20201002104319.jpg
আ. লীগ প্রার্থী ভোট কীভাবে দিলেন, প্রশ্ন সালাহউদ্দিনের

ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা

আ. লীগ প্রার্থী ভোট কীভাবে দিলেন, প্রশ্ন সালাহউদ্দিনের

ভোট দিতে না পারার আক্ষেপ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দল থেকে ঢাকা-৪ আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল আমাকে। এ কারণে ঢাকা-৫ আসন থেকে ভোট পরিবর্তন করে ঢাকা-৪-এ নিয়ে যাই। এবার ঢাকা-৫ থেকে মনোনয়ন পাওয়ার পর ভোট স্থানান্তরে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সে সুযোগ দেয়নি।’

ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ। এই আসনের ভোটার না হওয়ায় তাকে ভোট দিতে দেননি নির্বাচনি কর্মকর্তারা। তবে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী মনিরুল ইসলাম মনু ভোট দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

সালাহউদ্দিন বলেন, তার মতো এ আসনের ভোটার নন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনুও। তাই তারও ভোট দেয়ার কথা নয়।

সালাহউদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) তার ভোট স্থানান্তরের আবেদন মঞ্জুর করেনি। এ কারণে ভোট দিতে পারেননি তিনি।

মতিঝিলের একাংশ, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা ও কদমতলীর একাংশ নিয়ে ঢাকা-৫ আসন। শনিবার সকাল ৯টা থেকে এই আসনে উপনির্বাচনের ভোট শুরু হয়েছে। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।

সকাল ৯টা ৫২ মিনিটে যাত্রবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন সালাহউদ্দিন।

ভোট দিতে না পারার আক্ষেপ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দল থেকে ঢাকা-৪ আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল আমাকে। এ কারণে ঢাকা-৫ আসন থেকে ভোট পরিবর্তন করে ঢাকা-৪-এ নিয়ে যাই। এবার ঢাকা-৫ থেকে মনোনয়ন পাওয়ার পর ভোট স্থানান্তরে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সে সুযোগ দেয়নি।’

এর আগে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী মনিরুল ইসলাম মনু একই কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তিনি ভোট দিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের কাছে জানান।

তবে মনুর ভোট দেয়া নিয়ে বিএনপির প্রার্থী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা কি কেউ তাকে ভোট দিতে দেখেছেন? তার এখানে ভোট দেয়ার বিষয়টি হাস্যকর। কারণ তিনিও আমার মতো ঢাকা-৪ আসনের ভোটার।’

বিএনপির প্রার্থী এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে অধিকাংশ কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগও করেন।

তিনি বলেন, তাদের সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৪টি ওয়ার্ডের ১৮৭ কেন্দ্রের প্রায় সবকটি থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনের সময়ও দলের কোনো এজেন্ট পাননি তিনি।

সালাউদ্দিন অভিযোগ করেন, ‘আওয়ামী সন্ত্রাসীরা পুরো এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দিচ্ছে। এরপরও কীভাবে ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে, তা নিয়ে শঙ্কিত আমি।’

নির্বাচনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করছেন না দাবি করে তিনি বলেন, ‘কেন্দ্র থেকে আমাদের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়ার বিষয়টি জানানো হলেও প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা কোনো ব্যবস্থা নেননি। তারা নীরব ভূমিকা পালন করছেন।’

তিনি বলেন, ‘সরকার প্রথম থেকেই যেকোনো নির্বাচনে কারচুপির চেষ্টায় লিপ্ত ছিল। এখনও তাই করছে। এই সরকার ও নির্বাচন কমিশন কারচুপি ছাড়া কিছু উপহার দিতে পারেনি।’

শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকার বিষয়ে সালাউদ্দিন বলেন, ‘অবশ্যই আমরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকব। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা কী করতে পারে দেখতে চাই।’

শেয়ার করুন