20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
এটা সরকারের ষড়যন্ত্র: রাশেদ

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ খাঁন। ছবি: সাইফুল ইসলাম

এটা সরকারের ষড়যন্ত্র: রাশেদ

‘আমরা মনে করি, তাদের এই কর্মকাণ্ড আমাদের পথচলাকে ব্যাহত করতে সরকারের দমন-পীড়ন এবং চলমান ষড়যন্ত্রের একটি অংশ মাত্র।’

‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ এর ব্যানারে নতুন কমিটি ঘোষণার পেছনে সরকারের ষড়যন্ত্র দেখছেন অবাঞ্ছিত ঘোষিত রাশেদ খাঁন।

ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ খাঁন বলেছেন, সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক এ পি এম সুহেলকে আগেই তারা সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছেন। তাই পরিষদে কোনো ভাঙন ধরেনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সুহেল সংবাদ সম্মেলন করে ২২ সদস্যের নতুন কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। নুরুল হক নুর ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচার, অর্থ ব্যয়ে অস্বচ্ছতার অভিযোগ এনে তাকে ও রাশেদ খাঁনকে অবাঞ্ছিতও ঘোষণা করা হয়।

নুরদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে নতুন কমিটির ঘোষণা
নুরুল হক নুর ও রাশেদ খাঁনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের ব্যানারে নতুন কমিটি ঘোষণা করছেন নেতারা। ছবি: সাইফুল ইসলাম

সুহেলের ২২ সদস্যের কমিটির সবাই নুর-রাশেদের কমিটির নেতা।

কোটা সংস্কারের আন্দোলনের সময় সুহেল পরিচিত মুখ হয়ে উঠেন। সে সময় তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। দুই মাস কারাগারে থাকেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সংগঠনের মূল লক্ষ্য ও আদর্শ থেকে দূরে সরে গিয়ে ব্যক্তি স্বার্থে সংগঠনকে ব্যবহার করছেন নুর। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী ধর্ষণের ‘সত্য’ ঘটনাকে তারা রাজনৈতিক আখ্যা দিয়ে নিজেদের জাত চিনিয়েছেন। তাই তাদেরকে নিয়ে সংগঠন করা যায় না।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘বিদ্রোহীদের’ সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা পর গণমাধ্যমে একটি হাতে লেখা বিবৃতি দেন রাশেদ খাঁন।

রাশেদ বলেন, ‘আমরা মনে করি, তাদের এই কর্মকাণ্ড আমাদের পথচলাকে ব্যাহত করতে সরকারের দমন-পীড়ন এবং চলমান ষড়যন্ত্রের একটি অংশ মাত্র।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকায় বহিষ্কৃত এ পি এম সুহেল বিভিন্ন সংগঠনের কয়েকজনকে নিয়ে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের পূর্ববর্তী নাম ব্যবহার করে একটি কমিটি ঘোষণা করেছে।

‘সেখানে ঐক্যবদ্ধ ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ উল্ল্যাহ মধু, ঈসমাইল সম্রাট ও ৩৫ আন্দোলনের একাংশের মুজাম্মেল মিয়াজিসহ কয়েকজনের উপস্থিতি দেখা গেছে।

‘অতীতে আমাদের কিছু সার্বজনীন আন্দোলনে তাদের উপস্থিতি পরিলক্ষিত হলেও, তাদের কেউ আমাদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন।’

নতুন কমিটির ঘোষণা দেয়া সুহেল নিজেও তাকে বহিষ্কারের কথাটি সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন। বলেছেন, তারা সংগঠনে স্বেচ্ছাচার ও অর্থ ব্যয়ে অস্বচ্ছতার বিষয়টি সামনে নিয়ে আসায় নুরের সহযোগীরা তাকেসহ কয়েকজনকে বহিষ্কার করেছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য