স্বাধীনভাবে চলাফেরার অধিকারসহ ১২ দফা দাবি আদায়ে রাজধানীতে পদযাত্রা করেছেন নারীরা।
‘শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা!’ ব্যানারে মঙ্গলবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শাহবাগ থেকে শুরু হয় এ পদযাত্রা। সিটি কলেজ ও কলাবাগান হয়ে পদযাত্রা শেষ হয় মানিক মিয়া এভিনিউয়ে রাত দেড়টার দিকে। সেখানে ভোর ৪টা পর্যন্ত হয় সমাবেশ ও প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
ফাইল ছবি
ক্যাশলেস বা নগদবিহীন লেনদেন আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে আগামী ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হচ্ছে ‘বাংলা কিউআর’। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, একক এই কিউআর ব্যবস্থার মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়বে, কমবে নগদ টাকার ব্যবহার ও প্রতারণার ঝুঁকি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এই নিয়মের ফলে ছোট থেকে বড় সব ধরনের ক্যাশলেস লেনদেন সহজ হবে।
এখন থেকে একজন বিক্রেতার দোকানে নগদ, বিকাশ, রকেট বা বিভিন্ন ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কিউআর কোড ঝুলিয়ে রাখতে হবে না। একটিমাত্র সর্বজনীন ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার করেই যেকোনো গ্রাহক সহজে তার পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার বলেন, ‘ক্যাশলেস লেনদেনকে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করছে। ডিজিটাল এই পদ্ধতিতে লেনদেন বাড়লে টাকা ছাপানোর খরচ যেমন কমবে, তেমনি আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।’
আরেক ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান জানান, ফুটপাত থেকে শুরু করে বড় বড় শপিংমল- সবখানেই নগদ টাকার লেনদেনের ঝুঁকি কমাবে এই বাংলা কিউআর। এর মাধ্যমে দেশের রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তবে ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ডিজিটাল লেনদেনে মোট প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে ৮১ হাজার ৪২৩টি। এসব জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় ১০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র। বাধ্যতামূলকভাবে সর্বজনীন বাংলা কিউআর চালু হলে এই ধরনের প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। শনিবার রাজধানীর মগবাজারে সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান তারা।
সংগঠনের নেতারা বলেন, রাজস্ব আদায় বাড়াতে মুদি দোকান, প্রসাধন সামগ্রীর দোকানসহ ১৬টি খুচরা ও সেবামূলক খাতকে সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে এবারের বাজেটে। কিন্তু অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কীভাবে ভোক্তার কাছ থেকে ভ্যাট আদায় করবেন তা স্পষ্ট নয়। তারা বলেন, রাজস্বের বেশিরভাগই আসে বড় প্রতিষ্ঠান থেকে। ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ অনেক বেশি এসব প্রতিষ্ঠানেই। তাই খুচরা পর্যায়ে হয়রানি বন্ধ করার আহ্বান জানান তারা।
ব্যবসায়ী নেতাদের উপস্থাপিত তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে ৮ লাখ ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে লার্জ ট্যাক্সপেয়ার্স ইউনিটের (এলটিইউ) মাত্র ১০৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে আসে মোট ভ্যাটের ৬০ শতাংশ। বৃহৎ ৫০০টি প্রতিষ্ঠান দেয় মোট ভ্যাটের ৯৮ শতাংশ, আর বাকি লাখ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীর অবদান মাত্র ২ শতাংশ। ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, এ বাস্তবতায় রাজস্ব প্রশাসনের প্রধান মনোযোগ হওয়া উচিত বড় করদাতাদের ওপর।
দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, দেশে প্রকৃত ভ্যাটদাতার সংখ্যা বাড়াতে খুচরা পর্যায়ে হয়রানি বন্ধ করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত অটোমেশন (স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি) চালু করা হোক। একই সঙ্গে এনবিআরকে খুচরা ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে বড় খাতগুলো থেকে এবং উৎস পর্যায়ে ভ্যাট আদায়ের দাবি জানান হেলাল উদ্দিন।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে ভাঙা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেন সড়ক নির্মাণে বিশেষ অর্থ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের সাধারণ মানুষ। শনিবার সকালে রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘ লাইনের এক মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।
এ সময় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত, নদীভাঙন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং কুয়াকাটায় বিমানবন্দর করার দাবিও আসে। মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
আলাল বলেন, ‘জনগণের কাছে তাদের জবাবদিহি করতে হয়। মানুষ বড় প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দিয়েছে। অতীতে বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি করপোরেশন ও বিভাগ প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলো স্মরণ রেখেই তারা আশা করছে, বিএনপির নেতৃত্বে গঠিত সরকার বরিশালের প্রতি ন্যায্য দৃষ্টি দেবে।
দেশের সব অঞ্চলের উন্নয়ন হোক, সেটিই তারা চান বলে জানান তিনি। বরিশালের ন্যায্য দাবি ও প্রাপ্যকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া গ্রহণযোগ্য নয়, মনে করেন আলাল।
তারা সরকারের অংশ না হলেও সংসদে বরিশালের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে জানিয়ে আলাল বলেন, ‘স্পিকার, চিফ হুইপ, বরিশালের কয়েকজন মন্ত্রী এবং বিএনপি ও অন্যান্য দলের সংসদ সদস্যরা রয়েছেন। তাই বরিশালের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংসদে জোরালোভাবে উত্থাপন করা উচিত।’
তার দাবি, ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেন সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব অবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য বাজেটে অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে। একই সঙ্গে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, সহকারী, নার্স ও অন্যান্য জনবল নিয়োগ দিতে হবে।
আলাল বলেন, ‘শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নের স্বার্থে বরিশাল মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা উচিত।’ একই সঙ্গে নদীভাঙনকবলিত এলাকাগুলোতে মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘পায়রা বন্দরকে কেন্দ্র করে সেখানে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাই ওই এলাকাকে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) হিসেবে ঘোষণা দিতে হবে।’
কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের ভাঙনের প্রসঙ্গ তুলে আলাল বলেন, ‘সৈকতের অনেক অংশ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের ঐতিহ্যও নষ্ট হচ্ছে।’ এ বিষয়ে সরকারের জোরালো পদক্ষেপ এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জাতীয় সংসদে বিষয়টি জোরদারভাবে উত্থাপনের আহ্বান জানান তিনি।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় নতুন করে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ার পাশাপাশি দেশটিতে বর্তমানে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধতা দেওয়ার ব্যাপারে দেশটির সরকার ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সদ্য সমাপ্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে শনিবার (২৭ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কূটনৈতিক সাফল্যের তথ্য নিশ্চিত করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ পুনরায় শুরু করার পাশাপাশি সেখানে নানা জটিলতায় অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশিদের বৈধতা দেওয়ার বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক ও সুনির্দিষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন। এর পাশাপাশি মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই ও স্থায়ী সমাধানে ঢাকাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মালয়েশিয়া। একই সাথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রভাবশালী আঞ্চলিক জোট আসিয়ানে (ASEAN) বাংলাদেশের সদস্যপদ বা ডায়ালগ পার্টনারশিপ অর্জনের চলমান প্রচেষ্টায় কুয়ালালামপুর দৃঢ় সমর্থন জানাবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে।
দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী খলিলুর রহমান সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন এক নতুন ঐতিহাসিক উচ্চতায় পৌঁছেছে।
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আন্তরিক পরিবেশের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শেয়ার করা ঐতিহ্যবাহী ‘মহাজাদু’ গানটিও এখন দুই দেশের মধ্যকার গভীর ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের একটি অনন্য প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের নানাবিধ সুদূরপ্রসারী অর্জনের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের উত্তর বর্গের অর্থনৈতিক লাইফলাইন খ্যাত ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বা তিস্তা প্রকল্প’ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে চীন। এই লক্ষ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বা ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এগিয়ে নিতে দুই দেশই যৌথভাবে একমত প্রকাশ করেছে।
সংবাদ সম্মেলনের শেষভাগে সামগ্রিক মূল্যায়ন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জোরালোভাবে বলেন, এবারের উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্রীয় সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও অনেক বেশি গভীর, মজবুত ও বন্ধুত্বপূর্ণ পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
ফাইল ছবি
বাংলাদেশিসহ বিদেশি নাগরিকদের উদ্দেশে এক জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ করদাতাদের অর্থে পরিচালিত বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধার অনৈতিক সুবিধা বা অপব্যবহার করলে ভিসা বাতিলসহ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি দর্শনার্থী বা পর্যটক যদি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে সেখানকার করদাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো জনকল্যাণমূলক সুবিধার অপব্যবহার করেন কিংবা সেগুলোর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তবে তাদের কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
দূতাবাস স্পষ্ট জানিয়েছে, অনভিবাসী বা অস্থায়ী ভিসাধারীরা এই ধরনের অনিয়মে জড়ালে তাদের বর্তমান ভিসা সরাসরি বাতিল করা হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তাদের জন্য মার্কিন ভিসা পাওয়ার পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ বা অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সময় যেকোনো বিদেশি নাগরিককে নিজের যাবতীয় থাকা-খাওয়ার খরচ সম্পূর্ণ নিজেকেই বহন করতে হবে এবং এর জন্য যথাযথ পূর্বপ্রস্তুতি থাকতে হবে। অন্যের বা সরকারি তহবিলের ওপর নির্ভর করে ভ্রমণের চেষ্টা করা হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
ফাইল ছবি
বিশ্ববাজারে সার ও জ্বালানির দাম এবং সরবরাহে অস্থিরতা মোকাবিলা, খাদ্যনিরাপত্তা টেকসই রাখা এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশে দুটি প্রকল্পে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। গত শুক্রবার (২৬ জুন) বিশ্বব্যাংকের ওয়াবসাইটে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে খাদ্য, সার ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং রাজস্ব ব্যয়ের সীমাবদ্ধতা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে। এতে ক্ষুদ্র কৃষক এবং দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে এগিয়ে এসেছে বিশ্বব্যাংক। ধান উৎপাদনের জন্য সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, পরিবার, কর্মসংস্থান ও জীবিকা সুরক্ষা এবং জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
৩০০ মিলিয়ন ডলারের ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অর্থায়ন দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ২০২৬ সালের জুলাই-অক্টোবর আমন মৌসুম এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানিতে সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। দেশে মোট সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশিই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।
এই প্রকল্পের আওতায় ৬ লাখ মেট্রিক টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানিতে অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক, যার অর্ধেকই ইউরিয়া সার। এতে ক্ষুদ্র কৃষকদের চাষ করা ১৪ লাখ হেক্টর জমির ধান উৎপাদন সহায়তা পাবে।
বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার সোলেমান কুলিবালি বলেন, বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা আমন ও বোরো ধান মৌসুমের ওপর নির্ভরশীল। এই দুই মৌসুম মিলিয়ে দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে। এ ছাড়া দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী কৃষি খাতে কর্মরত। তাই সার সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটলে তা শুধু খাদ্যনিরাপত্তাকেই ঝুঁকিতে ফেলবে না, দারিদ্র্য বাড়াবে এবং কর্মসংস্থানেও প্রভাব ফেলবে।
এছাড়া, ৭১৩ মিলিয়ন ডলারের ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স’ প্রকল্পের আওতায় দ্রুত ছাড়যোগ্য জরুরি ব্যয়ের ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য নগদ সহায়তা ও জীবিকা সহায়তা। সংকটকালে আয় স্থিতিশীল রাখা এবং কর্মসংস্থান সুরক্ষায় এ সহায়তা ভূমিকা রাখবে।
প্রকল্পের আওতায় জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহেও অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। এর মধ্যে খাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম, জ্বালানি এবং পানির মতো অপরিহার্য সেবা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রকল্পের অর্থ ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে ছাড় করা হবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞতিতে।
বিশ্বব্যাংকের লিড ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার লেসলি জেন ইউ করদেরো বলেন, বিশ্বব্যাংকের সংকট প্রস্তুতি ও সাড়া দেওয়ার টুলকিট বা ব্যবস্থার মাধ্যমে এ প্রকল্প বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিকভাবে তহবিল পাওয়ার সুযোগ দেবে। বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাস করে যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে সম্পদ বরাদ্দ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে আকস্মিক ধাক্কার প্রভাব থেকে মানুষ, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানগুলোকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়া ও চীন সরকারের রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে নিজের প্রথম বিদেশ সফর অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে সমাপ্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। স্বদেশে ফিরেই পরদিনই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত সম্পন্ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান।
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ জিয়া উদ্যানে শায়িত পিতা-মাতার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সেখানে পবিত্র ফাতেহা পাঠ করেন এবং মোনাজাতের মাধ্যমে মরহুমদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। ওই সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, একান্ত সচিব-২ মো. মেহেদুল ইসলাম, সহকারী একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানীসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এর আগে শুক্রবার (২৬ জুন) রাত ৮টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরকারী দলকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে অবতরণের পর প্রধানমন্ত্রীকে পুষ্পস্তবকে বরণ করে নেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
উল্লেখ্য যে, জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনে যোগদানের প্রাক্কালে পূর্বনির্ধারিত সূচির বাইরে গিয়েই শেরেবাংলা নগরের মাজার কমপ্লেক্সে পিতা-মাতার সমাধি জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মানিক মিয়া এভিনিউ ছেড়ে চলে গেছেন 'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা'য় অংশগ্রহণকারীরা।
সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে পদযাত্রাকারীরা; মানিক মিয়া এভিনিউতে যানবাহন চলাচল শুরু।
১২ দফা দাবি তুলে ধরছেন পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ।
'শেকল ভাঙ্গার পদযাত্রা' মানিক মিয়া এভিনিউয়ে। পদযাত্রাকারীরা অবস্থান নিয়েছেন সংসদ ভবনের সামনের সড়কে।
ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় পানি পানের বিরতি শেষে ফের যাত্রা শুরু করেছেন পদযাত্রাকারীরা।
পদযাত্রাকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে-
১. সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ-যৌন সহিংসতার সাথে যুক্তদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক ও ন্যায্য শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনে ও সামাজিকভাবে ধর্ষণের সংজ্ঞায়ন সংস্কার করতে হবে।
৩. পাহাড় ও সমতলের সকল নারীদের ওপর সকল প্রকার যৌন এবং সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
৪. জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বয়স-লৈঙ্গিক পরিচয় নির্বিশেষে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে যেকোনোভাবেই 'ভিক্টিম ব্লেমিং' (দোষারোপ করা/নিন্দা জানানো) বন্ধ করতে হবে। গ্রামীণ সালিশ/পঞ্চায়েতের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৫. প্রাথমিক লেভেল থেকেই পাঠ্যপুস্তকে যৌন শিক্ষা (গুড টাচ ব্যাড টাচের শিক্ষা, সম্মতি বা কন্সেন্ট এর গুরুত্ব, প্রাইভেট পার্টস সম্পর্কে অবহিত করা) যোগ করতে হবে।
নাঈমা নাজমুল খান নামের এক তরুণী বলেন, 'একটাই দাবি ধর্ষকদের শাস্তি চাই। ধর্ষকমুক্ত রাষ্ট্র চাই।'
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ধর্ষণ রুখতে নারী-পুরুষ সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।
পদযাত্রায় সংহতি জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরাও আসছেন।
৬০-৭০ জন ছেলে পদযাত্রায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। আয়োজকরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন একাত্মতা প্রকাশের জন্য। পদযাত্রায় শুধু মেয়েরাই আছেন।
কলাবাগান এলাকা অতিক্রম করছেন তারা। তাদের সামনে ও পেছনে পুলিশের গাড়ি আছে।
এ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
পদযাত্রায় তিন শতাধিক নারী অংশ নিয়েছেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা সাইন্সল্যাব মোড় হয়ে মিরপুর রোডে প্রবেশ করেছেন।
মন্তব্য