20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
শমীর নামে মানহানি মামলা: প্রতিবেদন জমা পেছাল

শমীর নামে মানহানি মামলা: প্রতিবেদন জমা পেছাল

সাংবাদিকদের ‘চোর’ সম্বোধনের ঘটনায় করা এই মামলায় ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর বাদী পুলিশের দেয়া প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদন দেন। শুনানি শেষে আদালত মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেয়।

অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে করা শতকোটি টাকার মানহানি মামলায় পুনঃতদন্তের প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ পিছিয়েছে। আগামি ১৫ নভেম্বর প্রতিবেদন জমার তারিখ ধার্য্য করেছেন মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমান।

সাংবাদিকদের ‘চোর’ সম্বোধনের ঘটনায় করা এই মামলায় ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর বাদী পুলিশের দেয়া প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদন দেন। শুনানি শেষে আদালত মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেয়।

ওই বছরের ২৪ অক্টোবর মামলার সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান। প্রতিবদনে তিনি উল্লেখ করেন, শমী কায়সারের বক্তব্যে কোনো মানহানিকর ঘটনা ঘটেনি। এ ছাড়া বাদী তার পক্ষে কোনো সাক্ষী হাজির করতে ব্যর্থ হয়েছেন ।

২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকা মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে স্টুডেন্টস জার্নাল বিডির সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান মামলাটি দায়ের করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে শাহবাগ থানার ওসিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

২০১৯ সালের ২৪ এপ্রিল জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটনবিষয়ক সাইট ‘বিন্দু ৩৬৫’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে শমী কায়সারের দুটি মোবাইল ফোন সেট খোয়া যায়। ওই অনুষ্ঠানে অর্ধশত ক্যামেরাম্যান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা ছাড়াও শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অথচ শমী কায়সার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ আনেন। এমনকি নিরাপত্তাকর্মীদের দিয়ে সংবাদকর্মীদের শরীর তল্লাশিও করান। ঘটনাস্থল থেকে বের হতে গেলে অনেককেই শমী কায়সারের নিরাপত্তাকর্মীরা চোর বলে অভিহিত করেন। এতে সংবাদকর্মীরা অপমানিত বোধ করেন ও সংক্ষুব্ধ হন। তারা অনুষ্ঠানস্থলেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরে সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে কেক নিয়ে আসা আলোকসজ্জার এক কর্মী স্মার্টফোন দুটি নিয়ে গেছেন। সেই ভিডিওচিত্র দেখার পর অবশ্য সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন শমী কায়সার।

এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় ওঠে। এমন বক্তব্যের জন্য তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন শমী কায়সার। ওই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের একাধিক সংগঠন বিবৃতি দেয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য