স্বাধীনভাবে চলাফেরার অধিকারসহ ১২ দফা দাবি আদায়ে রাজধানীতে পদযাত্রা করেছেন নারীরা।
‘শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা!’ ব্যানারে মঙ্গলবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শাহবাগ থেকে শুরু হয় এ পদযাত্রা। সিটি কলেজ ও কলাবাগান হয়ে পদযাত্রা শেষ হয় মানিক মিয়া এভিনিউয়ে রাত দেড়টার দিকে। সেখানে ভোর ৪টা পর্যন্ত হয় সমাবেশ ও প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
ছবি: সংগৃহীত
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার ফারজানা শারমীন বলেছেন, নারী ও শিশুর সুরক্ষায় প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে নীতিনির্ধারক, সুশীল সমাজ ও সামাজিক সংগঠনকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কর্মক্ষেত্র: নারীর নিরাপদ শিক্ষা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে জাতীয় কাঠামো প্রণয়ন’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিশ্বব্যাংকের আমব্রেলা ফ্যাসিলিটি ফর জেন্ডার ইকুয়ালিটি, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের থিংকিং, ইনোভেশন অ্যান্ড জেন্ডার ল্যাবের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
ফারজানা শারমীন বলেন, ‘নারী ও শিশুর সুরক্ষায় কেবল শাস্তিমূলক ব্যবস্থাই যথেষ্ট নয়, প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে। আমরা সবসময় নির্যাতনের পরে আইনগত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যাপারে তৎপর হই। কিন্তু অপরাধের পেছনের মূল কারণগুলো অনুসন্ধান করি না এবং অপরাধ নিরসনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করি না। অপরাধীরা এই সুযোগ ব্যবহার করছে। আমাদেরকে এখন শেকড়ে হাত দিতে হবে। আইন ও নীতির কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় মনোযোগ দেওয়া।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ক্যাথরিন ব্রিন কামকং, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন এবং বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট সাবাহ মইন।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের থিংকিং, ইনোভেশন অ্যান্ড জেন্ডার ল্যাবের প্রধান ড. সায়েদ শায়েখ ইমতিয়াজ। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন ড. সোমা দে।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
ছবি: সংগৃহীত
২০২৭ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির জন্য শিল্প ও সংস্কৃতি পাঠ্যবইয়ে ৪টি অধ্যায়ে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা এবং নাট্যকলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামে এই বিষয়গুলো পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত হবে। বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সভায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও সাংস্কৃতিক শিক্ষার সম্প্রসারণ, নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন এবং দক্ষ শিক্ষক তৈরির লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণের ফলে ভবিষ্যতে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এতে সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং এসব বিষয়ে একটি টেকসই ক্যারিয়ার পাথওয়ে গড়ে উঠবে। আগামী ৫ বছরে এ খাতে প্রায় ৫০-৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতা কামনা করে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘আমরা চাই আপনাদের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পায়। সে লক্ষ্যে কীভাবে তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষকতা-সম্পর্কিত প্রস্তুতি যুক্ত করা যায় এবং কীভাবে যৌথভাবে দক্ষ শিক্ষক তৈরি করা যায়—সেসব বিষয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই সংগীত, নাট্যকলা ও নৃত্যকলাকে শুধু সহশিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে নয়; বরং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে। এ জন্য কারিকুলাম উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক তৈরির বিষয়ে এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।’
সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, দেশের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
ছবি: সংগৃহীত
জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মহাপরিচালক মি. গিলবার্ট হুংবোর সঙ্গে বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বুধবার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৈঠকে মন্ত্রী শোভন কাজ, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইএলওর নেতৃত্ব ও অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য আইএলওর বৈশ্বিক জোট গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আইএলওর সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
বৈঠকে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৩৯টি আইএলও কনভেনশন অনুসমর্থন করেছে এবং এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে সকল মৌলিক আইএলও কনভেনশন অনুসমর্থনের স্বীকৃতি অর্জন করেছে। তিনি শ্রম খাত সংস্কার ও জাতীয় ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ গঠনের অগ্রগতি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে আইএলওতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার ইতিবাচক নিষ্পত্তির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আইএলও মহাপরিচালককে বাংলাদেশ সফর করে বাংলাদেশের চলমান শ্রম খাত সংস্কার কার্যক্রম এবং শ্রমিক কল্যাণে গৃহীত উদ্যোগগুলো সরেজমিনে পরিদর্শনের আহ্বান জানান।
আইএলও মহাপরিচালক বাংলাদেশের শ্রম খাতে চলমান সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে আইএলওর দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সম্ভাব্য সফরের বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সমন্বয় অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উদযাপিত হয়েছে। সরকারি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ২৯ মে পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি থাকায় শুধু এ বছরের জন্য বুধবার (১০ জুন) দিবসটি উদযাপিত হয়েছে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী বিশ্বের সব দেশের শান্তিরক্ষীদের অসামান্য অবদানকে এই দিনে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বুধবার এ কথা বলা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশের মহাপরিদর্শক, জাতিসংঘের মহাসচিব এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী পৃথক পৃথক বাণী প্রদান করেছেন, যা ক্রোড়পত্র আকারে দেশের বিভিন্ন দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে।
এ বছর আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে প্রতিপাদ্য হলো Invest in Peace। আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার সকালে সেনাকুঞ্জ, ঢাকা সেনানিবাসের শাহাদাতবরণকারী শান্তিরক্ষীদের পরিবার এবং আহত শান্তিরক্ষীদের বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সেনাকুঞ্জে পবিত্র কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরুর পর শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দায়িত্বপালনকালীন শাহাদাতবরণকারীদের জন্য দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ওপর বিশেষ উপস্থাপনার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ‘ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেঝনিয়াক’ জ্যেষ্ঠতম শান্তিরক্ষী হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বক্তব্য প্রদান করেন। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
সবশেষে, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের সব শান্তিরক্ষীদের প্রতি শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘সংঘাত, সহিংসতা এবং মানবিক সংকটে আক্রান্ত অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে শান্তিরক্ষীরা অসীম সাহস, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। পরিবার-পরিজন থেকে বহুদূরে অবস্থান করে শত প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা ও কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে তাদের এই মানবিক দায়িত্ব পালন করতে হয়।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব সাহসী শান্তিরক্ষী জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ একই সঙ্গে তিনি শাহাদাতবরণকারী শান্তিরক্ষীদের পরিবার ও আহত শান্তিরক্ষী সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শাহাদাতবরণকারী বীর সদস্যদের পরিবার ও আহত শান্তিরক্ষীদের হাতে বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কর্তব্য পালনকালে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর বাংলাদেশের ছয়জন বীর শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘দাগ হ্যামারশোল্ড’ পদকে ভূষিত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে, প্রধানমন্ত্রী ভিডিও টেলিকনফারেন্স (ভিটিসি)-এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যর মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি কূটনৈতিক, তিন বাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশের মহাপরিদর্শক (রুটিন দায়িত্ব), বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরার লক্ষ্যে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে বিশেষ টকশো প্রচারিত হয়েছে। এ ছাড়া International Day of United Nations Peacekeepers Journal-এর ১২তম সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
ছবি: সংগৃহীত
দেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে একজন পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকটির কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
আজ (বুধবার) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ধারা ৪৯(১)(ঘ)(আ) অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. আশ্রাফুল আলমকে ইসলামী ব্যাংকের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মো. আশ্রাফুল আলম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে অংশ নেবেন। পাশাপাশি ব্যাংকের কার্যক্রম সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য, মতামত ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগের এ উদ্যোগ ব্যাংকটির কার্যক্রমে আস্থা ও শৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ব্যাংকটির বিভিন্ন শাখায় অস্থিরতা দেখা দেয়। নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের পর আমানতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অনেক গ্রাহক। এ সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আমানতও তুলে নেওয়া হয়। এতে ব্যাংকটির তারল্য পরিস্থিতি ও স্বাভাবিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা শুরু হয় ব্যাংক খাতে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরাও এ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, দেশের সবচেয়ে বড় শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের যেকোনো অস্থিরতা পুরো ব্যাংক খাতেই প্রভাব ফেলতে পারে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। তারই ধারাবাহিকতায় ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত এলো।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
ছবি: সংগৃহীত
উদ্ভাবনী সৌরশক্তিচালিত ভাসমান বিদ্যালয় উদ্যোগের মাধ্যমে চলনবিল অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্গম জনগোষ্ঠীর কাছে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার অনন্য স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের বেসরকারি সংস্থা ‘সিধুলাই স্বনির্ভর সংস্থা’। আন্তর্জাতিক এই অবদানের জন্য সংস্থাটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ইউনেস্কো কনফুসিয়াস সাক্ষরতা পুরস্কার ২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে। ইউনেস্কো ঢাকা আয়োজিত এক বিশেষ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই গৌরবময় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তুলে ধরেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ব্যুরো অব নন-ফরমাল এডুকেশনের (বিএনএফই) মহাপরিচালক দেবব্রত চক্রবর্তী এবং ক্যাম্পেইন ফর পপুলার এডুকেশনের (ক্যাম্পে) নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান ড. সুসান ভাইজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা পুরস্কারের বিভিন্ন দিক এবং বর্তমান যুগের প্রযুক্তিনির্ভর সাক্ষরতা নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা করে দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই স্থানীয় উদ্ভাবনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ও বিচ্ছিন্ন এলাকায় শিক্ষা নিশ্চিত করতে স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উদ্যোগগুলো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের কার্যক্রম শুধু শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তিই বাড়ায় না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও সক্ষম ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে সহায়তা করে। সরকারও এমন কার্যকর উদ্যোগগুলোকে উৎসাহিত ও সম্প্রসারণে কাজ করছে। অনুষ্ঠানে ড. সুসান ভাইজ সাক্ষরতার রূপান্তরমূলক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, সাক্ষরতা কেবল পড়তে ও লিখতে শেখার বিষয় নয়; এটি মানুষকে তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের সক্ষমতা দেয়। দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আজীবন শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে এমন উদ্ভাবনী প্রকল্পের ভূমিকা দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। উল্লেখ্য, এই পুরস্কারে সিধুলাইয়ের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ডের ন্যাশনাল অ্যাডাল্ট লিটারেসি এজেন্সি এবং মরক্কোর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও ভূষিত হয়েছে।
সিধুলাই স্বনির্ভর সংস্থার এই ভাসমান বিদ্যালয় প্রকল্পটি মূলত দেশের বৃহত্তম জলাভূমি অঞ্চল চলনবিলের জলপথে পরিচালিত একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত শিক্ষা ব্যবস্থা। যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং বিশেষ করে বর্ষাকালে নদী-খাল উপচে পড়ার কারণে যখন স্থানীয় শিশুদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, তখন শ্রেণিকক্ষের সব সুবিধাসম্পন্ন এই নৌকাগুলোই শিক্ষার নতুন সুযোগ তৈরি করে দেয়। স্থানীয় নৌকা নির্মাণশৈলী ও আধুনিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সমন্বয়ে গঠিত এই বহরে বর্তমানে সিধুলাই ৫৬টি নৌকা পরিচালনা করছে। এর মধ্যে ২৬টি ভাসমান শ্রেণিকক্ষ, ১০টি ভাসমান গ্রন্থাগার ও কম্পিউটার ল্যাব এবং ৮টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। বাকি নৌকাগুলো স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, খেলাধুলা এবং যাতায়াত নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এই ঐতিহাসিক অর্জন সম্পর্কে সিধুলাই স্বনির্ভর সংস্থার নির্বাহী পরিচালক স্থপতি মোহাম্মদ রেজোয়ান বলেন, স্থানীয় মানুষের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং অংশগ্রহণকে ভিত্তি করেই এই টেকসই সমাধান গড়ে উঠেছে। তাদের বিশ্বাস, যে সমস্যার মুখোমুখি একটি সম্প্রদায় প্রতিদিন হয়, সেই সমস্যার সবচেয়ে কার্যকর সমাধানের ধারণাও সেই সম্প্রদায়ের মানুষের ভেতর থেকেই আসে। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কাজ করা অসংখ্য মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টারই ফসল এবং এটি ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা জোগাবে। ১৯৬৭ সাল থেকে ইউনেস্কো এই আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা পুরস্কার দিয়ে আসছে, যার মধ্যে চীন সরকারের আর্থিক সহায়তায় প্রবর্তিত এই কনফুসিয়াস পুরস্কারের অর্থমূল্য ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। প্রতি বছর বিশ্বের তিনটি প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। এর আগে বাংলাদেশ থেকে ২০১৩ সালে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন এবং ২০২৩ সালে ফ্রেন্ডশিপ এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেছিল।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি চাঙা করতে নজিরবিহীন কিছু পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, প্রবাসী বাংলাদেশি বা বিদেশি নাগরিকরা দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসলে তাদের মোট বিনিয়োগের ১ দশমিক ৫ শতাংশ ইনসেনটিভ বা কমিশন প্রদান করা হবে। একই সাথে প্রকৃত ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ৯ শতাংশ সুদে ৬ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।
সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা শুধু বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে চাইছি তা নয়, দেশিয় বিনিয়োগকারীদেরও উৎসাহিত করতে চাইছি। এ জন্য আমরা ডিরেগুলেশন (নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ) পদ্ধতির মাধ্যমে কাজ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি।” ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, “সুদের হার কমালে যদি দেখা যায় যে এটি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে এবং দেশের অর্থনীতি লাভবান হবে, তবে সরকার নিশ্চয়ই সেটি গ্রহণ করবে।” তবে বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে এবং এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
পূর্ববর্তী শাসনের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বেগম সাবিকুন্ নাহারের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেন, “স্বৈরাচারের সময় এই দেশে কী হয়েছে তা সবাই জানেন। অর্থনীতি এমন একটি বিষয়, যার ফল একদিনে পাওয়া যায় না। খারাপ পলিসির প্রভাব যেমন ধীরে ধীরে আমাদের কাঁধে এসে পড়েছে, ঠিক একইভাবে বর্তমান সরকারের নেওয়া ইতিবাচক পদক্ষেপগুলোর সুফল পেতেও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।” তিনি জানান, বর্তমান সরকার ভঙ্গুর অর্থনীতি সংস্কারে ধাপে ধাপে এগোচ্ছে যার সুফল পেতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।
বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করতে গৃহীত আর্থিক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে ৬ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করেছে।” এই তহবিল থেকে গ্রহণযোগ্যতা থাকা সমস্যাগ্রস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হবে। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জটিলতা আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি। বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন কৌশল সম্পর্কে তিনি আরও জানান, “সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, বিদেশ থেকে কোনও বাংলাদেশি বা বিদেশি নাগরিক যদি দেশে ইনভেস্টমেন্ট (বিনিয়োগ) নিয়ে আসতে পারেন, তবে আমরা তাদের নিয়ে আসা মোট বিনিয়োগের ১.৫ শতাংশ ইনসেনটিভ বা কমিশন হিসেবে দেব।” এর ফলে প্রবাসী ও যোগ্য প্রতিনিধিরা দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আনতে আরও উৎসাহিতহবেনবলেতিনিআশাপ্রকাশকরেন।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
মন্তব্য