20201002104319.jpg
সুগন্ধা পয়েন্টে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বাধা, সংঘর্ষ

কলাতলী সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে শুক্রবার বিকেলে অভিযান চালানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা

সুগন্ধা পয়েন্টে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বাধা, সংঘর্ষ

ব্যবসায়ীরা পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারীদের ওপর ইটপাটকেল ছুঁড়তে শুরু করেন। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

কক্সবাজারের কলাতলী সমুদ্রসৈকতে সুগন্ধা পয়েন্টে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ব্যবসায়ীরা বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার বিকালের এ উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্বে দেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব আবু জাফর রাশেদ, কক্সবাজার সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ শাহরিয়ার মোক্তার, সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনিরুল গীয়াস।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব বলেন, শনিবার বিকালে জেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদে যায়। বুলডোজার দিয়ে অবৈধ দোকানপাট গুঁড়িয়ে দেয়ার সময় ব্যবসায়ীরা পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারীদের ওপর ইটপাটকেল ছুঁড়তে শুরু করেন। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সাতটি ফাঁকা গুলি, রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়ে।

এ ঘটনায় আহত কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) পঙ্কজ বড়ুয়া, সদর থানার ওসি শেখ মুনিরুল গীয়াস, সাংবাদিক ইকবাল বাহার, রাসেল, সাঈদুল ইসলামসহ ১০ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে ও পূর্বঘোষণা ছাড়াই অভিযান চালানো হয়।

কক্সবাজারে সুগন্ধা পয়েন্টে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ। ছবি: নিউজবাংলা

 

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব নিউজবাংলাকে আরো জানান, সুগন্ধা পয়েন্টে ৫২টি আধাপাকা অবৈধ স্থাপনা ছিল। বৃহস্পতিবার উচ্ছেদে গেলে ব্যসায়ীরা সময় চান। তাদের শুক্রবার সকাল ১০টা পর্যন্ত সময় দেয়া হয়। এ সময়েও তারা স্থাপনা সরিয়ে নেননি।

সংঘর্ষ চলাকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান। তিনি উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। পরে ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) পঙ্কজ বড়ুয়া জানান, সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন