20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
স্কুলছাত্রী ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টার আসামি গ্রেফতার

গ্রেফতার জাহিদুল। ছবি: নিউজবাংলা

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টার আসামি গ্রেফতার

ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে জাহিদুলের পরিবার নানা ভয়ভীতি দেখায়। জানাজানি হলে বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয়দের মাধ্যমে বিয়ের আশ্বাস দেয় জাহিদুলের পরিবার। কিন্তু ঘটনার চার মাস পরও কোনো মীমাংসা হয়নি।

ঢাকার ধামরাইয়ে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলার আসামি জাহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার বিকেলে ময়মনসিংহের ভালুকায় এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডের কারখানা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সোমবার ধামরাই থানায় ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা করেন।

গ্রেফতার জাহিদুল ইসলামের বাড়ি ধামরাই উপজেলার চৌহাট ইউনিয়নে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ওই ছাত্রী একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। স্কুলে যাওয়ার পথে তাকে উত্ত্যক্ত করতেন প্রতিবেশী জাহিদুল। পরে বিয়ের প্রস্তাবেও সাড়া না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তিনি।

২৫ মে বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে দাদির বাড়িতে যাচ্ছিল ওই শিক্ষার্থী। মেয়েটি ধামরাইয়ের বাংলা এলাকায় পৌঁছালে জাহিদুল একটি নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। পরে ৭ সেপ্টেম্বর জাহিদুলের মা মেয়েটিকে বাড়িতে ডেকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে হত্যার চেষ্টা করে।

খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় তাকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।

ছাত্রীর বাবা জানান, ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে জাহিদুলের পরিবার নানা ভয়ভীতি দেখায়। জানাজানি হলে বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয়দের মাধ্যমে বিয়ের আশ্বাস দেয় জাহিদুলের পরিবার। কিন্তু ঘটনার চার মাস পরও কোনো মীমাংসা হয়নি।

ধামরাইয়ের কাওয়ালীপাড়া বাজার ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ জানান, সোমবার ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ধামরাই থানায় ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামলায় জাহিদুল, তার মা জোহরা বেগম ও বাবা ফজল হককে আসামি করা হয়।

এসআই আরও জানান, ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। অভিযান চালিয়ে বুধবার বিকেলে ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে জাহিদুলকে গ্রেফতার করা হয়। জাহিদুলের বাবা-মা পলাতক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাহিদুলকে আদালতে পাঠানো হবে বলেও জানান এসআই।

শেয়ার করুন