× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
ধর্ষণের সমাধান বিয়ে?
google_news print-icon

ধর্ষণের সমাধান বিয়ে?

ধর্ষণের-সমাধান-বিয়ে?
সম্প্রতি ফেনী কারাগারে ধর্ষণ মামলার এক আসামির সঙ্গে বাদীর বিয়ে হয়। ছবি: নিউজবাংলা
১৯ নভেম্বর নাটোরে একটি ধর্ষণ মামলার আসামির সঙ্গে বাদীর বিয়ে হয়েছে আদালতে। বিয়ের পর আসামি জামিন নিয়ে ঘরে ফিরেছেন। একই দিন ফেনী কারাগারে বিয়ে হয় আরেক মামলার বাদী ও আসামির মধ্যে। ২৪ নভেম্বর বিয়ে হয় কুমিল্লা আদালতে। আরেক ধর্ষণ মামলায় আসামির জামিনের শুনানিতে ২২ অক্টোবর হাই কোর্ট বলেছে, বিয়ে করে এলে বিবেচনা করা হবে।

ধর্ষণ মামলার আসামির সঙ্গে বাদীর বিয়ে কি সমাধান?

এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই ধরনের তিনটি বিয়ে এবং জামিন পাওয়ার শর্ত হিসেবে আদালত আরও একজনকে বিয়ে করতে বলার পর প্রশ্ন উঠেছে, এভাবে কি ধর্ষণ সমস্যার সমাধান করা যাবে?

আইন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, আদালত এই মামলাগুলোতে এভাবে হস্তক্ষেপ করে বিয়ে দিলে হিতে বিপরীত হতে পারে। বিয়ে করার জন্য ধর্ষণ বেড়ে যেতে পারে, আবার শাস্তি না হলেও একই ঘটনা ঘটতে পারে।

আদালতে এভাবে বিয়ে হলে স্ত্রীর সামাজিক মর্যাদা কতটা বজায় থাকবে, সংসারে ভালোবাসা আদৌ থাকবে কি না, এই বিষয়গুলোও বিবেচনায় আনার পরামর্শ এসেছে।

কেউ কেউ এমনও বলেছেন, মামলা থেকে বাঁচতে বিয়ে করে পরে স্ত্রীকে অবহেলা করবেন আসামি। চলতে পারে মানসিক নির্যাতন। আর ধর্ষণের কারণে মেয়েটির মনে যে ট্রমা বা মানসিক চাপ তৈরি হবে, তা থেকে সে বের হবে কীভাবে, সেটা বিবেচনা করা হচ্ছে না।

একজন নারী অধিকার কর্মী বলেছেন, কিছু ক্ষেত্রে বিয়ে হতে পারে। এতে এই বার্তা যাবে যে প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক গড়লে পার পাওয়া যাবে না।

গত ১৯ নভেম্বর নাটোরে একটি ধর্ষণ মামলার আসামির সঙ্গে বাদীর বিয়ে হয়েছে আদালতে। বিয়ের পর আসামি জামিন নিয়ে ঘরে ফিরেছেন।

একই দিন ফেনী কারাগারে বিয়ে হয় আরেক মামলার বাদী ও আসামির মধ্যে। আসামির বাবা বলেছেন, তার ছেলে মুক্ত হলে বিয়ের অনুষ্ঠান হবে। মেয়েপক্ষ বলেছে, ছেলেকে মুক্ত করতে ব্যবস্থা নেবে তারা।

২৪ নভেম্বর বিয়ে হয় কুমিল্লা আদালতে। মেয়েটি একজন প্রবাসীর স্ত্রী। তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি স্বামীকে পাঠানোর অভিযোগ ছেলেটির বিরুদ্ধে। এ কারণে মেয়েটিকে তালাক দেন তার স্বামী। পরে হয় ধর্ষণ মামলা। আদালত ভেবেছে সমাধান বিয়েতে।

আদালত থেকে সম্প্রতি এই ধরনের প্রথম নির্দেশনা এসেছে আরও আগে। জামিন চেয়ে এক আসামির আবেদনের পর গত ২২ অক্টোবর হাই কোর্ট বলেছে, বিয়ে করে এলে বিবেচনা করা হবে জামিনের।

মামলাটি প্রায় সাড়ে আট বছর আগের। ‘ধর্ষণের’ কারণে জন্ম নেয়া শিশুর পিতৃ পরিচয় দেয়ার চেষ্টা করেছে আদালত।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া মনে করেন, এভাবে বিয়ে সমাধান হতে পারে না। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।’

বিয়েতে কী সমস্যা?- জানতে চাইলে এই আইনজীবী বলেন, ‘এটার মাধ্যমে এক ধরনের উৎসাহ দেয়ার বিষয়টি চলে আসবে। মনে করেন, কোনো ছেলে একজন মেয়েকে পেতে চায়, তবে মেয়েটি তাকে চায় না। ছেলেটি ভাববে, ধর্ষণ করলেই তো হয়। পরে তো তার সঙ্গেই বিয়ে দেবে।’

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যে অপরাধ করেছে সে অপরাধী। অবশ্যই তার বিচার হতে হবে। অপরাধীর সঙ্গে ভুক্তভোগীর বিয়ে দিয়ে কখনও এর সমাধান করা যায় না।’

এই আইন বিশেষজ্ঞ মনে করেন, বিয়েকে সমাধান ভাবলেও পরের ঘটনাপ্রবাহ কী হবে, তা নিয়ে চিন্তা করা হয়নি। তিনি বলেন, ‘যে বিয়ে করল, তার মানসিক অবস্থাটা কেমন হবে পরে? সে যে ট্রমার মধ্যে থাকবে সেটা কীভাবে দূর হবে?’

অধ্যাপক মিজান বলেন, ‘বাংলাদেশে সবকিছু আজগুবি নিয়মে চলে। এখানে বিজ্ঞান বা সমাজতত্ত্ব কোনো কিছুই খাটে না। যা হয়, সব ব্যক্তির ইচ্ছা অনুযায়ী হয়ে থাকে। কোনো একজন মনে করেছেন, এই ধরনের সমাধান দিলে হয়ত ঠিক হবে। কিন্তু এইগুলো যে আইনের চোখে ঠিক না এতটুকু বোঝার ক্ষমতা আমাদের নেই। এরাই এখন হর্তাকর্তা হয়ে দেশ চালাচ্ছেন।’

ধর্ষণ বরাবরই বাংলাদেশে এক আলোচিত বিষয়। নানা সময় এ নিয়ে আন্দোলনও হয়েছে। তারপরও পরিসংখ্যান উদ্বেগজনক।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে এক হাজার ৩৪৯ জন নারী ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন। যার মধ্যে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ২৭৭টি।

প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১৩০ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক)।

‘আমরাই পারি’ নামে আরেকটি সংগঠন জানাচ্ছে, এই সময়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ এনেছেন আরও ২০০ নারী, যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন ১৬১ জন।

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৪১ জনকে, আত্মহত্যা করেছেন ১০ জন। যৌন হয়রানির কারণে আত্মহত্যা করেছেন ১২ জন নারী।

নানা ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েছে মানুষ। সম্প্রতি নোয়াখালীতে নারী নির্যাতনের এমন একটি ঘটনায় ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড করার দাবিতে টানা বিক্ষোভ হয়েছে। সরকার বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনেও নিয়েছে।

আন্দোলনের পর ধর্ষণ মামলার বিচার দ্রুততর হয়েছে। বুধবার শরীয়তপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে তিন জনের ফাঁসির আদেশ এসেছে। বেশ কয়েকজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে গত এক মাসে।

বিচারের জট যখন কাটছে, তখন আবার আসামির সঙ্গে বিয়ের প্রবণতা কেন- তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, আসকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক শিফা হাফিজ। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘এটা (বিয়ে) তো আদালতের মাধ্যমে দেয়া হয়েছে। এখানে আমাদের আর কী বলার আছে? তেবে এটার অবশ্যই একটা বিরূপ প্রভাব পড়বে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন ২০১৪ সালে বাল্য বিয়ের আইন নিয়ে কাজ করি, তখনও কয়েকজন বলেছিলেন ধর্ষণ হয়ে গেলে বিয়ে দিয়ে দেয়া উচিত। এখন কিন্তু আমরা সেটার প্রভাব দেখছি সমাজে। মেয়েদেরকে ইচ্ছা করেই উত্ত্যক্ত করা হচ্ছে। মনে হচ্ছে, এটা করলে তো বিয়ে দেবেই। আর এখন যদি এটা আদালতের মাধ্যমে হয়ে থাকে তবে সেটা একটা আশঙ্কার ব্যাপার।’

কী ধরনের আশঙ্কা করছেন শিফা হাফিজ?

তিনি বলেন, ‘একটা মেয়েকে আপনি সেই রেপিস্টের সঙ্গেই রেখে দিলেন। তার মানসিক অবস্থা কেমন হবে? সে কি কখনও যথাযাথ সম্মান পাবে? স্বামীকে ভালোবাসতে পারবে? এতে সংসারে সুখ আসবে?’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক জেবুন্নেসা কাজ করেন নারী অধিকার নিয়ে। তিনি মনে করেন, ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে এই ধরনের বিয়ে হতে পারে।

তিনি বলেন, প্রেমের সম্পর্ক থেকে শারীরিক সম্পর্কের পর বিয়ে না করার যে মামলা হয়, সেসব ক্ষেত্রে আদালত উদাহরণ তৈরি করে থাকতে পারে।

তিনি বলেন, ‘মানুষ সাবধান হতে পারবে। সবক্ষেত্রে যে বিরূপ প্রভাব পড়বে তা নয়। যে করবে, তখন সে ভাববে, আমি যদি এটা লুকিয়ে বা জোর করে থাকি, তাহলে পরবর্তীতে এমন কিছু হতে পারে। হয়ত রাষ্ট্র এটা করেছে যাতে এই অপরাধ প্রবণতা কমে যায়, আর মানুষ যাতে সচেতন হতে পারে।’

আরও পড়ুন:
দুই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৩
ধর্ষণের পর হত্যা: তিন জনের প্রাণদণ্ড
ভিডিওর ভয় দেখিয়ে ৮ মাস ধর্ষণের অভিযোগ
বিচারের দীর্ঘসূত্রতায় নারী নির্যাতন হয়ে যায় ‘সংখ্যা’
কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
Freedom fighters must be respected irrespective of party affiliation PM

দলমত নির্বিশেষে মুক্তিযোদ্ধাদের অবশ্যই সম্মান জানাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

দলমত নির্বিশেষে মুক্তিযোদ্ধাদের অবশ্যই সম্মান জানাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার সকালে নিজ কার্যালয়ে ফেলোশিপ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধারা নিজের জীবনের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে, পরিবার-পরিজন, বাবা-মাসহ সবকিছু ফেলে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের বিজয় অর্জিত হয়েছে। তাদের সব সময় সর্বোচ্চ সম্মান দেয়া উচিত।’

দলমত নির্বিশেষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সবসময় সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ‘প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ ২০২৪-২৫’ বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা বীর মুক্তিযোদ্ধা এটা সব সময় মনে রাখতে হবে। নিজের জীবনের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে, পরিবার-পরিজন, বাবা-মাসহ সবকিছু ফেলে রেখে তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে যার যা কিছু আছে তা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন।’

‘তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের বিজয় অর্জিত হয়েছে। তাদের সব সময় সর্বোচ্চ সম্মান দেয়া উচিত।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি জানি মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকের হয়তো আমার দলের প্রতি সমর্থন নেই, হয়তো অন্য দলে চলে গেছেন বা অন্য কোনো কারণ।

‘অনেক মুক্তিযোদ্ধা আমার মতের সঙ্গে একমত নাও হতে পারেন। আমার দলের সঙ্গে একমত নাও হতে পারেন। কিন্তু তারপরও তারা মুক্তিযোদ্ধা।’

তিনি বলেন, ‘তারা যেখানেই যাক, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। এটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ যে তারা এই দেশকে মুক্ত ও বিজয়ী করতে তাদের সবকিছু বিসর্জন দিয়েছেন, জীবন দিয়েছেন, রক্ত দিয়েছেন। তাদের অনেকে পঙ্গু হয়েছেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধারা শত্রুকে পরাজিত করে বিজয় এনে দিয়েছেন। তাই এক্ষেত্রে আমি মনে করি, তাদের সম্মানই হতে হবে সর্বোচ্চ।’

‘আমি সবাইকে সম্মান করি। এদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে তাদের এই সম্মান দিক- এটাই চাই আমরা।’

একসময় মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলিত ছিলেন বলে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি ক্ষমতায় আসার পর থেকে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করেছি। আজ তারা গর্ব করে বলতে পারেন- আমি মুক্তিযোদ্ধা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা শোষণমুক্ত সমাজ গড়তে চেয়েছিলেন। তিনি ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ গড়তে চেয়েছিলেন। এটা মাথায় রেখেই আমাদের দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাউকে অবহেলা করা হবে না।’

তিনি বলেন, ‘দেশে সংখ্যালঘু আছে, প্রতিবন্ধী মানুষ আছে। সরকার তাদের সবার প্রতি সহানুভূতিশীল। তারা যেন সমাজের সব সুযোগ-সুবিধা পায়, তারা যেন পিছিয়ে না পড়ে সেদিকে আমরা বিশেষ নজর রাখছি।’

এসময় প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপের ফেলোদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়ার আগে দেশের দায়িত্ব নেয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আপনাদের অনেক কিছু দেয়ার আছে। ভবিষ্যতে আপনাদেরই দেশকে আরও উন্নত করতে হবে।’

জনগণের টাকায় ফেলোশিপ নিয়ে তারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাচ্ছেন এই বিষয়টি তাদের মনে রাখতে বলেন সরকার প্রধান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মনে রাখবেন, আপনাদের উচ্চশিক্ষায় যে অর্থ ব্যয় হচ্ছে তা জনগণের। জনগণের সেবায় আপনাদের বিশেষ নজর দিতে হবে।’

এ বছর ১১ জন পিএইচডি এবং ৩৯ জন মাস্টার্স ফেলোশিপ পেয়েছেন।

বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা করতে এ পর্যন্ত ৩০৮ জন মাস্টার্স ফেলো ও ১১৬ জন পিএইচডি ফেলোকে প্রায় ৩৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে বৃত্তি দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ২১৫ জন মাস্টার্স ফেলো এবং ২৬ জন পিএইচডি ফেলো ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।

তিনটি ক্যাটাগরিতে এই ফেলোশিপ দেয়া হচ্ছে- সরকারি কর্মকর্তা (বিসিএস), সরকারি কর্মকর্তা (নন-বিসিএস) ও অন্যান্য (বেসরকারি পরীক্ষার্থী)।

সব সেক্টরের সম্পদের সক্ষমতা বাড়াতে ২০১৮ সালে এই ফেলোশিপ চালু করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটকে (জিআইইউ) এটি পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডসসহ বিভিন্ন দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পাচ্ছেন এই ফেলোরা।

ফেলোশিপ বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

ফেলোশিপ পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করে কয়েকজন পিএইচডি ও মাস্টার্স ফেলো তাদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশ ও এর জনগণের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করেন তারা।

অনুষ্ঠানে ফেলোশিপের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি দেখানো হয়।

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ
নিজেদের ‘রাজাকার’ বলতে তাদের লজ্জা হয় না: প্রধানমন্ত্রী
গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে মুসলিমদের ঐক্য চান প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের ওপর হামলা নিন্দনীয়: প্রধানমন্ত্রী
আমার সাবেক পিয়ন ৪০০ কোটি টাকার মালিক, হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

জাতীয়
US claims of death in protests are baseless Ministry of External Affairs

বিক্ষোভে মৃত্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ভিত্তিহীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

বিক্ষোভে মৃত্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ভিত্তিহীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন মঙ্গলবার ঢাকায় ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন বলেন, ‘দেশের কোনো গণমাধ্যমে বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্যে এমন মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্রের এ জাতীয় দাবি সহিংসতায় ইন্ধন জোগাতে পারে এবং শান্তি বজায় রাখতে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।’

বাংলাদেশে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এমনটা উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবিকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে চরম হতাশা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। সূত্র: ইউএনবি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন মঙ্গলবার বলেন, ‘দেশের কোনো গণমাধ্যমে বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্যে এমন মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্রের বক্তব্যে দুজনের মৃত্যুর দাবি ভিত্তিহীন। এ জাতীয় দাবি সহিংসতায় ইন্ধন জোগাতে পারে এবং শান্তি বজায় রাখতে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।’

সেহেলী সাবরিন বলেন, ‘ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় ১৫ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বাংলাদেশে চলমান শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে কমপক্ষে দু’জন নিহত হওয়ার ভিত্তিহীন দাবি করেছেন।

‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ গণতন্ত্রের ভিত্তি এবং সরকার জনগণের সম্পত্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি নাগরিকদের অধিকার সমুন্নত রাখতে অবিচল রয়েছে। গণতন্ত্র ও রাজনীতিতে সহিংসতার কোনো স্থান নেই।’

সেহেলী সাবরিন বলেন, ‘সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় এক শান্তিপূর্ণ সমাবেশে সে দেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা আমরা ভয়াবহতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ করেছি। ওই ঘটনায় বাংলাদেশ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং এ ধরনের সহিংসতা গণতন্ত্রের মূল মূল্যবোধের পরিপন্থী।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পৃথকভাবে এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং ট্রাম্প নিরাপদ আছেন ও সুস্থ হয়ে উঠছেন জেনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।’

গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য চাওয়া হলে ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র লিওনার্ড হিল বলেন, ‘বিবৃতিটি আহত ও নিহতের মনিটরিং রিপোর্ট-এর ভিত্তিতে ছিল।

‘আমরা সব সময় সবচেয়ে সঠিক তথ্য খোঁজার চেষ্টা করি এবং সত্য উদঘাটনে সাংবাদিকদের কাজকে স্বাগত জানাই।’

আরও পড়ুন:
চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা
জাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০
ঢাবিতে ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে খুলনায় মহাসড়ক অবরোধ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে ববিতে বিক্ষোভ

মন্তব্য

জাতীয়
Startup Bangladesh cancels investment proposal in Ten Minute School in Ayman

আয়মানের টেন মিনিট স্কুলে বিনিয়োগ প্রস্তাব বাতিল স্টার্টআপ বাংলাদেশের

আয়মানের টেন মিনিট স্কুলে বিনিয়োগ প্রস্তাব বাতিল স্টার্টআপ বাংলাদেশের টেন মিনিট স্কুলের লোগো ও তার প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক। কোলাজ: নিউজবাংলা
ফেসবুকে স্টার্টআপ বাংলাদেশের ভেরিফায়েড পেজে দেয়া পোস্টে বলা হয়, ‘টেন মিনিট স্কুল- এর জন্য ৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব স্টার্টআপ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাতিল করা হলো।’

শিক্ষক, উদ্যোক্তা ও লেখক আয়মান সাদিক প্রতিষ্ঠিত অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম টেন মিনিট স্কুলে পাঁচ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব বাতিল করেছে বাংলাদেশ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে তোলা একমাত্র ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড।

কোটা সংস্কার আন্দোলন সমর্থন করে আয়মান সাদিকের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একাধিক পোস্টের পর তার সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বানের মধ্যে মঙ্গলবার সকালে সিদ্ধান্তের কথা জানায় ফান্ডটি।

ফেসবুকে স্টার্টআপ বাংলাদেশের ভেরিফায়েড পেজে দেয়া পোস্টে বলা হয়, ‘টেন মিনিট স্কুল- এর জন্য ৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব স্টার্টআপ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাতিল করা হলো।’

আজ বেলা ১১টা ১ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্টার্টআপ বাংলাদেশের পোস্টটি শেয়ার করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এর আগে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে শনিবার রাতে ফেসবুকে পোস্ট দেন আয়মান সাদিক। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে একই দিন সন্ধ্যায় পোস্ট করেন তিনি।

তা ছাড়া তার প্রতিষ্ঠান টেন মিনিট স্কুল কালো ছবি দিয়ে সোমবার রাতে ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজের প্রোফাইল ছবি আপডেট করে।

আরও পড়ুন:
বিয়ের পিঁড়িতে আয়মান আর মুনজেরিন
দর্শকরা তাকে বলছে ‘ফুলের মতো’

মন্তব্য

জাতীয়
Today is Sheikh Hasinas imprisonment day

শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ

শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছবি: সংগৃহীত
শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয়। সারা দেশ থেকে তার মুক্তির দাবি ওঠে। তার দল আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নেয় ‘মুক্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেয়ার’। এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ। সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

বাসস জানায়, ওই সময় শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয়। সারা দেশ থেকে তার মুক্তির দাবি ওঠে। তার দল আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নেয় ‘মুক্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেয়ার’।

এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য দিয়ে এ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরায় ফিরে আসে।

বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রায় দেড় যুগ আগে ১৬ ‍জুলাই ভোরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুই সহস্রাধিক সদস্য সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে শেখ হাসিনার ধানমন্ডির বাসভবন সুধা সদন ঘেরাও করে। সেই সময় শেখ হাসিনা ফজরের নামাজ আদায় করছিলেন।

সকাল সাড়ে সাতটার দিকে যৌথবাহিনীর সদস্যরা শেখ হাসিনাকে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে সুধা সদন থেকে বের করে নিয়ে আসে এবং যৌথবাহিনীর সদস্যরা বন্দি অবস্থায় তাকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে হাজির করে।

তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জামিন আবেদন নাকচ করেন বিচারক। তাকে রাখা হয় সংসদ ভবনের স্যাঁতসেঁতে একটি ভবনে, যা পরবর্তী সময়ে সাব জেল হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বাংলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে অবরুদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। শেখ হাসিনা আদালতের গেটে দাঁড়িয়ে প্রায় ৩৬ মিনিটের অগ্নিঝরা বক্তৃতার মাধ্যমে তৎকালীন সরকারের হীন-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন।

গ্রেপ্তারের আগ মুহূর্তে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশবাসীর উদ্দেশে একটি চিঠির মাধ্যমে দেশের জনগণ এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গণতন্ত্র রক্ষায় মনোবল না হারিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী দেশবাসীর ক্রমাগত প্রতিরোধ আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুকন্যার আপসহীন ও দৃঢ় মনোভাব এবং দেশবাসীর অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগ ও নানামুখী ষড়যন্ত্রের পর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

আওয়ামী লীগসহ সমমনা সংগঠনগুলো যথাযথ কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করবে।

আরও পড়ুন:
চীন থেকে শূন্য হাতে ফেরার দাবিকারীরা মানসিকভাবে অসুস্থ: প্রধানমন্ত্রী
রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার

মন্তব্য

জাতীয়
They are not ashamed to call themselves Razakars Prime Minister

নিজেদের ‘রাজাকার’ বলতে তাদের লজ্জা হয় না: প্রধানমন্ত্রী

নিজেদের ‘রাজাকার’ বলতে তাদের লজ্জা হয় না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর এবং শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বিটিভি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, রাজাকার বাহিনী যেভাবে এ দেশে অত্যাচার করেছে…তাদের সেই অত্যাচার, রাস্তায় লাশ পড়ে থাকা এরা দেখেনি। তাই নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জা হয় না।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে সমর্থন জানানো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ স্লোগান দেয়াকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নিজেদের ‘রাজাকার’ বলতে আন্দোলনকারীদের লজ্জা হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর এবং শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

চীনে সাম্প্রতিক সফর নিয়ে রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? সেটা আমার প্রশ্ন। দেশবাসীর কাছেও প্রশ্ন যে, রাজাকারের নাতি-পুতিরা সবকিছু পাবে। মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোটা আর মেধা তো এক জিনিস নয়। মুক্তিযুদ্ধের সন্তান, নাতিপুতি মেধাবী না আর যত রাজাকারের বাচ্চা, নাতিপুতি উনারা মেধাবী, তাই না?’

ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে রোববার রাতে বিক্ষোভ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কোটা সংস্কার আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা।

ওই সময় তারা ‘চাইতে গেলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার’, ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রত্যাহার করতে হবে’ ধরনের স্লোগান দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, রাজাকার বাহিনী যেভাবে এ দেশে অত্যাচার করেছে…তাদের সেই অত্যাচার, রাস্তায় লাশ পড়ে থাকা এরা দেখেনি। তাই নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জা হয় না।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই হচ্ছে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। লাখো শহীদ রক্ত দিয়ে গেছেন, লাখো মা-বোন নির্যাতিতা। তাদের এই অবদান ভুললে চলবে না। এটা মনে রাখতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের গেরিলা যুদ্ধ হয়েছে, এখানে শান্তি কমিটিতে, কেউ রাজাকার কমিটিতে ছিল, কিন্তু অনেকে মানুষের ক্ষতি করেনি, কিন্তু যে বাহিনীগুলো তারা তৈরি করেছিল, তাদের হাতে অস্ত্র দিয়েছিল এবং তাদের দিয়ে মানুষের ক্ষতি করত, অত্যাচার করত, লুটপাট করত, গণহত্যা চালাত।

‘তাদের বিরুদ্ধেই আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি, তাদের বিচার করে অনেকের ফাঁসিও দিয়েছি। তাদের বিচারে যারা নির্যাতিত, তারা ন্যায়বিচার পেয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্য এখন যখন শুনি মেয়েরাও স্লোগান দেয়। কোন দেশে আমরা আছি? এরা কী চেতনায় বিশ্বাস করে? কী শিক্ষা তারা নিল? কী তারা শিখল?’

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গর্বের। জাতির পিতার একটি ডাকে এই দেশের মানুষ, ঘরবাড়ি, পরিবার সবকিছু ছেড়ে দিয়ে যুদ্ধে গেছে, জীবনের মায়া ত্যাগ করে যুদ্ধ করে বিজয় এনে দিয়েছে।

‘আর এই যারা বাহিনীতে (রাজাকার-আল বদর-আল শামস) ছিল, তারা এ দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার করেছে। সেটা ভুলে গেলে চলবে না।’

আরও পড়ুন:
রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার
চীন সফর শেষে দেশে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

জাতীয়
Quota activists protest in DU demanding withdrawal of Prime Ministers speech

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাবিতে কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাবিতে কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বিক্ষোভে যোগ দেয়া ঢাবির সাবেক এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি আমার মেরুদণ্ডকে আঘাত করেছে। তিনি রাষ্ট্রের মানুষকে দুই ভাগ করতে পারেন না। তিনি তার দল এবং সরকারকে এক পক্ষে নিয়েছেন এবং সাধারণ শিক্ষার্থী আর আমজনতাকে ‘রাজাকার’ ট্যাগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে হয় রাজাকারের ট্যাগ তুলে নিতে হবে, না হয় আমরা এখানে জীবন দেব।”

কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রোববারের বক্তব্যকে অপমানজনক আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা।

ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে এ বিক্ষোভ শুরু হয়।

বিক্ষোভে ঢাবি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ইডেন মহিলা কলেজসহ সাত কলেজ এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।

চীনে সাম্প্রতিক সফর নিয়ে রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরাও পাবে না। তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? সেটা আমার প্রশ্ন। দেশবাসীর কাছেও প্রশ্ন যে, রাজাকারের নাতি-পুতিরা সবকিছু পাবে। মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোটা আর মেধা তো এক জিনিস নয়। মুক্তিযুদ্ধের সন্তান, নাতিপুতি মেধাবী না আর যত রাজাকারের বাচ্চা, নাতিপুতি উনারা মেধাবী, তাই না?’

প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত বক্তব্যকে নিজেদের জন্য অপমানজনক দাবি করে এ বক্তব্য প্রত্যাহারে বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা, যারা ‘আমি নই, তুমি নও, রাজাকার রাজাকার’, ‘কে রাজাকার, কে রাজাকার, তুই রাজাকার, তুই রাজাকার’, ‘আমি কেন রাজাকার, জবাব চাই দিতে হবে’, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে’ স্লোগান দেন।

বিক্ষোভে যোগ দেয়া ঢাবির সাবেক এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি আমার মেরুদণ্ডকে আঘাত করেছে। তিনি রাষ্ট্রের মানুষকে দুই ভাগ করতে পারেন না।

“তিনি তার দল এবং সরকারকে এক পক্ষে নিয়েছেন এবং সাধারণ শিক্ষার্থী আর আমজনতাকে ‘রাজাকার’ ট্যাগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে হয় রাজাকারের ট্যাগ তুলে নিতে হবে, না হয় আমরা এখানে জীবন দেব।”

ইডেন ছাত্রীদের ওপর হামলার অভিযোগ

বিক্ষোভে অংশ নিতে ইডেন মহিলা কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা বের হওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এক ছাত্রী।

ঢাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেয়া ওই ছাত্রী বলেন, ‘আমরা ১০-১২ জন শিক্ষার্থী আজকের এই মিছিলে আসার জন্য ইডেন কলেজের ভেতরে পুকুরপাড়ে দাঁড়িয়ে জড়ো হচ্ছিলাম আর স্লোগান দিচ্ছিলাম। এ সময় কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরা এসে আমাদের বাধা দেয় এবং তারা তর্ক-বিতর্ক এমন পর্যায়ে নিয়ে যায় যে, একপর্যায়ে যাদের নিয়ে আমরা মিছিলে যোগ দিচ্ছিলাম, তাদের বেধড়ক পেটায়।

‘তাদের পেটানোর কারণে আমরা যখন মাটিতে পড়ে যাই, তখন তারা আমাদের কিল-ঘুষি যে যা পারে, তা দিয়েই মারে। এমনকি আমাদের ওপর গরম পানিও ছুড়ে মারে।’

এ ছাত্রী আরও বলেন, ‘কলেজ প্রশাসন দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। তারা ছাত্রলীগের কর্মীদের একবারও থামায়নি। মেয়েরা মার খেয়েছে আর তারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে।’

বিক্ষোভে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, ইডেন ছাত্রীদের ওপর হামলার পর কেউ যেন কলেজ থেকে বের হয়ে বিক্ষোভে যোগ দিতে না পারেন, সে জন্য গেট বন্ধ করে রাখা হয়। পরে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ কিছু ছাত্রী গিয়ে কলেজের গেট খুলে ভেতরে থাকা শিক্ষার্থীদের মিছিলে নিয়ে আসেন।

আরও পড়ুন:
বঙ্গভবনে স্মারকলিপি ১২ শিক্ষার্থীর
বঙ্গভবন অভিমুখে পদযাত্রা কোটা আন্দোলনকারীদের
কোটা আন্দোলনকারীদের বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা কাল
কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন
বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে আপাতত চুপ শিক্ষক ফেডারেশন

মন্তব্য

জাতীয়
Prime Minister wants unity of Muslims against genocide in Gaza

গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে মুসলিমদের ঐক্য চান প্রধানমন্ত্রী

গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে মুসলিমদের ঐক্য চান প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এলদিন আহমেদ ফাহমি সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: ইয়াসিন কবির জয়/ফোকাস বাংলা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা (গাজায় গণহত্যা) প্রত্যাশিত নয়। আমাদের সবাইকে গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত।’

ফিলিস্তিনের গাজায় ৯ মাসের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে মুসলিম সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঢাকায় মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এলদিন আহমেদ ফাহমি সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে সরকারপ্রধান এ আহ্বান জানান বলে বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলে ঢুকে গত বছরের ৭ অক্টোবর গাজার শাসক দল হামাসের হামলার পর ওই দিনই উপত্যকায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েল। আকাশ ও স্থলপথে দেশটির হামলায় কমপক্ষে ৩৮ হাজার ৫৮৪ ফিলিস্তিনি নিহত ও ৮৮ হাজার ৮৮১ জন আহত হন।

অন্যদিকে হামাসের হামলায় প্রাণ হারায় ১ হাজার ১৩৯ ইসরায়েলি। এখনও গাজায় বন্দি আছেন ইসরায়েলের অনেক নাগরিক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা (গাজায় গণহত্যা) প্রত্যাশিত নয়। আমাদের সবাইকে গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত।’

বাসসের খবরে উল্লেখ করা হয়, বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব কেএম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

সরকারপ্রধান যুদ্ধের জন্য অস্ত্র উৎপাদনের অর্থ মানব জাতির, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি যেখানেই গেছেন, সেখানেই গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন।

আরও পড়ুন:
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার
চীন সফর শেষে দেশে প্রধানমন্ত্রী
দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

p
উপরে