20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
মাদ্রাসায় ভর্তির কথা বলে আড়াই মাস ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

গ্রেফতার আসাদুজ্জামান

মাদ্রাসায় ভর্তির কথা বলে আড়াই মাস ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

র‍্যাব জানিয়েছে, পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় লেখাপড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল মেয়েটি। এ অবস্থায় তাকে কম খরচে লেখাপড়ার প্রস্তাব দেন আসাদুজ্জামান। প্রস্তাবে রাজি হন তার বাবা।

মাদ্রাসায় ভর্তির কথা বলে কিশোরীকে আড়াই মাস আটকে রেখে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও করার অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

র‍্যাব জানিয়েছে, ১৩ বছরের ওই কিশোরীর বাবার দেয়া অভিযোগের পর অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুরের সালনা থেকে আসাদুজ্জামান (৩৫) নামের মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী শ্রীপুরের একটি গোপন কক্ষ উদ্ধার করা হয় কিশোরীকে।

র‍্যাব-১, গাজীপুর ক্যাম্পের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় লেখাপড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল মেয়েটি। এ অবস্থায় তাকে কম খরচে লেখাপড়ার প্রস্তাব দেন আসাদুজ্জামান। প্রস্তাবে রাজি হন তার বাবা।

পরে মাদ্রাসায় ভর্তির কথা বলে কিশোরীকে জেলার শ্রীপুরে নিয়ে যান আসাদুজ্জামান। সেখানে ওই কিশোরীকে একটি কক্ষে আটকে রেখে যৌন নিপীড়ন শুরু করেন তিনি। এরপর হত্যার ভয় দেখিয়ে আড়াই মাস ধরে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও করেন আসাদুজ্জামান।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মেয়ের খবর জানতে আসাদুজ্জামানকে ফোন করলে তিনি বলতেন মেয়ে ভালোভাবে লেখাপড়া করছে। এভাবে আড়াই মাস যাওয়ার পর সন্দেহ হয় কিশোরীর বাবার। তিনি আসাদুজ্জামানের দেয়া তথ্যমতে শ্রীপুরের মাদ্রাসায় গিয়ে মেয়েকে পাননি।

পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তার মেয়েকে অন্য কোথাও আটকে রেখেছেন আসাদুজ্জামান। বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে মেয়েকে উদ্ধারে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তিনি। পরে র‍্যাবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে র‍্যাব সদস্যরা বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুরের সালনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করেন মাদ্রাসা শিক্ষক আসাদুজ্জামানকে। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী শ্রীপুরের একটি গোপন কক্ষ থেকে উদ্ধার করেন কিশোরীকে।

র‍্যাব-১ পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আটকের পর অভিযুক্ত জানায়, তিনি মাদ্রাসা শিক্ষক।'

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, মেয়েটিকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও ধারণের অভিযোগ এনে মাদ্রাসা শিক্ষক আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তার বাবা। মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য