20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
এসআই আকবর যেখানেই পালাক গ্রেফতার হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রায়হানের স্ত্রী, মা ও চাচাকে সান্ত্বনা দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা

এসআই আকবর যেখানেই পালাক গ্রেফতার হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দুপুর দেড়টার দিকে সিলেট নগরীর আখালিয়া এলাকায় রায়হানের বাসায় যান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে তিনি রায়হানের স্ত্রী, মা ও চাচার সঙ্গে কথা বলেন।

রায়হান উদ্দিন আহমদের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত এসআই আকবর হোসেন যেখানেই পালিয়ে থাকুক না কেন ধরা পড়বেন বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট নগরীর আখালিয়া এলাকায় রায়হানের বাসায় গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার পর এ মন্তব্য করেন তিনি।

দুপুর দেড়টার দিকে রায়হানের বাসায় যান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে তিনি রায়হানের স্ত্রী, মা ও চাচার সঙ্গে কথা বলেন। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘রায়হানের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত এসআই আকবর যেখানেই পালিয়ে যাক পুলিশ তাকে গ্রেফতার করবে। এই ঘটনার সঠিক বিচার হবে। সরকার কোনো অপরাধীকে ছাড় দিবে না।’

গত ১১ অক্টোবরের ওই ঘটনার পর থেকে এসআই আকবর পলাতক।

দুই বছর ধরে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম মার্কেটের এক চিকিৎসকের চেম্বারে সহকারীর কাজ করছিলেন রায়হান। তার প্রায় তিন মাস বয়সী একটি কন্যা রয়েছে।

পুলিশ বলছে, ১১ অক্টোবর ভোরে নগরের কাস্টঘর এলাকায় ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনির শিকার হয়ে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রায়হানের মৃত্যু হয়।

তবে পরিবারের অভিযোগ, বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনেই রায়হানের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া ফাঁড়ি থেকে ফোন দিয়ে তাদের কাছে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী একটি মামলা করেন। কাস্টঘর এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে গণপিটুনির প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মুনিম।

ওই দিনের ঘটনায় ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যদের কর্তব্যে অবহেলা ও অদক্ষতার প্রমাণ পাওয়ায় প্রাথমিকভাবে ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেনসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্তকৃত অপর তিন এএসআই তৌহিদ মিয়া, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাশ ও হারুনুর রশীদ। প্রত্যাহার হওয়া তিনজন হলেন এএসআই আশীক এলাহী, কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজীব হোসেন।

১৪ অক্টোবর থেকে রায়হানের মৃত্যুর মামলার তদন্ত শুরু করে পিবিআই। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রায়হানের মরদেহের পুনরায় ময়নাতদন্ত হয়।

শেয়ার করুন