20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
মন্দিরের আয় নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব, ১৪৪ ধারা

মন্দিরের আয় নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব, ১৪৪ ধারা

মন্দির এলাকায় দুর্গাপূজার আয়োজন নিষিদ্ধ হলেও তা মানা হয়নি।

ঠাকুরগাঁওয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ইসকন সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কায় রসিক রায় জিউ মন্দির এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মাদারগঞ্জ গ্রামের এ মন্দির এলাকায় বুধবার দুপুরে ১৪৪ ধারা জারি করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মামুন।

ইউএনও বলেন, মন্দির এলাকায় দুর্গাপূজার আয়োজন নিষিদ্ধ হলেও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মন্দিরের বাইরে উৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি নেয়। অন্যদিকে মন্দিরের ভেতরে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি নেয় ইসকন মতাদর্শীরা। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দেখা দেয় উত্তেজনা।

‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে এমন আশঙ্কায় মন্দির এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পূজা শেষ হলে এটি প্রত্যাহার করা হবে।’

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম বলেন, মন্দির এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। দুই পক্ষের কেউই বিরোধপূর্ণ মন্দিরে দুর্গাপূজার অনুমতি পাচ্ছে না।
Thakurgao-2

প্রায় ১০০ বছর আগে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মাদারগঞ্জ এবং ভাতগাঁও মৌজা এলাকায় রসিক রায় জিউ মন্দির নির্মাণ করেন জমিদার বর্ধামনি চৌধুরানী। মন্দির পরিচালনার জন্য আরও ৮১ একর সম্পত্তি দান করেন তিনি।

২০০৯ সালে মন্দিরের আয় ব্যয় নিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ইসকনদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। হিন্দু পূজা উদযাপন পরিষদ তখন মন্দির পরিচালনার দায়িত্ব দেয় আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘকে (ইসকন)। এতে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকট হয়। এর জেরে সংঘর্ষে মৃত্যু হয় ফুলবাবু নামে এক সনাতন ধর্মাবলম্বীর। এ ঘটনার পর মন্দির সীমানায় দুর্গাপূজা উদযাপন নিষিদ্ধ করে প্রশাসন। তখন থেকে মন্দিরে বন্ধ আছে দুর্গাপূজা।

শেয়ার করুন

মন্তব্য