20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
কুমিল্লায় কেন্দ্রের বাইরে হামলা, আহত ৪

কুমিল্লায় কেন্দ্রের বাইরে হামলা, আহত ৪

আনারস প্রতীকের এ প্রার্থীর কর্মী মো. সজিব অভিযোগ করেন, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কাকৈরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে তাদের ওপর হামলা করা হয়। এতে সুমন নামের একজন রক্তাক্ত হয়। এ ছাড়াও কয়েকজন আহত হন।

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) চেয়ারম্যান পদের উপনির্বাচনে একটি কেন্দ্রের বাইরে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলা হয়েছে। এতে কমপক্ষে চার জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

ওই চার জনের মধ্যে মো. মনির (৩৮) নামের এক জনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি এজেন্ট।

তার পিঠে কোপের দাগ রয়েছে। তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও বিএনপি প্রার্থীর দাবি, আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকরা এ হামলা চালিয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

বিদ্রোহী প্রার্থী মাহফুজুর রহমান সেলিমের দাবি, হামলায় তার ১০ কর্মী আহত হয়েছেন।

তিনি জানান, পেরপেটি এলাকায় তার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।

আনারস প্রতীকের এ প্রার্থীর কর্মী মো. সজিব অভিযোগ করেন, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কাকৈরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে তাদের ওপর হামলা করা হয়। এতে সুমন নামের একজন রক্তাক্ত হয়। এ ছাড়াও কয়েকজন আহত হন।

বিদ্রোহী প্রার্থী মাহফুজুর রহমান সেলিমের গাড়ি

তিনি বলেন, ‘আমাদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে নৌকার প্রার্থীর পক্ষের তাফাজ্জল তপু। তারা বলেছে, বাঁচতে চাইলে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যা।’

বিএনপির প্রার্থী পারভেজ হোসেন বলেন, ‘নৌকার লোকেরা নয়টি কেন্দ্রের মধ্যে নলুয়া, পেরপেটি, আদ্রা, নরীন্দ্রপুরসহ ছয়টি কেন্দ্র দখল করেছে। বহিরাগত লোক দিয়ে আমার কর্মী মনিরকে আহত করেছে। সে হাসপাতাল ভর্তি।

‘আমি ভোট বর্জন করলাম। এ নির্বাচন আবার হোক। আমি লিখিত অভিযোগ দাখিল করব।’

নৌকার প্রার্থী আবদুল করিম বলেন, ‘সব কেন্দ্রে ঠিকঠাক ভোট হচ্ছে। কোথাও কোনো সমস্যা এখনও শুনিনি। আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।’

কাকৈরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, স্কুলের সীমানার মধ্যে কোনো ঝামেলা হয়নি। নৌকা ছাড়া অন্য প্রতীকের এজেন্ট কেন্দ্রে আসেনি।

এ কেন্দ্রের পুলিশ কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাছের বলেন, ‘ভোট শুরুর আগে বাইরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার খবর শুনেছি। তবে ভিতরে কোনো সমস্যা হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছে।’

বরুড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে। আমার নিকট কোনো অভিযোগ আসেনি।’

এদিকে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নে দুই ওয়ার্ডের শূন্য পদে নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই প্রার্থীর এজেন্টকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ওই দুই জন হলেন আরিফ হোসেন (২৫) ও মেহেরুল (২৫)। তাদের বাড়ি গাংনীর জুগিন্দা গ্রামে।

শেয়ার করুন