× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

google_news print-icon

দুবলার পথে উপকূলের ১০ হাজার জেলে

শুঁটকি আহরণ মৌসুম শুরু
দুবলার-পথে-উপকূলের-১০-হাজার-জেলে
মাছ ধরতে সাগরের উদ্দেশে নৌকা ভাসিয়েছেন জেলেরা। ছবি: নিউজবাংলা
এবার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে রাজস্ব আহরণ আরও বৃদ্ধির আশা বন বিভাগের।

বঙ্গোপসাগর পাড়ে সুন্দরবনের দুবলার চরে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে মাছ আহরণ ও শুঁটকি প্রক্রিয়াকরণ মৌসুম।

নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে এ মৌসুম চলবে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই চার মাস চরেই কাটাবেন উপকূলের প্রায় ১০ হাজার জেলে।

এরই মধ্যে জেলেরা জাল ও নৌকা মেরামতসহ চরে অস্থায়ী বসত গড়ার নানা সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছেন। সব মিলে শুঁটকি পল্লিগুলোতে ৫০টি ডিপো ও ৯৫০ টি অস্থায়ী শুঁটকি ঘর তৈরির অনুমতি দিয়েছে বন বিভাগ।

চরে যাওয়ার আগে জেলেরা যে যার ধর্ম অনুসারে নৌকায় প্রার্থনাও সেরে নিয়েছেন। সাতক্ষীরার শ্যামনগর ইউনিয়নের মহাজন বহরদার নূর নিউজবাংলাকে জানান, ‘নৌকায় মিলাদ পড়ে সিন্নি দিয়েছি। বিপদ-আপদ বালা-মসিবত থেকে বাঁচতে মানত করেছি। সবার দোয়া নিয়ে চারটি জাল, দুটি ট্রলার ও ৩০ জন জেলে নিয়ে শুঁটকি পল্লি আলোরকোলের দিকে রওনা দিলাম।’

সাগরে মাছ ধরতে বুধবার থেকেই মোংলার পশুর নদীর চিলা খালে জড়ো হচ্ছেন জেলেরা। বন বিভাগের কাছ থেকে পাস পারমিট নিয়ে দলবেঁধে তারা ছুটতে শুরু করেছেন।

দুবলার পথে উপকূলের ১০ হাজার জেলে

প্রায় যুগ ধরে সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকি বানান বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার উলবুনিয়া গ্রামের মাহাবুব চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘একটু ভালো থাকার আশায় সুন্দরবনের উদ্দেশে রওনা দিলাম। সবাই স্বপ্ন দেখছি ঘুরে দাঁড়ানোর। কিন্তু ঋণের বোঝা কাটবে কিনা তা-ই বড় প্রশ্ন।’

বাগেরহাটে রামপাল উপজেলার সমুদ্রগামী মৎস্যজীবী সমিতির উপদেষ্টা শেখ আ. জলিল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্বচ্ছলতার আশায় জেলে-মহাজনরা গভীর সাগরে মাছ ধরতে যায়। তারা সরকারকে কোটি টাকা রাজস্ব দিয়ে থাকে। অথচ তাদের সহজ শর্তে ঋণের দাবি আজও উপেক্ষিত।’

দুবলার পথে উপকূলের ১০ হাজার জেলে

২০১৮-১৯ মৌসুমে ৪১ হাজার ৫৪ কুইনন্টাল শুঁটকি থেকে ২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা এবং ২০১৯-২০ মৌসুমে ৪৪ হাজার ৭১৩ কুইনন্টাল শুঁটকি থেকে ২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে বনবিভাগ। তবে এবার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আবহাওয়ার অনুকূলে থাকলে রাজস্ব আহরণ আরও বৃদ্ধির আশা করছে বন বিভাগ।

রামপাল উপজেলার সদররের বাসিন্দা বহরদার ফরহাদ শেখের নিউজবাংলাকে বলেন, সরকার সুন্দরবন দস্যুমুক্ত ঘোষণা করায় জেলেরা অনেকটাই নিরাপদ। তবে ভাবাচ্ছে করোনার প্রকোপ। শীতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লে বিচ্ছিন্ন চরে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়া হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় সবাই।’

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, এবার শীতে করোনার প্রকোপ বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ বেশ কিছু শর্তে জেলেদর শুঁটকি পল্লিতে যাবার অনুমতি দেয়া হয়েছে। প্রতি বছরের মত এবারও দুবলায় একটি অস্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র থাকবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
The high price of daily products is increasing the sweat of the consumer Dozen 160 eggs
বাজার দর

নিত্যপণ্যের উচ্চ মূল্যে ভোক্তার ঘাম বাড়ছে, ডিমের ডজন ১৬০

নিত্যপণ্যের উচ্চ মূল্যে ভোক্তার ঘাম বাড়ছে, ডিমের ডজন ১৬০
বেসরকারি চাকুরে আবুল হোসেন বলেন, ডলারের বিপরীতে টাকার মান ৮৪ থেকে ১১৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা ভোক্তদের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি জ্বালানির দামও বেড়েছে, বেড়েছে সুদ হার। এসবের প্রভাব পড়েছে ভোক্তা বাজারে।

উচ্চ সুদ হারের মধ্যে দ্রব্যমূল্য বাড়তে থাকায় মূল্যস্ফীতির প্রভাবে হিমশিম খাচ্ছেন রাজধানী ঢাকার বাসিন্দারা।

গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ বেড়েছে মাছ, ডিম, শাকসবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ প্রায় সব ভোগ্যপণ্যের দাম। বিশেষ করে ডিমের বাজারে ভয়াবহ অস্থিরতা। ডজনে দাম বেড়েছে ২৫ টাকা।

শাকসবজি, মাংস, মুরগি ও মাছের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও চড়া দাম রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন পেশার একাধিক ক্রেতা।

ইউএনবির সঙ্গে আলাপকালে তারা বলেন, প্রায় সব ধরনের শাকসবজি, মাছ, মুরগি, মাংসসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অনেক বেড়েছে।

একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, ডলারের বিপরীতে টাকার মান ৮৪ থেকে ১১৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা ভোক্তদের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি জ্বালানির দামও বেড়েছে, বেড়েছে সুদ হার। এসবের প্রভাব পড়েছে ভোক্তা বাজারে।

আবুল হোসেনের মতো একই কথা জানালেন আরও অনেকে।

গত ১০ দিন ধরে ডিমের দাম বেড়েই চলেছে। শুক্রবার রাজধানীতে প্রতি ডজন ডিম ১৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। সে হিসাবে গত দুই সপ্তাহে দাম বেড়েছে ২৫ টাকা।

কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর, মহাখালী, মালিবাগসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।

ব্রয়লার মুরগি ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সোনালি মুরগির দাম গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। আকার ও মান ভেদে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩৫ টাকায়। সোনালি মুরগি আকার ও মান ভেদে কেজিপ্রতি ৩৪৫ থেকে ৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে প্রতি কেজি কক মুরগি ৩৭০ থেকে ৩৯০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ও দেশি মুরগি প্রতি কেজি ৬৭০ থেকে ৭৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা জানান, মুরগির খাবার ও ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার দাম বাড়ায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

শুক্রবার মান ভেদে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়, যা সপ্তাহের অন্যান্য দিনের চেয়ে কেজিতে ৩০ টাকা বেশি।

মান ভেদে খাসির মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে ১ হাজার ১৮০ টাকায়। সে হিসাবে কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে।

শুক্রবার কারওয়ান বাজার মাছের বাজারে ৪৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬৫০ টাকা এবং এক কেজি ওজনের ইলিশ এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয় ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায়।

রুই ও কার্প জাতীয় মাছ কেজি হিসেবে ও মান অনুযায়ী ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। নদীর ছোট মাছসহ অন্যান্য মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে।

বিগত বছরগুলোর তুলনায় সবজির দাম এখনও চড়াই রয়েছে। অন্যদিকে দাম বাড়ার জন্য মূল্যস্ফীতিকে দায়ী করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার প্রতি কেজি বেগুন, ঢেঁড়স, সজনে, শিম, করলাসহ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গোল বেগুন বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি।

অন্যদিকে মৌসুম শেষ হওয়ায় বেড়েছে টমেটোর দাম। ভালো মানের টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে।

অন্যান্য সবজি প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং লাউ, চালকুমড়া ও ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মানভেদে দেশি পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা, রসুন ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা ও আদা ২০০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাল, গম, আটা, দুধ, সয়াবিন, সুগন্ধি চালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

আরও পড়ুন:
মেহেরপুরে গরুর মাংস ৭৩০, পেঁয়াজের সেঞ্চুরি
পেঁয়াজ: রোববার কোন জেলায় কত ছিল দাম
দেশজুড়ে পেঁয়াজের বাজারে নৈরাজ্য চলছে
আলু পেঁয়াজ ডিমের দাম কঠোরভাবে তদারকি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাজারে আগুন, ডিম-সবজি-মাছের দাম বাড়ছেই

মন্তব্য

জাতীয়
Before Eid Waltons new model of energy saving products is in the market

ঈদের আগে ওয়ালটনের নতুন মডেলের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য বাজারে

ঈদের আগে ওয়ালটনের নতুন মডেলের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য বাজারে ঈদ উপলক্ষে ওয়ালটনের নতুন মডেলের পণ্য উন্মোচন করছেন ওয়ালটনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। ছবি: ওয়ালটন

আসছে ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ চমক হিসেবে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার সমৃদ্ধ ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নতুন মডেলের পণ্য উন্মোচন করেছে ওয়ালটন।

নতুন মডেলের পণ্যের মধ্যে রয়েছে ইনভার্টার প্রযুক্তির মাল্টি কালার ডিজাইনের সাইড বাই সাইড রেফ্রিজারেটর, ইউরোপিয়ান ডিজাইনের কম্বি মডেলের রেফ্রিজারেটর, ভার্টিকাল ফ্রিজার, চকোলেট কুলারসহ মোট ৭টি মডেলের ফ্রিজ।

এ ছাড়াও আছে সোলার হাইব্রিড প্রযুক্তির স্প্লিট টাইপ এসি, ৪ ও ৫ টনের সিলিং এবং ক্যাসেট টাইপ লাইট কমার্শিয়াল এসি, ৬৫ ইঞ্চির ওএলইডি টিভি, ওয়াশিং মেশিন ও বিএলডিসি ফ্যান।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বসুন্ধরায় ওয়ালটন করপোরেট অফিসের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন মডেলের প্রোডাক্ট উন্মোচন করেন ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রায়হান।

অনুষ্ঠানে সারা দেশে একযোগে চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ এর ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ অফারের বর্ণাঢ্য র‌্যালিও উদ্বোধন করা হয়।

নতুন মডেলের পণ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেজর জেনারেল (অব.) ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ইউসুফ আলী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর দিদারুল আলম খান (চিফ মার্কেটিং অফিসার), মফিজুর রহমান, ফিরোজ আলম, মো. তানভীর রহমান, তাহসিনুল হক, সোহেল রানা, মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

এছাড়া ভার্চুয়াল মাধ্যমে সারা দেশ থেকে ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার ও পরিবেশকগণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।

আরও পড়ুন:
ওয়ালটন-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল শুরু মঙ্গলবার
ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে লাখ টাকার ভাউচার জিতলেন শিক্ষক এনামুল
ওয়ালটন ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ ক্যাম্পেইনের মেয়াদ বাড়ল ২ মাস

মন্তব্য

জাতীয়
Pakistani Dresses Becheni Lekhni Collection by Sanvis By Tani Consumer Affairs
ভোক্তা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি

সানভী’স বাই তনির কাছে পাকিস্তানি ড্রেস বেচেনি লাখানি কালেকশন

সানভী’স বাই তনির কাছে পাকিস্তানি ড্রেস বেচেনি লাখানি কালেকশন সম্ভাব্য ক্রেতাদের উদ্দেশে জামা নিয়ে কথা বলছেন সানভী’স বাই তনির স্বত্বাধিকারী তনি। ছবি: ফেসবুক পেজ
অভিযানে প্রাপ্ত তথ্যের বিষয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অভিযানে দেখা যায়, Sanvee's By Tony কর্তৃক পাকিস্তানি ড্রেস নামে যে ড্রেস বিক্রি করা হয়েছে, তা Lakhani Collection-এর স্বত্বাধিকারী তা বিক্রি করেনি মর্মে লিখিত দিয়েছেন। Lakhani Collection পাকিস্তানি বলে ড্রেস বিক্রি করলেও পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে কোনো ডকুমেন্ট/ইমপোর্টের কাগজপত্র বা কোনো ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি।’

অনলাইনে নারীদের পোশাক বিক্রির আলোচিত প্রতিষ্ঠান সানভী’স বাই তনির কাছে লাখানি কালেকশন নামের প্রতিষ্ঠানটি পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করেনি বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে।

নারীদের জামাকাপড় বিক্রির ঢাকাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সানভী’স বাই তনি। প্রতিষ্ঠানটির ২০ লাখ ফলোয়ার সংবলিত ফেসবুক পেজের ইন্ট্রোতে লেখা আছে, ‘অনলাইনে এবং শোরুম জগতে আস্থার প্রতীক সানভীস বাই তনি। আমরা অগ্রিম কোনো বিকাশ নিই না। আমরা সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি দিয়ে থাকি।’

ভোক্তা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘একজন অভিযোগকারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৩ মে, ২০২৪ Sanvee's By Tony (সানভী’স বাই তনি), পুলিশ প্লাজা, গুলশান, ঢাকায় সরেজমিনে তদন্ত করে পাকিস্তানি ড্রেস ক্রয়ের পক্ষে কোনো ডকুমেন্ট দেখাতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটি জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। এর প্রেক্ষিতে গত ১৪ মে, ২০২৪ অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী অধিদপ্তরে উপস্থিত হয়ে উক্ত পাকিস্তানি ড্রেস Lakhani Collection (লাখানি কালেকশন), ঠিকানা: ৫১৮/৫১৯ সুবাস্তু অ্যারোমা শপিং কমপ্লেক্স, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা থেকে ক্রয় করেছেন মর্মে জানান।

‘এর ধারাবাহিকতায় বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের স্বার্থে এবং Sanvee's By Tonyর তথ্যের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ (বুধবার) ১৫-০৫-২০২৪ তারিখ এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।’

অভিযানে প্রাপ্ত তথ্যের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অভিযানে দেখা যায়, Sanvee's By Tony কর্তৃক পাকিস্তানি ড্রেস নামে যে ড্রেস বিক্রি করা হয়েছে, তা Lakhani Collection-এর স্বত্বাধিকারী তা বিক্রি করেনি মর্মে লিখিত দিয়েছেন। Lakhani Collection পাকিস্তানি বলে ড্রেস বিক্রি করলেও পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে কোনো ডকুমেন্ট/ইমপোর্টের কাগজপত্র বা কোনো ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি।

‘Lakhani Collection পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করলেও যেখান থেকে ক্রয় করেছেন, তার পক্ষে কোনো ডকুমেন্ট/ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি। এ সকল ড্রেস বিক্রির ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি এবং কিছু ক্যাশ মেমো পাওয়া যায়, যেখানে প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা দেয়া নেই।’

লাখানি কালেকশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘উল্লেখিত অপরাধে Lakhani Collection-এর সকল প্রকার কার্যক্রম জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধের আদেশ দেয়া হয় এবং আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকালে অধিদপ্তরে উপস্থিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য বলা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

এ বিষয়ে জানতে সানভী’স বাই তনির পেজে দেয়া নম্বরে একাধিকবার কল করেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন:
মানিকগঞ্জে যানজট নিরসনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
ফরিদপুরে যৌনপল্লি থেকে দুই তরুণী উদ্ধারের ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নিয়ে এলো কল্লোল গ্রুপ
মেয়াদোত্তীর্ণ পাউডার দিয়ে সফট ড্রিংকস বানানো কারখানা সিলগালা
ময়মনসিংহে তিন হাসপাতাল এক ক্লিনিক সিলগালা

মন্তব্য

জাতীয়
Garment workers will get compensation for accidents on the way to work

কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের পথে দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ পাবে পোশাকশ্রমিকরা

কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের পথে দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ পাবে পোশাকশ্রমিকরা ছবি: সংগৃহীত
যাতায়াতকালীন দুর্ঘটনাকে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত উল্লেখ করা আছে। যেমন- ঘটনা কারখানার বাইরে ঘটতে হবে, কারখানার সঙ্গে তাদের যুক্ততার রেকর্ড থাকতে হবে।

পোশাকশ্রমিকরা কর্মক্ষেত্রে যাওয়া-আসার পথে দুর্ঘটনায় পড়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। তবে এখন থেকে এ ধরনের দুর্ঘটনা ‘শিল্প দুর্ঘটনা’ হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশে এর আগে এই নিয়ম শুধু কর্মক্ষেত্রের ভেতরে সীমাবদ্ধ ছিল। বর্তমান নিয়মের সুবাদে এ ধরনের দুর্ঘটনার শিকার পোশাকশ্রমিকরা ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবেন।

অ্যামপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম (ইআইএস) পাইলটের গভর্নেন্স বোর্ড সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অষ্টম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ‘যাতায়াত দুর্ঘটনা’-কে ‘শিল্প দুর্ঘটনা’ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার অনুমোদন দিয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে এই সিদ্ধান্তের পাইলটিং কার্যকর হবে।

ইআইএস পাইলটের গভর্নেন্স বোর্ডের সভায় সিদ্ধান্তটি নিয়োগকর্তাদের সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন এবং সরকারি সংস্থাগুলোর সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, বাংলাদেশের শিল্প ও শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিল্প দুর্ঘটনার মধ্যে যাতায়াতকালের দুর্ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

সভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও’র কারিগরি বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের সম্প্রসারণের কারিগরি ও আর্থিক দিকগুলোর মূল পয়েন্টগুলো তুলে ধরেন। যাতায়াতকালীন দুর্ঘটনাকে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত উল্লেখ করা আছে। যেমন- ঘটনা কারখানার বাইরে ঘটতে হবে, কারখানার সঙ্গে তাদের যুক্ততার রেকর্ড থাকতে হবে।

নিয়োগকর্তাদের সংগঠনগুলো পাইলট স্কিমের আওতায় ১ জুলাই থেকে যাতায়াত দুর্ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করতে সম্মত হয়েছে জানিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আমরা সামাজিক সুরক্ষার জন্য শ্রমিকদের মৌলিক অধিকারকে সমর্থন করি এবং নতুন সুবিধাগুলো বিবেচনা করতে পেরে খুশি হবো যদি সেটি শিল্পের প্রতিযোগিতাকে প্রভাবিত না করে।’

শ্রমিক প্রতিনিধিরাও এ উদ্যোগে সহযোগিতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তারা বলছেন, তৈরি পোশাক খাত তুলনামূলকভাবে নিরাপদ খাত। তবে সড়ক পথে যাতায়াত এই কাজের সবচেয়ে ভয়াবহ অংশ। তাই যাতায়াত দুর্ঘটনা ক্ষতিপূরণের অন্তর্ভুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।

আইএলও অ্যামপ্লয়মেন্ট ইনজুরি বেনিফিট কনভেনশন নং ১২১ (সি-১২১)-এর ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে সদস্য দেশগুলোকে শিল্প দুর্ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং যার মধ্যে একটি যাতায়াত দুর্ঘটনাকে শিল্প দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হবে এমন শর্তগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

২০২২ সাল থেকে ইআইএস পাইলট তৈরি পোশাক খাতের আহত শ্রমিক ও মৃত শ্রমিকদের কর্মস্থলজনিত দুর্ঘটনার জন্য ক্ষতিপূরণ দিয়ে আসছে।

আইএলওর বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পুটিয়াইনেন বলেন, ‘যাতায়াত দুর্ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে এই উদ্যোগটি শ্রমিকদের সুরক্ষা বৃদ্ধি করবে এবং শিল্প সম্পর্কের উন্নতি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

আইএলও এবং জিআইজেড যৌথভাবে অ্যামপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম পাইলট বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার, নিয়োগকর্তা এবং শ্রমিক সংগঠনগুলোকে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। আইএলও উদ্যোগটি নেদারল্যান্ডস এবং কানাডা সরকার দ্বারা অর্থায়ন করা হয়। অন্যদিকে জিআইজেড উদ্যোগটি জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিএমজেড) দ্বারা অর্থায়ন করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার বাংলাদেশের শ্রম আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সঙ্গে তিন দিনের বৈঠকে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, ‘শ্রম আইন সংশোধনের বিষয়ে আইএলও কিছু পরামর্শ দিতে চায়, যাতে আইনটি আরও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়। সংস্থার কমিটি অফ এক্সপার্ট আইনটা দেখেছে এবং পড়েছে। সেখানে তারা আন্তর্জাতিক মান নিয়ে কিছু সুপারিশ দিয়েছে।’

মন্তব্য

জাতীয়
What the central bank said on the issue of strict access to journalists

সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরে সংবাদকর্মীদের প্রবেশ ও তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য পরিবেশিত হচ্ছে। সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, গণমাধ্যমকর্মীদের প্রদানযোগ্য সব তথ্য সংগ্রহ ও পরিবেশনের জন্য কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরে সংবাদকর্মীদের প্রবেশ ও তথ্য সংগ্রহের বিষয় নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য পরিবেশিত হচ্ছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের যোগাযোগ ও প্রকাশনা (ডিসিপি) বিভাগের পরিচালক এবং সহকারী মুখপাত্র সাঈদা খানম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটা দাবি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরে সংবাদকর্মীদের প্রবেশ ও তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য পরিবেশিত হচ্ছে। বিষয়টি স্পষ্টীকরণের নিমিত্তে এ মর্মে সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, গণমাধ্যমকর্মীদের প্রদানযোগ্য সব তথ্য সংগ্রহ ও পরিবেশনের জন্য নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে-

১) বাংলাদেশ ব্যাংক সম্পর্কিত গণমাধ্যমে প্রদানযোগ্য তথ্য, তার ব্যাখ্যা ও সম্পূরক তথ্যাদি প্রদানের জন্য নির্বাহী পরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা মুখপাত্র হিসেবে এবং পরিচালক পর্যায়ের দুজন কর্মকর্তা সহকারী মুখপাত্র হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। যে কোনো সংবাদকর্মী অফিস চলাকালীন বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনে প্রবেশ করে উল্লিখিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগপূর্বক তথ্য সংগ্রহ ও বক্তব্য গ্রহণ করতে পারেন।

২) কোনো বিশেষ প্রয়োজনে কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তা থেকে প্রবেশ পাস গ্রহণপূর্বক ওই কর্মকর্তার কাছ থেকে সংবাদকর্মীরা প্রয়োজনীয় তথ্যাদির ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে পারেন।

৩) বাংলাদেশ ব্যাংক সময়ে সময়ে প্রেস কনফারেন্স, প্রেস রিলিজ ও অন্যান্য মাধ্যমে সংবাদকর্মীদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করছে।

৪) এছাড়াও অবাধ তথ্যপ্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিতকরণের নিমিত্তে বাংলাদেশ ব্যাংক তার কাছে সংরক্ষিত সব অর্থনৈতিক তথ্য ও উপাত্ত প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশ করে আসছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে দেশের জনসাধারণের কাছে সব প্রদানযোগ্য তথ্য দেয়ার জন্য বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সে আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক বর্ণিত পদ্ধতিতে তথ্য সরবরাহ ও তার ব্যাখ্যা প্রদান করছে। জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের জনগণের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এখন থেকে সাংবাদিকেরা ব্যাংকের নির্দিষ্ট অনুমতিপত্র (প্রবেশ পাস) নিয়েই কেবল মুখপাত্রের কাছে যেতে পারবেন। তবে কোনো কর্মকর্তা যদি সাংবাদিকদের পাস দেন, সে ক্ষেত্রে তারা শুধু সেই কর্মকর্তার কাছে যেতে পারবেন। আগের মতো তারা অবাধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো বিভাগে প্রবেশ করতে পারবেন না।

এরপর ৮ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির ছাড় বিষয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। এ জন্য সাংবাদিকদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সপ্তাহে একদিন করে বসবে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন অবস্থানের বিরোধিতা করে ওইদিন সংবাদ সম্মেলন বয়কট করেন সাংবাদিকরা। এ প্রসঙ্গে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, ‘এই সিদ্ধান্তের মেনে নেয়া হবে না। সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেছিলেন গভর্নর। আমরা চিঠি দেয়ার পরও কোনো সিদ্ধান্ত তারা নেননি। এর প্রতিবাদে আমরা শতাধিক সাংবাদিক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংবাদ সম্মেলন বয়কট করেছি। সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার না পাওয়া পর্যন্ত বয়কটের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।’

ইআরএফের পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে কাশেম আরও বলেন, ‘সাংবাদিকরা সেনসিটিভ ইস্যু নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বসতে চেয়েছে। সাংবাদিকরাই এই খাতের দুর্বলতা তুলে ধরেন। আমরা মনে করি, বাংলাদেশ ব্যাংকের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং শিগগির সাংবাদিকরা প্রবেশাধিকার ফেরত পাবেন।’

আরও পড়ুন:
নতুন করে রিজার্ভ চুরির খবর সত্য নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের দাবি
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার নিন্দা

মন্তব্য

জাতীয়
Islami Banks month long campaign has started

ইসলামী ব্যাংকের মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু

ইসলামী ব্যাংকের মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে মঙ্গলবার প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের মুদারাবা ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট, মুদারাবা রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট (আরএফসিডি) ও মুদারাবা ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট (আইবি) ইতোমধ্যে গ্রাহকদের নিকট জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকগণ বৈদেশিক মুদ্রা জমা ও লেনদেন করতে পারছেন।’

‘টুয়ার্ডস এক্সিলেন্স অ্যান্ড বেটার গ্রোথ ইন এফসি অ্যাকাউন্টস্, খিদমাহ কার্ডস্ অ্যান্ড ডেবিট কার্ডস্’ স্লোগানকে সামনে রেখে মাসব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন চালু করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।

ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে মঙ্গলবার প্রধান অতিথি হিসেবে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী, জে.কিউ.এম. হাবিবুল্লাহ এফসিএস ও ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিফতাহ উদ্দীন।

ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর কাজী মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রফিকুল ইসলাম ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ জুবায়েরুল হক।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরীসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া ব্যাংকের সব জোনপ্রধান, শাখাপ্রধান ও উপশাখা ইনচার্জরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের মুদারাবা ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট, মুদারাবা রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট (আরএফসিডি) ও মুদারাবা ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট (আইবি) ইতোমধ্যে গ্রাহকদের নিকট জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকগণ বৈদেশিক মুদ্রা জমা ও লেনদেন করতে পারছেন।

‘ব্যাংকের এডি শাখা ও অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটে এসব অ্যাকাউন্ট খোলা যায় এবং ইসলামী শরিয়াহ মুদারাবা নীতির ভিত্তিতে এসব অ্যাকাউন্টে আকর্ষণীয় মুনাফা প্রদান করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে পদার্পণ করেছি। বর্তমানে ডিজিটাল প্রোডাক্টগুলোর ব্যাপক সম্প্রসারণ হয়েছে। পেমেন্ট সিস্টেমে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। স্মার্ট ব্যাংকিংকে সর্বোন্নত পর্যায়ে নিয়ে যেতে ইসলামী ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে। আধুনিক ও বৈচিত্র্যময় কার্ড সেবার মাধ্যমে গ্রাহক সেবা উন্নতকরণ এবং দেশে-বিদেশে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনে অবদান রেখে চলেছে এ ব্যাংক।

‘ইসলামী ব্যাংকের খিদমাহ ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে গ্রাহকগণ বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল ও এয়ারপোর্ট লাউঞ্জে ডিসকাউন্ট সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।’

তিনি ব্যাংকের আধুনিক সেবাগুলো সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছাতে কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন:
নতুন করে রিজার্ভ চুরির খবর সত্য নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক
সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে বিডিবিএলকে একীভূত করতে চুক্তি সই
ইসলামী ব্যাংকের বরিশাল জোনের কর্মকর্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ইসলামী ব্যাংকের হজ বুথ উদ্বোধন
সোনালী ব্যাংকের বিশেষ পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

মন্তব্য

জাতীয়
News of new reserve theft not true Bangladesh Bank

নতুন করে রিজার্ভ চুরির খবর সত্য নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক

নতুন করে রিজার্ভ চুরির খবর সত্য নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, নিউ ইয়র্ক ফেডের সঙ্গে লেনদেনে নিশ্চয়তার ক্ষেত্রে বর্তমানে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নীতি চালু রয়েছে। রিজার্ভ চুরির যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া।

ভারতে একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ফের রিজার্ভ চুরিসংক্রান্ত প্রতিবেদনের সত্যতা নাকচ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক মঙ্গলবার জানান, অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া।

ভারতের ওই অনলাইন পোর্টালে রিজার্ভ চুরির প্রতিবেদন প্রকাশের পর এ নিয়ে ব্যাংকপাড়াসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকে এ তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র এ বিষয়ে বলেন, নিউ ইয়র্ক ফেডের সঙ্গে লেনদেনে নিশ্চয়তার ক্ষেত্রে বর্তমানে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নীতি চালু রয়েছে। রিজার্ভ চুরির যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া।

মন্তব্য

p
উপরে