20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
লেখা হয়নি বলে পেছাল রায়

ছবি: নিউজবাংলা

লেখা হয়নি বলে পেছাল রায়

‘২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী। পরদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের পাশ থেকে তার আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।’

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরীকে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দেয়ার মামলার রায়ের তারিখ পিছিয়েছে।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের রোববার এ রায় ঘোষণার কথা ছিল।

তবে রায় তৈরি হয়নি জানিয়ে ১৬ নভেম্বর রায়ের নতুন তারিখ দিয়েছেন বিচারক।

ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবু আবদুল্লাহ ভূঞা নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী। পরদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের পাশ থেকে তার আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কেন্দ্র করে তাকে হত্যা করা হয়।

মামলার আসামিরা হত্যার পর প্রমাণ গায়েব করতে আতিকের মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তার সঙ্গে থাকা কিছু কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

এ ঘটনায় সাইদুর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

মামলার পাঁচ আসামি এখনো পলাতক, বাকি তিনজন কারাগারে আছেন।

ট্রাইবুনালের পেশকার শামসুদ্দিন জুম্মন জানান, কারাগারে থাকা তিন আসামি হলেন একই এলাকার শম্পা আক্তার, মো. জাহাঙ্গীর ওরফে জাহাঙ্গীর খাঁ ও আহসানুল কবির ইমন।

পলাতক আসামিরা হলেন, রফিকুল ইসলাম আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন, শিহাব আহমেদ শিবু, তাজুল ইসলাম তানু, মো. আসিফ ও গুলজার হোসেন।

২০১৫ সালের ২ জুলাই আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে মামলার বিচার শুরু হয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য