× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের জরিপে দায়িত্ব বেড়েছে দুদকের
google_news print-icon

টিআই প্রতিবেদনে দায়িত্ব ‘বেড়েছে’ দুদকের

টিআই-প্রতিবেদনে-দায়িত্ব-বেড়েছে-দুদকের
দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। ফাইল ছবি
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের জরিপে অংশ নেয়া মানুষদের ৪৭ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করে বাংলাদেশে দুর্নীতি কমেছে। আর ৪০ শতাংশ মনে করে বেড়েছে। ৮৭ শতাংশ বলেছে, দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারের পদক্ষেপের প্রতি আস্থাশীল তারা।

বাংলাদেশে ‍দুর্নীতি কমেছে বলে বেশিরভাগ মানুষের বিশ্বাস করে বলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল যে জরিপ প্রকাশ করেছে, তাতে দায়িত্ব আরও বেড়েছে গেছে বলে মনে করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

‘গ্লোবাল করাপশন ব্যারোমিটার এশিয়া ২০২০’ শীর্ষক টিআই প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছে যে, দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারের পদক্ষেপের প্রতি আস্থাশীল দেশের ৮৭ ভাগ মানুষ।

২০১৯ সালের মার্চ থেকে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জরিপের ভিত্তিতে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, জরিপে অংশ নেয়া মানুষদের ৪৭ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করে বাংলাদেশে দুর্নীতি কমেছে। আর ৪০ শতাংশ মনে করে বেড়েছে।

রোববার এক ভিডিওবার্তায় বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন দুদক চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘এর মধ্য দিয়ে দুদকের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল।’

তার দাবি, জনগণ দুর্নীতিপরায়নদের প্রতি তীব্র ঘৃণা প্রদর্শন করে বলেই, দুদকের প্রতি তাদের আস্থা ব্যক্ত করেছে।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘জনগণের আস্থাকে টেকসই করতে হবে। দুদককে নিরবচ্ছিন্নভাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

তার মতে জনগণের আকাঙ্খাকে বাস্তবায়ন করতে হলে দুর্নীতি শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, তদন্ত ও প্রসিকিউশন নিখুঁতভাবে করার বিকল্প নেই।

‘কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতিপরায়নদের কাছে এই বার্তা পৌঁছাতে হবে যে, দুর্নীতি করলে আইনের মুখোমুখি হতেই হবে। কঠোর শাস্তি পেতে হবে’- বলেন ইকবাল মাহমুদ।

তিনি বলেন, দুর্নীতি করে যারা দেশের বাইরে পালিয়ে আছেন, দুদক তাদের পিছুও ছাড়বে না।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘এক্ষেত্রে কারো ব্যক্তিগত পরিচয়, সামাজিক, পেশাগত, ধর্মীয় অন্য কোনো পরিচয়ে কাজ হবে না। আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, বিগত প্রায় পাঁচ বছরে আমরা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে জনগণের আকাঙ্খা পূরণে চেষ্টা করেছি। ব্যক্তি আমাদের কাছে মুখ্য বিষয় ছিল না। আমাদের কর্মপ্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ বিষয় ছিল অপরাধের ধরন, ব্যাপকতা এবং বিদ্যমান আইন ও বিধি-বিধান।’

দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধকে আমলে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। ইকবাল মাহমুদের দাবি, ‘জনহয়রানি যাতে না ঘটে, সেক্ষেত্রে অপরাধী শানক্তকরণেও সতর্কতার সঙ্গেই দায়িত্ব পালনে চেষ্টা করেছি।’

টি আই এর প্রতিবেদনে বাংলাদেশে এখনও ব্যাপকভাবে ঘুষ-দুর্নীতি রয়েছে বলেও উঠে এসেছে। বিশেষ করে সরকারি সেবায় ঘুষের বিষয়ট উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি পরিষেবায় দুর্নীতির প্রভাব রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দুদক চেয়ারম্যানও। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি যে শুধু সরকারি খাতে তা না, সর্বব্যাপী দুর্নীতির বিস্তৃতি রয়েছে। এতে কোনো সন্দেহ নাই। সমস্যা আছে, দুর্নীতি আছে। দুর্নীতির ব্যাপারে আমরা যেমন কঠোর, সরকারের পলিটিক্যাল কমিটমেন্টটাও কঠোর। সেই কঠোরতার কারণে আমি মনে করি, দুর্নীতির মাত্রা যতটুকু বলেছে, অতটুকু না হলেও কিছুটা অন্ততপক্ষে কমেছে বলে আমার ব্যক্তিগত ধারণা।’

তিনি বলেন, ‘তৃণমূল পর্যায়ে দুর্নীতি ঘটার আগেই তা প্রতিরোধে কমিশন প্রায় প্রতিদিনই অভিযান পরিচালনা করছে। বিগত পাঁচ বছরে ফাঁদ মামলার মাধ্যমে অসংখ্য ঘুষখোরকে ঘুষের টাকাসহ হাতে-নাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের কারও কারও বিচারিক আদালতে সাজাও হচ্ছে।’

ইকবাল মাহমুদ বলেন, গণশুনানির মাধ্যমে তৃণমূলের সমস্যা সমাধান করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটা সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারে কর্মরত কিছু অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব পালনের নামে ঘুষের মতো ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে জড়িত হচ্ছেন। এদের পরিণতি সুখকর হবে না। আজ হোক কাল হোক তদেরকে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে।

আরও পড়ুন:
দেশে দুর্নীতি কমেছে, ধারণা বেশিরভাগ মানুষের
বরিশাল সিটির সাজাপ্রাপ্ত সেই প্রকৌশলী বরখাস্ত
ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তাসহ ২৪ জনকে দুদকে তলব

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
US claims of death in protests are baseless Ministry of External Affairs

বিক্ষোভে মৃত্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ভিত্তিহীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

বিক্ষোভে মৃত্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ভিত্তিহীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন মঙ্গলবার ঢাকায় ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন বলেন, ‘দেশের কোনো গণমাধ্যমে বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্যে এমন মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্রের এ জাতীয় দাবি সহিংসতায় ইন্ধন জোগাতে পারে এবং শান্তি বজায় রাখতে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।’

বাংলাদেশে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এমনটা উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবিকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে চরম হতাশা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। সূত্র: ইউএনবি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন মঙ্গলবার বলেন, ‘দেশের কোনো গণমাধ্যমে বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্যে এমন মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্রের বক্তব্যে দুজনের মৃত্যুর দাবি ভিত্তিহীন। এ জাতীয় দাবি সহিংসতায় ইন্ধন জোগাতে পারে এবং শান্তি বজায় রাখতে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।’

সেহেলী সাবরিন বলেন, ‘ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় ১৫ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বাংলাদেশে চলমান শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে কমপক্ষে দু’জন নিহত হওয়ার ভিত্তিহীন দাবি করেছেন।

‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ গণতন্ত্রের ভিত্তি এবং সরকার জনগণের সম্পত্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি নাগরিকদের অধিকার সমুন্নত রাখতে অবিচল রয়েছে। গণতন্ত্র ও রাজনীতিতে সহিংসতার কোনো স্থান নেই।’

সেহেলী সাবরিন বলেন, ‘সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় এক শান্তিপূর্ণ সমাবেশে সে দেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা আমরা ভয়াবহতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ করেছি। ওই ঘটনায় বাংলাদেশ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং এ ধরনের সহিংসতা গণতন্ত্রের মূল মূল্যবোধের পরিপন্থী।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পৃথকভাবে এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং ট্রাম্প নিরাপদ আছেন ও সুস্থ হয়ে উঠছেন জেনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।’

গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য চাওয়া হলে ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র লিওনার্ড হিল বলেন, ‘বিবৃতিটি আহত ও নিহতের মনিটরিং রিপোর্ট-এর ভিত্তিতে ছিল।

‘আমরা সব সময় সবচেয়ে সঠিক তথ্য খোঁজার চেষ্টা করি এবং সত্য উদঘাটনে সাংবাদিকদের কাজকে স্বাগত জানাই।’

আরও পড়ুন:
চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা
জাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০
ঢাবিতে ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে খুলনায় মহাসড়ক অবরোধ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে ববিতে বিক্ষোভ

মন্তব্য

জাতীয়
Startup Bangladesh cancels investment proposal in Ten Minute School in Ayman

আয়মানের টেন মিনিট স্কুলে বিনিয়োগ প্রস্তাব বাতিল স্টার্টআপ বাংলাদেশের

আয়মানের টেন মিনিট স্কুলে বিনিয়োগ প্রস্তাব বাতিল স্টার্টআপ বাংলাদেশের টেন মিনিট স্কুলের লোগো ও তার প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক। কোলাজ: নিউজবাংলা
ফেসবুকে স্টার্টআপ বাংলাদেশের ভেরিফায়েড পেজে দেয়া পোস্টে বলা হয়, ‘টেন মিনিট স্কুল- এর জন্য ৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব স্টার্টআপ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাতিল করা হলো।’

শিক্ষক, উদ্যোক্তা ও লেখক আয়মান সাদিক প্রতিষ্ঠিত অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম টেন মিনিট স্কুলে পাঁচ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব বাতিল করেছে বাংলাদেশ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে তোলা একমাত্র ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড।

কোটা সংস্কার আন্দোলন সমর্থন করে আয়মান সাদিকের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একাধিক পোস্টের পর তার সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বানের মধ্যে মঙ্গলবার সকালে সিদ্ধান্তের কথা জানায় ফান্ডটি।

ফেসবুকে স্টার্টআপ বাংলাদেশের ভেরিফায়েড পেজে দেয়া পোস্টে বলা হয়, ‘টেন মিনিট স্কুল- এর জন্য ৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব স্টার্টআপ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাতিল করা হলো।’

আজ বেলা ১১টা ১ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্টার্টআপ বাংলাদেশের পোস্টটি শেয়ার করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এর আগে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে শনিবার রাতে ফেসবুকে পোস্ট দেন আয়মান সাদিক। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে একই দিন সন্ধ্যায় পোস্ট করেন তিনি।

তা ছাড়া তার প্রতিষ্ঠান টেন মিনিট স্কুল কালো ছবি দিয়ে সোমবার রাতে ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজের প্রোফাইল ছবি আপডেট করে।

আরও পড়ুন:
বিয়ের পিঁড়িতে আয়মান আর মুনজেরিন
দর্শকরা তাকে বলছে ‘ফুলের মতো’

মন্তব্য

জাতীয়
Today is Sheikh Hasinas imprisonment day

শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ

শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছবি: সংগৃহীত
শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয়। সারা দেশ থেকে তার মুক্তির দাবি ওঠে। তার দল আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নেয় ‘মুক্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেয়ার’। এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ। সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

বাসস জানায়, ওই সময় শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয়। সারা দেশ থেকে তার মুক্তির দাবি ওঠে। তার দল আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নেয় ‘মুক্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেয়ার’।

এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য দিয়ে এ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরায় ফিরে আসে।

বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রায় দেড় যুগ আগে ১৬ ‍জুলাই ভোরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুই সহস্রাধিক সদস্য সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে শেখ হাসিনার ধানমন্ডির বাসভবন সুধা সদন ঘেরাও করে। সেই সময় শেখ হাসিনা ফজরের নামাজ আদায় করছিলেন।

সকাল সাড়ে সাতটার দিকে যৌথবাহিনীর সদস্যরা শেখ হাসিনাকে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে সুধা সদন থেকে বের করে নিয়ে আসে এবং যৌথবাহিনীর সদস্যরা বন্দি অবস্থায় তাকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে হাজির করে।

তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জামিন আবেদন নাকচ করেন বিচারক। তাকে রাখা হয় সংসদ ভবনের স্যাঁতসেঁতে একটি ভবনে, যা পরবর্তী সময়ে সাব জেল হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বাংলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে অবরুদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। শেখ হাসিনা আদালতের গেটে দাঁড়িয়ে প্রায় ৩৬ মিনিটের অগ্নিঝরা বক্তৃতার মাধ্যমে তৎকালীন সরকারের হীন-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন।

গ্রেপ্তারের আগ মুহূর্তে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশবাসীর উদ্দেশে একটি চিঠির মাধ্যমে দেশের জনগণ এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গণতন্ত্র রক্ষায় মনোবল না হারিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী দেশবাসীর ক্রমাগত প্রতিরোধ আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুকন্যার আপসহীন ও দৃঢ় মনোভাব এবং দেশবাসীর অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগ ও নানামুখী ষড়যন্ত্রের পর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

আওয়ামী লীগসহ সমমনা সংগঠনগুলো যথাযথ কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করবে।

আরও পড়ুন:
চীন থেকে শূন্য হাতে ফেরার দাবিকারীরা মানসিকভাবে অসুস্থ: প্রধানমন্ত্রী
রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার

মন্তব্য

জাতীয়
They are not ashamed to call themselves Razakars Prime Minister

নিজেদের ‘রাজাকার’ বলতে তাদের লজ্জা হয় না: প্রধানমন্ত্রী

নিজেদের ‘রাজাকার’ বলতে তাদের লজ্জা হয় না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর এবং শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বিটিভি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, রাজাকার বাহিনী যেভাবে এ দেশে অত্যাচার করেছে…তাদের সেই অত্যাচার, রাস্তায় লাশ পড়ে থাকা এরা দেখেনি। তাই নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জা হয় না।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে সমর্থন জানানো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ স্লোগান দেয়াকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নিজেদের ‘রাজাকার’ বলতে আন্দোলনকারীদের লজ্জা হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর এবং শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

চীনে সাম্প্রতিক সফর নিয়ে রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? সেটা আমার প্রশ্ন। দেশবাসীর কাছেও প্রশ্ন যে, রাজাকারের নাতি-পুতিরা সবকিছু পাবে। মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোটা আর মেধা তো এক জিনিস নয়। মুক্তিযুদ্ধের সন্তান, নাতিপুতি মেধাবী না আর যত রাজাকারের বাচ্চা, নাতিপুতি উনারা মেধাবী, তাই না?’

ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে রোববার রাতে বিক্ষোভ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কোটা সংস্কার আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা।

ওই সময় তারা ‘চাইতে গেলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার’, ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রত্যাহার করতে হবে’ ধরনের স্লোগান দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, রাজাকার বাহিনী যেভাবে এ দেশে অত্যাচার করেছে…তাদের সেই অত্যাচার, রাস্তায় লাশ পড়ে থাকা এরা দেখেনি। তাই নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জা হয় না।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই হচ্ছে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। লাখো শহীদ রক্ত দিয়ে গেছেন, লাখো মা-বোন নির্যাতিতা। তাদের এই অবদান ভুললে চলবে না। এটা মনে রাখতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের গেরিলা যুদ্ধ হয়েছে, এখানে শান্তি কমিটিতে, কেউ রাজাকার কমিটিতে ছিল, কিন্তু অনেকে মানুষের ক্ষতি করেনি, কিন্তু যে বাহিনীগুলো তারা তৈরি করেছিল, তাদের হাতে অস্ত্র দিয়েছিল এবং তাদের দিয়ে মানুষের ক্ষতি করত, অত্যাচার করত, লুটপাট করত, গণহত্যা চালাত।

‘তাদের বিরুদ্ধেই আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি, তাদের বিচার করে অনেকের ফাঁসিও দিয়েছি। তাদের বিচারে যারা নির্যাতিত, তারা ন্যায়বিচার পেয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্য এখন যখন শুনি মেয়েরাও স্লোগান দেয়। কোন দেশে আমরা আছি? এরা কী চেতনায় বিশ্বাস করে? কী শিক্ষা তারা নিল? কী তারা শিখল?’

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গর্বের। জাতির পিতার একটি ডাকে এই দেশের মানুষ, ঘরবাড়ি, পরিবার সবকিছু ছেড়ে দিয়ে যুদ্ধে গেছে, জীবনের মায়া ত্যাগ করে যুদ্ধ করে বিজয় এনে দিয়েছে।

‘আর এই যারা বাহিনীতে (রাজাকার-আল বদর-আল শামস) ছিল, তারা এ দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার করেছে। সেটা ভুলে গেলে চলবে না।’

আরও পড়ুন:
রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার
চীন সফর শেষে দেশে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

জাতীয়
Quota activists protest in DU demanding withdrawal of Prime Ministers speech

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাবিতে কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাবিতে কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বিক্ষোভে যোগ দেয়া ঢাবির সাবেক এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি আমার মেরুদণ্ডকে আঘাত করেছে। তিনি রাষ্ট্রের মানুষকে দুই ভাগ করতে পারেন না। তিনি তার দল এবং সরকারকে এক পক্ষে নিয়েছেন এবং সাধারণ শিক্ষার্থী আর আমজনতাকে ‘রাজাকার’ ট্যাগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে হয় রাজাকারের ট্যাগ তুলে নিতে হবে, না হয় আমরা এখানে জীবন দেব।”

কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রোববারের বক্তব্যকে অপমানজনক আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা।

ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে এ বিক্ষোভ শুরু হয়।

বিক্ষোভে ঢাবি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ইডেন মহিলা কলেজসহ সাত কলেজ এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।

চীনে সাম্প্রতিক সফর নিয়ে রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? সেটা আমার প্রশ্ন। দেশবাসীর কাছেও প্রশ্ন যে, রাজাকারের নাতি-পুতিরা সবকিছু পাবে। মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোটা আর মেধা তো এক জিনিস নয়। মুক্তিযুদ্ধের সন্তান, নাতিপুতি মেধাবী না আর যত রাজাকারের বাচ্চা, নাতিপুতি উনারা মেধাবী, তাই না?’

প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত বক্তব্যকে নিজেদের জন্য অপমানজনক দাবি করে এ বক্তব্য প্রত্যাহারে বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা, যারা ‘আমি নই, তুমি নও, রাজাকার রাজাকার’, ‘কে রাজাকার, কে রাজাকার, তুই রাজাকার, তুই রাজাকার’, ‘আমি কেন রাজাকার, জবাব চাই দিতে হবে’, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে’ স্লোগান দেন।

বিক্ষোভে যোগ দেয়া ঢাবির সাবেক এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি আমার মেরুদণ্ডকে আঘাত করেছে। তিনি রাষ্ট্রের মানুষকে দুই ভাগ করতে পারেন না।

“তিনি তার দল এবং সরকারকে এক পক্ষে নিয়েছেন এবং সাধারণ শিক্ষার্থী আর আমজনতাকে ‘রাজাকার’ ট্যাগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে হয় রাজাকারের ট্যাগ তুলে নিতে হবে, না হয় আমরা এখানে জীবন দেব।”

ইডেন ছাত্রীদের ওপর হামলার অভিযোগ

বিক্ষোভে অংশ নিতে ইডেন মহিলা কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা বের হওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এক ছাত্রী।

ঢাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেয়া ওই ছাত্রী বলেন, ‘আমরা ১০-১২ জন শিক্ষার্থী আজকের এই মিছিলে আসার জন্য ইডেন কলেজের ভেতরে পুকুরপাড়ে দাঁড়িয়ে জড়ো হচ্ছিলাম আর স্লোগান দিচ্ছিলাম। এ সময় কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরা এসে আমাদের বাধা দেয় এবং তারা তর্ক-বিতর্ক এমন পর্যায়ে নিয়ে যায় যে, একপর্যায়ে যাদের নিয়ে আমরা মিছিলে যোগ দিচ্ছিলাম, তাদের বেধড়ক পেটায়।

‘তাদের পেটানোর কারণে আমরা যখন মাটিতে পড়ে যাই, তখন তারা আমাদের কিল-ঘুষি যে যা পারে, তা দিয়েই মারে। এমনকি আমাদের ওপর গরম পানিও ছুড়ে মারে।’

এ ছাত্রী আরও বলেন, ‘কলেজ প্রশাসন দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। তারা ছাত্রলীগের কর্মীদের একবারও থামায়নি। মেয়েরা মার খেয়েছে আর তারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে।’

বিক্ষোভে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, ইডেন ছাত্রীদের ওপর হামলার পর কেউ যেন কলেজ থেকে বের হয়ে বিক্ষোভে যোগ দিতে না পারেন, সে জন্য গেট বন্ধ করে রাখা হয়। পরে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ কিছু ছাত্রী গিয়ে কলেজের গেট খুলে ভেতরে থাকা শিক্ষার্থীদের মিছিলে নিয়ে আসেন।

আরও পড়ুন:
বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর
বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা কোটা আন্দোলনকারীদের
কোটা আন্দোলনকারীদের বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা কাল
কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন
বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে আপাতত চুপ শিক্ষক ফেডারেশন

মন্তব্য

জাতীয়
Prime Minister wants unity of Muslims against genocide in Gaza

গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে মুসলিমদের ঐক্য চান প্রধানমন্ত্রী

গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে মুসলিমদের ঐক্য চান প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এলদিন আহমেদ ফাহমি সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: ইয়াসিন কবির জয়/ফোকাস বাংলা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা (গাজায় গণহত্যা) প্রত্যাশিত নয়। আমাদের সবাইকে গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত।’

ফিলিস্তিনের গাজায় ৯ মাসের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে মুসলিম সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঢাকায় মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এলদিন আহমেদ ফাহমি সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে সরকারপ্রধান এ আহ্বান জানান বলে বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলে ঢুকে গত বছরের ৭ অক্টোবর গাজার শাসক দল হামাসের হামলার পর ওই দিনই উপত্যকায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েল। আকাশ ও স্থলপথে দেশটির হামলায় কমপক্ষে ৩৮ হাজার ৫৮৪ ফিলিস্তিনি নিহত ও ৮৮ হাজার ৮৮১ জন আহত হন।

অন্যদিকে হামাসের হামলায় প্রাণ হারায় ১ হাজার ১৩৯ ইসরায়েলি। এখনও গাজায় বন্দি আছেন ইসরায়েলের অনেক নাগরিক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা (গাজায় গণহত্যা) প্রত্যাশিত নয়। আমাদের সবাইকে গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত।’

বাসসের খবরে উল্লেখ করা হয়, বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব কেএম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

সরকারপ্রধান যুদ্ধের জন্য অস্ত্র উৎপাদনের অর্থ মানব জাতির, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি যেখানেই গেছেন, সেখানেই গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন।

আরও পড়ুন:
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার
চীন সফর শেষে দেশে প্রধানমন্ত্রী
দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

জাতীয়
Rain with gusty winds may occur in all sections

দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে সব বিভাগে

দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে সব বিভাগে ভারি বৃষ্টিতে রাজধানীতে যান চলাচল। ফাইল ছবি
আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গা এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।

দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, কোথাও কোথাও হতে পারে ভারি বর্ষণ।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে।

পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, ‘মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।’

আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গা এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আরও পড়ুন:
দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে সব বিভাগে
দেশজুড়ে সামান্য কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা
ভারি বর্ষণ হতে পারে ৪ বিভাগের কোথাও কোথাও
সামান্য বাড়তে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা
দেশজুড়ে সামান্য বাড়তে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রা

মন্তব্য

p
উপরে