20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
আট দিনে ৩৩৬ জনের কারাদণ্ড

আট দিনে ৩৩৬ জনের কারাদণ্ড

কারাদণ্ড পাওয়া জেলেদের বে‌শিরভাগই মৌসুমি জে‌লে। এরা নি‌ষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ শিকার ক‌রে থা‌কেন। মূলত দাদনদাররা তা‌দের নি‌জে‌দের জেলে দি‌য়ে প্রজনন মৌসু‌মে ই‌লিশ শিকার করান।

দেশে ইলিশ শিকা‌রে নি‌ষেধাজ্ঞার সময় শুরু হওয়ার প্রথম আট দিনে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় অবৈধভাবে ইলিশ শিকারের দায়ে ৩৩৬ জনকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। জরিমানা করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।

এ ছাড়া উদ্ধার করা হয়েছে ২৮ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ৩ দশমিক ৫ মেট্রিক টন ইলিশ।

মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৪ অক্টোবর থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় মৎস্য বিভাগের নেতৃত্বে ৭৭০ টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এসব অভিযান পরিচালনার সময় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ ধরায় ৩৬৬ জন জেলেকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের একাধিক সূত্র জানায়, কারাদণ্ড পাওয়া জেলেদের বে‌শিরভাগই মৌসুমি জে‌লে। এরা নি‌ষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ শিকার ক‌রে থা‌কেন। মূলত দাদনদাররা তা‌দের নি‌জে‌দের জেলে দি‌য়ে প্রজনন মৌসু‌মে ই‌লিশ শিকার করান। গভীর রা‌তে ব‌রিশা‌লের বিভিন্ন চরাঞ্চ‌লে এসব ই‌লিশ বিক্রি করা হয়।

বরিশাল কার্যালয়ের মৎস্য কর্মকর্তা বিমল চন্দ্র দাস বলেন, বিভিন্ন অভিযানে বরিশালে যারা ধরা পড়ছে তাদের মধ্যে অধিকাংশই মৌসুমি জেলে। ই‌লিশ জে‌লে‌দের সরকা‌রের পক্ষ থে‌কে খাদ্য সহায়তা দেয়া হ‌চ্ছে। তারা নদী‌তে না নাম‌লেও মৌসুমী জে‌লেরা ই‌লিশ শিকার কর‌ছেন।

ই‌লিশের প্রজনন মৌস‌ু‌মের কার‌ণে ১৪ অক্টোবর থে‌কে ৪ ন‌ভেম্বর পর্যন্ত ই‌লিশ শিকা‌রে নি‌ষোধাজ্ঞা জা‌রি ক‌রে‌ছে সরকার।

শেয়ার করুন

মন্তব্য