20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেললাইন

ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেললাইন

রেলমন্ত্রী জানান, বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর কাজ আগামী মাসে শুরু হবে। এ সেতু নির্মাণ হলে দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে।

এই ডিসেম্বরেই চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেললাইন দিয়ে আবারো বাংলাদেশ ও ভারতের ট্রেন চলাচল শুরু হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

রাজধানীর রেলভবনে বুধবার বিকেলে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। এর আগে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।

১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

রেলমন্ত্রী জানান, ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশর বিজয় দিবস উপলক্ষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী নতুন আন্তঃদেশীয় এই রেলপথের উদ্বোধন করবেন। শুরুতে পণ্যবাহী ট্রেন দিয়ে দুই দেশের মধ্যে নতুন এই রেল যোগাযোগ চালু হবে।

এরপর স্বাধীনতা দিবসে (২৬ মার্চ, ২০২১) ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত একটি যাত্রীবাহী ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দোরাইস্বামীর সঙ্গে ভারতের অর্থায়নে বাংলাদেশ রেলওয়েতে চলমান প্রকল্পসহ দুই দেশের রেলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

রেলপথের জন্য অনেক প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মিটারগেজ লাইনকে পর্যায়ক্রমে ডুয়েল গেজ করা হবে। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প চালু হলে সহজে ও কম সময়ে ভারত থেকে ঢাকায় পণ্য ও যাত্রী পরিবহন সম্ভব হবে।

রেলমন্ত্রী জানান, বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর কাজ আগামী মাসে শুরু হবে। এ সেতু নির্মাণ হলে দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে।
Ministry of Rail

সিরাজগঞ্জে একটি অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল (আইসিডি) নির্মাণ বিষয়ে হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী জানান, এই আইসিডি নির্মিত হলে পণ্য পরিবহনে গতি আসবে। সৈয়দপুর একটি নতুন কোচ তৈরির কারখানা নির্মাণে ভারতের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ভারতের আদলে বাংলাদেশ রেলওয়েতে কনসালটেন্সি বিভাগ করা হবে।

ভারতীয় হাইকমিশনার এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়েতে ক্যাটারিং সার্ভিস এবং ট্রেনিং একাডেমি উন্নয়নে আগ্রহ প্রকাশ করেন। রেলমন্ত্রী বাংলাদেশের রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভারতে ট্রেনিং নেয়ার বিষয়ে সহযোগিতা চান।

এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

১৯৬৫ সালে বন্ধ হওয়া রেলপথটি পুনরায় চালু করতে ভারতের সঙ্গে ২০১১ সালে চুক্তি করে বাংলাদেশ। প্রকল্পের কাজ শুরু হয় গত বছরের সেপ্টেম্বরে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য