20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
পূর্বাচলে ‘বঙ্গবন্ধু স্কয়ার’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু স্কয়ার’ এর নকশা প্রদর্শন করা হয়।

পূর্বাচলে ‘বঙ্গবন্ধু স্কয়ার’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকায় ‘বঙ্গবন্ধু স্কয়ার’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। সোমবার সকালে ভিত্তিপ্রস্তরটি স্থাপন করেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ভঙ্গি সংবলিত ৭১ ফুট উচ্চতার একটা ভাস্কর্যকে কেন্দ্র করে ২ একরের বেশি জমিতে নির্মিত হচ্ছে এ স্থাপনা।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকায় ‘বঙ্গবন্ধু স্কয়ার’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

সোমবার সকালে ভিত্তিপ্রস্তরটি স্থাপন করেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ভঙ্গি সংবলিত ৭১ ফুট উচ্চতার একটা ভাস্কর্যকে কেন্দ্র করে ২ একরের বেশি জমিতে নির্মিত হচ্ছে এ স্থাপনা। প্রকল্পে খরচ ধরা হয়েছে ৫৫ কোটি ১ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি বঙ্গবন্ধু স্কয়ার স্থাপনের এই পরিকল্পনা হাতে নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মূল দায়িত্ব দেয়া হয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ওপর। পরে মন্ত্রণালয় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) এর নির্মাণ কাজের দায়িত্ব দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এর মূল নকশা প্রণয়ন করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে তার শূন্যে উত্থিত তর্জনি ব্রোঞ্জ নির্মিত ভাস্কর্যে শোভা পাবে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে ভাস্কর্যটির উচ্চতা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১ ফুট।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ বলেন, তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনন্য ভূমিকা তুলে ধরতে স্থাপনাটি বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র ও বাঙালির অধিকার আদায়ের আন্দোলনে তাঁর অনন্য ভূমিকা জাতি কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ রাখবে। পূর্বাচল নতুন শহর এলাকার শিশু-কিশোরসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও কর্মকে উপস্থাপনের মূর্ত প্রতীক হিসেবে কাজ করবে এই বঙ্গবন্ধু স্কয়ার।

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে সরকার। তাদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করেই পূর্বাচলের সকল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সাঈদ নূর আলম ও স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আ স ম আমিনুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন