× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

hear-news
player
google_news print-icon

আট দিনে নামজারি কতটা সম্ভব

আট-দিনে-নামজারি-কতটা-সম্ভব
ভূমি নিবন্ধনের নিয়মকানুন ও প্রক্রিয়া সহজ করার যেসব উদ্যোগ সরকার নিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে বেগ পেতে হবে। সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দেবে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোনো জনবল কাঠামোই নেই ভূমি নিবন্ধন কার্যালয়গুলোয়।

জমি কেনা ও নিবন্ধন সহজ করতে যে একগাদা পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার, তার মধ্যে সবচেয়ে চমকপ্রদ উদ্যোগটি হলো, এখন থেকে আট দিনে জমির নামজারি সম্পন্ন হবে। সোমবার এ প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।

প্রস্তাবে বলা হয়, জমি নিবন্ধনের সর্বোচ্চ আট দিনের মধ্যে নামজারি করতে এসি ল্যান্ড (সহকারী কমিশনার ভূমি) সফটওয়্যারের মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত জেনে নেবেন। একইভাবে দলিল নিবন্ধের আগে সাব-রেজিস্ট্রাররা তথ্য জানবেন এসি ল্যান্ড অফিস থেকে।

সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ১৭টি উপজেলায় পাইলট ভিত্তিতে এ কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে এক বছরের মধ্যে সারা দেশেই তা বাস্তবায়ন হয়ে যাবে। এর মাধ্যমে জমি সংক্রান্ত মামলা মোকদ্দমা, দুর্নীতি ও অনিয়ম কমে যাবে।

সরকারের এ সিদ্ধান্ত যুগান্তকারী সন্দেহ নেই। কিন্তু এক বছরের মধ্যে এটি সারা দেশে চালু করার মতো বাস্তব অবস্থা বা সামর্থ্য কি আছে? পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলে মনে হতে পারে, সরকারের এ পদক্ষেপ উচ্চাভিলাসী। কারণ, এটি বাস্তবায়ন করতে হলে তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো প্রয়োজন হবে।

যে এসি ল্যান্ড ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মাধ্যমে এ যুগান্তরকারী পদক্ষেপটি বাস্তবায়িত হওয়ার কথা, সেসব অফিসে কম্পিউটার অপারেটরের পদই নেই। ফলে প্রশিক্ষিত লোকবল ছাড়া উমেদার (বহিরাগত লোক) দিয়ে কম্পিউটারের কাজ চালাতে হচ্ছে। তাদের পারিশ্রমিক এসি ল্যান্ড কিংবা সাব-রেজিস্ট্রারদের পকেট থেকে মেটাতে হচ্ছে। এমনকি কম্পিউটারের সরঞ্জাম, কাগজ, কালি ছাড়াও এগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য কোনো সরকারি বরাদ্দ নেই।

ঢাকা এবং তার আশপাশের কয়েকটি এসি ল্যান্ড ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ স্থানে উমেদার দিয়ে কম্পিউটারের কাজ করানো হচ্ছে। এসি ল্যান্ড অফিসে কম্পিউটার কাম অফিস সহায়ক নামে একটি পদ থাকলেও সেখানে কোনো লোকবল নেই। কোথাও কোথাও লোকবল থাকলেও তাকে বিভিন্ন অফিসিয়াল রেজিস্ট্রার, চিঠিপত্র লেখা ও অন্যান্য দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। অপর দিকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এ ধরনের কোনো পদই নেই।

রাজধানীর ক্যান্টমেন্ট এসি ল্যান্ড অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, চারজন উমেদার (নাম- বিল্লাল, রানা, শাহজাদা, হানিফ) কম্পিউটার নিয়ে বসে আছেন। অনলাইনে নামজারি ফরম পূরণের কাজ করছেন।

একজন উমেদার বললেন,‘নামজারি এবং অন্যান্য সেবা প্রার্থীদের আর্থিক সহযোগিতায় পেট চলছে। এটা ঘুষ বলতে পারেন, আবার বকশিসও বলতে পারেন।’

সরকারি বরাদ্দ না থাকায় এভাবে জোড়াতালি দিয়ে এসি ল্যান্ড অফিসের কম্পিউটার কার্যক্রম চলছে। নগরীর গুলশান ও তেজগাঁওয়ের গুরুত্বপূর্ণ এসি ল্যান্ড অফিসেও একই চিত্র দেখা গেছে।

এসব উমেদারদের পারিশ্রমিক কিভাবে জোগাড় হয় জানতে চাইলে এসি ল্যান্ড অফিসের কানুনগো আবদুল হান্নান সদুত্তর দিতে পারেননি। বললেন, ‘অফিস থেকে ম্যানেজ করে ওদেরকে বেতন দেয়া হয়। এর জন্য সরকারি কোন সহযোগিতা পাওয়া যায় না।’

নামজারির ক্ষেত্রে এসি ল্যান্ড অফিসের সহযোগী দপ্তর হিসেবে কাজ করে দেশের তহশিল অফিসগুলো। দলিল পর্চা ও দখল যাচাই বাছাই করে তহশিলদার (সহকারি ভূমিকর্তা) প্রতিবেদন দেয়ার পরই তা এসি ল্যান্ড মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করেন।

এ বিষয়ে ইব্রাহিমপুর তহশিল অফিসে কর্মরত সহকারি ভূমি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন ‘কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও নামজারির ক্ষেত্রে জমির দখল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেটা সহকারি ভূমি কর্মকর্তা বা উপ-সহকারি ভূমি কর্মকর্তারা সরেজমিন তদন্ত করে নিশ্চিত করেন। তাছাড়া পর্চায় ছবি থাকে না বলে অনেকে নকল মালিক সেজে জমির নামজারি করে অন্যত্র বিক্রি কিংবা ব্যাংক থেকে মোটা অংকের ঋণ তুলে নেয়। জমির সঠিক মালিকের বিষয়টিও তহশিল অফিসগুলো নির্ণয় করে থাকে।’

ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের ১০টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ঘুরে দেখা গেছে, এর কোনোটাতেই কম্পিউটার অপারেটরের পদ নেই। উমেদার কিংবা এক্সট্রা মোহরার ও মোহরার দিয়ে কম্পিউটারের কাজ করানো হচ্ছে। যেহেতু পদ নেই, যার কারণে কম্পিউটার কেনা, রক্ষণাবেক্ষণ বা কালি কাগজ কিনতে হয় নিজেদের পকেট থেকে।

বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশন (বিআরএসএ) মহাসচিব জাহিদ হোসেন বলেন, ‘নিবন্ধন অধিদপ্তরের আওতাধীন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারির তালিকায় কম্পিউটার অপারেটর নামে কোনো পদ নেই। এ কারণে এ ক্ষেত্রে লোকজন ও আর্থিক বরাদ্দ থাকার কোনো প্রশ্ন ওঠে না। একজন সাব-রেজিস্ট্রার, একজন কেরানি (অফিস সহকারী), একজন টিসি মোহরার, দুইজন মোহরার এবং কিছু এক্সটা মোহরার নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের লোকবল কাঠামো।’

বিআরএসএ-এর একটি সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের রেজিস্ট্রি অফিসে যে জনবল রয়েছে, তা দিয়ে অনলাইনে দলিল রেজিস্ট্রি করা সম্ভব নয়। কারণ অফিসে আইটি সেকশন তথা কম্পিউটার অপারেটরের পদই নেই। এজন্য আইন মন্ত্রণালয় ১৭টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস নিয়ে একটি পাইলট প্রকল্প করে এর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ১৯৫০ সালের প্রজাস্বত্ব আইনের কিছু ধারা পরিবর্তন, পরিমার্জন, সংশোধন করার চিন্তা ভাবনাও করা হচ্ছে।

ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার সাবিকুন নাহার বলেন,‘দলিল নিবন্ধন ও নামজারির ক্ষেত্রে সফটওয়্যার ব্যবহার একটি যুগান্তরকারী পদক্ষেপ। তবে তা চালু করার আগে কম্পিউটারে প্রশিক্ষিত লোকবল প্রয়োজন। সে জন্য পদ সৃষ্টি করে পর্যাপ্ত লোক নিয়োগ দিতে হবে। তা না হলে হয়রানি বাড়বে। কাজের গতি ধীর হয়ে গেলে রেজিস্ট্রি অফিসে আসা সেবাপ্রার্থিরা নানা ভোগান্তির শিকার হবেন।’

একাধিক সাব-রেজিস্ট্রার ও এসি ল্যান্ড নাম প্রকাশ না করে বলেন, প্রশিক্ষিত পর্যাপ্ত লোকবল না থাকলে নামজারি কিংবা জমি নিবন্ধন দীর্ঘসূত্রতায় পড়বে। এতে কাগজপত্র যাচাই করে তাৎক্ষণিকভাবে দলিল নিবন্ধন হবে না। দাখিল করা দলিল যাচাই করতেই তিন দিন লেগে যাবে।

অন্যদিকে নামজারির কাগজপত্র যাচাই বাছাই করতেও অনেক সময় লেগে যাবে। এ ক্ষেত্রে জমির দখল দেখা কিংবা সঠিক ব্যক্তি নির্ণয় করা কঠিন হবে। এর জন্য অবশ্যই ভূমি ও রেজিস্ট্রেশন আইনের কিছু ধারার পরিবর্তন ও সংযোজনের দরকার পড়বে।

কাজ এক, মন্ত্রণালয় তিন

অনুসন্ধানে দেখা যায়, স্বচ্ছভাবে নামজারি এবং দলিল নিবন্ধন করার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা পাসপোর্ট গ্রহণযোগ্য সনাক্তকরণ নথি হিসাবে কাজ করছে। কিন্তু এসি ল্যান্ড বা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে তা যাচাইয়ের কোনো সুযোগ নেই।

একইভাবে কোনো এসি ল্যান্ড দলিল এবং সাব-রেজিস্ট্রার আরওআর কিংবা নামজারি খাজনার কাগজপত্র তাক্ষণিক যাচাই বাছাই করতে পারেন না। এজন্য তাদেরকে ম্যানুয়েল ও সময়সাপেক্ষে পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এ সুযোগে অনেক ভুয়া মালিক জমির নিবন্ধন ও নামজারি করার সুযোগ পাচ্ছে।

ভূমি সংস্কার নিয়ে দীর্ঘ দিন কাজ করা ভূমি বিশেষজ্ঞ শামসুল হুদা বলেন, ‘জমি রেজিস্ট্রেশন হয় আইন মন্ত্রণালয়ে। আবার এর নামজারি হয় ভূমি মন্ত্রণালয়ে। নামজারির দায়িত্বে থাকা মাঠ পর্যায়ে কর্মরত মূল কর্মকর্তা এসি ল্যান্ডদের নিয়ন্ত্রণকারি মন্ত্রণালয় হলো জনপ্রশাসন। ফলে সমন্বয়হীনতা আর জবাবদিহির জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব সমস্যা সবার আগে দূর করতে হবে।’

তিনি মনে করেন, দ্রুত দলিল নিবন্ধন আর নামজারি যাই করা হোক না কেন, ভূমি প্রশাসনটি সবার আগে একই ছাতার নিচে আনতে হবে। দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, দেশে ‘ল্যান্ড ক্যাডার’ ও ‘ল্যান্ড কমিশন’ গঠন করা। তা বাস্তাবায়ন হলে দ্রুত কাজ ও করা যাবে। আবার কর্মকর্তা কর্মচারিদের মধ্যে জবাবদিহিও আসবে। দুঃখজনক হলেও সত্যি, দেশে মৎস্য কিংবা পোস্টাল ক্যাডার থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ বড় সেক্টর হওয়ার পরও দেশে ‘ল্যান্ড ক্যাডার’ সৃষ্টির কোনো উদ্যোগ নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এসি ল্যান্ড বলেন, সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা এসি ল্যান্ডদের দায়িত্ব। কিন্তু অফিস ডিজিটালাইজড করতে হলে যে আইটি সাপোর্ট দরকার তার কোনোটাই নেই। লোকবল তো নেইই। এমনকি ইন্টারনেট বিলটা পর্যন্ত কর্মকর্তাদের নিজেদের পকেট থেকে দিতে হয়। ধীরগতির ইন্টারনেটের কারণে কাজে নানা ঝামেলা হয়। আগে ম্যানুয়েলি নামজারির দরখাস্ত গ্রহণ করতে সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিট লাগলেও এখন অনলাইনে তা শেষ করতে পাঁচ ঘণ্টা লেগে যায়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
The people of the country are in fear

‘দেশের মানুষ আতঙ্কে আছে’

‘দেশের মানুষ আতঙ্কে আছে’ জাতীয় ছাত্র সমাজের সম্মেলনে মুজিবুল হক চুন্নু। ছবি: নিউজবাংলা
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় দূর্নীতি ও লুটপাট করেছে। দেশের মানুষ তাদের ওপর বিরক্ত। জনগন এখন জাতীয় পার্টিকে চায়।’

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ক্ষমতার জন্য সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। তাদের কারণে দেশের মানুষ আতঙ্কে আছেন। জনগন মুক্তির জন্য তাকিয়ে আছেন জাতীয় পার্টির দিকে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় ছাত্র সমাজের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনের প্রধান অতিথি মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় দূর্নীতি ও লুটপাট করেছে। দেশের মানুষ তাদের ওপর বিরক্ত। জনগন এখন জাতীয় পার্টিকে চায়।

‘বিএনপি ১৯৯১-৯৬ সালে যখন ক্ষমতায় ছিল তখন জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের রাস্তায় নামতে দেয়নি। এখন তারাও পারছে না। বাংলাদেশের ৫ কোটি বেকার মানুষ নিয়ে দুই দলের কোন চিন্তা নেই। তাদের চিন্তা ক্ষমতায় থাকা, আর ক্ষমতায় যাওয়া নিয়ে।

জাতীয় পার্টি কোনও জোটে নেই, সে কারণে ৩০০ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানান চুন্নু।

সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘গণতন্ত্র চর্চায় জাতীয় পার্টি কাজ করবে। প্রমাণ করবে জাতীয় পার্টি একটি শক্তিশালী দল। জাতীয় পার্টি কাজ করবে মানবকল্যাণে। জিএম কাদেরের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি এগিয়ে যাবে, তা রোধ করা যাবে না।’

জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি ইব্রাহিম খান জুয়েলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের পরিচালনায় সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শফিকুল ইসলাম সেন্টু, এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়াসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জি এম কাদেরের জাতীয় পার্টি চালাতে বাধা নেই
বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না
‘জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে’
রওশন-কাদের বিরোধে রংপুরে মনোনয়ন জটিলতা
‘তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচনের ধারণায় জাপা বিশ্বাস করে না’

মন্তব্য

জাতীয়
Ban on Islami Bank for loans to 8 institutions

ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে

ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে বৈধ নথিপত্র ছাড়াই ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ঋণ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে।
অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল অঙ্কের ঋণ বাড়ানোর বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের মালিকানায় থাকা কোনো পক্ষ বেনামে এসব ঋণ নিতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে। এ জন্য বিষয়টি তদন্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

নাবিল গ্রুপসহ আট প্রতিষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ঋণ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ ছাড় বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে জরুরি তলব করে।

এর আগে নাবিল গ্রুপসহ আট প্রতিষ্ঠানকে ইসলামী ব্যাংক থেকে অনিয়মের মাধ্যমে আগ্রাসী ঋণ দেয়ার নথিপত্র সংগ্রহ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি দল পরিদর্শন করে এসব ঋণ অনিয়মের ব্যাখ্যা চেয়েছে।

নতুন কোম্পানি খুলে কিংবা আগে থেকে ঋণ রয়েছে এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের নামে বিপুল অঙ্কের ঋণের প্রকৃত সুবিধাভোগী কারা, তা খতিয়ে দেখবে বাংলাদেশ ব্যাংক। নাবিল গ্রুপের ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা ঋণের সুবিধাভোগী অন্য কোনো পক্ষ কি না, তার তদন্ত হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সংবাদপত্রে উঠে এসেছে ইসলামী ব্যাংক বেনামে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে। কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনা করে আসছে। যার ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩ সদস্যর একটি দল ইসলামী ব্যাংকের দেয়া ঋণ কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রতিবেদন জমা দেবে।’

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে নাবিল গ্রুপের বিষয়ে তদন্তের উদ্যোগ নিলেও তা অজ্ঞাত কারণে থেমে যায়। এখন নতুন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে।

রাজশাহীকেন্দ্রিক নাবিল গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ বের করে নিয়েছে বলে অভিযোগ আছে।

শুধু নাবিল গ্রুপের ঋণ নয়, এসব ঋণের সুবিধাভোগী ছাড়াও ইসলামী ব্যাংকের সব শাখা থেকে বিতরণ করা ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণের সুবিধাভোগী কারা, তা খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্ত দল। ঋণের কোনো অর্থ পাচার হয়েছে কিনা, হুন্ডি কারবারে ব্যবহার হয়েছে কি না, সেসব বিষয়ও যাচাই করবে।

এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ও বাকি অর্থ সোশ্যাল ইসলামী ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে বের করে নেয়া হয়। সব মিলিয়ে এ গ্রুপের নামে অনুমোদিত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা। চলতি বছরের মার্চে তাদের ঋণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

গত আগস্টে অস্বাভাবিক ঋণ অনুমোদনের বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে আসার পর ইসলামী ব্যাংকে তাদের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৫০ কোটি টাকা। ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত তা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা।

অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল অঙ্কের ঋণ বাড়ানোর বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের মালিকানায় থাকা কোনো পক্ষ বেনামে এসব ঋণ নিতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে। এ জন্য বিষয়টি তদন্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আরও পড়ুন:
নথিপত্র ছাড়াই নাবিল গ্রুপকে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা ঋণ

মন্তব্য

জাতীয়
At the last moment the deadline for return submission may increase

শেষ মুহূর্তে রিটার্ন জমার হিড়িক, সময় বাড়তে পারে

শেষ মুহূর্তে রিটার্ন জমার হিড়িক, সময় বাড়তে পারে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কর অফিসে মঙ্গলবার রিটার্ন জমা দিতে আসা করদাতার ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
এনবিআর বুধবার জাতীয় আয়কর দিবস পালন করবে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা এক মাস বাড়ানোর ঘোষণা দিতে পারেন।

শেষ মুহূর্তে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার হিড়িক পড়েছে। মঙ্গলবার সারা দেশের কর অফিসগুলোতে ভিড় ছিল লক্ষণীয়। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার কর অফিসগুলো করদাতাদের পদচারণে ছিল মুখর।

এদিকে ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যক্তি-শ্রেণির আয়কর রিটার্ন জমার সময় এক মাস বাড়তে পারে। বেঁধে দেয়া সময়সীমার শেষ দিন বুধবার ৩০ নভেম্বর এই ঘোষণা আসতে পারে বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার জাতীয় আয়কর দিবস পালন করবে এনবিআর। এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান সময় বাড়ানোর ঘোষণা দিতে পারেন।

নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, বুধবার রিটার্ন জমার শেষ সময়। বরাবরই শেষ সময়ে এসে রিটার্ন জমার চাপ বেশি থাকে। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি।

তরুণ করদাতা আব্দুল হামিদ একজন ব্যাংকার। তিন ধরে তিনি নিয়মিত আয়কর দিয়ে আসছেন। মঙ্গলবার মতিঝিলে নিজের অফিস থেকে ছুটি নিয়ে তিনি সেগুনবাগিচায় আসেন আয়কর রিটার্ন জমা দিতে।

রাজধানীর কর আঞ্চল-৮-এর সার্কেল ১৭০ অফিসের করদাতা তিনি। নিজের ফাইল নিজেই পূরণ করেন তিনি।

সেগুনবাগিচায় কর অফিসে কথা হলো আব্দুল হামিদের সঙ্গে। ‍নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘এখানে এসে ভালো লেগেছে। তেমন কোনো ঝামেলা পোহাতে হয়নি। কর্মকর্তারা যথেষ্টই আন্তরিক। দ্রুত সময়ে রিটার্ন জমা দিতে পেরেঠি। আমরা চাই কর অফিসে সারা বছর এমন পরিবেশ বজায় থাকুক।’

এনবিআর এবার কর মেলার আয়োজন করেনি। তবে করদাতাদের সুবিধার্থে প্রতিটি কর অফিস প্রাঙ্গণে মেলার আদলে সেবার আয়োজন করা হয়েছে। ১ নভেম্বর থেকে কর সেবার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চলবে শেষ দিন পর্যন্ত। সহজে ও কম সময়ে রিটার্ন জমা দিতে পারছেন বলে এনবিআরের এই উদ্যোগে সন্তুষ্ট করদাতারা।

এনবিআর সূত্র জানায়, মঙ্গলবার পর্যন্ত ২১ লাখ রিটার্ন জমা পড়েছে। এর মধ্যে অনলাইনে জমা পড়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার। তবে করদাতা শনাক্তকরণ বা টিআইএনধারীর সংখ্যা ৮০ লাখ।

নিবন্ধনের তুলনায় রিটার্ন জমার সংখ্যা কম হওয়ায় চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ঋণ, ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি ক্রয়সহ ৩৯ সেবা খাতে রিটার্নের সঙ্গে প্রমাণপত্র বা প্রাপ্তিস্বীকার দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে এনবিআর আশা করছে এবার রিটার্ন জমার সংখ্যা ৩৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।

রিটার্ন জমার সময় বারবার বাড়ানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে ২০১৬ সালে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবসে রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন নির্দিষ্ট করা হয়। এ নিয়ে সে বছরই সংসদে আইন পাস হয়।

এনবিআর বলেছে, দেশে কোনো মহামারি কিংবা দুর্যোগ পরিস্থিতি হলে বিশেষ ব্যবস্থায় যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা রয়েছে সরকারের। এর অংশ হিসেবে করোনা সংক্রমণের মধ্যে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪-এর ১৮৪ জি ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত দুই বছর রিটার্ন জমার সময় বাড়ানো হয়েছে।

করোনা নিয়ন্ত্রণে এলেও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। ব্যবসায়ীরাও ভালো নেই। এমন পরিস্থিতিতে রিটার্ন জমার সময় বাড়ানোর দাবি এসেছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের পক্ষ থেকে।

আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা না দিলে জরিমানা দিতে হয়। তবে জরিমানা এড়াতে সময় বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে আবেদন করলে তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে লাগবে আয়কর রিটার্ন
মূল বেতন ১৬ হাজার টাকার বেশি হলেই কর
টাকা সাদা করার সুযোগের বিপক্ষে এনবিআর
ব্যক্তি আয়করে ছাড়ের সম্ভাবনা নেই
করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর দাবি

মন্তব্য

জাতীয়
Saudi Aqua will produce solar power

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সৌদি অ্যাকোয়া

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সৌদি অ্যাকোয়া ময়মনসিংহ গৌরীপুরের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
‘সৌদি কোম্পানি অ্যাকোয়া পাওয়ারের এক হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের আগ্রহ প্রশংসার যোগ্য। বাংলাদেশ নানাভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে উৎসাহিত করছে।’

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য ১০০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সৌদি আরবের কোম্পানি অ্যাকোয়া পাওয়ার (এসিডব্লিউএ)।

একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে এ লক্ষ্যে সোমবার নন-বাইন্ডিং সমঝোতা স্মারক সই করেছে কোম্পানিটি।

এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সৌদি আরবের এসিডব্লিউএর বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে ক্লিন এনার্জি অর্জনে সহায়তা করবে।

‘সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সৌদি কোম্পানি অ্যাকোয়া পাওয়ারের এক হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের আগ্রহ প্রশংসার যোগ্য। বাংলাদেশ নানাভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে উৎসাহিত করছে।’

সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ সেলিম রেজা ও অ্যাকোয়া পাওয়ারের ব্যবসা উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী পরিচালক আয়াদ আল আমরি সই করেন।

দশটি আর্টিক্যাল-সংবলিত নন বাইন্ডিং এই সমঝোতা স্মারকে অ্যাকোয়া পাওয়ার বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহযোগিতা করবে এবং পিডিবি প্রশাসনিক সহযোগিতা করবে।

অনুষ্ঠানে পিডিবির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বিদ্যুৎসচিব মো. হাবিবুর রহমান ও বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসেফ আল দুহাইলান বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের সৌর বিদ্যুৎ সাফল্য নিয়ে বিশ্বব্যাংকের বই

মন্তব্য

জাতীয়
Emergency landing of training aircraft at Bogra due to mechanical failure

যান্ত্রিক ত্রুটি, বগুড়ায় প্রশিক্ষণ বিমানের জরুরি অবতরণ

যান্ত্রিক ত্রুটি, বগুড়ায় প্রশিক্ষণ বিমানের জরুরি অবতরণ
আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান (পিটি-৬) দুইজন বৈমানিকসহ বগুড়ার এরুলিয়া বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জরুরি অবতরণ করে। বিমানটির দুই বৈমানিক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মাহবুব ও স্কোয়াড্রন লিডার হালিমুর নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান জরুরি অবতরণ করেছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় দুই বৈমানিকসহ বগুড়ার এরুলিয়া বিমানবন্দরে বিমানটি জরুরি অবতরণ করে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান (পিটি-৬) দুইজন বৈমানিকসহ বগুড়ার এরুলিয়া বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই জরুরি অবতরণ করে। বগুড়ায় বিমান বাহিনীর ফ্লাইং ইনস্ট্রাক্টরস স্কুল থেকে বিমানটি উড্ডয়ন করে। প্রশিক্ষণ বিমানটির দুই বৈমানিক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মাহবুব ও স্কোয়াড্রন লিডার হালিমুর নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।

যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়া প্রশিক্ষণ বিমানটি বিমান বাহিনীর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে মেরামতযোগ্য বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

জাতীয়
BGB BGP joint border patrol soon

সীমান্তে বিজিবি-বিজিপির যৌথ টহল শিগগিরই

সীমান্তে বিজিবি-বিজিপির যৌথ টহল শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনে জিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা
বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, এ ছাড়াও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, মাদক চোরাচালান, বিচ্ছিন্নতাবাদী উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ ও সীমান্তে উত্তেজনা কমাতেও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে সম্মেলনে।

সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারে শিগগিরই যৌথ টহল শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

যেকোনো সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) এই টহল কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ।

মঙ্গলবার দুপুরে বিজিবি সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়ে তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে অনুষ্ঠিত চার দিনের অষ্টম সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবি ও বিজিপি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, এ ছাড়াও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, মাদক চোরাচালান, বিচ্ছিন্নতাবাদী উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ ও সীমান্তে উত্তেজনা কমাতেও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে সম্মেলনে।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বিএসএফের বিরুদ্ধে
সারা দেশ থেকে জনবল নিচ্ছে বিজিবি
নাফ নদীতে বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ

মন্তব্য

জাতীয়
BNP will not be able to give provocative speech in Suhrawardy

সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ

সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ২০১৮ সালে বিএনপির সমাবেশ। ফাইল ছবি
রাষ্ট্রবিরোধী বা উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না। মিছিলসহ সমাবেশে আসতে পারবেন না বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সিসিটিভি ক্যামেরা, প্রবেশপথে আর্চওয়ে বসানোসহ নিজস্ব উদ্যোগে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখতে হবে।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে আগামী ১০ ডিসেম্বর সমাবেশ করতে পুলিশ অনুমতি দিলেও এই সমাবেশ করতে দলটিকে মানতে হবে দুই ডজনের বেশি শর্ত।

সমাবেশে রাষ্ট্রবিরোধী বা উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য দেয়া যাবে না। মিছিলসহ সমাবেশে আসতে পারবেন না বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সিসিটিভি ক্যামেরা, প্রবেশপথে আর্চওয়ে বসানোসহ নিজস্ব উদ্যোগে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখতে হবে।

এ ধরনের মোট ২৬টি শর্তপূরণ সাপেক্ষে বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

ডিএমপি সদর দপ্তর মঙ্গলবার এক চিঠিতে বিএনপিকে অনুমতি দেয়ার বিষয়টি জানায়। অবশ্য বিএনপি নেতারা বলছেন তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নয়, নয়াপল্টনেই সমাবেশ করতে অনড় অবস্থানে আছেন।

আরও পড়ুন: সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি

বিএনপির পক্ষ থেকে এর আগে নয়াপল্টনে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ডিএমপি কমিশনারের কাছে আবেদন জানানো হয়। এর জবাবে মঙ্গলবার ডিএমপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি দেয়ার কথা জানানো হয়েছে।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে উদ্দেশ করে লেখা চিঠিতে ২৬টি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে দলটি ১০ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে পারবে।

নয়াপল্টনে সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি না দেয়ার কারণ হিসেবে যানজট ও জনভোগান্তি সৃষ্টির কথাও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।

বিএনপিকে ডিএমপি দেয়া শর্তে বলা হয়:

১. এই অনুমতিপত্র স্থান ব্যবহারের অনুমতি নয়, স্থান ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।

২. স্থান ব্যবহারের অনুমতিপত্রে উল্লেখিত শর্তাবলি যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

৩. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে সমাবেশের যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

৪. নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্তসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক (দৃশ্যমান আইডি কার্ডসহ) নিয়োগ করতে হবে।

৫. স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলের ভেতরে ও বাইরে উন্নত রেজ্যুলেশনের সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।

৬. নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি প্রবেশ গেটে আর্চওয়ে স্থাপন এবং সমাবেশে আগতদের হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে চেকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

৭. নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভেহিক্যাল স্ক্যানার/সার্চ মিররের মাধ্যমে সমাবেশে আগত সব যানবাহন তল্লাশির ব্যবস্থা করতে হবে।

৮. নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৯. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে বা সড়কের পাশে মাইক/সাউন্ডবক্স ব্যবহার করা যাবে না।

১০. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে বা সড়কের পাশে প্রজেক্টর স্থাপন করা যাবে না।

১১. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরের রাস্তা বা ফুটপাতে কোথাও সমাবেত হওয়া যাবে না।

১২. আজান, নামাজ ও ধর্মীয় সংবেদনশীল সময়ে মাইক/শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

১৩. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আসতে পারে এমন কোনো বিষয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য দান বা প্রচার করা যাবে না।

১৪. অনুমোদিত সময়ের মধ্যে সমাবেশের সার্বিক কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

১৫. সমাবেশ শুরুর দুই ঘণ্টা আগে লোকজন সমবেত হওয়ার জন্য আসতে পারবে।

১৬. সমাবেশস্থলের আশপাশের রাস্তায় কোনো অবস্থাতেই সমবেত হওয়া, যানবাহান ও জন চলাচলে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।

১৭. পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন বহনের আড়ালে কোনো ধরনের লাঠিসোঁটা, রড ব্যবহার করা যাবে না।

১৮. আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কার্যকলাপ করা যাবে না।

১৯. রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কার্যকলাপ ও বক্তব্য দেয়া যাবে না।

২০. উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য দান বা প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না।

২১. মিছিলসহ সমাবেশস্থলে আসা যাবে না।

২২. পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থানে গাড়ি পার্ক করতে হবে, মূল সড়কে কোনো গাড়ি রাখা যাবে না।

২৩. সমাবেশস্থলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে আয়োজক কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে।

২৪. স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করে সমাবেশ পরিচালনা করতে হবে।

২৫. উল্লেখিত শর্তাবলি যথাযথভাবে পালন না করলে তাৎক্ষণিক অনুমতির আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

২৬. জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এই অনুমতি আদেশ বাতিলের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

আরও পড়ুন:
১০ ডিসেম্বর কী হতে যাচ্ছে ঢাকায়?
কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশে মোবাইল হারানোর ৭১ জিডি
কুমিল্লা সমাবেশ: বিএনপির ভেতরে ক্ষোভের আগুন
কুমিল্লায় সমাবেশ নিয়ে সাক্কু-কায়সারের রাজ্যের হতাশা
সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ কুমিল্লার সমাবেশ

মন্তব্য

p
উপরে