× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

google_news print-icon

অপরাধী, চাঁদাবাজের জন্য আ. লীগের দরজা বন্ধ: কাদের

অপরাধী-চাঁদাবাজের-জন্য-আ-লীগের-দরজা-বন্ধ-কাদের
মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
সেতুমন্ত্রী বলেন, ত্যাগী নেতাকর্মীরা একটি রাজনৈতিক দলের প্রাণ। এসব নেতাকর্মীকে সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে।

চিহ্নিত অপরাধী, চাঁদাবাজ ও ধর্ষণকারীদের জন্য আওয়ামী লীগের দরজা চিরকালের জন্য বন্ধ করে দিতে চান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, তাদের বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে।

শনিবার সকালে মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় এ কথা বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

তিনি ঢাকার নিজ বাসভবন থেকে অনলাইনে ওই সভায় যোগ দেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি, চিহ্নিত অপরাধী, চাঁদাবাজ ও ধর্ষণকারীদের বিষয়ে বিশেষভাবে সর্তক থাকতে হবে। ধর্ষকের মতো নরপশুরা যেন আওয়ামী লীগে ঠাঁই না পায়; তাদের জন্য আওয়ামী লীগের দরজা চিরতরে বন্ধ করে দিতে হবে।’

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, ত্যাগী নেতাকর্মীরা একটি রাজনৈতিক দলের প্রাণ। এসব নেতাকর্মীকে সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে।

ব্যক্তির স্বার্থে যেন পকেট কমিটি করা না হয়, সে বিষয়েও তাগিদ দেন ওবায়দুল কাদের।

‘ব্যর্থতার কারণে’ বিএনপি রাজনীতিতে বেকায়দায় আছে বলেও মনে করেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা।

তিনি বলেন, ‘আন্দোলনে ও নির্বাচনে ব্যর্থতার কারণে দেশের জনগণ মনে করে বিএনপির রাজনীতি এখন লাইফ সার্পোটে আছে।’

তবে ‘বিএনপি ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করছে’ বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি বলেন, ‘নিজেরা ব্যর্থ হয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনসহ কোটাবিরোধী ও ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে ভর করেছিল তারা। কিন্তু হালে পানি পায়নি।’

মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহীউদ্দীনের সভাপতিত্বে বিশেষ সভায় কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, ঢাকা বিভাগীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন, সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় ও মমতাজ বেগম উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
One of the masterminds of the illegal election is Benazir Ahmed Chief Prosecutor

অবৈধ নির্বাচনের অন্যতম কারিগর বেনজীর আহমেদ: চিফ প্রসিকিউটর

অবৈধ নির্বাচনের অন্যতম কারিগর বেনজীর আহমেদ: চিফ প্রসিকিউটর

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হওয়া অবৈধ তিন নির্বাচনের অন্যতম কারিগর ছিলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ এমন মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘বেনজীর আহমেদ শুধু শাপলা চত্বরের মাস্টারমাইন্ড নন। তিনি একসময় সরকার চালাতেন। কোনো কোনো জায়গায় শেখ হাসিনার চেয়েও বেশি পরিচিত ছিলেন। এই পরিচিতির কারণ হলো, তার হেন দুষ্কর্ম নেই যেটা তিনি নিজের কর্মজীবনে করেননি। তবে আওয়ামী লীগের শেষ সময়ে তাদেরই কোনো অভ্যন্তরীণ কোন্দলে তার এসব কুকীর্তি প্রকাশ হয়ে যায়। গণমাধ্যমের মাধ্যমে বেনজীরের সবকিছু দেখেছিল এ জাতি। এ কারণে তার বিরুদ্ধে তখনই মামলা করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন।’

সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে কনফারেন্স রুমে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বেনজীরের বিরুদ্ধে আমাদের প্রায় ১০টির মতো মামলার তদন্ত চলছে। প্রত্যেকটি ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। এর মধ্যে যখন র‌্যাবের প্রধান ছিলেন, তখন গুমের ঘটনায় হওয়া একটি মামলার বিচার চলছে। তিনি শাপলা চত্বরের অন্যতম কুশীলব ছিলেন। তিনি দায়িত্বে থাকাকালীন অসংখ্য হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে হওয়া প্রত্যেকটি নির্বাচনে বেনজীরের বিতর্কিত ভূমিকা ছিল। অবৈধ নির্বাচন করার অন্যতম কারিগর ছিলেন তিনি। এ দেশের গণতন্ত্র নস্যাৎ করতে হাজারো মানুষকে বিনাবিচারে হত্যা করাসহ অসংখ্য দায় রয়েছে তার। অতএব তার বিচারের ব্যাপারে আমরা সর্বোচ্চ নজর দেব।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদার, মার্জিনা রহমানসহ অন্যান্য প্রসিকিউটররা।

মন্তব্য

জাতীয়
Shahjalal with huge foreign currency Detained French national remanded

শাহজালালে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রাসহ আটক ফরাসি নাগরিক রিমান্ডে

শাহজালালে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রাসহ 
আটক ফরাসি নাগরিক রিমান্ডে

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘোষণাবিহীন বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধারের মামলায় ডেভিড পিয়েরে আন্দ্রে ডেলন (৪৪) নামের এক ফরাসি নাগরিকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. এহসানুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোস্তাফিজুল ইসলাম আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান। রাষ্ট্রপক্ষ এই আবেদনের পক্ষে শুনানি করে। অন্যদিকে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৪ জুন) সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশত্যাগের সময় ডেভিড পিয়েরে নামের ওই ফরাসি নাগরিকের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। বিমানবন্দরে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করে শুল্ক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। পরে তার ব্যাগ ও লাগেজ তল্লাশি করে বিভিন্ন দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়।

জব্দকৃত মুদ্রার মধ্যে রয়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৫২০ ইউএই দিরহাম, ১০ হাজার ৬৬০ সোম, ২ হাজার ৮০০ ইউরো, ১ হাজার ৭০০ মার্কিন ডলার, ৪৭০ সৌদি রিয়াল এবং ২০০ মরক্কান দিরহাম।

পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা বহনের ক্ষেত্রে ঘোষণা ও অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও ওই বিদেশি নাগরিক তা করেননি। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এবং বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে।

মামলার রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, উদ্ধার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত উৎস কী, এগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং কোন উদ্দেশে পাচার করা হচ্ছিল—তা উদ্‌ঘাটনের জন্য আসামিকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। এই মুদ্রা পাচারের পেছনে কোনো দেশি-বিদেশি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মন্তব্য

জাতীয়
He got bail in three cases Musician Mumtaz Begum

তিন মামলায় জামিন পেলেন সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগম

তিন মামলায় জামিন পেলেন
সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগম

রাজধানীর মিরপুর থানায় দায়ের করা সাগর হত্যা মামলাসহ ৩টি মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক এমপি ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগম। সোমবার হাইকোর্ট তার জামিন মঞ্জুর করেন। বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি এবিএম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন। এদিন আদালতে মমতাজ বেগমের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু, ব্যারিস্টার সারা হোসেন এবং অ্যাডভোকেট খায়রুন নেছা।

শুনানি শেষে আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু জানান, মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে বর্তমানে মোট ৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ৩টি মামলায় হাইকোর্ট জামিন মঞ্জুর করেছেন। অবশিষ্ট ৩টি মামলার জামিন আবেদন শুনানির জন্য আগামী ১৮ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা মোকাবিলা করব।’

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার হন শিল্পী মমতাজ। পুলিশ জানিয়েছে, মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। পরে গত ১৭ মে চার দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মমতাজ বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এ আদেশ দেন।

মমতাজ বেগম একাধারে দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী এবং সাবেক এমপি। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা বিভিন্ন মামলার কার্যক্রম বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এর আগে রাজধানীর মিরপুর থানায় করা সাগর হত্যা মামলায় সাবেক এমপি মমতাজ বেগমকে কোন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

মন্তব্য

জাতীয়
Fears of low revenue collection due to political instability GM Quader

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জন্য রাজস্ব আদায় অনেক কম হওয়ার শঙ্কা: জি এম কাদের

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জন্য রাজস্ব আদায় অনেক কম হওয়ার শঙ্কা: জি এম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, এবার যে রাজস্ব আদায় হয়েছে আগামীতে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জন্য রাজস্ব আদায় আরও অনেক কম হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। কাজেই এটি বাজেট বাস্তবায়নে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। দেশি-বিদেশি ব্যাপক ঋণ করেই সরকারকে চলতে হবে। এর ফলে বড় অরাজকতা সৃষ্টি হবে। দেশে যে একটি বিশাল সংকট চলছে এটি অস্বীকার করার সুযোগ কারও নেই। রাজনৈতিক ঐক্য ছাড়া এ সংকট থেকে মুক্তি মিলবে না।

সোমবার সকালে রাজধানীতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

জি এম কাদের বলেন, দেশের অর্থনীতিকে বাঁচাতে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগের মত একটি বড় দলের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ রেখে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব নয়। এত বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রেখে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়া কোনোভাবেই যাবে না।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক জোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, আওয়ামী লীগের মত একটি বড় রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে রেখে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসবে না, বরং পরিস্থিতি আরও নাজুক হবে। মানুষের তাদের সমর্থনে নামবে।

তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশ কমবে। এর ব্যাপক প্রভাব বাংলাদেশে পড়ার কথা। অথচ বাজেটে এ নিয়ে কোনো কথাই নেই।

মন্তব্য

জাতীয়
The Ministry of External Affairs summoned the Indian Deputy High Commissioner

ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনারকে তলব করল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনারকে তলব করল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছবি: সংগৃহীত

নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশের সময় প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি-বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাধা প্রদানের ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিতে সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার (ডেপুটি হাইকমিশনার) পাওয়ান বাঢ়েকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এই তলবের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাথে ঘটা এই অনভিপ্রেত আচরণকে অত্যন্ত ‘অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সোমবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান যে, এই বিষয়ে সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং দুঃখজনকও বটে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে। আজকের দিন শেষে আমরা এ বিষয়ে আপনাদের জানাবো।’

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, দিল্লিতে সোমবার শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল ডা. জাহেদ উর রহমানের। সেই উদ্দেশ্যেই তিনি গত রোববার (১৪ জুন) বিকেলে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তবে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে তাকে অনাকাঙ্ক্ষিত জেরার মুখে পড়তে হয় এবং প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাকে সেখানে আটকে রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপে এবং তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে ভারতে প্রবেশের অনুরোধ জানালেও, তিনি এই আচরণের প্রতিবাদস্বরূপ পাসপোর্ট ফেরত চান। এরপর তিনি দিল্লি না ঢুকে কলম্বো হয়ে সোমবার সকালে ঢাকায় ফিরে আসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে, কূটনৈতিক শিষ্টাচার অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার মর্যাদা ও সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তথ্য থাকা সত্ত্বেও এমন ব্যবহার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত। ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলবের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই ঘটনার আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ ও সুষ্ঠু ব্যাখ্যা দাবি করবে বলে জানা গেছে। সরকার মনে করছে, রাষ্ট্রীয় অতিথির মর্যাদাসম্পন্ন একজন ব্যক্তির সাথে এমন ব্যবহার আন্তর্জাতিক প্রোটোকলের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

মন্তব্য

জাতীয়
Prime Minister ordered transfer of Syedabad Gulistan Mahakhali terminal to reduce traffic congestion in Dhaka

ঢাকার যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকার যানজট কমাতে সায়েদাবাদ-গুলিস্তান-মহাখালী টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সড়কপথে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং দীর্ঘস্থায়ী যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল নগরীর ভেতর থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন ও যানজট নিরসন বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। বৈঠক শেষে ঢাকার দুই প্রশাসক উপস্থিত সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় রাজধানীসহ দেশের সামগ্রিক ট্রাফিক ব্যবস্থা এবং নগর পরিবহনের সংস্কার নিয়ে গভীর আলোচনা হয়। সভায় সংশ্লিষ্টরা একমত হন যে, নগরীর প্রধান প্রবেশপথ ও বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে অবস্থিত এই তিনটি টার্মিনাল যানজটের অন্যতম প্রধান উৎস। তাই জনভোগান্তি কমাতে এসব টার্মিনাল পর্যায়ক্রমে সুবিধাজনক স্থানে স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। যানজট নিরসনে এটি বর্তমান প্রশাসনের তৃতীয় দফার বৈঠক ছিল, যেখানে নগরীর ট্রাফিক কাঠামোকে ঢেলে সাজানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মন্তব্য

জাতীয়
Dr Zaheed Ur Rahman canceled his visit to Delhi and returned home

দিল্লি সফর বাতিল করে দেশে ফিরলেন ডা. জাহেদ উর রহমান

দিল্লি সফর বাতিল করে দেশে ফিরলেন ডা. জাহেদ উর রহমান ছবি: সংগৃহীত

ভারতের নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতার কারণে পূর্বনির্ধারিত সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। সোমবার (১৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান।

ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশন’ সম্মেলনে যোগ দিতে প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে গত রোববার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে দিল্লি গিয়েছিলেন ডা. জাহেদ উর রহমান। বিমানবন্দরে নামার পরই নিয়মিত ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার সময় ভারতীয় নজরদারি তালিকায় (ওয়াচলিস্ট) তার নাম শনাক্ত হওয়ায় তাকে আটকে দেওয়া হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ডা. জাহেদ নিজেই তার পাসপোর্ট ফেরত চান এবং পরবর্তী ফিরতি ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘নিউজ১৮’-এর বরাত দিয়ে জানা গেছে, ডা. জাহেদ উর রহমানের নাম নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি ওয়াচলিস্টে শনাক্ত হওয়ায় তাকে বিমানবন্দরে অতিরিক্ত যাচাইয়ের মুখোমুখি হতে হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই ঘটনাটি মূলত প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা ও তথ্য হালনাগাদ না হওয়ার কারণে ঘটেছে। ইতিপূর্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট একটি কালোতালিকা (ব্ল্যাকলিস্ট) থেকে তার নাম অপসারণ করা হলেও ভারতের অভিবাসন বিভাগের ডেটাবেসে সেই তথ্য যথাসময়ে হালনাগাদ করা হয়নি। ফলে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা সতর্কবার্তা জারি হয় এবং তাকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় উপদেষ্টা সফরটি বাতিল করে দ্রুত দেশে ফেরার পথ বেছে নেন।

মন্তব্য

p
উপরে