20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে শঙ্কা

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে শঙ্কা

সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে অভিমত এসেছে এক আলোচনা সভায়। তবে আসছে শীতকালে দ্বিতীয় ঢেউয়ে এই ভাইরাসের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন বক্তারা। তারা বলেছেন, এই বিষয়ে এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে ওয়েস্টিন হোটেলে ‘করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় প্রস্তুতি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বিশেষ অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি এম এ মুবিন।

মুল প্রবন্ধে অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী আমাদের দেশে এখনো শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে নামেনি। সুতরাং এটা বলার সুযোগ নেই আমাদের প্রথম ঢেউ শেষ হয়েছে। তারপরও হয়তো আসন্ন শীতের প্রস্তুতি হিসেবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমাদের এখনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। পূর্ব অভিজ্ঞতা বলে, শীতে অবস্থা খারাপ হতে পারে, এজন্য প্রস্তুতি চলছে। আমরা বসে নেই।’

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এনায়েত হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রথম ঢেউ সফলভাবে মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি। সবার চেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে। এখন দ্বিতীয় ধাপে এই ঢেউ আসলে সবাই মিলে সেটাও মোকাবেলা করার ব্যাপারে আমরা আত্মবিশ্বাসী।’

জনগণ এখন অনেক বেশি সচেতন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ঢেউ নিয়ে আমরা যেটা বলছি, তার বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি আমি দেখি না। প্রস্তুতি রাখতে হবে, আসলে মোকাবেলা দরকার। না আসলে ভালো।’

স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব মো. আলী নূর বলেন, দ্বিতীয় ঢেউ আসবে কি না- সেটা নিয়ে নিশ্চিত না হওয়া গেলেও সচেতনতা দরকার। প্রথমে তো অবস্থা খারাপ ছিল সেটা মানতেই হবে।

প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সরঞ্জামের অভাব ছিল, সেটা এখন নেই। উপজেলায় পর্যন্ত সক্ষমতা অর্জন হয়েছে। সুতরাং এখন ভয়ের কিছু নেই।’

এসময় অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বিপিএমসিএকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

সীমিত সম্পদ ও জ্ঞান নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘আগে একটা ল্যাব ছিল। এখন ১০৭ ল্যাব, কিন্তু পরীক্ষা ১০-১২ হাজারের বেশি হয় না।’

শেয়ার করুন