হবে। কোথায় মানুষকে থাকতে দিবো, কোথায় ফসল উৎপাদন করবো, কোথায় রবি শস্য উৎপাদন করবো- এসব বিষয়ে সারাদেশে একটা ফিজিক্যাল পরিকল্পনা দরকার।’


নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে নদীরক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখায় ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদের নেতৃত্বে নদী দখল-দুষণকারীদের বিরুদ্ধে তার মন্ত্রণালয় সত্যিকারের কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। এই ব্যবস্থাকে টেকসই করতে বেপরোয়া দখলকারীদের রুখতে নদীরক্ষা কমিশনকে আরো শক্তিশালী করা দরকার, প্রয়োজন শক্তিশালী টাস্কফোর্স।

বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে ৩ বছর সময় পেয়েছিলেন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির সমস্ত দিক তিনি রচনা করে গেছেন, আইন প্রণয়ন করে গেছেন, যেটির ওপর দাঁড়িয়ে আমরা হাঁটছি। তখন যদি বাংলাদেশ জাতিসংঘের সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত কমিটির সদস্য না হতো, সমুদ্রসীমার জন্য আমরা মামলাও করতে পারতাম না। মামলা করার কোনো সুযোগ থাকতো না।’


তথ্যমন্ত্রী বলেন, ’৭৪ সালের সীমান্ত চুক্তি না থাকলে ছিটমহলগুলো অধিকারে আনাও আমাদের পক্ষে সম্ভব হতো না। আজকে যে বাংলাদেশের পতাকা উড়ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে, তার ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র তিনিই রচনা করে গেছেন। অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু সবকিছুর ভিতই রচনা করে গেছেন। আর সেই ভিতের উপর দাঁড়িয়ে আজকে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।


তিনি বলেন, আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য দেশকে ২০৪১ সাল নাগাদ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দেয়া আর সেই স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে হলে নদ-নদীগুলোকে রক্ষা করতে হবে।


নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী তার বক্তৃতায় বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে আমরা আজ নদীমাতৃকতার সুফল ভোগ করতে পারতাম। কিন্তু আজ আমাদের নদীরক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ আমরা সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি।


নৌ-পরিহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ খালেদ ইকবাল।

বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংয়ের উর্দ্ধতন পানি সম্পদ বিশেষজ্ঞ সাইফুল আলম, বুয়েটের পানি সম্পদ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আতাউর রহমান এবং লেখক, গবেষক ও সংগঠক শেখ রোকন। নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর এ জেড এম জালাল উদ্দিন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মুভমেন্ট পাস নিয়ে হেরোইন পাচার

মুভমেন্ট পাস নিয়ে হেরোইন পাচার

আন্তজেলা মাদক কারবারি চক্রের সদস্যের কাছ থেকে ৩২০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয় বলে জানায় র‌্যাব। ছবি: সংগৃহীত

র‌্যাব জানায়, ভোরের দিকে মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের সামনে রাস্তার ওপর চেকপোস্ট বসানো হয়। এ সময় আন্তজেলা মাদক কারবারি চক্রের সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ৩২০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় মাস্ক ও স্যানিটাইজার পরিবহনের জন্য নেয়া মুভমেন্ট পাস ব্যবহার করে হেরোইন পাচারের সময় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

মোহাম্মদপুর টাউনহল মার্কেটের সামনে থেকে বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে তাকে আটক করে র‌্যাব-২-এর একটি দল। পরে মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম সৌমিক আহম্মেদ সিদ্দিকী। তিনি আন্তজেলা মাদক কারবারি দলের সদস্য বলে র‌্যাব দাবি করেছে।

র‍্যাব-২-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে, মাদকের একটি বড় চালান সীমান্ত এলাকা থেকে মোহাম্মদপুর এলাকায় মাদক কারবারিদের কাছে আসছে। এর ভিত্তিতে র‌্যাব-২-এর একটি আভিযানিক দল মাদক চালানটি আটক করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।

মামুন জানান, ভোরের দিকে মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের সামনে রাস্তার ওপর চেকপোস্ট বসানো হয়। এ সময় আন্তজেলা মাদক কারবারি চক্রের সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ৩২০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাবের ভাষ্য, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে মাস্ক ও স্যানিটাইজারের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এ দুটি পণ্য সরবরাহে মুভমেন্ট পাস নিয়ে কারবারিরা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক আনে। পরে তা রাজধানীর বিভিন্ন মাদক কারবারিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সৌমিকের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা হয়েছে বলেও জানিয়েছে র‌্যাব।

শেয়ার করুন

মতিন খসরুর ফাঁকা আসনে প্রার্থী কারা

মতিন খসরুর ফাঁকা আসনে প্রার্থী কারা

সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু। ফাইল ছবি

মতিন খসরুর স্ত্রী সেলিমা সোবহান খসরু জানান, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার যেকোনো সিদ্ধান্তকে তিনি সাধুবাদ জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী তাকে মনোনীত করলে নির্বাচন করবেন।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরুর প্রয়াণের পর কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসন শূন্য ঘোষণা করেছে সংসদ সচিবালয়।

সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ খান স্বাক্ষরিত বুধবারের এক গেজেটে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।

সংবিধান অনুযায়ী শূন্য হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে ওই আসনে উপনির্বাচনের ব্যবস্থা করবে নির্বাচন কমিশন।

শূন্য ঘোষণার আগে থেকেই কৌশলে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন আসনটির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। শোক ছাপিয়ে এখন আলোচনা চলছে কুমিল্লা-৫ আসনে কে হবেন মতিন খসরুর উত্তরসূরি।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে জনসমাগম নিষিদ্ধ করেছে সরকার। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে সরব প্রচারণা।

কৌশলী প্রচারে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ায় উত্তাপ তৈরি করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তাদের সমর্থনে সরব নেতাকর্মীরাও।

বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া ঘুরে ও নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এমপি আবদুল মতিন খসরুর স্ত্রী সেলিমা সোবহান খসরুসহ কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থী প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন।

বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া সংসদীয় আসনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে সেলিমা সোবহান খসরু জানান, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তাকে তিনি সাধুবাদ জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী তাকে মনোনীত করলে স্বামীর আসনে নির্বাচন করবেন।

তবে এই মুহূর্তে স্বামীর স্মৃতি নিয়েই থাকতে চান বলে জানান সেলিমা খসরু।

সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মতিন খসরুর অন্যতম রাজনৈতিক সহকর্মী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বুড়িচং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন।

তিনি বলেন, ‘আমি অনেক বছর ধরে রাজনীতি করছি। খসরু ভাই আমার রাজনৈতিক গুরু। তিনি বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার জন্য কাজ এনেছেন। আমি সেটি বাস্তবায়ন করেছি।’

তিনি বলেন, ‘দলের নেতা-কর্মীরা চায় আমি নির্বাচন করি। দল মনোনয়ন দিলে আমি অবশ্যই নির্বাচন করব।’

প্রার্থিতার দৌড়ে আছেন মতিন খসরুর স্নেহভাজন ও সোনার বাংলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আবু সালেক মো. সেলিম রেজা সৌরভ।

তিনি বলেন, ‘দলের নেতা-কর্মীরা নির্বাচন করার জন্য অনুরোধ করছেন৷ কেন্দ্রীয় নেতারা আমার বিষয়ে খুবই ইতিবাচক।’

সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান মিঠু। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার হয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন নেতাকর্মীদের একাংশ।

এ ছাড়া অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন যুবলীগের সহসম্পাদক এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমী, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আবুল হাসেম খান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক দিদার মো. নিজামুল ইসলাম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আবদুস সালাম বেগ, প্রয়াত মতিন খসরুর সহোদর কুমিল্লা বারের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মমিন ফেরদৌস, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বুড়িচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, কুমিল্লা জেলা পরিষদের (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) সদস্য তারিক হায়দার, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিকসহ অনেকে।

শেয়ার করুন

করোনায় আরও এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

করোনায় আরও এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

করোনায় আরও এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোরে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে মোশারফ হোসেনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে পুলিশে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৯৩ জনে।

করোনায় মারা গেছেন আরও একজন পুলিশ সদস্য। তার নাম মোশারফ হোসেন।

৪৬ বছর বয়সী মোশারফ কনস্টেবল পদে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক উত্তর বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোরে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

এ নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে পুলিশে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৯৩ জনে।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

করোনায় মোশারফের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ। শোকবার্তায় আইজিপি মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

মোশারফ হোসেনের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ থানার আশ্বিনপুর গ্রামে।

তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এআইজি সোহেল রানা জানান, বাংলাদেশ পুলিশের ব্যবস্থাপনায় মরদেহ মরহুমের গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

খসরুর আসন শূন্য, গেজেট ইসিতে

খসরুর আসন শূন্য, গেজেট ইসিতে

সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ খান স্বাক্ষরিত এক গেজেটে বুধবার আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এরই মধ্যে গেজেট নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরুর মৃত্যুতে কুমিল্লা-৫ আসন শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ খান স্বাক্ষরিত এক গেজেটে বুধবার আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এরই মধ্যে গেজেট নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী আসন শূন্য হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনের ব্যবস্থা করবে নির্বাচন কমিশন।

তবে চলমান মহামারি বা অন্য কোনো পরিস্থিতিতে তা সম্ভব না হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও ৯০ দিন সময় নিতে পারেন।

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৪ এপ্রিল মৃত্যু হয় আবদুল মতিন খসরুর।

কুমিল্লা-৫ আসনের পাঁচবারের সংসদ সদস্য মতিন খসরু ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। আওয়ামী লীগের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদের সরকারে তিনি আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

গত ১০ ও ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন। গত ১২ এপ্রিল অসুস্থ অবস্থায় সমিতির সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি।

খসরু বর্তমান জাতীয় সংসদের আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন খসরু। পরে করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ হলেও তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন।

খসরু ১৯৯৬ সাল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আইনমন্ত্রী হয়েছিলেন এবং তার সময়েই ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়, যা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের বিচারের পথ উন্মুক্ত করে।

বাংলাদেশের মুক্তিযু্দ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করা আবদুল মতিন খসরু ১৯৫০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

‘মুক্তিযোদ্ধা বাছাই কমিটিতে অমুক্তিযোদ্ধারা কেন’

‘মুক্তিযোদ্ধা বাছাই কমিটিতে অমুক্তিযোদ্ধারা কেন’

বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান বলেন, ‘বয়সের গণ্ডগোল পাকিয়ে সমস্ত মুক্তিযোদ্ধাদের হ্যারাস করা হচ্ছে। আমার সাথে ৯ বছরের একটি ছেলে যুদ্ধে যুক্ত ছিল। সে আমাদের খাবার এনে দিত। তার মা রান্না করে ছেলেকে দিয়ে আমাদের বাংকারে খাবার পাঠাত।’

অমুক্তিযোদ্ধা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা বাছাই কমিটি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান।

কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার বন্ধ ভাতা চালু সংক্রান্ত আবেদনের শুনানির সময় বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান এ মন্তব্য করেন। এ সময় প্রধান বিচারপতিসহ অন্যান্য বিচারপতিরা এ বিষয়ে কথা বলেন।

শুনানির এক পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধার (সবশেষ) লিষ্টটাও যে সঠিক তাও এখন বলা যাবে না। কারণ এখান থেকেও তো কিছু আবার মিস্টেক (ভুল) বের হতে পারে।’

এ সময় বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান বলেন, ‘বয়সের গণ্ডগোল পাকিয়ে সমস্ত মুক্তিযোদ্ধাদের হ্যারাস করা হচ্ছে। আমার সাথে ৯ বছরের একটি ছেলে যুদ্ধে যুক্ত ছিল। সে আমাদের খাবার এনে দিত। তার মা রান্না করে ছেলেকে দিয়ে আমাদের বাংকারে খাবার পাঠাত।’

তিনি বলেন, ‘পত্রিকায় দিছে এক মুক্তিযোদ্ধা বীর উত্তম খেতাব পেয়েছেন তার বয়স হচ্ছে ১১ বছর। এই মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স নিয়া জেনুইন ৬০/৭০ বছরের মুক্তিযোদ্ধাদের হ্যারাসমেন করা হচ্ছে।’

বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ১১ বছর বয়সী লালুকে কোলে নিয়ে বীর উত্তম খেতাব দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু যেটা নিজে করে দিয়ে গেছেন এখন মুক্তিযোদ্ধারা কী করবেন।’

২০২০ সালের অক্টোবরে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য এবং সরকার অনুমোদিত মুক্তিযোদ্ধার তালিকা যাচাই-বাছাই করেই ভাতাপ্রাপ্ত সব বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম সরকারের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে তোলা হয়।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, বছরের পর বছর ধরে জেলা প্রশাসনের তালিকার ভিত্তিতেই ১ লাখ ৯২ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ভাতা পাঠানো হত। কিন্তু এমআইএসে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার পর সংখ্যাটি হঠাৎ তাদের সংখ্যা ২১ হাজার কমে ১ লাখ ৭১ হাজার হয়ে যায়।

শেয়ার করুন

হেফাজতের কাসেমী ৭ দিন, শারাফাত ৫ দিনের রিমান্ডে

হেফাজতের কাসেমী ৭ দিন, শারাফাত ৫ দিনের রিমান্ডে

হেফাজতে ইসলামের নেতা শারাফত হোসেন ও খোরশেদ আলম কাসেমী। ফাইল ছবি

কাসেমী ও শারাফতকে বৃহস্পতিবার সিএমএম আদালতে হাজির করে ২০১৩ সালে পল্টন থানায় করা সহিংসতার মামলায় ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করে ডিবি।পরে ঢাকার সিএমএম হাকিম বাকী বিল্লাহ কাসেমীকে সাত ও শারাফতকে পাঁচ দিনের রিমান্ড আদেশ দেন।

আট বছর আগে ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে তাণ্ডব ও সহিংসতায় হেফাজতে ইসলামের দুই নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে আদেশ দিয়েছে ঢাকার মুখ্যমহানগর আদালত (সিএমএম)।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব, ঢাকা মহানগর সহসভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির খোরশেদ আলম কাসেমীকে সাত দিন এবং সংগঠনের যুগ্ম-মহাসচিব ও খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক শারাফাত হোসাইনকে বৃহস্পতিবার পাঁচ দিনের রিমান্ড আদেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার সদস্য মো. সোলাইমান এ তথ্য নিউজজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

রাজধানীর মোহাম্মাদপুর থেকে মঙ্গলবার বিকেলে কাসেমীকে ও বুধবার শারাফাতকে কাফরুল থেকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে গত ২৬ মার্চ রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষের জেরে সহিংসতা হয় চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।

সেই সহিংসতা মামলার পাশাপাশি ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে অবস্থানকে ঘিরে দিনভর তাণ্ডবের মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখায় ডিবি।

বৃহস্পতিবার কাসেমী ও শারাফাতকে সিএমএম আদালতে হাজির করে ২০১৩ সালে পল্টন থানায় করা সহিংসতার মামলায় ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করে ডিবি।

আসামির পক্ষের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেসবাহ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা এর বিরোধিতা করেন।

পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার সিএমএম হাকিম বাকী বিল্লাহ জামিন আবেদন নাকচ করে কাসেমীকে জিজ্ঞাসাবাদে সাত দিন ও শারাফাতকে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সংগঠনটির অন্তত ১৫ শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

উৎপাদন বাড়াচ্ছি, বাংলাদেশ টিকা পাবে: দোরাইস্বামী

উৎপাদন বাড়াচ্ছি, বাংলাদেশ টিকা পাবে: দোরাইস্বামী

ভারতে চারদিন ছুটি কাটিয়ে বাংলাদেশে ফেরার সময় ভ্যাকসিনের বিষয়ে কথা বলেন বিক্রম দোরাইস্বামী। ছবি: নিউজবাংলা

দোরাইস্বামী জানান, করোনা মহামারির কারণে দুই দেশ খারাপ সময় পার করছে। এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত আছে। ভ্যাকসিনের জন্য দুই দেশের সম্পর্কে ভাটা পড়বে না।

ভারত থেকে করোনাভারাসের টিকার নতুন চালান আসা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশে দেশটির হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে ভারত নিজেই ভ্যাকসিন সংকটে আছে। তবে উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে, শিগগিরই বাংলাদেশে ভ্যাকসিন রপ্তানি করা হবে।’

ভারতে চারদিন ছুটি কাটিয়ে বাংলাদেশে ফেরার সময় বৃহস্পতিবার আখাউড়া স্থলবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

দোরাইস্বামী বলেন, ‘করোনা মহামারির কারণে দুই দেশ খারাপ সময় পার করছে। এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত আছে। ভ্যাকসিনের জন্য দুই দেশের সম্পর্কে ভাটা পড়বে না।’

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, এ কারণে অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বেশি ভ্যাকসিন সরবরাহের চুক্তি আছে। চুক্তি অনুযায়ী ৭০ লাখ টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। বাকি টিকা ক্রমান্বয়ে সরবরাহ করা হবে।

ভারতীয় হাই কমিশনারকে দুই দেশের শূন্যরেখায় স্বাগত জানান আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরে এ আলম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

গত ১৮ মার্চ আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে ঢাকা থেকে দিল্লি গিয়েছিলেন দোরাইস্বামী।

ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে ৩ কোটি ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা কিনতে গত বছর নভেম্বরে চুক্তি করে বাংলাদেশ। চুক্তির আওতায় দুই চালানে ৭০ লাখ ডোজ বাংলাদেশ হাতে পেয়েছে।

ভারত সরকারের দুই দফা উপহারের ৩২ লাখ ডোজ মিলে ১ কোটি ২ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৬০ লাখ মানুষ টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন, দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার জন্য ৪২ লাখ টিকা রাখা হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ভারত নিজস্ব চাহিদার কথা বিবেচনা করে সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ডের টিকার রপ্তানি গত ২৪ মার্চ স্থগিত করে।

কোভ্যাক্সের আওতায় ১৮০টি দেশও সিরাম উৎপাদিত টিকা পাবে, কিন্তু রপ্তানি স্থগিত হওয়ায় এসব দেশও টিকা পাচ্ছে না।

শেয়ার করুন