20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
মুহুরী হত্যার রায় সংশোধন, আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড

অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী

মুহুরী হত্যার রায় সংশোধন, আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড

চট্টগামের নাজিরহাট কলেজের অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী হত্যা মামলার রায় সংশোধন করে তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের সঙ্গে অর্থদণ্ড দিয়েছে আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার সকালে বিচারপতি ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। বেঞ্চের অন্য বিচারকরা হলেন-বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী।

রায়ের শুরুতে বিচারপতি ইমান আলী বলেন, ‘গত ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার আমরা যে রায় দিয়েছি, সেখানে অসাবধানতাবশত জরিমানা আরোপ করা হয়নি। সে জন্য রায়টি মোডিফাই (সংশোধন) করা হলো।’

পরে আদালত আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া তিন আসামির প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করে, অনাদায়ে আরও একবছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন- তসলিম উদ্দীন ওরফে মন্টু, মোহাম্মদ আজম ও আলমগীর কবির ওরফে বাইট্টা আলমগীর।

৬ অক্টোবর গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী হত্যায় এই ৩ আসামিকে ফাঁসির সাজা থেকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয় আপিল বিভাগ।

আদালতের আসামিপক্ষে ছিলেন খোন্দকার মাহবুব হোসেন ও হেলাল উদ্দিন মোল্লা। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত।

২০০১ সালের ১৬ নভেম্বর সকালে চট্টগ্রামের জামাল খান রোডের বাসায় ঢুকে অস্ত্রধারী ক্যাডাররা গোপাল কৃষ্ণ মুহুরীকে হত্যা করে। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ২০০৩ সালে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এরপর ২০০৫ সালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নাছির র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হন। পরে ২০০৬ সালে হাইকোর্টের রায়ে তিন জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। সর্বশেষ আপিলে বিচার শেষে আপিল বিভাগ তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড থেকে কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয় ।

এজেডকে/

শেয়ার করুন