ঢাকায় নিয়মিত চেকপোস্ট বসানোর নির্দেশ

ঢাকায় নিয়মিত চেকপোস্ট বসানোর নির্দেশ

সভায় ফ্লাইওভারগুলোতে ওঠা ও নামার জায়গায় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানোর নির্দেশও দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।

স্থায়ী চেকপোস্টের পাশাপাশি ঢাকায় আরো অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানোর নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

রোববার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত ডিএমপির মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা মহানগরীতে স্থায়ী যেসব চেকপোস্ট কাজ করছে তার পাশাপাশি পুরোদমে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসাতে হবে। যেকোনো ধরনের অপরাধ থামাতে হবে।’

সভায় ফ্লাইওভারগুলোতে ওঠা ও নামার জায়গায় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানোর নির্দেশও দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।

গাড়ি ও মোটরসাইকেল চুরি প্রতিরোধে প্রযুক্তির সাহায্য নেয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস) ও সাসপেক্ট আইডেন্টিফিকেশন অ্যান্ড ভেরিফিকেশন সিস্টেমের (এসআইভিএস) মত সফটওয়্যার হালনাগাদ করে চোর-ছিনতাইকারীদের তালিকা প্রস্তুত ও তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

‘গাড়ি ও মোটরসাইকেল ট্র্যাকিং সিস্টেমের আওতায় আসলে চুরি অনেকাংশে কমে যাবে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞানসম্মত তদন্ত করুন, এমন কোন অপেশাদার আচরণ করবেন না যাতে আপনার ব্যক্তিগত দায় চলে আসে।’

নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, থানার প্রতিটি বিটে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সচেতনতামূলক সমাবেশ করা যেতে পারে। সমাবেশে নারীদের সমস্যা সম্পর্কে জেনে করণীয় বিষয়ে তাদের সুপারিশ বিবেচনায় নিতে হবে।

নারী নির্যাতন ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধের নিয়ামক মাদক উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি মাদকসেবীদের চিহ্নিত করে তাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় ডিএমপি কমিশনার জিডি ও মামলা মনিটরিং বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। পুলিশের সেবার মানে ৯৫ ভাগের বেশি মানুষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বলেও জানান তিনি।

সভায় সেপ্টেম্বরের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনায় শ্রেষ্ঠ অপরাধ বিভাগ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে গুলশান বিভাগ, শ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা বিভাগ নির্বাচিত হয়েছে গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ ও শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক বিভাগ নির্বাচিত হয় ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ।

এছাড়াও ঢাকা মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন পদমর্যাদার ৮৭ জনকে পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।

এসময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপপুলিশ কমিশনার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য