20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
বুধবার থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ

প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ

এ বছর বিশ্বের মোট ইলিশের ৮০ শতাংশের বেশি বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়েছে। এ উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী ১৪ অক্টোবর (বুধবার) থেকে ০৪ নভেম্বর পর্যন্ত মা ইলিশ ধরা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ বছর বিশ্বের মোট ইলিশের ৮০ শতাংশের বেশি বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়েছে। সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার কারণে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে এত ইলিশ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে বলে জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

এ উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী ১৪ অক্টোবর (বুধবার) থেকে ০৪ নভেম্বর পর্যন্ত মা ইলিশ ধরা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২০ বাস্তবায়ন উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম উল্লেখ করেন, ৩৬ জেলার ১৫২ উপজেলায় আমাদের কর্মসূচি থাকবে। যারা ইলিশ আহরণ বা বিক্রয় করতে পারবেন না তাদের আমরা পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা দিচ্ছি; যাতে মৎস্যজীবী, মৎস্য আহরণকারী বা এ প্রক্রিয়ায় জড়িত একজন মানুষও খাবারের সংকটে না থাকে।

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালে কোনো ভাবেই দেশের জলসীমায় ইলিশ আহরণের অবৈধ চেষ্টা সফল হতে দেয়া হবে না। এসময় ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রে কোনো ভাবেই মা ইলিশ আহরণ করতে দেয়া হবে না। নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের টহলের পাশাপাশি অত্যাধুনিক উপায়ে মনিটর (তদারকি) করা হবে যেন কোনো নৌকা বা জাহাজ ইলিশ ধরতে না পারে। ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বরফকল খুলতে দেয়া হবে না।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ইলিশের আকার ও স্বাদ অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক ভালো। ইলিশ একটা সময় দুষ্প্রাপ্য হয়ে যাচ্ছিল। সেই ইলিশ এখন সাধারণ মানুষের নাগালে পৌঁছে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে পর্যাপ্ত ইলিশ উৎপাদন হওয়ার পর আমরা বাণিজ্যিকভাবে রফতানির চিন্তা করব। এই মুহূর্তে বাণিজ্যিকভাবে ইলিশ রফতানির কথা আমরা ভাবছি না। আশা করি, অদূর ভবিষ্যতে আমাদের ইলিশের উৎপাদন ও সফলতা এমন জায়গায় পৌঁছে যাবে যেদিন ইলিশ রফতানি করে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে আমরা সক্ষম হব।’

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক, সুবোল বোস মনি ও শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন