20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে তিন দিন শিকলে বেঁধে নির্যাতন

মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে তিন দিন শিকলে বেঁধে নির্যাতন

তার বাবা-মা জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের সময় মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে খালার বাড়িতে যায় মোবারক। সেখান থেকে বুঝিয়ে গত বুধবার তাকে মাদ্রাসায় ফেরত পাঠানো হয়। সেখানে মোবারককে লোহার শিকল দিয়ে তিন দিন বেঁধে রেখে নির্মমভাবে পেটানো হয়।

পাবনার ঈশ্বরদীতে মোবারক হোসেন (১১) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে শিকল দিয়ে তিন দিন বেঁধে রেখে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

স্বজনদের এ অভিযোগের পর কদিমপাড়া বুড়া দেওয়ান নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হাফেজ আবদুল মমিন, অভিযুক্ত শিক্ষক পিয়ারুল ইসলামসহ তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাড়ি আটঘরিয়া উপজেলার বাঁচামরা গ্রামে। তার বাবা নজরুল ইসলাম ও মা মুর্শিদা খাতুন জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের সময় মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে খালার বাড়িতে যায় মোবারক। সেখান থেকে বুঝিয়ে গত বুধবার তাকে মাদ্রাসায় ফেরত পাঠানো হয়। মাদ্রাসায় যাওয়ার পর তাকে লোহার শিকল দিয়ে তিন দিন ধরে বেঁধে রেখে নির্মমভাবে পেটানো হয়। এক পর্যায়ে শুক্রবার স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তাদের খবর দেন।

ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীর বাবা-মা।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবীর জানান, খবর পেয়ে মাদ্রাসার শিক্ষকদের থানা হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। এখনো মামলা করেননি স্বজনরা।

শেয়ার করুন

মন্তব্য